বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
   * ঈদে ৭ দিন বন্ধ থাকবে বুড়িমারী স্থলবন্দর   * দেশে কমেছে কোটিপতির সংখ্যা   * গাবতলীতে যাত্রী বেশি হলেই ‘বাড়তি ভাড়া আদায়’   * স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষায় গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর দাবি   * শরিকদের কোন কোন মন্ত্রণালয় দিলো বিজেপি   * একমাত্র পশুহাট পরিচালনা করবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নিজেই   * হজ পালনে সৌদির পথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী   * তীব্র গরমে নাজেহাল পশ্চিমবঙ্গবাসী   * হাসপাতালে ভর্তি কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা, যুবক গ্রেফতার   * ব্যাংক-জ্বালানি খাতের মতো রোগাক্রান্ত ফুসফুস মেরামতে বার্তা নেই  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
দেশে কমেছে কোটিপতির সংখ্যা

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

দেশে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা কয়েক দফা বাড়ার পর এবার কমেছে। এসব হিসাবে টাকার রাখার পরিমাণও কমেছে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছে, নানা কারণে ব্যাংক খাতের ওপর মানুষের আস্থা কমেছে। যার প্রভাব পড়ছে সব শ্রেণির আমানতকারীর ওপর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ সময়ে) কোটি টাকার ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ১৮টি। পাশাপাশি আমানত কমেছে ১ হাজার ৩১২ কোটি টাকা। মার্চ পর্যন্ত ১ কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে এমন ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা রয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৯০টি। কোটি টাকার ওপরে এসব ব্যাংক হিসাবে ৭ লাখ ৪০ হাজার ১৫০ কোটি টাকা জমা আছে। গত বছরের (২০২৩ সাল) ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে ১ কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে এমন ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টি। এসব ব্যাংক হিসাবে মোট জমা ছিল ৭ লাখ ৪১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা।

সে হিসাবে তিন মাসের ব্যবধানে কোটিপতিদের হিসাব সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ১৮টি, আর তাদের অ্যাকাউন্টে আমানত কমেছে ১ হাজার ১১ কোটি।

আলোচিত মার্চ প্রান্তিক শেষে ব্যাংক খাতে মোট আমানতকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭১ হাজার ২০২ টি। এসব হিসাবের বিপরীতে আমানত জমা রয়েছে ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা।

তবে কোটি টাকার হিসাব মানে কোটিপতি নাগরিকের হিসাব নয়। অনেক ব্যক্তিই যেমন ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ রাখেন, তেমনি অনেক প্রতিষ্ঠানও ব্যাংকে কোটি টাকা জমা করে। অর্থাৎ কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব বলতে যুগপৎ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়ই। তাছাড়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কতটি ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবে, তারও নির্দিষ্ট সীমা নেই। এতে করে এক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির একাধিক হিসাবও রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং নানা সংস্থার কোটি টাকার হিসাবও রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক তথ্য বলছে, চলতি বছরের মার্চ প্রান্তিক শেষে এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকার আমানতকারীর হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১ হাজার ৬২৩টি, এসব হিসাবে জমা ছিল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৫১৭ কোটি টাকা। পাঁচ কোটি ১ টাকা থেকে ১০ কোটি টাকার ১২ হাজার ৪৪৬টি হিসাবে জমার পরিমাণ ৮৮ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা।

গত ২০২৩ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকার আমানতকারীর হিসাব সংখ্যা ছিল ৯২ হাজার ৫১৬টি। যেখানে জমার পরিমাণ ছিল এক লাখ ৯৪ হাজার ৩৩৬ কোটি টাকা। আর পাঁচ কোটি ১ টাকা থেকে ১০ কোটির ১২ হাজার ৬৫২টি হিসাবে জমার পরিমাণ ছিল ৮৯ হাজার ৪৫১ কোটি টাকা।

আলোচিত সময়ে ১০ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকার হিসাবের সংখ্যা রয়েছে ৪ হাজার ৩৯৬টি, ১৫ কোটি থেকে ২০ কোটির মধ্যে ১ হাজার ৯৬১টি, ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটির মধ্যে ১ হাজার ২১১টি, ২৫ কোটি থেকে ৩০ কোটির মধ্যে রয়েছে ৮৭৫ টি আমানতকারীর হিসাব। আর ৩০ কোটি থেকে ৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ৫০১টি এবং ৩৫ কোটি থেকে ৪০ কোটির মধ্যে রয়েছে ৩৬৯টি, ৪০ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা ৬৮১টি।

৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হিসাবের সংখ্যা ১ হাজার ৮২৬টি। যা গত ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে ১০ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকার হিসাবের সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৮২টি, ১৫ কোটি থেকে ২০ কোটির মধ্যে ২ হাজার ২টি, ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটির মধ্যে ১ হাজার ৩৪৫টি, ২৫ কোটি থেকে ৩০ কোটির মধ্যে ছিল ৯১২টি আমানতকারীর হিসাব। এছাড়া ৩০ কোটি থেকে ৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ৫১২টি, ৩৫ কোটি থেকে ৪০ কোটির মধ্যে ছিল ৪৮০টি, ৪০ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা ছিল ৭৩৮টি এবং ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৮১২টি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য চিত্রে দেখা যায়, ১৯৭৫ সালে কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব ছিল মাত্র ৪৭টি, ২০১৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৭ হাজার ৫১৬টি। বৈশ্বিক মহামারি করোনার শুরুতে ২০২০ সালের মার্চে এই সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৬২৫, বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজারে ৮৯০টিতে দাঁড়িয়েছে।

দেশে কমেছে কোটিপতির সংখ্যা
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

দেশে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা কয়েক দফা বাড়ার পর এবার কমেছে। এসব হিসাবে টাকার রাখার পরিমাণও কমেছে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছে, নানা কারণে ব্যাংক খাতের ওপর মানুষের আস্থা কমেছে। যার প্রভাব পড়ছে সব শ্রেণির আমানতকারীর ওপর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ সময়ে) কোটি টাকার ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ১৮টি। পাশাপাশি আমানত কমেছে ১ হাজার ৩১২ কোটি টাকা। মার্চ পর্যন্ত ১ কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে এমন ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা রয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৯০টি। কোটি টাকার ওপরে এসব ব্যাংক হিসাবে ৭ লাখ ৪০ হাজার ১৫০ কোটি টাকা জমা আছে। গত বছরের (২০২৩ সাল) ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে ১ কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে এমন ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টি। এসব ব্যাংক হিসাবে মোট জমা ছিল ৭ লাখ ৪১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা।

সে হিসাবে তিন মাসের ব্যবধানে কোটিপতিদের হিসাব সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ১৮টি, আর তাদের অ্যাকাউন্টে আমানত কমেছে ১ হাজার ১১ কোটি।

আলোচিত মার্চ প্রান্তিক শেষে ব্যাংক খাতে মোট আমানতকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭১ হাজার ২০২ টি। এসব হিসাবের বিপরীতে আমানত জমা রয়েছে ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা।

তবে কোটি টাকার হিসাব মানে কোটিপতি নাগরিকের হিসাব নয়। অনেক ব্যক্তিই যেমন ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ রাখেন, তেমনি অনেক প্রতিষ্ঠানও ব্যাংকে কোটি টাকা জমা করে। অর্থাৎ কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব বলতে যুগপৎ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়ই। তাছাড়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কতটি ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবে, তারও নির্দিষ্ট সীমা নেই। এতে করে এক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির একাধিক হিসাবও রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং নানা সংস্থার কোটি টাকার হিসাবও রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক তথ্য বলছে, চলতি বছরের মার্চ প্রান্তিক শেষে এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকার আমানতকারীর হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১ হাজার ৬২৩টি, এসব হিসাবে জমা ছিল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৫১৭ কোটি টাকা। পাঁচ কোটি ১ টাকা থেকে ১০ কোটি টাকার ১২ হাজার ৪৪৬টি হিসাবে জমার পরিমাণ ৮৮ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা।

গত ২০২৩ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকার আমানতকারীর হিসাব সংখ্যা ছিল ৯২ হাজার ৫১৬টি। যেখানে জমার পরিমাণ ছিল এক লাখ ৯৪ হাজার ৩৩৬ কোটি টাকা। আর পাঁচ কোটি ১ টাকা থেকে ১০ কোটির ১২ হাজার ৬৫২টি হিসাবে জমার পরিমাণ ছিল ৮৯ হাজার ৪৫১ কোটি টাকা।

আলোচিত সময়ে ১০ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকার হিসাবের সংখ্যা রয়েছে ৪ হাজার ৩৯৬টি, ১৫ কোটি থেকে ২০ কোটির মধ্যে ১ হাজার ৯৬১টি, ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটির মধ্যে ১ হাজার ২১১টি, ২৫ কোটি থেকে ৩০ কোটির মধ্যে রয়েছে ৮৭৫ টি আমানতকারীর হিসাব। আর ৩০ কোটি থেকে ৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ৫০১টি এবং ৩৫ কোটি থেকে ৪০ কোটির মধ্যে রয়েছে ৩৬৯টি, ৪০ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা ৬৮১টি।

৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হিসাবের সংখ্যা ১ হাজার ৮২৬টি। যা গত ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে ১০ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকার হিসাবের সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৮২টি, ১৫ কোটি থেকে ২০ কোটির মধ্যে ২ হাজার ২টি, ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটির মধ্যে ১ হাজার ৩৪৫টি, ২৫ কোটি থেকে ৩০ কোটির মধ্যে ছিল ৯১২টি আমানতকারীর হিসাব। এছাড়া ৩০ কোটি থেকে ৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ৫১২টি, ৩৫ কোটি থেকে ৪০ কোটির মধ্যে ছিল ৪৮০টি, ৪০ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা ছিল ৭৩৮টি এবং ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৮১২টি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য চিত্রে দেখা যায়, ১৯৭৫ সালে কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব ছিল মাত্র ৪৭টি, ২০১৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৭ হাজার ৫১৬টি। বৈশ্বিক মহামারি করোনার শুরুতে ২০২০ সালের মার্চে এই সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৬২৫, বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজারে ৮৯০টিতে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষায় গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর দাবি
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষা ও উন্নয়নে কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় শিল্পমালিক ও ব্যবসায়ীরা। সোমবার (১০ জুন) স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষা ও উন্নয়ন বিষয়ক এফবিসিসিআইর স্ট্যান্ডিং কমিটির এক সভায় এ আহ্বান জানান তারা। এসময় ব্যবসায়ীরা স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণ প্রাপ্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, সম্ভাবনাময় খাত হওয়া সত্ত্বেও স্থানীয় শিল্পখাত নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত না করার কারণে শিল্পের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এই খাতের ব্যবসায়ীরা। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানির অভাবে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। আর এর ফলে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক শিল্পকারখানা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এতে স্থানীয় শিল্পদ্যোক্তারা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন ব্যবসায়ীরা।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি অংশ নেন এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম। তিনি বলেন, উন্নত বাংলাদেশ গঠনে স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষায় গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে আমাদের। এবারের বাজেটে এ বিষয়ে কিছু নীতিমালা নেওয়া হয়েছে। এফবিসিসিআইও এ বিষয়ে কাজ করছে। এসময় স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষায় ব্যাংকগুলোর প্রতি আরও বেশি সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি এসব শিল্পে দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ওপর জোর দেন এফবিসিসিআই সভাপতি।

সভায় এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, একসময় উন্নত মানের কাপড়সহ বাংলাদেশের মানুষের ব্যবহৃত প্রায় সব জিনিসই আমদানি করা হত। এখন এগুলোর প্রায় সবই দেশে উৎপাদিত হয়। স্থানীয় শিল্পকে বিকাশে নীতিগত সহায়তা প্রদানে সরকারের সঙ্গে এফবিসিসিআই কাজ করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান ও মাধবদি ডাইং ফিনিশিং মিলস লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নিজাম উদ্দিন ভুঁইয়া লিটন, সিআইপি। নতুন শিল্পদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে স্থানীয় শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর দাবি জানান তিনি।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআইর পরিচালক আলহাজ্ব আজিজুল হক, হাফেজ হাজী হারুন অর রশীদ, হাজী মো. আবুল হাশেম, কমিটির কো-চেয়ারম্যানবৃন্দ ও সদস্যবৃন্দ।

ব্যাংক-জ্বালানি খাতের মতো রোগাক্রান্ত ফুসফুস মেরামতে বার্তা নেই
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

ব্যাংক ও জ্বালানি খাতকে রোগাক্রান্ত ফুসফুস উল্লেখ করে অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, রোগাক্রান্ত ফুসফুস মেরামতের কোনো বার্তা এই বাজেটে নেই।

সোমবার (১০ জুন) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টার ইনে ‘জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫ ও বিরাজমান পরিস্থিতি অসুবিধাগ্রস্ত মানুষের প্রাপ্তি’ শীর্ষক এক ব্রিফিংএ মন্তব্য করেন তিনি। মিডিয়া ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ক্ষমতা এবং তা বাস্তবায়নে যে রাজনীতি হচ্ছে তা নিঃসন্দেহে পিছিয়ে পড়া মানুষের পক্ষে যাচ্ছে না। বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে কিন্তু সেগুলো মানুষের জন্য হচ্ছে না, হচ্ছে কিছু ব্যক্তির জন্য। ব্যাংক এবং জ্বালানি খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল আমাদের জন্য এবার। একদম শরীরের ফুসফুসের মতো। কিন্তু এগুলো মেরামতের কোনো কথা কিন্তু বাজেটে নেই।

তিনি আরও বলেন, ব্যক্তি প্রভাব বাড়াতেই এগুলো মেরামতে মনোযোগ নেই সরকারের। কারণ, তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে সেই নির্দিষ্ট সাধারণ মানুষ নয়। গুরুত্বপূর্ণ সেই প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ঠিক করছে কি করতে হবে আর কি করা যাবে না। সাধারণ মানুষের ভালো খারাপ উপেক্ষিতই থেকেই যাচ্ছে এই বাজেটে।

এখন যেই বাজেট দেওয়া হলো তাও কি বাস্তবায়িত হবে। এটাই তো প্রশ্ন। যতটুকু আছে তাও যদি বাস্তবায়ন করতে হয় তাহলে জবাবদিহিতা এবং সুশাসনের বিকল্প নেই। জবাবদিহিতা নিশ্চিতে আইনে পরিবর্তন আসতে পারে, যোগ করেন দেবপ্রিয়।

এবারের বাজেট উচ্চাভিলাসী, ফাঁকা বুলির বাজেট জানিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এবারের বাজেট উচ্চাভিলাসী, ফাঁকা বুলির বাজেট। এটাকে আপনি শুভঙ্করের ফাঁকিও বলতে পারেন। এই বাজেটে পিছিয়ে পড়া মানুষ আরও পিছিয়ে পড়বে। ছোট ব্যবসায়ীরা হোস্টাইল হবে। এই বাজেট সামনের দিনে ধনী গরিব বৈষম্য আরও বাড়িয়ে দেবে। দুর্নীতির মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেবে এবারের বাজেট।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমি আমার পরবর্তী প্রজন্মের কাছে ক্ষমা চাই। আমি আর এখন নতুন প্রজন্মকে বলতে পারবো না তোমরা সৎ থাকো, ন্যায়ের পথে আয় কর, কোনো দুর্নীতিতে জড়িয়েও না। কিন্তু এই কথাগুলো বলার অধিকার রাষ্ট্র আমার থেকে কেড়ে নিয়েছে। এখন যে কেউ দেখবে এই দেশে সৎ থাকলে ক্ষতি বেশি কিন্তু দুর্নীতিবাজ হলে আয়ও বেশি লাভ বেশি।

গণস্বাক্ষর অভিযানের ডেপুটি ডিরেক্টর ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সরকার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে স্বার্ট শিক্ষাব্যবস্থা ছাড়া কীভাবে হবে। বিনিয়োগ না বাড়ালে তা কীভাবে হবে। আপনার স্মার্ট শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করতে হলে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং শিক্ষা উপকরণে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এটি না হলে আমাদের শিক্ষা গুণগত শিক্ষা হয়ে উঠবে না।

ভিড় নেই শপিংমলে, এখনো জমেনি ঈদের কেনাকাটা
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

আর মাত্র এক সপ্তাহ পর ঈদুল আজহা। মুসলমানদের অন্যতম প্রধান এ ধর্মীয় উৎসবে একে-অন্যের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেবে সবাই। যে কোনো উৎসবে নতুন পোশাকের চাহিদা থাকে সবারই। তবে ঈদ ঘনিয়ে এলেও এখনো জমে ওঠেনি রাজধানী বাড্ডার শপিংমল ও মার্কেটগুলো। ঈদের দুই-তিনদিন আগে ক্রেতা সমাগম ও বিক্রি বাড়বে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (৮ জুন) বিকেলে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার সুবাস্তু নজর ভ্যালি, হল্যান্ড সেন্টার সহ আশপাশের মার্কেট ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুম ঘুরে দেখা যায় এমন চিত্র।

সুবাস্তু নজর ভ্যালির নিচতলায় নারীদের থান কাপড়ের দোকান ও দ্বিতীয় তলায় পাওয়া যায় কসমেটিকস। শনিবার কসমেটিকসের দোকানে কিছু ক্রেতার দেখা মিললেও কাপড়ের দোকানে ক্রেতা ছিল না বললেই চলে। এ শপিং মলের জুতার দোকানগুলোতে তেমন একটা ভিড় দেখা যায়নি।

কথা হয় জুতার দোকানি মো. সামির সঙ্গে। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘রোজার ঈদের তুলনায় কোরবানির ঈদে বিক্রি সাধারণত কমই হয়। এরপরও ঈদের আগের তিনদিন কিছুটা ভালো বিক্রি হয়ে থাকে।’

বিক্রি কম হওয়ার কারণ হিসেবে সামি বলেন, ‘কোরবানির ঈদে তেমন নতুন কোনো পণ্য আসে না। এসময় বিদেশি পোশাকসহ অন্যান্য পণ্য আমদানিও কম হয়। এছাড়া রোজার ঈদে নতুন পোশাক কেনার পর কোরবানির ঈদে তেমন চাহিদা থাকে না। ফলে বিক্রিও কম হয়।’

বছরের অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় কোরবানির ঈদের সময় বিয়ের আয়োজন হয়ে থাকে বেশি। ফলে এ সময়ে বাড়ে সোনার গয়নার চাহিদা। তবে এখন পর্যন্ত জুয়েলারিতে ওভাবে বিক্রি বাড়েনি।

এমএল জুয়ালার্সের বিক্রেতা সোহান জানান, বর্তমানে সোনার দাম অনেক চড়া। দাম বেশি থানায় সোনার গয়নার চাহিদা কমে গেছে। ফলে সেভাবে বিক্রি হচ্ছে না।

সুবাস্তু নজর ভ্যালিতে কেনাকাটার জন্য আসেন সাইফ। বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা সাইফ তার তিন বছরের মেয়ের জন্য জামা কিনতে আসেন। পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য কী কিনেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রোজার ঈদে সবার জন্য কিনেছি। এখন তো আবার সবার জন্য বাজেট করা যাবে না। সংসারের খরচ যেভাবে বেড়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম অবস্থা। ঈদে যে বোনাস পেয়েছি তা কোরবানি দিতে আর বাড়িতে যাওয়া-আসায় শেষ হয়ে যাবে।’

হল্যান্ড সেন্টারে জেন্টস নামের এক দোকানের কর্মচারী আহমেদ বলেন, ‘এই মার্কেটে বেচা-বিক্রি তেমন নেই। একসময় খুব ভালো বিক্রি হলেও এখন তেমন একটা হয় না। তাছাড়া এমনিতেও কোরবানির ঈদে রোজার ঈদের মতো বিক্রি হয় না।’

প্রাণিসম্পদ খাতকে গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান মন্ত্রীর
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

প্রাণিসম্পদ খাতকে গণমাধ্যমে ভালোভাবে তুলে ধরলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে। এই খাতের সমস্যা-সম্ভাবনা তুলে ধরার মাধ্যমে সাংবাদিকরা শুধু প্রাণিসম্পদ খাতেরই উপকার করছে না, গোটা জাতির উপকার করছে।

বুধবার (৫ জুন) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ফিশারিজ অ্যান্ড লাইফস্টক জার্নালিস্ট ফোরামের (এফএলজেএফ) নতুন কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ আহ্বান জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আব্দুর রহমান।

মন্ত্রণালয়ের সচিব সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর বলেন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, সমুদ্রের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরকে আমরা উন্নয়নের নিয়ামক ভূমিকা হিসেবে ব্যবহার করতে পারি। কিন্তু সমুদ্র সম্পদের প্রাপ্যতা, উত্তোলন এবং ব্যবহার সম্পর্কে বাংলাদেশের পর্যাপ্ত দক্ষ জনবল এবং প্রযুক্তির অভাব রয়েছে। সমুদ্র থেকে মৎস্য আহরণ বৃদ্ধি করে সেটি বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পরিকল্পনা আছে আমাদের।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফিশারিজ অ্যান্ড লাইভস্টক জার্নালিস্ট ফোরামের সভাপতি এম এ জলিল মুন্না রায়হান, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান, অর্থ সম্পাদক শাহজাহান মোল্লা সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজীদ মুন্সী, দপ্তর সম্পাদক বেলাল হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য কাওসার আজম, ইসমাইল হোসাইন রাসেল, গৌতম ঘোষ।

বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি আবারও কমেছে। ব্যাংক ঋণের সুদহার বেড়ে যাওয়া, তারল্য সংকটের পাশাপাশি সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির প্রভাবে এমনটা হয়েছে বলে মনে করেন খাত সংশ্লিষ্টরা। এপ্রিলে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে ৯ দশমিক ৯০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এটি গত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। তবে গত মার্চে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হয় বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত মার্চে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি কিছুটা বাড়লেও এপ্রিলে তা কমে যায়। আলোচিত মাসটিতে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ। গত পাঁচ মাসের মধ্যে এ প্রবৃদ্ধি সর্বনিম্ন। এর আগের মাস মার্চে এ খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়ে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছিল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনায় উঠে আসে, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল ১১ শতাংশ। তবে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ঋণ বিতরণ না হওয়ায় অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে (জানুয়ারি-জুন) বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়। এ হিসাবে লক্ষ্যমাত্রায় না এলেও তার কাছাকাছি রয়েছে এপ্রিলে ঋণ বিতরণ।

এ বিষয়ে বেসরকারি ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জাগো নিউজকে জানান, গত রমজান ঘিরে আমদানি বেড়েছিল, এতে গত মার্চে ঋণ প্রবৃদ্ধিও বাড়ে। মাসটিতে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়ে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশে উন্নীত হয়, যা ছিল ৯ মাসে সর্বোচ্চ। তবে ঈদের পর বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীরা আমদানির ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করছেন। বিশেষত দেশের অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাজারের মন্থর গতির কারণে এমনটি করছেন তারা। যে কারণে ঋণের গতি কমিয়ে দিয়েছে।

২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১২ দশমিক ৬২ শতাংশ। এরপর থেকে টানা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে যায়। অক্টোবরে কিছুটা বেড়ে ১০ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ হয়, নভেম্বরে ফের কমে যায়। তবে নভেম্বরের তুলনায় ডিসেম্বরে মার্জিনাল প্রবৃদ্ধি হয়।

মুদ্রানীতিতে জুনে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১১ শতাংশ। সর্বোপরি অর্থ সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৯ দশমিক ৭ শতাংশ করা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) এলসি খোলা ও নিষ্পত্তির পরিমাণ আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যথাক্রমে কমেছে ৪ দশমিক ২৩ শতাংশ ও ১৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ। গত অর্থবছরের প্রথম আট মাসে এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে ৫১ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে ৪৪ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার।

চলতি অর্থবছরে আট মাসে মূলধনী যন্ত্রপাতির এলসি নিষ্পত্তি ২৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে এক দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে। এছাড়া শিল্পের কাঁচামাল আমদানি নিষ্পত্তি ২৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে এক দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলারে।

ব্যাংকের নিরাপত্তায় সশস্ত্র প্রহরী বাড়ানোর নির্দেশ
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

ব্যাংকের নিরাপত্তার জন্য অধিক সংখ্যক সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োজিত করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরীদের অস্ত্র চালানোর পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

সোমবার (৩ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহী বরাবর পাঠিয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ নির্দেশনায় বলা হয়, সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবসা কেন্দ্রসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যাংক শাখার প্রবেশপথে, শাখার অভ্যন্তরে, শাখার বাহিরে চতুর্দিকে এবং সব ধরনের আইটি রুমে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সিসিটিভি বা আইপি ক্যামেরা বা স্পাই ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।

‘সিসিটিভি বা স্পাই ক্যামেরাগুলো ব্যাংকের সেন্ট্রাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত রাখা, সার্বক্ষণিক সচল রাখাসহ মনিটরিং-এর আওতায় আনা এবং ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজ যাতে নিকটস্থ থানা পেতে পারে, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।’

নির্দেশনায় বলা হয়, ব্যাংকের নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত বা অধিক সংখ্যক সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োজিত করতে হবে এবং সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরীদের অস্ত্র চালানোর পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করত হবে। যদিও কিছু কিছু ব্যাংক তাদের ব্যবসা কেন্দ্রসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতে উপরোল্লিখিত নির্দেশনাসমূহ যথাযথভাবে পরিপালন করছে বলেও উল্লেখ করা হয় নির্দেশনায়।

এলপিজির দাম বাড়বে নাকি কমবে, জানা যাবে আজ
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) জুন মাসের মূল্য বাড়বে নাকি কমবে, সেটি জানা যাবে আজ। চলতি মাসের জন্য এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করা হবে।

সোমবার (৩ জুন) বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কার্যালয়ে এই নতুন দাম ঘোষণা করা হবে।

বিইআরসি জানায়, সৌদি আরামকো ঘোষিত জুন (২০২৪) মাসের সৌদি সিপি অনুযায়ী এ মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির মূল্য সমন্বয় সম্পর্কে বিইআরসির নির্দেশনা সোমবার বিকেল ৩টায় ঘোষণা করা হবে।

এর আগে, গত ২ মে ভোক্তা পর্যায়ে মে মাসের জন্য ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম এপ্রিল মাসের তুলনায় ৪৯ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এছাড়া, টানা ৮ মাস বাড়ার পর গত ৩ এপ্রিল ভোক্তা পর্যায়ে কমানো হয়েছিল এলপিজির দাম।

মার্চ মাসের তুলনায় এপ্রিল মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪০ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৪৪২ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। আর গত মার্চ মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৮২ টাকা, ফেব্রুয়ারিতে ৪১ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৭৪ টাকা ও জানুয়ারিতে ২৯ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৩৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংস্থাটি।

জুন মাসের টিসিবির পণ্য বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধন
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশব্যাপী এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের মাঝে জুন মাসের টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।

রোববার (২ জুন) সকালে রাজধানীর মিরপুর ১১ নম্বর শেখ ফজলুল হক মনি খেলার মাঠ থেকে দেশব্যাপী পণ্য বিক্রয়ের এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন তিনি।

টিসিবি কার্ডধারীরা এ সময় সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, পাঁচ কেজি চাল, দুই কেজি করে মসুর ডাল, এক কেজি চিনি কিনতে পারবেন। এর মধ্যে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম রাখা হবে ১০০ টাকা। প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা, মসুর ডাল ৬০ টাকা ও চিনি ৭০ টাকায় বিক্রি হবে। চিনি শুধু ঢাকায় পাওয়া যাবে। প্রতিটি প্যাকেজের মূল্য পড়ছে ৫৪০ টাকা।

জানানো হয়েছে, টিসিবির মাধ্যমে নিম্ন আয়ের এক কোটি উপকারভোগী পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে এ পণ্য বিক্রি করা হবে। সিটি করপোরেশন ও জেলা-উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নির্ধারিত তারিখ ও সময় অনুযায়ী পরিবেশকরা টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এ সময়ে নিজ নিজ এলাকার পরিবেশকদের দোকান বা নির্ধারিত স্থান থেকে পণ্য কিনতে পারবেন পরিবার কার্ডধারীরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাণিজ্য সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন, টিসিবি চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোস্তফা কামাল ইকবাল প্রমুখ।

বাণিজ্য সচিব বলেন, সুশৃঙ্খলভাবে সঠিক মানুষের হাতে এটা পৌঁছে দিতে হবে। মনিটরিং করা হবে। ঈদ মানুষের ভালো যাবে। কিছুটা হলেও তারা সুবিধা পাবে।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতি মাসেই আমরা সুবিধাভোগীদের হাতে তুলে দিতে চাই। এই কর্মযজ্ঞটা অনেক বড়। এই মাসে এটা শুরু করতে পেরে ভালো লাগছে। ঈদের আগে মানুষের হাতে টিসিবির পণ্যটা যেন পৌঁছে যায় এটাই আমাদের উদ্দেশ্য। এক কোটি পরিবার যখন এটা পায় তখন বাজারে চিনি, চালসহ এসব পণ্যের ওপর চাপ কমে। ফলে চাহিদা কমে যাবে, বাজারেও চাপ কমে যাবে।

তিনি বলেন, আমরা আর অস্থায়ীভাবে টিসিবির পণ্যগুলো দিতে চাই না। নতুন অর্থবছরে স্থায়ী দোকানে পণ্য দিতে চাই। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে টিসিবির জন্য পৃথক গুদাম করার পরিকল্পনা রয়েছে। এখন শুধু নিম্নবিত্তদের পণ্য দিতে পারছি। আগামীতে মধ্যবিত্তদের টিসিবির পণ্য দেওয়ার চেষ্টা করবো।

পোশাক খাতের অর্জনকে কাজে লাগিয়ে জোরালো প্রচারণার তাগিদ
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

পরিবেশবান্ধব তৈরি পোশাক কারাখানা প্রতিষ্ঠায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) কর্তৃক লিড স্বীকৃতি পাওয়া সেরা কারখানাগুলোর অধিকাংশই বাংলাদেশের। তৈরি পোশাক শিল্পের এই অনন্য অর্জন কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে জোরালো প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম।

শনিবার (১ জুন) আরএমজি এবং নিটওয়্যার বিষয়ক এফবিসিসিআইয়ের স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রথম সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

পাশাপাশি নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পণ্য উন্নয়ন ও বৈচিত্র্যকরণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি ফ্যাশন ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা করার পরামর্শ দেন তিনি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান এবং টর্ক ফ্যাশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন। কমিটির ডিরেক্টর ইন-চার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক এবং বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ফারুক হাসান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহবুবুল আলম বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর অন্যান্য শিল্পের মতো তৈরি পোশাক খাতকেও নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হবে। তবে কমপ্লায়েন্সের দিক থেকে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত অনেক দূর এগিয়েছে। এই অগ্রগতি কাজে লাগিয়ে শিল্পটিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। গতানুগতিক পণ্য উৎপাদনের বাইরে আমাদের নন-কটন গার্মেন্টসে মনযোগ দিতে হবে। নিজেদের সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে একটি গ্লোবাল ফ্যাশন ব্র্যান্ড দাঁড় করাতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এসময় তৈরি পোশাক খাতের বিদ্যমান নানা চ্যালেঞ্জের কথাও উল্লেখ করেন এফবিসিসিআই সভাপতি। তিনি বলেন, তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্পের জন্য নিরবচ্ছিন্ন এবং গুণগত জ্বালানি সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বিষয়টি নিয়ে এরইমধ্যে আলোচনা হয়েছে।

সভায় ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নে আমাদের দ্রুত রপ্তানি বহুমুখীকরণে যেতে হবে। তৈরি পোশাক শিল্পেও পণ্য উন্নয়ন ও বৈচিত্রকরণের অনেক সুযোগ রয়েছে। ভ্যালু অ্যাডেড পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষ জনবল তৈরি এবং নতুন বাজার ধরতে আমাদের উদ্যোক্তাদের এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে।

শিল্পের সমস্যাগুলো নিয়ে অংশীজনদের সুচিন্তিত মতামত আহ্বান করেন কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন।

কমিটির ডিরেক্টর ইন-চার্জ ফারুক হাসান জানান, ২০৩০ সাল নাগাদ তৈরি পোশাক শিল্পের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক শত বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বন্দর ও লজিস্টিকস সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজের উন্নয়ন এবং পণ্যের স্থানীয় মূল্য সংযোজন বৃদ্ধিতে জোর দিতে হবে।

মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে তৈরি পোশাক শিল্পের উৎপাদন ব্যয় স্বাভাবিক রাখতে গুণগত ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি নিশ্চিতকরণ, কাস্টমস ও বন্ডের জটিলতা হ্রাস, অনৈতিক প্রতিযোগিতা রোধ, স্থানীয় গার্মেন্টস, অ্যাকসেসরিজ শিল্পের সুরক্ষা ও উন্নয়ন, পণ্য জাহাজীকরণে লিড-টাইম কমিয়ে আনাসহ বেশকিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরেন কমিটির সদস্যরা।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক বি.এম. শোয়েব, স্ট্যান্ডিং কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও সদস্যরা।

বাজার মূলধন হারালো আরও ৪ হাজার কোটি টাকা
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসেই বড় দরপতন হয়েছে দেশের শেয়ারবাজারে। এতে সপ্তাহজুড়ে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দাম কমার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। ফলে এক সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন ৪ হাজার কোটি টাকার ওপরে কমেছে। আগের সপ্তাহে বাজার মূলধন কমে প্রায় ৪৯ হাজার কোটি টাকা। এতে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূধন কমলো প্রায় ৫৩ হাজার কোটি টাকা।

গত সপ্তহজুড়ে ডিএসইতে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার পাশাপাশি সবকটি মূল্য সূচকও কমেছে। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের গতি। গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১১৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২৪৮টির। আর ২৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম কমায় সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯২২ কোটি টাকা। যা গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৬৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৪ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা বা দশমিক ৬৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহে কমে ৪৮ হাজার ৭৫৮ কোটি টাকা বা ৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ। ফলে দুই সপ্তহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৫২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।

এদিকে, ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৬০ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ১৪ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ২০৫ দশমিক শূন্য ২ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ৭২ শতাংশ। তার আগের সপ্তাহে কমে ১৪৩ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৫৪ শতাংশ। অর্থাৎ তিন সপ্তাহের পতনে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৪০৯ পয়েন্ট।

প্রধান মূল্য সূচকের পাশাপাশি টানা তিন সপ্তাহ কমেছে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক। গত সপ্তাহজুড়ে এই সূচকটি কমেছে ৩২ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৭২ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ৬৬ দশমিক ২৯ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ। তার আগের সপ্তাহে কমে ৪১ দশমিক ২৫ পয়েন্ট বা ২ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।

ইসলামী শরিয়াহভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচকেরও টানা তিন সপ্তাহ কমেছে। গত সপ্তাহে এই সূচকটি কমেছে ১৫ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ৫২ দশমিক ৬২ পয়েন্ট বা ৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ। তার আগের সপ্তাহে কমে ৩০ দশমিক ৪১ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

মূল্য সূচক কমার পাশাপাশি লেনদেনের গতিও কমেছে। সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৩৯০ কোটি ১৪ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৫১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ১২৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা বা ২৪ দশমিক ৬১ শতাংশ।

আর সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৯৫০ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয় ২ হাজার ৭০ কোটি ২ লাখ টাকা। সে হিসেবে মোট লেনদেন কমেছে ১১৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা। মোট লেনদেন কম হারে কমার কারণ গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহে এক কর্যদিবস কম লেনদেন হয়।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা আইএফআইসি ব্যাংকের শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা। প্রতিদিন গড়ে ১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা লেনাদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ওরিয়ন ফার্মা।

এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, লাভেলো আইসক্রিম, ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, রিলায়েন্স ওয়ান দ্যা ফার্স্ট স্কিম অব রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স মিউচুয়াল ফান্ড, ওরিয়ন ইনফিউশন এবং এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ।

বিশেষ ডিমের নামে প্রতারণা, কোম্পানি ও সুপারশপকে তলব
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

ওমেগা থ্রি, অর্গানিক ও ভিটামিন ই সমৃদ্ধ- এমন নানান ধরনের ডিম চড়াদামে বিক্রি হচ্ছে সুপারশপে। তবে এসব যে প্রকৃতপক্ষেই বিশেষ ডিম সে বিষয়ে পাওয়া যায়নি কোনো প্রমাণপত্র। এ কারণে এসব ডিম বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান ও বিক্রয়কারী সুপারশপকে ভোক্তা অধিদপ্তরে তলব করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ মে) জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডলের নেতৃত্বে ঢাকার বিভিন্ন সুপারশপ ও ডিম বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

রাজধানীর ফার্মগেট ও ধানমন্ডি ২৭ এলাকার দুটি সুপারশপে অর্গানিক, ব্রাউন, ভিটামিন ই, ফলিক অ্যাসিড ও ওমেগাসমৃদ্ধ বিশেষ ডিমের বিষয়ে তদারকিকালে দেখা যায়, এগুলো সাধারণ ডিম থেকে ৭ থেকে ১০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে এসব ডিমের উৎস সম্পর্কে তাদের ধারণা নেই, নেই কোনো প্রমাণপত্র।

সুপারশপ কর্তৃপক্ষ জানায়, সরল বিশ্বাসে রেনাটা, প্যারাগনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে এসব ডিম কিনে ভোক্তাদের কাছে বিক্রয় করে থাকেন তারা।

সুপারশপের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, মিরপুর-৭ মিল্ক ভিটা রোডে অবস্থিত রেনেটা লিমিটেড ও মহাখালীতে অবস্থিত প্যারাগনে তদন্ত করে তাদের কাছেও এসব বিশেষ ডিমের টেস্ট রিপোর্ট, কোনো কর্তৃপক্ষের সনদপত্র সংক্রান্ত পাওয়া যায়নি।

ফলে অর্গানিক, ব্রাউন, ভিটামিন ই, ফলিক এসিড ও ওমেগা থ্রি-সমৃদ্ধ ডিমের স্বপক্ষে টেস্ট রিপোর্ট, সনদ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আগামী ২ জুন অধিদপ্তরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য আগোরা, স্বপ্ন ও মীনা বাজার সুপারশপ এবং বাজারজাতকারী রেনেটা লিমিটেড ও প্যারাগনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতময় পরিস্থিতি বাংলাদেশের তথা গোটা বিশ্বের সামাজিক, রাজনীতি ও অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। এই সংঘাত দেশের অর্থনীতিতে কিছুটা প্রভাব ফেলছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারকে অর্থনৈতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় দ্রুত ও দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করার তাগিদ দিয়েছে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)।

এমসিসিআিই ধারণা করছে চলতি মে মাসে মূল্যস্ফীতি দাঁড়াবে ৯ দশমিক ৮০ শতাংশে। আর জুনে তা হবে ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

বিবিএসের সর্বশেষ তথ্যনুযায়ী, মূল্যস্ফীতি এপ্রিলে ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ হয়েছে। আগের মাস মার্চে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে এটি ছিল ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আর বছরের শুরুর জানুয়ারি মাসে ছিল ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ।এমসিসিআইয়ের প্রাক্যলন মে ও জুন মাসে যথাক্রমে ৪৪২০ ডলার ও ৪৮১০ ডলারের পণ্য রপ্তানি হতে পারে। আর আলোচ্য সময়ে যথাক্রমে ৫৩২৫ ডলার ও ৫৩৮০ ডলারের পণ্য আমদানি হতে পারে। একই সময়ে রেমিট্যান্স আসতে পারে ২১২০ ডলার ও ২১৯০ ডলার।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে শীর্ষ ব্যবসায়ীদের এই সংগঠনটি মঙ্গলবার (২৮ মে) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

এতে তারা বলছে, পর্যালোচনাধীন জানুয়ারি থেকে মার্চ বা কোয়ার্টার থ্রিতে অর্থনীতি উন্নতির কিছু লক্ষণ দেখাচ্ছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা, ব্যবসার খরচ কমানো, রপ্তানির জন্য নতুন বাজার খোঁজার প্রচেষ্টা, প্রণোদনা কাঠামো পুনর্বিবেচনা করে অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণকে উৎসাহিত করা এবং ক্ষুদ্র ব্যবসা ও নিম্ন আয়ের মানুষের সুরক্ষায় সরকারকে আরও পদক্ষেপ নিতে হবে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বর্তমান সংঘাতময় বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি এ সমস্যা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। আগামী তিন মাসে আমদানি ও রেমিট্যান্স বাড়তে পারে। এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (এসিইউ) মার্চ-এপ্রিল সময়ের জন্য অর্থ প্রদানের কারণে এপ্রিলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়তে পারে।

এতে আরও বলা হয়েছে, সম্প্রতি কয়েক মাসে বৈদেশিক চাহিদায় শ্লথগতি, রেমিট্যান্স প্রবাহ হ্রাস, রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি ও সরকারি ব্যয়ের ধীরগতি, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি, টাকার অবমূল্যায়ন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়া, বেকারত্ব পরিস্থিতি ও বিনিয়োগ কম ছিল।

মালিক-শ্রমিক উভয়ের স্বার্থরক্ষায় কাজ করতে হবে
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

মালিক-শ্রমিক উভয়ের যাতে স্বার্থ রক্ষা হয় সেভাবে পরিকল্পনা করে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম।

শনিবার বিকেলে এফবিসিসিআইর শ্রমনীতি বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সভায় ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, শ্রমিকরা আমাদের অর্থনীতির চালিকাশক্তি। একইভাবে দেশের অর্থনীতিক সমৃদ্ধি অর্জনে মালিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। আমাদের দেশের ব্যবসায়ী বা কারখানা মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে অসাধারণ আন্তরিকতা বিদ্যমান। তবে শ্রমিকদের নিয়ে যাতে কমপ্লায়েন্সের সঙ্গে কাজ করা যায় এবং মালিকপক্ষেরও যেন স্বার্থ রক্ষা হয় সেভাবে পরিকল্পনা করে কাজ করতে হবে।

কমিটির সদস্যদের সুপারিশের ভিত্তিতে তৈরিকৃত প্রস্তাবনা নিয়ে এফবিসিসিআই কাজ করবে বলে জানান সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান কে এম এইচ শহীদুল হক। বিশ্বের অনেক দেশের থেকে বাংলাদেশের শ্রম ব্যবস্থা উন্নত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, শ্রমব্যবস্থায় বাংলাদেশ অনেক দেশ থেকে তুলনামূলক উন্নত। তবে শ্রমিকদের দক্ষতায় পিছিয়ে থাকার কারণে কারখানায় লোকবল বেশি দরকার হয়। মেশিন অপারেটরদের সাথে অনেক সময় একজন সহায়ক রাখার প্রয়োজন হয়। যা সাধারণত অন্যান্য দেশে দেখা যায় না।

এফবিসিসিআইর পরিচালক নিয়াজ আলী চিশতী বলেন, শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে খাবার, পরিবহন ইত্যাদির সাথে তাদের স্বাস্থ্যের দিকটাও খেয়াল রাখা উচিৎ। শ্রমিকরা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকলে শিল্পের জন্যই ক্ষতি।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইর পরিচালক আবুল হোসেন, এ এম মাহবুব চৌধুরী, কাওসার আহমেদ, মহাসচিব মো. আলমগীর, কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও সদস্যরা।

ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

দেশের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখছেন দেশের ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা। এসএমইরাই অর্থনীতির মূলভিত্তি। কিন্তু ব্যাংক ঋণ প্রাপ্তি ও বিনিয়োগে পিছিয়ে থাকা এবং বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর ছোট ছোট ব্যবসা ধরার কারণে ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছেন ছোট ও গ্রামীণ শিল্প উদ্যোক্তারা। অনেকে ব্যবসা থেকে সরেও দাঁড়াচ্ছেন। এমতাবস্থায় সরকারের নীতিসহায়তা চাইছেন তারা।

বুধবার (১৫ মে) এফবিসিসিআইয়ের সিএমএসএমই অ্যান্ড রুরাল ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সভায় এসব কথা বলেন ব্যবসায়ীরা।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প হচ্ছে অর্থনীতির মূলভিত্তি। এসএমই ঠিক থাকলে দেশের অর্থনীতি ঠিক থাকবে। কোরিয়া, জাপানসহ বিভিন্ন দেশ এসএমইকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। আমাদেরও অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের গুরুত্ব দিতে হবে। এ খাতের নিরাপত্তা দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যমান নীতিমালাগুলো বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।

এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, অর্থনীতিতে প্রায় ৮৫ ভাগ অবদান রাখছে দেশের বেসরকারি খাত। নীতিসহায়তার জন্যই এ অবদান সম্ভব হয়েছে। তবে বেসরকারি খাতের আরও এগিয়ে যেতে হবে। প্রতিবছর প্রায় ২৭ লাখ বেকার ছেলেমেয়ে কর্মসংস্থানের জন্য শ্রমবাজারে আসে। এদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে ছোট ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যাতে তাদের ব্যবসা ঠিকভাবে করতে পারেন, সেক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে নীতিসহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কমিটির ডিরেক্টর ইন-চার্জ খান আহমেদ শুভ এমপি বলেন, কোভিডকালে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। প্রধানমন্ত্রী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রণোদনা দিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা যাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু রাখতে পারে সেজন্য ব্যাংক ঋণ থেকে শুরু করে সবদিকে খেয়াল রেখেছেন। এ কমিটির মাধ্যমে প্রাপ্ত সুপারিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে পঠানো হলে এসএমই খাতের উন্নয়ন হবে। এ খাতকে মাইলফলক হিসেবে নিয়ে যেতে সবার সহযোগিতা দরকার।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান কাজী মোরশেদ হোসেন কামাল।

সভায় আরও কথা বলেন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক রেজাউল করিম রেজনু সিআইপি, হাফেজ হাজী হারুন অর রশীদ সিআইপি, আজিজুল হক, নিয়াজ আলী চিশতী, এফবিসিসিআইয়ের মহাসচিব মো. আলমগীর, কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও সদস্যরা।

ইসলামী ব্যাংকের মাসব্যাপী ক্যাম্পেইন শুরু
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ‘টুয়ার্ডস অ্যাক্সিলেন্স অ্যান্ড বেটার গ্রোথ ইন এফসি অ্যাকাউন্টস্, খিদমাহ কার্ডস্ অ্যান্ড ডেবিট কার্ডস্’-এ স্লোগান নিয়ে মাসব্যাপী বিশেষ ক্যাম্পেইন চালু করেছে। মঙ্গলবার (১৪ মে) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে প্রধান অতিথি হিসেবে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী, জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ, এফসিএস ও ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মিফতাহ উদ্দীন। ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর কাজী মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. রফিকুল ইসলাম ও অ্যাক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ জুবায়েরুল হক।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ক্যামেলকো তাহের আহমেদ চৌধুরীসহ প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তারা। এছাড়া ব্যাংকের সব জোন প্রধান, শাখা প্রধান ও উপ-শাখা ইনচার্জরা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা বলেন, ইসলামী ব্যাংকের মুদারাবা ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট, মুদারাবা রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট (আরএফসিডি) ও মুদারাবা ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট (আইবি) এরই মধ্যে গ্রাহকদের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা বৈদেশিক মুদ্রা জমা ও লেনদেন করতে পারছেন। ব্যাংকের এডি শাখা ও অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটে এসব অ্যাকাউন্ট খোলা যায় এবং ইসলামী শরীআহ মুদারাবা নীতির ভিত্তিতে এসব অ্যাকাউন্টে আকর্ষণীয় মুনাফা দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে পদার্পন করেছি। বর্তমানে ডিজিটাল প্রোডাক্টগুলোর ব্যাপক সম্প্রসারণ হয়েছে। পেমেন্ট সিস্টেমে এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। স্মার্ট ব্যাংকিংকে সর্বোন্নত পর্যায়ে নিয়ে যেতে ইসলামী ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে। আধুনিক ও বৈচিত্র্যময় কার্ডসেবার মাধ্যমে গ্রাহক সেবা উন্নতকরণ এবং দেশে-বিদেশে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনে অবদান রেখে চলেছে এ ব্যাংক। ইসলামী ব্যাংকের খিদমাহ ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে গ্রাহকগণ বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্ট, হাসপাতাল ও এয়ারপোর্ট লাউঞ্জে ডিসকাউন্ট সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। তিনি ব্যাংকের আধুনিক সেবাসমূহ সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছাতে কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।


   Page 1 of 17
     অর্থ-বাণিজ্য
দেশে কমেছে কোটিপতির সংখ্যা
.............................................................................................
স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষায় গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর দাবি
.............................................................................................
ব্যাংক-জ্বালানি খাতের মতো রোগাক্রান্ত ফুসফুস মেরামতে বার্তা নেই
.............................................................................................
ভিড় নেই শপিংমলে, এখনো জমেনি ঈদের কেনাকাটা
.............................................................................................
প্রাণিসম্পদ খাতকে গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান মন্ত্রীর
.............................................................................................
বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন
.............................................................................................
ব্যাংকের নিরাপত্তায় সশস্ত্র প্রহরী বাড়ানোর নির্দেশ
.............................................................................................
এলপিজির দাম বাড়বে নাকি কমবে, জানা যাবে আজ
.............................................................................................
জুন মাসের টিসিবির পণ্য বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধন
.............................................................................................
পোশাক খাতের অর্জনকে কাজে লাগিয়ে জোরালো প্রচারণার তাগিদ
.............................................................................................
বাজার মূলধন হারালো আরও ৪ হাজার কোটি টাকা
.............................................................................................
বিশেষ ডিমের নামে প্রতারণা, কোম্পানি ও সুপারশপকে তলব
.............................................................................................
অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ
.............................................................................................
মালিক-শ্রমিক উভয়ের স্বার্থরক্ষায় কাজ করতে হবে
.............................................................................................
ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান
.............................................................................................
ইসলামী ব্যাংকের মাসব্যাপী ক্যাম্পেইন শুরু
.............................................................................................
খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১০.২২ শতাংশ
.............................................................................................
হালাল খাদ্যের বাজারে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা দেখছেন ব্যবসায়ীরা
.............................................................................................
বিজিএপিএমইএর সভাপতি হচ্ছেন মো. শাহরিয়ার
.............................................................................................
বিআইসিএমের ইনোভেশন প্রদর্শনী
.............................................................................................
মুনাফা বেড়েছে তিন ব্যাংকের, কমেছে একটির
.............................................................................................
আধাঘণ্টায় আড়াইশ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে লেনদেন
.............................................................................................
চট্টগ্রাম বন্দরে যুক্ত হচ্ছে আরও ৬ লাইটার জেটি, বাড়ছে সক্ষমত
.............................................................................................
দ্রুত বৈশ্বিক পরিবর্তন উন্নয়নশীল দেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং
.............................................................................................
রক্ত পানি করা টাকা চুষে খাচ্ছে বিমা কোম্পানি
.............................................................................................
পোশাক শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিজিএমইএ
.............................................................................................
বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর জন্য ৫ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন ঘোষণা এডিবির
.............................................................................................
ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের বিকাশে সরকারের সহযোগিতা চান ব্যবসায়ীরা
.............................................................................................
গরমে পথচারীদের বিনামূল্যে শরবত দিলো স্বপ্ন
.............................................................................................
সিঙ্গাপুর থেকে ২ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার
.............................................................................................
বাংলাদেশ-কাতারের বাণিজ্য জোরদারে জয়েন্ট বিজনেস কাউন্সিল গঠন
.............................................................................................
ফরচুন বরিশালকে নগদের ২০ লাখ টাকা উপহারের চেক হস্তান্তর
.............................................................................................
তিন বিদায়ী জাপানী বিনিয়োগকারীকে সংবর্ধনা দিলো নোভো কার্গো
.............................................................................................
ভরা মৌসুমে বাড়ছে চালের দাম
.............................................................................................
কোরিয়ান ওয়েভ পুরস্কার পেলেন সৈয়দ মুস্তাফিজুর রহমান
.............................................................................................
প্রবাসী আয়ে বিশ্বে সপ্তম বাংলাদেশ, বেশি আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে
.............................................................................................
প্রথমবারের মতো প্রার্থীর সক্ষমতা যাচাইয়ে সাক্ষাৎকার
.............................................................................................
দাম বেড়েছে ডিম-মুরগির, সবজি স্থিতিশীল
.............................................................................................
আদানি পোর্টফোলিওর প্রথমার্ধে প্রবৃদ্ধি ৪৭ শতাংশ
.............................................................................................
পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামে অভিযান, ১৬ মামলা
.............................................................................................
সাউথইস্ট ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন
.............................................................................................
সরবরাহ বাড়লেও কমছে না আলুর দাম
.............................................................................................
এক কোটি কার্ডের সুবিধা পাবে পাঁচ কোটি মানুষ: বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
দেশে উৎপাদিত লোহা রপ্তানিতে বড় সম্ভাবনা দেখছেন উদ্যোক্তারা
.............................................................................................
শুরুতে সূচক ঊর্ধ্বমুখী, লেনদেনে ভালো গতি
.............................................................................................
অবরোধে ‘প্রায় ফাঁকা’ নিউমার্কেট, চিন্তিত ব্যবসায়ীরা
.............................................................................................
শ্রমিকদের বিক্ষোভের মধ্যেই মজুরি বোর্ডের সভা শুরু
.............................................................................................
শরৎ-উৎসবের আয়োজন করলো নোভো কার্গো সার্ভিসেস
.............................................................................................
পাইকারিতে ডিমের দাম কমেছে, পাড়া-মহল্লায় প্রভাব নেই
.............................................................................................
মুদ্রার বিনিময় হার: ৫ নভেম্বর ২০২৩
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
চেয়ারম্যান: এস.এইচ. শিবলী ।
সম্পাদক, প্রকাশক: জাকির এইচ. তালুকদার ।
হেড অফিস: ২ আরকে মিশন রোড, ঢাকা ১২০৩ ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বাড়ি নং ২, রোড নং ৩, সাদেক হোসেন খোকা রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা ১০০০ ।
ফোন: 01558011275, 02-৪৭১২২৮২৯, ই-মেইল: dtvbanglahr@gmail.com
   All Right Reserved By www.dtvbangla.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop    
Dynamic SOlution IT Dynamic POS | Super Shop | Dealer Ship | Show Room Software | Trading Software | Inventory Management Software Computer | Mobile | Electronics Item Software Accounts,HR & Payroll Software Hospital | Clinic Management Software Dynamic Scale BD Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale Digital Load Cell Digital Indicator Digital Score Board Junction Box | Chequer Plate | Girder Digital Scale | Digital Floor Scale