| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
   * রেমিট্যান্স পাঠানোয় ঘোপলা প্রবাসীদের ব্যাংকে   * ফরিদপুরে পৃথক তিনটি সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ১০, আহত ২৫   * রাজবাড়ী থেকে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার   * রাজবাড়ীতে নতুন ৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি   * গোয়ালন্দে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় বাস চালকের মৃত্যু   * ফরিদপুর জেলার নগরকান্দায় আদালতের আদেশ অমান্য করে নির্মান হচ্ছে গ্রামীনফোন টাওয়ার   * ভারত থেকে মানহীন বাস-ট্রাক আমদানি করছে বিআরটিসি   * ‘জয় শ্রী রাম’ বলেও জীবন বাঁচাতে পারল না মুসলিম ছেলেটা   * ভালোবাসা হৃদয় না বিজ্ঞানের খেলা!   * ব্যাংক বুথে ডিজিটাল জালিয়াতি: ৬ বিদেশি রিমান্ডে  

   সাক্ষাৎকার
  একজন মানবিক মেয়র
  3, December, 2017, 1:25:15:PM

ঘড়ি প্রতীক নিয়ে, সময়কে বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে, নগরপিতার মুকুট পরেছিলেন একজন যাদুকর। তার কণ্ঠে এক অনন্য ছন্দময়তা। প্রত্যয়দীপ্ত উচ্চারণ। আশাবাদী উচ্চারণ। তিনি গণমানুষকে এক বদলে যাওয়া ঢাকার স্বপ্নের গল্প শোনালেন। সে গল্পের নাম রাখা হলো, ‘সমাধান যাত্রা’। সময়টা ২০১৫ এপ্রিল মাস। যন্ত্রণা বয়ে বেড়ানো ঢাকাবাসী তখন একজন আস্থাবান মানুষকে খুঁজছিল। একজন যোগ্য নেতাকে খুঁজছিল। একজন যোগ্য পিতাকে খুঁজছিলেন। ঠিক সে সময় গণমানুষের প্রতিচ্ছবি হয়ে রাজনীতিতে এলেন আনিসুল হক। পেশায় ব্যবসায়ী। যে নামের মধ্যে ঢাকাবাসী পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখতে থাকলো। সমাধানের সব সূত্র খুঁজে পেল।

দলমত ভেদে সবাই আনিসুল হককে ঢাকা বিনির্মাণের মহানায়ক মনে করলেন। যদিও আনিসুল হক বলতেন, আমি নগর পিতা নই। আমি আপনাদেরই একজন। আপনারা জিতলে আমি জিতবো। আপনারা হারলে আমিও হেরে যাবো। নিজের চোখে কোটি মানুষের স্বপ্ন গাঁথলেন আনিসুল হক। এগিয়ে চললেন সামনে। আলোর পথে এগিয়ে চললেন। সমাধানের পথে এগিয়ে চললেন। ঢাকাকে সুন্দর করার পথে এগিয়ে চললেন। কিন্তু সে চলা শেষ না করেই ছেড়ে গেলেন আমাদের।

নির্বাচিত হওয়ার কয়েকমাসের মধ্যে, তিনি তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ডের সামনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেন। দখলমুক্ত করেন সড়ক। যে কাজ করতে গিয়ে তিনি প্রথম প্রতিরোধের মুখোমুখি হন। চালকদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। কিন্তু থেমে যাননি। ভয়, হুমকি কোন কিছুই তাকে অবস্থান থেকে সরাতে পারেনি। চলতে থাকে ঢাকাকে যানজটমুক্তকরণ কাজ। এগিয়ে চলে ঢাকাকে বাসযোগ্যকরণ কাজ। গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকায় বিশেষ রঙের রিকশা চালু করেন।

‘ঢাকা চাকা’ নামে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস সেবা চালু হয় উত্তর ঢাকায়। গুলশান এলাকায় গণপরিবহনের চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েন। কিন্তু থেমে যাননি। বিমানবন্দর সড়কে যানজট কমাতে মহাখালী থেকে উত্তরা পর্যন্ত ১১টি ইউটার্ন নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এছাড়া ঢাকাকে সুন্দর করার আরও অসংখ্য উদ্যোগ আজ চলমান। শুধু তিনি নেই।

ব্যবসায়ীদের রাজনীতিতে আসা আমরা অনেকেই পছন্দ করি না। সমালোচনা করি। খারাপভাবে ব্যাখ্যা করি। কিন্তু আনিসুল হককে রাজনীতিতে পেয়ে সমালোচকরাও চুপ রইলো। সবাই তার ভেতরে ঢাকা শহরের ৪০০ বছরের পুরোনো সমস্যার সমাধান দেখতে পেল। রাজনীতিতে তার আগমন ছিল কিছুটা আকস্মিক। তাই তো আনিসুল হক প্রায়ই বলতেন, শেখ হাসিনার এক ফুঁয়ে তিনি নেতা হয়ে গেলেন।

জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হয়ে কাজ শুরু করেন। কিন্তু আনিসুল হক, কাজ শুরু করে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ঢাকা শহরের সমস্যাগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে চিহ্ণিত করতে পেরেছিলেন। তাই তো তার কাজ শুরু হয়েছিল সমাধান দিয়ে। সমস্যা চিহ্ণিতকরণ দিয়ে নয়। ফলে তিনি অন্যসবার চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। তিনি তার নির্বাচনী ইশতেহারে ছয়টি কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। যে কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারলে হয়তো ঢাকা শহর হয়ে উঠতো ‘পরিচ্ছন্ন-সবুজ-আলোকিত-মানবিক ঢাকা’।
আনিসুল হক তার নির্বাচনী ইশতেহারে ঢাকা শহরের মানুষের মুক্তির কথা বলেছিলেন। আমাদের অপেক্ষাটা ছিল তা বাস্তবায়নের। তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার ছিল মাত্র ১১ পৃষ্ঠার। যার প্রতিটি শব্দ ছিল প্রত্যয়ী ও সাহসী। প্রতিটি শব্দ ছিল গণমানুষের কাছে স্বপ্নসমান। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করবেন। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর করবেন।

যানজটে অচল হয়ে যাওয়া ঢাকাকে আবার সচল করবেন। ঢাকাকে মানবিক বোধসম্পন্ন করে তুলবেন। স্মার্ট ও ডিজিটাল ঢাকা গড়ার স্বপ্নও দেখতেন তিনি। স্বপ্ন দেখতেন অংশগ্রহণমূলক ও সুশাসিত ঢাকা গড়ার। এইসব স্বপ্নের কোনোটিই তাঁর কাছে অলীক নয়। এইসব স্বপ্ন তিনি শুধু দেখতেনই না। বরং কিভাবে তা বাস্তবায়ন করবেন তার একটি রূপরেখাও তিনি দাঁড় করিয়েছিলেন।

আনিসুল হকের পরিচয়ের শুরুটা টিভি উপস্থাপক হিসেবে। ১৯৯৫ সালে বিটিভিতে প্রচারিত জলসা অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন তিনি। তার উপস্থাপনায় আনন্দমেলা ও অন্তরালে অনুষ্ঠান দুটি সেসময় বেশ জনপ্রিয়তা পায়। লেখাপড়া করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। অর্থনীতি বিষয়ে। কিছুদিন চাকরী করেন। আশির দশকে জড়িয়ে পড়েন ব্যবসায়ে। ব্যবসায়ী মানুষরা সাধারণত একটু কম রসবোধের হয়।

কিন্তু তিনি সেরকম ছিলেন না। ছিলেন অন্যরকম। অসাধারণ করে কথা বলতেন। জ্ঞানগর্ভ কথা বলতেন। তাঁর বলায় ছিল দর্শন। কেমন যেনো এক সম্মোহন ছিল তাতে। তিনি মানুষকে কল্পলোকে নিয়ে যেতে পারতেন। আনিসুল হক ২০০৫-০৬ সালে বিজিএমইএর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে তিনি হন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি। ব্যবসায়ী হয়ে তিনি কিভাবে জাদুময় কথা বলতেন তা আজও অনেকের কাছে বিস্ময়। তিনি মানুষকে স্বপ্ন দেখাতে পারতেন। তিনি বদলে দেওয়ার কথা বলতেন। অসুন্দরকে জয় করার কথা বলতেন।

অবশ্য শেষজীবনে তাকে আর ব্যবসায়ী হিসেবে তাকে আর দেখা যায় নি। দেখা গেছে নেতা হিসেবে। একজন সুভাষী হিসেবে। একজন বক্তা হিসেবে। তিনি মানুষকে ঐতিহাসিক ঢাকা শহরের পরতে পরতে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস, ঐতিহ্য পুনঃবিনির্মাণের গল্প বলতেন। যে গল্পের বাস্তবায়ন অপূর্ণই রয়ে গেল।

তাঁর গল্পগুলোর মধ্যে মানবিক ঢাকা বিনির্মাণের গল্পটা ছিল বেশি সুন্দর। তিনি বলতেন, ঢাকা হবে গরিব-ধনী সবার জন্য মানবিক এক শহর। মানুষের অধিকার থাকবে সুরক্ষিত। ঢাকা উত্তর হবে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান উপযোগী একটি নগরী। কর্মজীবী মায়েদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টারের কথা বলতেন তিনি। গার্মেন্টস, পরিবহনসহ অন্যান্য খাতের শ্রমজীবী ও স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য স্বল্প আয়ের আবাসনের চিন্তা ছিল তার পরিকল্পনায়।

সিটি কর্পোরেশনের অনুদান তহবিল প্রতিষ্ঠা ও ডিএনসিসির উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় এবং কারিগরি ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা স্বপ্নও তিনি দেখতেন। তিনি আশাবাদী ছিলেন, সবাই মিলে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ ঢাকা গড়ে তুলতে পারব আমরা। দায়িত্ব পালনে তিনি সবসময় নিজেকে নিরপেক্ষ রেখেছেন। তিনি বলতেন, নগর ভবন কোনো দলীয় কার্যালয় হবে না। সবার অংশগ্রহণে ঢাকা পরিচালিত হওয়ার কথা বলতেন তিনি। বলতেন, আমি নগরীর পিতা নই, আমি আপনাদের বন্ধু।

আনিসুল হকরা ক্ষণজন্মা। সমাধানযাত্রার মহাপ্রত্যয় নিয়ে তার আগমন। কিন্তু বড় বেশি দ্রুত চলে গেলেন তিনি। এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো বাংলাদেশের। এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো, ঢাকার পরিবর্তনযাত্রায়। আনিসুল হক ঢাকার অসুন্দরের সময় চাকাকে ঘুরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। চেয়েছিলেন সুন্দরের সুবাতাস বয়ে দিতে। শেষ হলো না সেই স্বপ্নযাত্রা। মাত্র ৬৫ বছর বয়সেই চলে যেতে হলো তাঁকে। তবে রেখে গেলেন একরাশ স্বপ্নের পথরেখা। যে পথরেখা বদলে দিতে পারে ঢাকাকে। বদলে দিতে পারে আমাদের। আনিসুল হকরা মরেন না। বেঁচে থাকেন। বেঁচে থাকবেন বহুদিন, অন্যের মাঝে। আমাদের রাজধানীর উন্নয়নের মাঝে।
আনিসুল হক নেই। এই খবরটির জন্য আমরা প্রস্তুত নই। ছিলামও না। স্বপ্নযাত্রার মহানায়কের জন্য শান্তি কামনা।

আনিসুল হকের মতো প্রত্যয়ী, প্রতিশ্রুতিশীল ও সাহসী মানুষের পথরেখায় বিনির্মিত হোক মানবিক ঢাকা। বিনির্মিত হোক মানবিক বাংলাদেশ।
উমর ফারুক : অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।



       
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     সাক্ষাৎকার
বাঙালির প্রাণের উৎসব বৈশাখ
.............................................................................................
‘পাচার হওয়া টাকা দিয়ে ১১টি পদ্মা সেতু বানানো যেত’
.............................................................................................
বাংলাদেশের মানুষ টাকা পাচার করছে কেন তা নিয়ে চিন্তা করা উচিত : অধ্যাপক আবু আহমেদ
.............................................................................................
তার দেখানো পথই বাংলাদেশকে উন্নত করে তুলেছে
.............................................................................................
একাত্তরেই বাংলাদেশ দখল করা উচিত ছিল: বিজেপি নেতা
.............................................................................................
শিক্ষা দিতে হবে জ্ঞানভিত্তিক, পরীক্ষাভিত্তিক নয়
.............................................................................................
নির্বাচনী ব্লুপ্রিন্ট বাস্তবায়ন করছে সরকার : অামীর খসরু মাহমুদ
.............................................................................................
দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার অভাব
.............................................................................................
জয়তু একুশ, জয়তু মাতৃভাষা
.............................................................................................
একটি ঘটে যাওয়া ঘটনা এবং তার ভিন্নতর প্রকাশ….
.............................................................................................
সাগর-রুনি হত্যারও বিচার হবে
.............................................................................................
বিরোধী দলের মতপ্রকাশ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের অধিকার খর্ব করছে সরকার
.............................................................................................
বই পড়ি, স্বদেশ গড়ি
.............................................................................................
সৌদি আরবে ১৪৭ বছর বয়সে সবচেয়ে বয়স্ক মানুষের মৃত্যু
.............................................................................................
এশিয়ায় সবচেয়ে কম মজুরি পায় বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিক
.............................................................................................
চুপ থাকা নীতি লাভবান করবে বিএনপিকে
.............................................................................................
জনগণের সেবা করতে সুযোগ চাই ---- আব্দুল মালেক
.............................................................................................
রংপুর সিটি নির্বাচন : ভোটারদের বলবো ফৌজদারি মামলার আসামিদের ভোট দিবেন না : ড. তোফায়েল আহমেদ
.............................................................................................
সন্তানকে করে তুলুন আত্মবিশ্বাসী
.............................................................................................
মন ভালো করার কার্যকরী উপায়
.............................................................................................
যার হিসাব নেয়া হবে তার ধ্বংস অনিবার্য
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু অল্প সময়ে দেশকে সঠিক পথে নিয়ে এসেছিলেন
.............................................................................................
স্বাধীনতার ৪৬ বছর : প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি
.............................................................................................
‘যুক্তফ্রন্ট’ কি রাজনীতিতে নতুন কিছু যুক্ত করতে পারবে!
.............................................................................................
মাদক থেকে মুক্তির উপায় পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়া
.............................................................................................
সয়াবিন আমদানি করছে ইরান
.............................................................................................
বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের ভালো অবস্থা বিরাজমান
.............................................................................................
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষকদের আসতে হবে
.............................................................................................
একজন মানবিক মেয়র
.............................................................................................
দেশের মানুষ কতকাল মুখ বুজে থাকবে?
.............................................................................................
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের পথ দীর্ঘ করতেই সমঝোতার ফাঁদ পেতেছে মিয়ানমার : রুহিন হোসেন প্রিন্স
.............................................................................................
সব দলই শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক প্রোগ্রামে নেয়
.............................................................................................
একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের সম্ভাবনা কতটুকু
.............................................................................................
সঙ্গীতের উজ্জ্বল নক্ষত্র বারী সিদ্দিকী
.............................................................................................
৭ মার্চের ভাষণ : বিশ্বের গণতন্ত্রকামী মানুষের আপন কথা
.............................................................................................
কবে আমাদের হুঁশের বয়স হবে?
.............................................................................................
ইতিবাচক ধারায় ফিরছে আমাদের রাজনীতি?
.............................................................................................
কেয়ামতে বর্ণনা যেভাবে এসেছে
.............................................................................................
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষকদের আসতে হবে
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে এ সম্মেলন চলমান প্রক্রিয়াকে আরও বেগবান করবে
.............................................................................................
বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব থাকতে হবে
.............................................................................................
সবাই একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন চায়
.............................................................................................
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাই, মনের দুঃখ-কষ্টের কথাগুলো বলতে চাই
.............................................................................................
কাতালোনিয়ানদের স্বাধীনতার দাবি বাস্তবে রূপ দেওয়া অনেক জটিল ও রক্তক্ষয়ী হতে পারে
.............................................................................................
নারী নির্যাতন বন্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে
.............................................................................................
খান আতাকে আপনি রাজাকার বললেন কোন হিসেবে?
.............................................................................................
ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতৃত্ব নিয়মিত ছাত্রদের হাতে তোলে দেওয়ার ব্যাপারে সবাইকে ঐকমত্যে আসতে হবে
.............................................................................................
রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতের সমর্থন আদায় সরকারের কূটনৈতিক সফলতা
.............................................................................................
স্কুল নিবন্ধন করতেই হবে
.............................................................................................
খান আতা কীভাবে রাজাকার!
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক : জাকির এইচ. তালুকদার ।     [সম্পাদক মন্ডলী ]
সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ০১৭১৩৫৯২৬৯৬ , ই-মেইল: dtvbanglahr@gmail.com
   All Right Reserved By www.dtvbangla.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]