| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
   * পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা তৈরি করলে ব্যবস্থা   * নাটোরের বড়াইগ্রামে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত   * পুলিশ পাহারায় পালিয়ে গেলেন ভিসি নাসিরউদ্দীন   * রেমিট্যান্স পাঠানোয় ঘোপলা প্রবাসীদের ব্যাংকে   * ফরিদপুরে পৃথক তিনটি সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ১০, আহত ২৫   * রাজবাড়ী থেকে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার   * রাজবাড়ীতে নতুন ৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি   * গোয়ালন্দে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় বাস চালকের মৃত্যু   * ফরিদপুর জেলার নগরকান্দায় আদালতের আদেশ অমান্য করে নির্মান হচ্ছে গ্রামীনফোন টাওয়ার   * ভারত থেকে মানহীন বাস-ট্রাক আমদানি করছে বিআরটিসি  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
রেমিট্যান্স পাঠানোয় ঘোপলা প্রবাসীদের ব্যাংকে

বিজনেস ডেস্ক: প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে ২০১০ সালে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে সরকার। কিন্তু আজ পর্যন্ত ব্যাংকটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বড় কোনো ব্যাংকে নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেনি। তাই এ ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারছে না প্রবসীরা। অথচ ব্যাংকটি কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহের প্রথমেই রয়েছে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদান। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বিশ্বব্যাপী রেমিট্যান্স আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান নবম। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ১৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আহরণ করে। রেমিট্যান্স আহরণের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত, দ্বিতীয় চীন ও তৃতীয় অবস্থানে মেক্সিকো। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মধ্যপ্রাচ্যের সাতটি দেশ থেকে ৯৬৮ কোটি ২০ লাখ ডলারের সমপরিমাণ অর্থ পাঠান প্রবাসীরা, যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড। একই সঙ্গে মোট রেমিট্যান্সের ৫৯ শতাংশই আসে আরবের এসব দেশ থেকে। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর সমস্যার বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহ্তাব জাবিন বলেন, মানি লন্ডারিং আইন হওয়ার ফলে ২০১৭ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ভালো ব্যাংকের সাথে ‘নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট’ (বিদেশে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের জন্য ব্যাংকগুলোর অ্যাকাউন্ট) করতে গেলে অনেক কমপ্লায়েন্সের ব্যাপার রয়েছে। পাশাপাশি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকটি অন্যান্য ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে না, তা-ই ব্যাংকটির সঙ্গে নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট খুলতে আগ্রহী হয় না আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলো। কারণ বিদেশের ব্যাংকগুলো ব্যবসায়িক বিষয়টাকে গুরুত্ব দেয় বেশি। তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যাংকের সঙ্গে ‘নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট’ খুললে ওই ব্যাংককে একটা মোটা অংকের অর্থ দিতে হয়। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংক না হওয়ায় এ ব্যয়ভার বহন করা এ মুহূর্তে কঠিন। সব মিলিয়ে এখনও নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট করাটা হয়ে ওঠেনি। মাহ্তাব জাবিন বলেন, আমরা ইতোমধ্যে কয়েকটি আন্তর্জাতিক ব্যাংকের সঙ্গে ‘নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট’ খোলার জন্য প্রাথমিকভাবে আলোচনা করেছি, তবে সেটা করা সম্ভাব হয়নি। আমরা আশা করছি, আমাদের ব্যাংকের কলেবর আরও বড় হবে। তখন আমরা রেমিট্যান্স আনাসহ অন্যান্য কাজ করতে পারব। বিষয়টি বাস্তবায়নে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। যেহেতু এটা প্রবাসীদের জন্য ডেডিকেটেড ব্যাংক, সেহেতু এ ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি রেমিট্যান্স আনার প্রক্রিয়া থাকা উচিত’- মন্তব্য করেন তিনি। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকটির অভিলক্ষ্য হচ্ছে- প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যয় সাশ্রয়ী পন্থায় নিরাপদে ও দ্রুততার সঙ্গে বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স প্রেরণে সহায়তা প্রদান এবং বিদেশগামী ও প্রবাস ফেরত কর্মীদের সহজ শর্তে স্বল্প সময়ে ‘অভিবাসন ঋণ’ ও ‘পুনর্বাসন ঋণ’ প্রদান। ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজার ৪০০ বিদেশগামী কর্মীকে অভিবাসন ঋণ দিয়েছে। ব্যাংকটি মাত্র তিনদিনে অভিবাসন ঋণ মঞ্জুর করে। এছাড়া বিদেশ ফেরত উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মীকে পুনর্বাসন ঋণ প্রদানের মাধ্যমে কর্মসংস্থানে সহায়তা করেছে। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক দেশের অভ্যন্তরে ৬৩টি শাখার মাধ্যমে এর কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সব জেলায় ব্যাংকের শাখা খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক পাঁচ হাজার ৫৯২ জনকে ৭১ কোটি ২৮ লাখ ৪০ হাজার টাক ঋণ দেয়। একই অর্থবছর ৮২ শতাংশ ঋণ আদায় হয়। আদায়ের পরিমাণ ৬৮ কোটি ২১ লাখ ৭৮ হাজার ১০৬ টাকা।

রেমিট্যান্স পাঠানোয় ঘোপলা প্রবাসীদের ব্যাংকে
                                  

বিজনেস ডেস্ক: প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে ২০১০ সালে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে সরকার। কিন্তু আজ পর্যন্ত ব্যাংকটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বড় কোনো ব্যাংকে নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেনি। তাই এ ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারছে না প্রবসীরা। অথচ ব্যাংকটি কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহের প্রথমেই রয়েছে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদান। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বিশ্বব্যাপী রেমিট্যান্স আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান নবম। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ১৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আহরণ করে। রেমিট্যান্স আহরণের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত, দ্বিতীয় চীন ও তৃতীয় অবস্থানে মেক্সিকো। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মধ্যপ্রাচ্যের সাতটি দেশ থেকে ৯৬৮ কোটি ২০ লাখ ডলারের সমপরিমাণ অর্থ পাঠান প্রবাসীরা, যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড। একই সঙ্গে মোট রেমিট্যান্সের ৫৯ শতাংশই আসে আরবের এসব দেশ থেকে। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর সমস্যার বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহ্তাব জাবিন বলেন, মানি লন্ডারিং আইন হওয়ার ফলে ২০১৭ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ভালো ব্যাংকের সাথে ‘নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট’ (বিদেশে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের জন্য ব্যাংকগুলোর অ্যাকাউন্ট) করতে গেলে অনেক কমপ্লায়েন্সের ব্যাপার রয়েছে। পাশাপাশি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকটি অন্যান্য ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে না, তা-ই ব্যাংকটির সঙ্গে নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট খুলতে আগ্রহী হয় না আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলো। কারণ বিদেশের ব্যাংকগুলো ব্যবসায়িক বিষয়টাকে গুরুত্ব দেয় বেশি। তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যাংকের সঙ্গে ‘নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট’ খুললে ওই ব্যাংককে একটা মোটা অংকের অর্থ দিতে হয়। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংক না হওয়ায় এ ব্যয়ভার বহন করা এ মুহূর্তে কঠিন। সব মিলিয়ে এখনও নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট করাটা হয়ে ওঠেনি। মাহ্তাব জাবিন বলেন, আমরা ইতোমধ্যে কয়েকটি আন্তর্জাতিক ব্যাংকের সঙ্গে ‘নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট’ খোলার জন্য প্রাথমিকভাবে আলোচনা করেছি, তবে সেটা করা সম্ভাব হয়নি। আমরা আশা করছি, আমাদের ব্যাংকের কলেবর আরও বড় হবে। তখন আমরা রেমিট্যান্স আনাসহ অন্যান্য কাজ করতে পারব। বিষয়টি বাস্তবায়নে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। যেহেতু এটা প্রবাসীদের জন্য ডেডিকেটেড ব্যাংক, সেহেতু এ ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি রেমিট্যান্স আনার প্রক্রিয়া থাকা উচিত’- মন্তব্য করেন তিনি। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকটির অভিলক্ষ্য হচ্ছে- প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যয় সাশ্রয়ী পন্থায় নিরাপদে ও দ্রুততার সঙ্গে বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স প্রেরণে সহায়তা প্রদান এবং বিদেশগামী ও প্রবাস ফেরত কর্মীদের সহজ শর্তে স্বল্প সময়ে ‘অভিবাসন ঋণ’ ও ‘পুনর্বাসন ঋণ’ প্রদান। ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজার ৪০০ বিদেশগামী কর্মীকে অভিবাসন ঋণ দিয়েছে। ব্যাংকটি মাত্র তিনদিনে অভিবাসন ঋণ মঞ্জুর করে। এছাড়া বিদেশ ফেরত উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মীকে পুনর্বাসন ঋণ প্রদানের মাধ্যমে কর্মসংস্থানে সহায়তা করেছে। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক দেশের অভ্যন্তরে ৬৩টি শাখার মাধ্যমে এর কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সব জেলায় ব্যাংকের শাখা খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক পাঁচ হাজার ৫৯২ জনকে ৭১ কোটি ২৮ লাখ ৪০ হাজার টাক ঋণ দেয়। একই অর্থবছর ৮২ শতাংশ ঋণ আদায় হয়। আদায়ের পরিমাণ ৬৮ কোটি ২১ লাখ ৭৮ হাজার ১০৬ টাকা।

ভারত থেকে মানহীন বাস-ট্রাক আমদানি করছে বিআরটিসি
                                  

বাসগুলোর ভিতরে দেখলে মনে হবে কয়েক বছর আগে আমদানি করা হয়েছে। ছাদ ফুটো দিয়ে অনর্গল বৃষ্টি পানি প্রবেশ করে নষ্ট হচ্ছে বাসের সিটগুলো। কিন্তু আদতে এই বাসগুলো ভারতে থেকে দেশে এসেছে ১ মাসও হয়নি।  মানহীন বাসগুলোকে অজানা কারণে মানসম্পন দাবী করছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) চেয়ারম্যানসহ বহু কর্মকর্তা।

ছাদ ফুটো হয়ে যাওয়া ছাড়াও বিআরটিসি ভারত থেকে নতুন যে বাস ও ট্রাকগুলো নিয়ে এসেছে সেগুলোর চালকদের কাছ থেকে আরও ত্রুটির তথ্য পাওয়া গেছে। চালকরা জানান, ট্রাকে টুলবক্স দেওয়া হয়নি। এসি বাসের সামনের অংশে এসিও চলে না। পাশাপাশি বাসের নিচের বডিতে কাঠ দেওয়া হয়েছে। এ যুগে কাঠের বাস কোথাও নেই, তারপরও ভারত থেকে একের পর এক কাঠের বাস আনছে বিআরটিসি।

যদিও বাসগুলোর মান ঠিক আছে কিনা তা দেখতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) চেয়ারম্যানসহ বহু কর্মকর্তা একাধিকবার ভারতে গিয়েছিলেন।

 

বিআরটিসির গাবতলী বাস ডিপোতে একতলা বাসে ছাদ ফুটো হওয়ার ঘটনা ধরা পড়ে। গত ১০ মে ওই ডিপোতে বরাদ্দ দেওয়া ৮টি বাসের সবকয়টিতেই একই অবস্থা দেখা গেছে। ভারতীয় টাটা কোম্পানির কাছ থেকে এরকম ১০০টি বাস কিনেছে বিআরটিসি।

গাবতলী বাস ডিপোর ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান সাথে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তিনি জানান, বৃষ্টির পানি ছাদের ফুটো দিয়ে সিটে গড়িয়ে পড়ার বিষয়টি বিআরটিসি চেয়ারম্যানকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু চেয়ারম্যান তাকে আর কিছু জানাননি।

 

বিআরটিসি চেয়ারম্যানকে লেখা ওই চিঠিতে বলা হয়, বাসগুলোতে বৃষ্টির সময় ভেতরে পানি পড়ছিলো। এরপর তারা খুঁজে দেখেন বাসের ছাদ ফুটো হয়ে গেছে। বাসের ছাদে যে এমএস শিট লাগানো হয়েছে তা অতিমাত্রায় পাতলা হওয়ার কারণে শিট ছিঁড়ে গেছে। যে কারণে সিলিং বেয়ে পানি পড়ছে।

একতলা বাসের আরও ত্রুটি ধরেছে ডিপোর কারিগরি শাখা। তারা বলছে, “বাসে ‘এমএস শিট’ আর ‘রিভিট’ যথাযথভাবে লাগানো হয়নি। এগুলো আলাদা রয়ে গেছে। যে কারণে বাস চলার সময় বিকট শব্দ করছে।”

ডিপো ম্যানেজার মনিরুজ্জামান জানান, বিআরটিসি ‘এসব বিষয়’ নিয়ে টাটা কোম্পানির সঙ্গে বসবে– এমনটাই শুনেছেন তিনি।

বাসের মান ঠিক হলো কিনা এবং যে ‘স্পেসিফিকেশন’ বাংলাদেশ যেমন চেয়েছে তেমন হয়েছে কিনা সেসব দেখতে বাস কিনে আনার আগে বিআরটিসির চেয়ারম্যান ভারত গিয়েছিলেন। বিআরটিসি’র বহু কর্মকর্তাও ভারত গিয়েছিলেন স্পেসিফিকেশন এবং প্রি ইন্সপেকশনে। তারপরও বাসের কেন এমন হাল জানতে চাইলে বিআরটিসি চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ভুঁইয়া বলেন, ‘একতলা গাড়িগুলোর ইঞ্জিন টাটার এবং বডি নির্মাণ করেছে এসিজিএল কোম্পানি। দুই বছরের ভেতরে যা সমস্যা হবে তা তারা দেখবে বলে চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে। ছাদ ফুটো হয়ে পানির পড়ার ঘটনায় টাটা কোম্পানিকে ডাকা হয়েছে। তারা আসবে।’

স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী বাস কেন দেওয়া হলো না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বডি শিটের থিকনেস তারা কম দিয়েছে। তবে থিকনেস কম হলেও এটার ওয়ারেন্টি ভালো।’ মানের দিক থেকে খারাপ বাস দেয়নি বলেও দাবি করেন বিআরটিসি চেয়ারম্যান।

এছাড়া বাসের সিটের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত চাহিদা অনুযায়ী সিট দেয়নি ভারত। এতেও চুক্তি অনুযায়ী স্পেসিফিকেশন মানা হয়নি। এ বিষয়টিও স্বীকার করেছেন বিআরটিসি চেয়ারম্যান।

রাষ্ট্রয়ত্ত্ব পরিবহন প্রতিষ্ঠান বিআরটিসি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে। মন্ত্রণালয়ে বিআরটিসি দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন যুগ্ম সচিব ড. কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। বিআরটিসির সঙ্গে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের চুক্তি রয়েছে। সেই চুক্তি অনুযায়ীই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জানুয়ারি ০৭ সরকারি এক ঘোষণা মাধ্যমে জানানো হয়েছিল ,যাতায়াত ব্যবস্থা আরামদায়ক ও ঢাকা মহানগরীর গণপরিবহনের চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন (বিআরটিসি) ভারত থেকে নতুন ৬শ বাস ও ৫শ ট্রাক আমদানি করছে।

উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী ....ড. এফ এইচ আনসারী
                                  

 বিশিষ্ঠ্য পরিবেশ বিজ্ঞানী, এসিআই গ্রপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব ড. এফ এইচ আনসারী বলেছেন, সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা বাংলার ফলমুল, শাক শব্জি উৎপাদন, খাদ্য-মান এক কথায় অসাধারণ । বিশ্ব বাজারেও এটি আলোচিত। কিন্তু দীর্ঘদিন বাংলাদেশের খাদ্যপণ্যকে বিষযুক্ত অবিহিত করে একটি শ্রেণী যে বিভ্রান্তিকর গুজব ছড়াচ্ছে এটি আসলে ঠিক নয়। এদেশের খাদ্যপণ্য বিষমুক্ত। সরকারি বেসরকারিভাবে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরিক্ষা করে বিষটির সত্যতা দেখা গেছে। যা বিভিন্নভাবে প্রচার করাও হয়েছে। আমি মনে করি ফলমুল শাক সবজি এসবের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রচারণা বাণিজ্যক ক্ষতি, যা পুরো কৃষি অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে। 

তিনি বলেন, আমি এদেশকে অন্তর থেকে ভালবাসি, আর এজন্য দেশের প্রতি আমার দায়িত্ব কর্তব্য অপরিসীম বলে মনে করি। আমি যতদিন বাচবো দায়িত্বশীল আচারণ করে যাবো। দেশ, দেশের মানুষ এবং এর অর্থনীতির সেবায় সম্পৃক্ত থাকবো এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
অন্য এক প্রসঙ্গে জনাব আনসারী বলেন, এদেশের উন্নয়ন আশাব্যঞ্জক পর্যায়ে উন্নীত করতে হলে ইতিবাচক চর্চায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে। শুধু নেতিবাচক করে সবকিছু দেখলে হবে না। এদেশে অনেক সাফল্য গাঁথার গল্প আছে যা অনুকরণ করার মতো। পুরো বিশ্বের সব স্থানেই কিছু সংঘাতময় অধ্যায় রয়েছে যা অতিক্রম করার উপায় বের করাই বর্তমান বিশ্বের বড় চ্যালেঞ্জ। কাজেই হায় হুতাশ না করে সব সময় ইতিবাচক চিন্তা নিয়ে দেশকে কিভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া যাবে সেই ধারায় আসতে হবে সবাইকে। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে সরকারের উন্নয়ন গবেষণায় বাজেট ব্যাপক পরিসরে বাড়ানো জরুরি।
অন্য এক প্রসঙ্গে জনাব আনসারী বলেন, এদেশের চমৎকার আবহাওয়া, উর্বর কৃষিভুমি আর ব্যপক সংখ্যক জনবল সুষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে উৎপাদনে যুক্ত হলে অর্থনীতির চিত্র পাল্টে যাবে অল্পদিনেই। সুধু প্রয়োজন সদিচ্ছা এবং সরকারের পলিসিগত কিছু নতুনত্ব। আমাদের দেশে ব্যপক জনগণ রয়েছে যা জন-সম্পদে রুপান্তর করা সম্ভব। প্রক্রিয়াটা শুরু করা প্রয়োজন ছিলো আরো আগে থেকেই। কৃষি আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। এজন্য শিক্ষিত শ্রেণিদের এই সেক্টরে যুক্ত করার উদ্যোগ নিতে হবে। এই দেশি শিক্ষিত অনেক বেকার উদ্যোম নিয়ে নিজকর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে সফল হয়েছে এবং হচ্ছেন এমন উদাহরণ ভুরিভুরি। এজন্য সময় অপচয় নয়; প্রতিটা গৃহ থেকে নিজ এবং নিজের দেশ উন্নয়নের আন্দোলনে নামতে হবে। শিক্ষার পাশাপাশি আগে থেকেই কর্মমুখী কাজের উদ্যোগে সম্পৃক্ত হতে হবে। এদেশের বিশকোটি মানুষের চল্লিশ কোটি হাত যদি দায়িত্বশীল কাজের সাথে যুক্ত হয় বাংলাদেশ হবে উন্নয়নের মডেল।
তিনি এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, শিল্প গড়ার আগে এর পরিবেশ গড়তে হবে আগে। বিনিয়োগকারির বিনিয়োগ সিকিউরড করার বিষয় গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে। এটা শুরু হতে হবে এসএমই পর্যায় থেকেই। এর ফলে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে। যদি বিনিয়োগ পরিবেশ এবং এইখাতে অন্যান্য সুবিধাবলী আন্তর্জাতিক মানের করা না যায় তবে শিল্প গড়ে উঠবে না। ট্রেডিং এবং কমার্স বাড়তেই থাকবে। অর্থনীতি হয়ে যাবে ট্রেডিং বেজড। অন্যদিকে যদি আমদানি বিকল্প এবং রফতানিমুখী শিল্প ব্যপক হারে প্রতিষ্ঠা না হয়, আভ্যন্তরীণ ব্যবসা বাণিজ্যর ভারসম্য বিঘ্নিত হবে।
তিনি বলেন, আমাদের দেশে পরিবর্তনশীল জলবায়ুর প্রভাবে কৃষি উৎপাদন, জীবনযাত্রায় প্রভাব আসা স্বাভাবিক। এজন্য হায় হুতাস না করে বিকল্প ব্যবস্থা সহ সব ধরনের প্রস্ততিমুলক কর্মকান্ড থাকতে হবে। উত্তরণের উপায়ই যে কোনো দুর্যোগ, আগত সমস্যার সমাধান দিতে পারে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুরু থেকেই দেশের প্রতি কমিটমেন্ট নিয়ে এসিআই গ্রুপ বিজনেস কর্মকান্ড অব্যাহত রাখছে। কৃষিখাতে আমাদের রয়েছে বড় ধরনের বিনিয়োগ কর্মকান্ড এবং বিজনেস গবেষণা। আমরা কৃষি উন্নয়নের সাথে দেশের উন্নয়নে সম্পৃক্ত হতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আমাদের মতো আনেক কর্পোরেট গ্রুপ রয়েছে যারা দেশের প্রতি কমিটমেন্ট নিয়ে দায়িত্বের সাথে উন্নয়ন-অংশীদারিত্বে ভুমিকা পালন করছে। এই ধারায় আমিও যুক্ত রয়েছি। আমি মনে করি বাংলাদেশ আমার পরিচয়। এদেশের প্রতি আমি আজন্ম ঋণী। এজন্য শুধু দেশকে ভালবেসেই শেষ নয়, দেশের প্রতি আমার অবিরাম কর্তব্য রয়েছে যা নিবিষ্ঠ মনে প্রতিপালন করে যাচ্ছি । আমি মনে করি যিনি যে পেশায় রয়েছেন যদি সবাই যারযার দায়িত্ব কর্তব্যটা সঠিকভাবে পালন করেন তাহলে দেশের উন্নয়ন আর শান্তি নিয়ে কোনো ভাবনা থাকে না।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জাকির এইচ. তালুকদার:

 

ইনডিগো এয়ারে ৪ হাজার ৯১৮ টাকায় ঢাকা-কলকাতা ভ্রমণ
                                  

বাংলাদেশে আসছে ভারতের বিমান সংস্থা ইনডিগো। আগামী ১ আগস্ট থেকে ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা রুটে নিয়মিত ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে ভারতের বিমান সংস্থাটি। নতুন রুটে বিমান চালুর প্রমোশনাল অফার হিসেবে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৯১৮ টাকা (ওয়ান-ওয়ে)। আসা-যাওয়া বাবদ একজন যাত্রীকে গুণতে হবে ৭ হাজার ৮৫ টাকা।

বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, দিল্লি এবং মুম্বাইয়ের সাথে সংযোগ রেখে ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা হতে যাচ্ছে তাদের নবম আন্তর্জাতিক গন্তব্য স্থান। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা ১০মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে ইনডিগোর ফ্লাইট।

এ উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বেসরকারি বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রীংলা উপস্থিত ছিলেন। তারা নিজ নিজ বক্তৃতায় বাংলাদেশে ইনডিগো চালু করায় কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।

ভারতের সবচেয়ে কম খরচের যাত্রী বহনকারী এই বিমান সংস্থার পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়, ব্যবসায়ী ও ভ্রমণকারীদের কথা মাথায় রেখে ফ্লাইট পরিচালনা চালু করা হচ্ছে। www.goindigo.in এই ঠিকানায় গিয়ে অনলাইনে টিকিট বুকিং দেওয়া যাবে।

ইনডিগোর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার উইলিয়াম বোল্টার বলেন, কম খরচে ভারতে এক যুগ সেবা দেওয়ার পর বাংলাদেশে যাত্রা করতে পেরে আমরা ভীষণ আনন্দিত। এর ফলে আমাদের আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে।

২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল যাত্রী বহনকারী বিমান হচ্ছে ইনডিগো। যাত্রীদের যথা সময়ে, ঝামেলামুক্ত ও কম ভাড়ায় সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে দিল্লি ভিত্তিক এ বিমান সংস্থা। ২০১৮ সালে ৮টি আন্তর্জাতিক ও ৪২টি অভ্যন্তরীণ গন্তব্যে তারা চার কোটি ৬০ লাখ মানুষকে সেবা দিয়েছে যা এশিয়ার মধ্যে সপ্তম।

২২ হাজার কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা
                                  

চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ২১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। বিগত বছরে ব্যাংকগুলোর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেন ডেপুটি গর্ভনর এসএম মনিরুজ্জামান। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত বাংকগুলোর স্বনির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এবং বেসরকারি ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক সমুহের নীট ঋণ ও অগ্রীমের ২শতাংশ হারে হিসাবায়ন করে এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে লক্ষ্যমাত্রার ৬০ শতাংশ বিতরণ করতে হবে শস্যখাতে, নুন্যতম ১০ শতাংশ মৎস্য খাতে এবং প্রাণি সম্পদ খাতে ১০ শতাংশ বিতরণ করতে হবে। এছাড়াও কষি যন্ত্রপাতি, দারিদ্র বিমোচন ও অন্যান্য খাতে বাকি অর্থ বিতরণ করতে হবে।

ব্যাংকগুলোর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বাইরে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড ৯৬১ কোটি টাকা কষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ করবে। ব্র্যাক বিতরণ করবে ৬০০ কোটি টাকা।

লক্ষ্যমাত্রার ৫২শতাংশ বিতরণ করবে বেসরকারিখাতের ব্যাংক, সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক বিতরণ করবে ৩০শতাংশ, বিশেষায়িত ব্যাংক বিতরণ করবে ১৫শতাংশ ও বিদেশি ব্যাংক বিতরণ করবে ৩শতাংশ ঋণ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহ পরিচালক অশোক কুমার দে ও কৃষি ঋণ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মনোজ কান্তি বৈরাগী বক্তব্য দেন।

সিটি ব্যাংকের উদ্যোগে গ্রিন চ্যাম্পিয়ন রিকগনিশন সেমিনার
                                  

সিটি ব্যাংক সম্প্রতি প্রধান কার্যালয়ে গ্লোবাল ক্লাইমেট পার্টনারশিপ ফান্ডের (জিসিপিএফ) সহযোগিতায় ‘গ্রিন চ্যাম্পিয়ন রিকগনিশন সেমিনার’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কমিয়ে আনতে সিটি ব্যাংকের গ্রাহকদের অসাধারণ অবদানকে স্বীকৃতি জানাতে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংক ও জিসিপিএফ যৌথভাবে ১৬জন গ্রাহককে স্বীকৃতি প্রদান করে, যারা তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে জ্বালানির কার্যকর ব্যবহারে সফলতা অর্জন করেছেন।

সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সোহেল আরকে হুসেইনের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। তিনি বলেন, ‘সিটি ব্যাংক পরিবেশবান্ধব ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে অঙ্গীকারবদ্ধ। ভবিষ্যতেও আমরা গ্রাহকদের সবুজ উদ্যোগকে উৎসাহিত করে যাব।’ আরো বক্তব্য রাখেন জিসিপিএফ প্রধান এনটোয়েন প্রেদোর।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক রথীন কুমার পাল, সিটি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মারুফ, জিসিপিএফের জ্বালানি বিশেষজ্ঞ সতীশ ধনপাল, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সিটি ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বস্ত্র ও তৈরি পোষাক খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

ইলিশ শূন্য সাগর হতাশায় পটুয়াখালীর জেলেরা
                                  

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ
প্রতবিছর র্বষা মওসুম এলইে জলেে পল্লী গুলোতে ফুঁটে ওঠে খুশরি ঝলক। তাঁজা ইলশিরে গন্ধে মুখরতি হয়ে উঠে গোটা সাগরকূলীয় চরাঞ্চল। পাল্টে যায় জলেে পরবিাররে র্দূদশার চত্রি। স্বচ্ছলতা ফরিে আসে জলেে পরবিার গুলোত।ে কন্তিু এ বছর জলেে পল্লীতে ভন্নিরূপ দখো গছে।ে চলমান র্বষা তথা ইলশি মওসুমে সাগর থকেে শুন্যহাতে ফরিছে জলেরো। ইলশিরে বদলে দাদনরে দায় নয়িে তীরে ফরিছে একাধকি জলে।ে ফলে উপকূলরে জলেে পল্লী গুলোতে নমেে এসছেে হতাশার কালো আবাস। চলমান র্বষা মৌসুম পটুয়াখালীর গলাচপিা, রাঙ্গাবালী, দশমনিাসহ বঙ্গোপসাগর ঘরিে কয়কে হাজার জলেরে বসবাস। অন্যান্য পশোর তুলনায় এই অঞ্চলে জলে,ে জলেে শ্রমকি তথা মৎস্য ব্যবসায় মানুষ প্রসারতি হয়। বলতে গলেে এই অঞ্চলটি ইলশি তথা মৎস্য ভান্ডার হসিবেে পরচিতি। প্রতবিছর কোটি কোটি টাকার ইলশিসহ বভিন্নি প্রজাতরি মাছ এই উপজলো থকেে রপ্তানী হয়ে থাকে দশেরে বভিন্নি এলাকায়। গোটা ইলশি মওসুমে উপজলোর বশে কয়কেটি মৎস্য পয়ন্টেে চলে ইলশি কনো-বচোর র্কমযজ্ঞ। সাধারন মানুষ অন্যন্য কাজর্কম বাদ দয়িে এই কাজে নয়িোজতি হয়ে থাক।ে প্রতবিছররে মত এবার তমেনটাই হয়ছে।ে কন্তিু জলেদেরে আশা নরিাস করে দয়িছেে ইলশি শূন্য সাগর। জলেরো মৎস্য ব্যবসায়ীদরে কাছ থকেে দাদন নয়িে মাছ শকিাররে আশায় সাগরে গমন করলওে মাছ না নয়িে ফরিছে তারা। ইলশি মওসুমে ইলশিরে আকাল জলেদেরেকে হতাশ করে দয়িছে।ে একদকিে মহাজনরে কাছ থকেে নয়ো দাদন টাকা পরশিোধরে চন্তিা আরকে দকিে পরবিারকে দখেভাল করা প্রয়াস। এই দুই দুঃচন্তিা জলেে পল্লীতে অশনীর আবাস নয়িে এসছে।ে এই মওসুমে জলেে পল্লী গুলোতে ইলশি নয়িে মহার্কমযজ্ঞরে রূপ এবার ভন্নি রূপে পরনিত হয়ছে।ে এমনটাই জানায় রাঙ্গাবালী উপজলোর একাধকি জলেরো। এপ্রসঙ্গে কথা হয় রাঙ্গাবালী উপজলোর চরমোন্তাজ স্লুইসঘাট এলাকার জলেে আইয়ুব দফাদাররে সাথ।ে তনিি জানান, জাটকা নধিন বন্ধ করার জন্য সরকার অবরোধ ঘোষণা কর।ে কন্তিু অবরোধরে সময় মৎস অফসি ও কোষ্টর্গাডরে লোকদরে টাকা দয়িা জাটকা শকিার করছে প্রভাবশালীরা। যার ফলে এবছর জলেরো সাগরে গয়িে ইলশি পচ্ছনো। আগামী দনি গুলোতওে র্পযাপ্ত মাছরে আসা করা যাচ্ছনো। তনিি আরো বলনে, মহাজনরে কাছ থকেে ১০ লাখ টাকা দাদন এনে জালরে সাবার করছে।ি জালে মাছ না পরলে ঋণরে টাকা পরশিোধ করবো কি কর!ে উপজলোর কোড়ালয়িা এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী কাওছার মৃধা জানান, র্বতমানে ইলশিরে ভরা মৌসুমে সাগরে ইলশিরে আকাল চলছ।ে জলেরো সাগর থকেে র্পযাপ্ত পরমিাণ মাছ নয়িে ফরিতে পারছনো। প্রতদিনিই তাদরে লোকসান গুনতে হচ্ছ।ে যার ফলে আমাদরে ব্যবসায়ও ভাঁটা পারছ।ে গত ৯/১০ দনি ধরে গদতিে র্পযাপ্ত পরমিাণ মাছও আসনে।ি তাই গদি ফলেে ঘোরা ফোরা করছ।ি ঋণ নয়িে জলেদেরে দাদন দয়ো হয়ছে।ে সাগরে জলেদেরে জালে মাছ না পরায় ঋণরে বোঝা বইতে হব।ে এমনকি পশো ছাড়তে বাধ্য হবে অনকে জলে।ে রাঙ্গাবালী উপজলোর গঙ্গীপাড়া এলাকার জলেে জসমি কাজী জানান, ১৫ লাখ টাকা ব্যায় করে ইলশিরে সাবার করছ।ি এরমধ্যে ১০ লাখ টাকা আমার নজিরে ছলি, বাকি ৫ লাখ টাকা ঢাকার এক দাদনদাররে কাছ থকেে ঋণ নয়িে ইলশিরে বোট সাগরে নামাইছ।ি ভাবছলিাম মৌসুমরে শুরুতে সাগরে অনকে মাছ পরব।ে সে আশায় ট্রলার নয়িে সাগরে জাল ফলে,ে যে মাছ পয়েছেি তাতে ট্রলাররে খরচই উঠনে।ি সাগরে তনি-চারদনি ব্যপি একটি খওে দতিে ৬০ হাজার টাকার মত খরচ হয়, অথচ ২০ হাজার টাকার মাছ নয়িওে ঘাঁটে আসা যায়না। এভাবে আর কয়কে দনি চলতে থাকলে সাগরে একটা জলেকেওে খুঁজে পাওয়া যাবনো। নয়াচর এলাকার আলমগীর মাঝি বলনে মোরা মহাজনরে কাছে গোনে দাদন আইন্না জালসহ মাছ ধরার বভিন্নি মাল সামানা কন্নিা নদীতে ইলশি মাছ ধর।ি জলদস্যু আইয়া আমাগো টাহা-পয়সা হগোল লইয়া যায়। এ্যাহন সাগরে এমনতেইে মাছ পরনো, এর মধ্যে যদি জলদস্যুগোরে টাহা-পয়সা দওেয়া লাগে হ্যালে ক্যামন করমু। রাঙ্গাবালী উপজলো মৎস র্কমর্কতা মো: মোসলমে উদ্দনি খাঁন জানান, জলবায়ু পরর্বিতনরে প্রভাবে ইলশিরে মওসুম পাল্টয়িছে।ে তাই এখন সাগরে মাছ কম পরছ।ে আসা করছি আগমী মাসরে শুরুর দকিইে ইলশিরে দখো মলিব।ে

গাজীপুরে শ্রমিকদের দাবি মালের পিস ও রেট বাড়ানো
                                  

গাজীপুর প্রতিনিধি:
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভোগড়া বাইপাস মোড় এলাকায় সোমবার সকালে রোজ সুয়েটার লিমিটেড কারখানার ইউনিট ২ নামের পোশাক কারখানায় শ্রমিকরা কর্মবিরতি, অবস্থান ধর্মঘট করে। দুপুর পর্যন্ত কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ চলছিল। খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। সোয়েটারের উৎপাদন দর বৃদ্ধিকরণসহ বিভিন্ন দাবিতে কারখানায় শ্রমিকরা অসন্তোষ প্রকাশ করেন ।
কারখানার শ্রমিক রিপন জানান, রিপন জানান, তাদের কারখানার নিটিং, টিপিন মেন্ডিং ও লিংকিং সেকশনের শ্রমিকরা সোয়েটারের উৎপাদনের উপর ভিত্তি করে বেতন পান। দুইমাস আগে মালের উৎপাদন দর যা দিত বর্তমানে তার অর্ধেক দেয়া আমরা বেতন প্রায় অর্ধেক পাচ্ছি। আগে প্রডাকশন বোনাস শতকরা ২০টাকারস্থলে শতকরা ১২/১৫টাকা করা হয়েছে, হাজিরা বোনাস ৫টাকার স্থলে অর্ধেকে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রতিদিন হাজিরা দেয়া হয় তিনশ টাকা। এছাড়া গেল মাস থেকে প্রতিদিন বিকেল ৫টার পর থেকে অতিরিক্ত দুইঘন্টা করে কাজ করতে হচ্ছে। কিন্তু সে ক্ষেত্রেও আমাদের ঠকানো হচ্ছে। আগের চেয়ে প্রতিদিন বেশি সময় ও বেশি সংখ্যক মাল উৎপাদন করেও শ্রমিকরা বেতন আগের চেয়ে কম পাচ্ছেন। শ্রমিকরা দৈনিক হাজিরা বৃদ্ধিসহ অন্যন্য ভাতাদির বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। ডাচ বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে বেতন উত্তোলন করতে হয়। রোববার জুন মাসের বেতন ব্যাংকে পাঠালেও সকলে বেতন উত্তলনের কার্ড পায়নি। যারা কার্ড পয়েছেন তারা বেতন তুলতে গিয়ে কম টাকা পেয়েছেন। এ নিয়ে শ্রমিকরা সোমবার সকাল ৯টা থেকে কর্মবিরতি ও অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুর আলম জানান, কারখানার শ্রমিকরা মালের পিসরেট বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে কর্মবিরতি ও অবস্থান ধর্মঘট করে। পরে পুলিশ ও মালিক কারখানায় পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
এ দিকে কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা শেখ নাঈম ফজলে জানান, শ্রমিকদের সঙ্গে কর্তৃপক্ষের কিছু বিষয়ে ভুল বুঝাবুঝির কারণেই শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেয়। পরে তাদের সঙ্গে আলোচনার পর সমস্যার সমাধান করা হয়। তাদের ওভারটাইমের রেট শীটে তুলে তথ্য ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। এখন তাদের টাকা তুলতে আর সমস্যা হবে না।গাজীপুর প্রতিনিধি:
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভোগড়া বাইপাস মোড় এলাকায় সোমবার সকালে রোজ সুয়েটার লিমিটেড কারখানার ইউনিট ২ নামের পোশাক কারখানায় শ্রমিকরা কর্মবিরতি, অবস্থান ধর্মঘট করে। দুপুর পর্যন্ত কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ চলছিল। খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। সোয়েটারের উৎপাদন দর বৃদ্ধিকরণসহ বিভিন্ন দাবিতে কারখানায় শ্রমিকরা অসন্তোষ প্রকাশ করেন ।
কারখানার শ্রমিক রিপন জানান, রিপন জানান, তাদের কারখানার নিটিং, টিপিন মেন্ডিং ও লিংকিং সেকশনের শ্রমিকরা সোয়েটারের উৎপাদনের উপর ভিত্তি করে বেতন পান। দুইমাস আগে মালের উৎপাদন দর যা দিত বর্তমানে তার অর্ধেক দেয়া আমরা বেতন প্রায় অর্ধেক পাচ্ছি। আগে প্রডাকশন বোনাস শতকরা ২০টাকারস্থলে শতকরা ১২/১৫টাকা করা হয়েছে, হাজিরা বোনাস ৫টাকার স্থলে অর্ধেকে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রতিদিন হাজিরা দেয়া হয় তিনশ টাকা। এছাড়া গেল মাস থেকে প্রতিদিন বিকেল ৫টার পর থেকে অতিরিক্ত দুইঘন্টা করে কাজ করতে হচ্ছে। কিন্তু সে ক্ষেত্রেও আমাদের ঠকানো হচ্ছে। আগের চেয়ে প্রতিদিন বেশি সময় ও বেশি সংখ্যক মাল উৎপাদন করেও শ্রমিকরা বেতন আগের চেয়ে কম পাচ্ছেন। শ্রমিকরা দৈনিক হাজিরা বৃদ্ধিসহ অন্যন্য ভাতাদির বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। ডাচ বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে বেতন উত্তোলন করতে হয়। রোববার জুন মাসের বেতন ব্যাংকে পাঠালেও সকলে বেতন উত্তলনের কার্ড পায়নি। যারা কার্ড পয়েছেন তারা বেতন তুলতে গিয়ে কম টাকা পেয়েছেন। এ নিয়ে শ্রমিকরা সোমবার সকাল ৯টা থেকে কর্মবিরতি ও অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুর আলম জানান, কারখানার শ্রমিকরা মালের পিসরেট বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে কর্মবিরতি ও অবস্থান ধর্মঘট করে। পরে পুলিশ ও মালিক কারখানায় পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
এ দিকে কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা শেখ নাঈম ফজলে জানান, শ্রমিকদের সঙ্গে কর্তৃপক্ষের কিছু বিষয়ে ভুল বুঝাবুঝির কারণেই শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেয়। পরে তাদের সঙ্গে আলোচনার পর সমস্যার সমাধান করা হয়। তাদের ওভারটাইমের রেট শীটে তুলে তথ্য ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। এখন তাদের টাকা তুলতে আর সমস্যা হবে না।

রাকাবের ৪০ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা অর্জন
                                  

২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) এ যাবতকালের সর্বোচ্চ ৪০.৩৮ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা অর্জন করেছে। ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের তুলনায় মুনাফার এ পরিমাণ প্রায় ২৭ কোটি টাকা বেশি।

ব্যাংক স্বল্প সুদে কৃষি ঋণ, মসলা জাতীয় ঋণ, দুগ্ধ উৎপাদন ও কৃত্রিম প্রজনন খাতে ঋণ, মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষ ঋণ, ১০ টাকার হিসাবধারীদের ঋণসহ সরকারের বিভিন্ন সেবামূলক কর্মসূচি পরিপালন সত্বেও এই মুনাফা অর্জন করেছে। রাকাবকে মুনাফা অর্জনকারী এবং স্বাবলম্বী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার লক্ষ্যে অর্থবছরের শুরুতেই ব্যাংক ব্যবস্থাপনা একটি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে তা বাস্তবায়নের জন্য মাঠ পর্যায়ে দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রণীত পরিকল্পনায় ১৯৫০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ ও ১৮০০ কোটি টাকা ঋণ আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। ব্যাংকের ৩৮০টি শাখার মাধ্যমে বছরের বিভিন্ন সময় প্রকাশ্যে কৃষি ঋণ বিতরণ কর্মসূচি, ঋণ মেলা, ঋণ আদায় মহাক্যাম্প, আমানত হিসাব খোলা মেলার সফল আয়োজনের মাধ্যমে ২০৪৯ কোটি টাকা (১০৫%) ঋণ বিতরণ, শ্রেণিকৃতসহ ২২০০ কোটি টাকা (১২২%) ঋণ আদায় করা হয় এবং ব্যাংকের আমানত সংগ্রহ ৪৯০০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। এছাড়াও বার্ষিক হিসাব শেষে লোকসানী শাখার সংখ্যা ৫৫টি হ্রাস পেয়ে ৬৩টিতে দাঁড়িয়েছে, যা ব্যাংকের একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

প্রসঙ্গত, ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের শুরুতে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং পরিচালকদের সুচিন্তিত দিক-নির্দেশনা এবং ব্যাংক ব্যবস্থাপনার দক্ষ নেতৃত্বে ব্যাংক এ মুনাফা অর্জন করতে সক্ষম হয়। ব্যাংকের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিরলস পরিশ্রম এবং ব্যাংক ব্যবস্থাপনার নিবিড় তদারকির ফলে এ সফলতা অর্জিত হয়। এ অভুতপূর্ব সাফল্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

বাংলাদেশসহ ৫ দেশকে শুল্ক ছাড় ভারতের
                                  

বাংলাদেশসহ পাঁচ দেশের জন্য তিন হাজার ১৪২ পণ্যে শুল্ক ছাড় দিয়েছে ভারত। এশিয়া প্যাসিফিক ট্রেড এগ্রিমেন্টের (আপটা) আওতায় এ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। গত পহেলা জুলাই থেকে এ সুবিধা কার্যকর করেছে ভারত। ভারতের দ্য হিন্দু বিজনেস অনলাইনের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভারত আপটার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। আপটাকে শক্তিশালী করতে পর্যায়ক্রমে সদস্য দেশগুলোকে শুল্ক ছাড়ের সুবিধা দিচ্ছে দেশটি। বাংলাদেশের পাশাপাশি চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা ও লাওস এ সুবিধা পাবে। আর এলডিসিভুক্ত বাংলাদেশ ও লাওসকে ভারত ৪৮ ট্যারিফ লাইনে বিশেষ সুবিধা দিয়েছে।

তবে আগে থেকে বাংলাদেশ সাফটার আওতায় তামাক ও মদজাতীয় ২৫ পণ্য বাদে সকল পণ্যে ভারতে রফতানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়। তৈরি পোশাকের ৪৬টি ক্যাটাগরিও এর মধ্যে রয়েছে। ফলে আপটার আওতায় শুল্ক ছাড়ের এ ঘোষণায় বাংলাদেশের বিশেষ উপকার হবে না। এ ছাড়া যেসব পণ্যে ভারত শুল্ক ছাড় দিয়েছে সেগুলোর অধিকাংশই এখান থেকে রপ্তানি হয় বলে জানা গেছে।

ভারত ধাপে ধাপে আপটা সদস্যদের জন্য শুল্ক ছাড় দিচ্ছে। এবার চতুর্থ দফায় শুল্ক কমানো হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ১০ হাজার ৬৭৭ পণ্যে শুল্ক ছাড় ঘোষণা করেছে দেশটি। এর আগে তৃতীয় দফায় ৪ হাজার ২৭০ পণ্যে শুল্ক ছাড় দেয় দেশটি। এলডিসিভুক্ত দেশগুলো এক হাজার ২৪৯ পণ্যে বেশি শুল্ক ছাড় পেয়ে থাকে। এলডিসির আপটার আওতায় মার্জিন সুবিধায় ৮১ ভাগ পণ্যে সুবিধা পায়।

ঋণ ও আমানতে সুদ কমছে আজ থেকে
                                  

ব্যাংক খাতে ঋণের সুদহার পহেলা জুলাই থেকে সিঙ্গেল ডিজিটে নামবে বলে ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিএবি’র ঘোষণা দিয়েছে। পরে বাংলাদেশ ব্যাংকও ব্যাংকগুলোকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে। তবে ব্যাংক হলিডের কারণে গতকাল রবিবার লেনদেন বন্ধ থাকায় ঋণ ও আমানতে ব্যাংকগুলো আজ সোমবার থেকে নতুন সুদহার কার্যকর করবে। প্রথম পর্যায়ে ব্যাংকগুলো শুধু শিল্প ঋণে ৯ শতাংশ সুদ নেবে। আর তিন মাস মেয়াদি আমানতে সুদ দেবে সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ। পর্যায়ক্রমে অন্য সব ক্ষেত্রে সুদহার কমানো হবে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকাররা।

এদিকে, আজ সোমবার গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে ব্যাংকগুলোর এমডিদের একটি পূর্ব নির্ধারিত বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে সুদহার কার্যকরের বিষয়টি মূল আলোচ্য হবে বলে জানা গেছে। বৈঠক থেকে ব্যাংকগুলোর এমডিদের বিএবির ঘোষণার আলোকে সুদহার কার্যকরের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।

দীর্ঘদিন ধরে শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা ঋণের সুদহার এক অঙ্কে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়ে আসছেন। সরকারও চায় ঋণের সুদহার এক অঙ্কে নামুক। এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০ জুন এক বৈঠক থেকে ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার ঘোষণা দেয় বেসরকারি ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)। একই দিন অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারি ব্যাংকগুলোর এক বৈঠকেও একই রকম সিদ্ধান্ত হয়।

বিএবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিনিয়োগ বাড়াতে আগামী ১ জুলাই থেকে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণ এবং ৬ শতাংশ সুদে তিন মাস মেয়াদি আমানত নেওয়া হবে। তবে সব ঋণে সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামবে কি-না বিএবির বৈঠকে সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। এরপর গত ২৭ জুন এমডিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয়- এখনই সব ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামবে না। আবার শুধু তিন মাস মেয়াদি নয়, সব ধরনের আমানতে সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ সুদ নির্ধারণ না করলে আমানত সংগ্রহে অসম প্রতিযোগিতা দেখা দিলে মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হবে না। তবে এসব সিদ্ধান্ত হবে ব্যাংকগুলোর নিজ পর্ষদে। ফলে ব্যাংকগুলো ঋণ আমানতে কী রকম সুদ ঘোষণা করছে তা আজ থেকে জানা যাবে।

আড়াই শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন পাট চাষি ও ব্যবসায়ীরা
                                  

পাট শিল্পের উন্নয়নের জন্য তহবিল গঠনের উদ্দেশ্যে নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। ১০ হাজার কোটি টাকার এ তহবিল থেকে সুদ ভর্তুকির পর আড়াই শতাংশ হারে ঋণ পাবেন পাট চাষি থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা। গঠিত নীতিমালা বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় পাট শিল্পের উন্নয়নের জন্য ২ শতাংশ সুদে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের জন্য বিজেএমসি চেয়ারম্যান ড. মো. মাহমুদুল হাসানকে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি চারটি সভার মাধ্যমে এ নীতিমালা প্রণয়ন করে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, যেহেতু এটি একটি বিশেষ তহবিল এবং প্রায় সংকটাপন্ন পাট খাতকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য এটি প্রণয়ন করা হচ্ছে, সেহেতু বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালন ব্যয় ২ শতাংশ এবং তফসিলি ব্যাংকের পরিচালন ব্যয় ৩ শতাংশসহ মোট সুদ ৫ শতাংশ সুদ হবে। তবে এর অর্ধেক সুদ ভর্তুকি হিসাবে সরকারি তহবিল থেকে গ্রাহক পর্যায়ে পরিশোধ করা হবে। অর্থাত্ বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা ব্যয়ের ১ শতাংশ এবং তফসিলি ব্যাংকের পরিচালনা ব্যয়ের ১ দশমিক ৫ শতাংশ সরকারি তহবিল থেকে সুদ ভর্তুকি হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক ও তফসিলি ব্যাংকগুলোকে প্রদান করা হবে। ফলে গ্রাহক পর্যায়ে আড়াই শতাংশ ঋণগ্রহীতা পরিশোধ করবে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়, ঋণগ্রহীতা নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে অনাদায়ী পরিমাণের জন্য অতিরিক্ত ৫ শতাংশ হারে সুদ আরোপ হবে। অতিরিক্ত অর্জিত এ সুদ বাংলাদেশ ব্যাংক ও তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে যথাক্রমে ২ এবং ৩ শতাংশ হারে বণ্টন হবে।

শনিবার ব্যাংক খোলা থাকবে
                                  

করদাতাদের আয়কর,ভ্যাট ও শুল্ক জমাদানের সুবিধার্থে চেক, চালান, পে-অর্ডার অথবা ডিমান্ড ড্রাফট সেবা চালু রাখার লক্ষ্যে আগামী শনিবার সকল তফসিলী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখাসমূহ খোলা থাকবে।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে,পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সহকারে ব্যাংক খোলা রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করা হয়।

তেইশ বছরের মধ্যে নিঃশেষ হবে দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাস: পেট্রোবাংলার পূর্বাভাস
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৪১২ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে দেশীয় গ্যাস ক্ষেত্রগুলোর বিভিন্ন কূপ থেকে উত্পাদন হয় ২৭৯ কোটি ঘনফুট। ফলে ঘাটতি থাকছে প্রায় ১৩২ কোটি ঘনফুট। ২০৪১ সাল নাগাদ চাহিদা বেড়ে দাঁড়াবে ৬৭৮ কোটি ঘনফুটে। তবে এর মধ্যে নতুন গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কার না হলে, এখন যেসব কূপ থেকে উত্পাদন হচ্ছে সেগুলোর মজুদ ফুরিয়ে যাবে। অর্থাৎ ওই সময় দেশীয় উত্স থেকে গ্যাস উত্পাদন শূন্যতে দাঁড়াবে।

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির যৌক্তিকতা নিয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) দেয়া এক প্রতিবেদনে এই চিত্র ও পূর্বাভাস তুলে ধরেছে পেট্রোবাংলা। পেট্রোবাংলা ওই প্রতিবেদনে প্রতি ঘনমিটার এলএনজি ও দেশীয় গ্যাসের গড় মূল্যহার ১২ টাকা ৯৫ পয়সা করার প্রস্তাব করে। যদিও বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের গড় মূল্য ৭টাকা ৩৯ পয়সা।

এ দিকে প্রতি ঘনমিটার এলএনজি সরবরাহ বাবদ ৪০ পয়সা সঞ্চালন মাসুল বৃদ্ধির দাবি করেছে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)। পেট্রোবাংলাও বিতরণ মাসুল বাবদ ৮৮ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব করে।

পেট্রোবাংলার এই প্রাক্কলন-পূর্বাভাস সম্পর্কে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. বদরুল ইমাম বলেন, আমাদের প্রতিবেশী দেশ তাদের সমুদ্রসীমা থেকে গ্যাস আহরণ করে বিদেশে রপ্তানি করছে। অথচ মূল ভূ-খণ্ডের সমান একটি সমুদ্রসীমা ফেলে রেখে আমরা ব্যয়বহুল গ্যাস আমদানি করছি। দেশের অনুসন্ধানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল ও নতজানু করে দিয়ে কিছু মানুষকে ব্যবসার সুযোগ করার জন্য এই এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। এটা খুবই হতাশাজনক।

তিনি বলেন, বর্তমানে ৫০ কোটি ঘনফুট এলএনজি আমদানি করে প্রতি ঘনমিটার দাম ৫ টাকা ৩২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা করার প্রস্তাব এসেছে। ভবিষ্যতে যখন চাহিদা আরও বাড়বে, তখন যদিও আরও আমদানি হয় ওই গ্যাসের দাম কত হবে সেই প্রাক্কলন কি পেট্রোবাংলা করতে পারবে?
মূল্যবৃদ্ধি না করেই এলএনজি মিশ্রিত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে দেয়া সম্ভব বলে মনে করে ভোক্তা প্রতিনিধি সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। একইসাথে এলএনজি আমদানি একটি ভুল সিদ্ধান্ত বলেও মত দেন তারা।
ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, আমাদের হিসেবে ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে ভোক্তাপর্যায়ে এলএনজি মিশ্রিত গ্যাসের মূল্যহার হবে ৯ টাকা ৯ পয়সা। বিদ্যমান মূল্য ৭ টাকা ৩৯ পয়সা। ফলে ঘটতি থাকে ঘনমিটার প্রতি ১ টাকা ৭১ পয়সা বা ৫ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা। এই ঘাটতি তিতাসের সিস্টেম লস মূল্যহারে সমন্বয় না করে, গ্যাস উন্নয়ন তহবিল বাতিল করে, গ্যাসের উপর এসডি-ভ্যাট নেয়া বন্ধ, জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিলের অর্থ ভর্তুকি হিসেবে বিনিয়োগ এবং সরকারের ডিভিডেন্ড থেকে অর্থ নিয়ে এই ঘাটতি সমন্বয় করা সম্ভব। ফলে এলএনজি মিশ্রিত গ্যাসের দাম বাড়ানোর কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।

ব্যাংকের মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণেও সুদ কমবে
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
দেশে কার্যরত ব্যাংকগুলোতে আগামী ১ জুলাই থেকে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণ ও ৬ শতাংশ সুদে আমানত নেওয়ার ঘোষণা এসেছে। ব্যাংকের মত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোরও (লিজিং কোম্পানি) সুদহার কমে আসবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে কতটা কমবে এবং কবে নাগাদ কববে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সুদহার কমানো বিষয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিএলএফসিএ) নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির ইতোমধ্যে একটি বৈঠকও করেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ব্যাংকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এখন ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সুদহার কমাতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি-মার্চ সময়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ সুদে শিল্পের মেয়াদি ঋণ বিতরণ করেছে বেশিরভাগ ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। একই সময়ে বেশিরভাগ ব্যাংক এ খাতে ৯ থেকে সাড়ে ১২ শতাংশ সুদ নিয়েছে। যদিও এর কয়েক মাস আগে ব্যাংকগুলো ১০ শতাংশের কম সুদে ঋণ বিতরণ করেছিল।
গত মার্চে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ সুদে আমানত নিয়েছে। আর ঋণ বিতরণ করেছে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ সুদে। একই মাসে ব্যাংকগুলো গড়ে ৫ দশমিক ৩০ শতাংশ সুদে আমানত নিয়েছে। আর ঋণ বিতরণ করেছে গড়ে ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ সুদে।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান-সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্যাংকগুলো গ্রাহক থেকে চলতি, সঞ্চয়ী, মেয়াদিসহ বিভিন্ন ধরনের আমানত নিতে পারে। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তিন মাসের কম মেয়াদে কোনো আমানত নিতে পারে না। আবার ব্যাংকের তুলনায় এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি কম হওয়ায় আমানত সংরক্ষণে গ্রাহকরা তেমন আগ্রহ দেখান না। ফলে ব্যাংকের তুলনায় বেশি সুদ দিয়েও চাহিদা অনুযায়ী আমানত না পাওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের তহবিল সংগ্রহে ধরনা দিতে হয় ব্যাংকে। আমানতের পাশাপাশি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কার্যক্রম চালাতে হয়। বর্তমানে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট আমানতের ২৩ শতাংশের মতো আসে ব্যাংক থেকে। আবার ব্যাংকের চেয়ে আমানতের গড় সুদহারও তুলনামূলক বেশি। ফলে ব্যাংকের তুলনায় সব সময় এসব প্রতিষ্ঠানের সুদহারও বেশি থাকে।
এ ছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানতের উল্লে­খযোগ্য অংশ আসে ব্যাংক থেকে। ফলে ব্যাংকগুলো যে সুদে ঋণ দেয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য তা আমানতের সুদ। যে কারণে এসব প্রতিষ্ঠান চাইলেও সিঙ্গেল ডিজিটে ঋণ দিতে পারবে না। তবে বর্তমানের তুলনায় কমবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ফজলে কবির বিএলএফসিএ প্রতিনিধিদেরকে ব্যাংকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সুদহার কমানোর পরামর্শ দেন। এ জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে নিজেরা বসে সুদহার ঠিক করে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে গভর্নর সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করে এ বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেবেন।
বিএলএফসিএর চেয়ারম্যান ও ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. খলিলুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, সুদহার সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরামর্শ অনুযায়ী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে এ জন্য কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

বাংলাদেশে উৎপাদিত আলুর রপ্তানি বাড়ছে
                                  

বাংলাদেশে উৎপাদিত আলু পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের আলুর যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, কাতার, জাপান, শ্রীলঙ্কা, রাশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের আলু রপ্তানি হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায় বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় আলু উত্পাদিত হলেও দিনাজপুর, রংপুর, জয়পুরহাট, কুড়িগ্রাম, ঠাকুরগাঁও জেলায় বেশি পরিমাণ আলু উত্পাদিত হচ্ছে। উত্পাদিত উন্নতজাতের আলুর মধ্যে রয়েছে ডায়মন্ড, গ্রানূলা, কুমারিকা ও সাগিতা জাতের আলু বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। এসব আলুর ওজন প্রতিটি ৮০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম পর্যন্ত হচ্ছে। গত কয়েক বছর আগে থেকে আলু রপ্তানি শুরু হয়।
বাংলাদেশের আলুর বড় ক্রেতা ছিল রাশিয়া। কিন্তু বাংলাদেশের আলুর মধ্যে ভাইরাস পাওয়ায় রাশিয়া বাংলাদেশ থেকে আলু নেওয়া বন্ধ করে দেয়। কিন্তু সমপ্রতি মালয়েশিয়া বাংলাদেশ থেকে বেশি পরিমাণ আলু নিচ্ছে। এক তথ্যে জানা যায় ২০১৭ সালে আলুর মৌসুমে বিশ হাজার টন আলু মালয়েশিয়ায় রপ্তানি করা হয়েছে। ইদানিং উত্তরবঙ্গে বেশ কিছু উদ্যেক্তা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আলু উত্পাদনে নেমেছে। এতে করে আলু চাষিদের মাঝে নতুন করে উত্সাহ দেখা দিয়েছে। আলু চাষিরা জানান, আগে আলু চাষ করে ন্যায্য মূল্য পেতাম না। আলুর চাষ বেড়ে যাওয়ায় কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হচ্ছে। জমি থেকে আলু সংগ্রহের পর আলু বাছাই, গ্রেডিং, ওজন, প্যাকিং, ট্রাকে লোডকরাসহ বিভিন্ন কাজে অনেক লোক নিয়োজিত হচ্ছে। এসব শ্রমিকের মধ্যে নারী শ্রমিকের সংখ্যাই বেশি।
আলু রপ্তানি হওয়ায় চাষিরা ব্যাপকভিত্তিতে আলু চাষের উদ্যোগ নিচ্ছে। উচ্চফলনশীল ও রপ্তানিযোগ্য উন্নতজাতের আলু বেশি করে চাষ করলে রপ্তানির পরিমাণ বেড়ে যাবে। এতে আর্থিকভাবে লাভবান হবেন আলু চাষিরা। আলুর রপ্তানি ক্রমেই বৃদ্ধি করা গেলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার আয় বাড়বে। এতে জাতীয় অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। দেশে আলুর উত্পাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিত্যক্ত জায়গাগুলো আলু চাষের আওতায় আনতে হবে। দেশের বেকারদেরকে স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করে জমির বন্দোবস্ত দিতে হবে। এতে করে লাভবান হবে দেশ।


   Page 1 of 12
     অর্থ-বাণিজ্য
রেমিট্যান্স পাঠানোয় ঘোপলা প্রবাসীদের ব্যাংকে
.............................................................................................
ভারত থেকে মানহীন বাস-ট্রাক আমদানি করছে বিআরটিসি
.............................................................................................
উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী ....ড. এফ এইচ আনসারী
.............................................................................................
ইনডিগো এয়ারে ৪ হাজার ৯১৮ টাকায় ঢাকা-কলকাতা ভ্রমণ
.............................................................................................
২২ হাজার কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা
.............................................................................................
সিটি ব্যাংকের উদ্যোগে গ্রিন চ্যাম্পিয়ন রিকগনিশন সেমিনার
.............................................................................................
ইলিশ শূন্য সাগর হতাশায় পটুয়াখালীর জেলেরা
.............................................................................................
গাজীপুরে শ্রমিকদের দাবি মালের পিস ও রেট বাড়ানো
.............................................................................................
রাকাবের ৪০ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা অর্জন
.............................................................................................
বাংলাদেশসহ ৫ দেশকে শুল্ক ছাড় ভারতের
.............................................................................................
ঋণ ও আমানতে সুদ কমছে আজ থেকে
.............................................................................................
আড়াই শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন পাট চাষি ও ব্যবসায়ীরা
.............................................................................................
শনিবার ব্যাংক খোলা থাকবে
.............................................................................................
তেইশ বছরের মধ্যে নিঃশেষ হবে দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাস: পেট্রোবাংলার পূর্বাভাস
.............................................................................................
ব্যাংকের মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণেও সুদ কমবে
.............................................................................................
বাংলাদেশে উৎপাদিত আলুর রপ্তানি বাড়ছে
.............................................................................................
ভূমি অধিগ্রহণে ব্যয় বাড়ছে ১৪শ’ কোটি টাকা
.............................................................................................
কমলো ব্যাংক ঋণে সুদের হার
.............................................................................................
কমিয়ে আনা রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন হচ্ছে না!
.............................................................................................
গার্মেন্টসের কর্পোরেট করও বাড়ছে
.............................................................................................
শেষ মুহূর্তে সঞ্চয়পত্র কেনার ধুম
.............................................................................................
পোশাক রপ্তানিতে আয় আরও বেড়েছে
.............................................................................................
জ্বালানিবান্ধব বিনিয়োগে আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেল সিটিব্যাংক
.............................................................................................
রাষ্ট্রীয় সংস্থার ঋণ ৩১ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে
.............................................................................................
ঋণের সুদহার না বাড়াতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ
.............................................................................................
জেনেভায় লেবার কনফারেন্সে উঠছে বাংলাদেশের শ্রম আইন ইস্যু
.............................................................................................
আগামী রবিবার থেকে পাওয়া যাবে নতুন নোট
.............................................................................................
পাইকারি বাজারে ছোলার দরপতন খুচরা বাজারে প্রভাব নেই
.............................................................................................
স্বর্ণ আমদানি করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ডিলাররা
.............................................................................................
চিত্রনায়ক ফারুক’কে নোভা ইলেক্ট্রনিক্স কোম্পানীর আজীবন সম্মাননা প্রদান
.............................................................................................
পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি করে আয় বাড়ছে
.............................................................................................
আবারো বাড়ছে গ্যাসের দাম
.............................................................................................
পাতাল থেকে আসমানে উঠেছে বাংলাদেশ : অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
১৬ প্রকল্প অনুমোদন একনেকে
.............................................................................................
কৃষিখাতে কর্মসংস্থান কমছে ধারাবাহিকভাবে প্রতিষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের বড় অংশ সেবা খাত নির্ভর
.............................................................................................
কমছে সোনার দাম ভরিতে কমেছে ১২৮২ টাকা পর্যন্ত
.............................................................................................
এখনো ২৬ শতাংশ গার্মেন্টস ভবনের নিরপত্তা সন্তোষজনক নয়
.............................................................................................
সাত মাসে মোট লক্ষ্যমাত্রার ৯৬ শতাংশ সঞ্চয়পত্র বিক্রি
.............................................................................................
আমানতের টার্গেট পূরণে চাপে ব্যাংকাররা
.............................................................................................
ব্যাংকে উদ্বৃত্ত থেকে সংকট, ৪৫ হাজার কোটি টাকা ভোজবাজী
.............................................................................................
চীনা কনসোর্টিয়ামের কাছে শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্ত নিল ডিএসই
.............................................................................................
৪৫ বছরে ধান উৎপাদন তিনগুণের বেশি
.............................................................................................
বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশ হবে ইন্দোনেশিয়ার মত
.............................................................................................
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরিতে জড়িত ৪৩ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান
.............................................................................................
ঘুষ না দিলে ব্যাংক কর্মকর্তারাও ঋণ পায় না!
.............................................................................................
আসছে বড় ব্যয়ের নির্বাচনী বাজেট
.............................................................................................
ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ১৫ হাজার কোটি টাকা
.............................................................................................
মজুরি বোর্ডে নেই ‘প্রকৃত শ্রমিক প্রতিনিধি’
.............................................................................................
বাংলাদেশে পোশাকশিল্পে কাজের মজুরি সবচেয়ে কম
.............................................................................................
রাশিয়ার কাছে শুল্কমুক্ত সুবিধা চায় বাংলাদেশ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক : জাকির এইচ. তালুকদার ।     [সম্পাদক মন্ডলী ]
সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ০১৭১৩৫৯২৬৯৬ , ই-মেইল: dtvbanglahr@gmail.com
   All Right Reserved By www.dtvbangla.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]