| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
   * সুযোগ আছে বিএসসি অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে   * উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী ....ড. এফ এইচ আনসারী   * সবার মতামত নিয়েই গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় ব্যবস্থা :প্রধানমন্ত্রী   * ডুবোচরে আটকে আছে ১৫টি মালবাহী জাহাজ   * নিম্নকক্ষে নিয়ন্ত্রণ হারালেন ট্রাম্প   * শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব ---ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা   * আমার সংসার টিকে আছে এইতো বেশি   * গোপালগঞ্জে মোবাইলে প্রেমের ফাঁদ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার   * সাটুরিয়ায় দলিল হাতে ঘুরছে ভূমিহীন ২০ পরিবার   * এ্যরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় আসতে চাইলে  

   তথ্য প্রযুক্তি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে ১১৫ তম বাংলাদেশ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিগত ৬ বছরে আশানুরূপ ব্যাপক উন্নয়নের ফলে সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট জরিপে ১৫০তম স্থান থেকে ১১৫তম অবস্থান অর্জন করেছে। জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক বিভাগ (ইউএনডেসা) পরিচালিত ই-সরকার ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স (ইজিডিআই) অনুযায়ী, বাংলাদেশ ০.৪৭৬৩ পয়েন্ট পেয়ে এবং গত দুই জরিপে ৩৫ ধাপ এগিয়ে ১৯৩ টি দেশের মধ্যে ১১৫তম স্থানে অবস্থান করে নিয়েছে। যা ২০১৬ সালের জরিপ অনুযায়ী এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২৪তম, ২০১৪ সালে ১৪৮তম এবং ২০১২ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৫০তম।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান ‘শেখ হাসিনা’র সরকার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নানান উদ্যোগ গ্রহণের ফলে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ডিজিটাল সরকার ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ দিন দিন অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

রবিবার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)-এর সম্মেলন কক্ষে ইউএনডেসা প্রকাশিত জরিপ রিপোর্টের উপর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য প্রকাশ করেন।

তিনি আরো বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এবং রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। মানব সম্পদ সূচক এবং টেলিকমিউনিকেশন সূচককে আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি এবং ডাটার আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে সিআরভিএস, ওপেন ডাটা পোর্টাল, জাতীয় তথ্য বাতায়ন, এসডিজি পোর্টাল, বিগ ডাটা উদ্যোগ ইত্যাদিসহ নানান প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে যা বাস্তবায়িত হলে অনলাইন সার্ভিস সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান আরো ভাল হবে।
তিনি আরো বলেন, এই রিপোর্ট একদিক থেকে রোমাঞ্চকর আরেক দিক থেকে একটা চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বরের আগ পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে একটি কৃষিভিত্তিক দেশ হিসেবে পরিচিত, সেই দেশটিই ২০০৯ থেকে ২০১৮ এর মধ্যে যে রূপান্তর তা বিশ্ব মানচিত্রে উপস্থাপিত হয়েছে তা অভিনন্দনযোগ্য। এজন্য আমাদের নিজেদের কাজ করতে হয়েছে এবং পাশাপাশি পৃথিবীকে জানাতেও হয়েছে যে আমরা কাজ করছি। আমাদের চারপাশে যে তথ্য উপাত্ত তার পরিপূর্ণ প্রতিফলন প্রতিবেদনে হয় নি, সেজন্য প্রত্যাশিত প্রকৃত অবস্থান নির্ধারণ করা যায় নি। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ অতীতের চেয়ে ভাল সূচকে অবস্থান করছে। বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশ কেন্দ্রিক চিন্তার দিক থেকেও সবচেয়ে সুসময়ে অবস্থান করছি আমরা। ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে যে প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে তাদের নিজেদের মধ্যে যে সংহতি তা অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে ভাল। এখন সমন্বিতভাবে আমরা কাজ করছি।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘বিগত ৯ বছর ধরে সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। সহজলভ্যতা, সক্ষমতা এবং সচেতনতা-এই তিনটি বিষয় নিশ্চিত করতে না পারলে কোন দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়বে না। এইসব বিষয়ে আমরা কাজ করছি।’

তিনি আরো বলেন, ওপেন ডাটা পোর্টাল এর সাথে সাথে আমরা একটা ওপেন ডাটা পলিসি দ্রুত করে ফেলবো এবং ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট সংসদে বিবেচনাধীন রয়েছে। মন্ত্রী বলেন, কয়েকটি স্বল্পোন্নত দেশের সাথে এটুআই ইতোমধ্যে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের মত করে ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করা যায়। বিজ্ঞপ্তি।

সংবাদ সম্মেলন একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের পলিসি এ্যাডভাইজার জনাব আনীর চৌধুরী একটি উপস্থাপনা প্রদান করেন। তিনি উপস্থাপনায় উল্লেখ করেন, “এই জরিপে অবস্থান তৈরিতে আমরা ৫ টি পদ্ধতি গ্রহন করেছিঃ এক, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ড্যাসবোর্ড তৈরি করেছি এবং এদের মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করা হয়েছে। দুই, সৃষ্ট এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রতিটি মন্ত্রণালয় এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক তৈরি হয়েছে যা এনালগ থেকে ডিজিটাল সেবার প্রতি সবগুলো প্রতিষ্ঠানকে আগ্রহী করে তুলেছে। তিন, ইউএনডেসার সহযোগিতায় আমরা সরকারি বিশাল ডাটা বা তথ্য-উপাত্ত নিয়ে কাজ শুরু করেছি এবং উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে আইসিটি ফর এসডিজি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডাটা বা তথ্য-উপাত্ত নিয়ে কাজের ক্ষেত্রে আমরা অনেক পরিণত হয়েছি। চার, সরকারের বিভিন্ন সেবার মাধ্যমে জনগনের সাথে বিভিন্ন পদ্ধতিতে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। পাঁচ, আমরা এখন প্রযুক্তিগত কাঠামো তৈরী করতে বিভিন্ন প্রায়োগিক কৌশল প্রয়োগ করতে সক্ষমতা অর্জন করেছি।

উল্লেখ্য, সঠিক ব্যবস্থাপনা, ব্যবহারের দক্ষতা, দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা, ডিজিটাল কনটেন্টের সহজলভ্যতা ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার প্রত্যাশিত মাত্রা ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হচ্ছে বলে স্বল্প সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের নাম সামনের সারিতে এগিয়ে এসেছে। আর এর প্রতিফলন ঘটেছে সম্প্রতি জাতিসংঘ প্রকাশিত ই-সরকার সার্ভে ২০১৮ শীর্ষক প্রতিবেদনের মাধ্যমে। বিগত বছরগুলোতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় বিভিন্ন সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার নানা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। সরকারি বিভিন্ন ওয়েবসাইটে তথ্য হালনাগাদ করার পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি সেবা ডিজিটালাইজ করার মধ্য দিয়ে জনগনের দোরগোড়ায় তথ্যপ্রযুক্তির ছোঁয়া পৌঁছে দেয়া সম্ভব হয়েছে। দেশব্যাপী প্রায় ৫ হাজারের অধিক ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমেও তথ্যপ্রযুক্তির সুফল বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। এর মাধ্যমে জনগনের সময়, ব্যয় ও সরকারি অফিসে যাতায়াতের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। ক্রমাগত এই সফলতার ফলস্বরূপ বিশ্বে আইসিটি সেক্টরের সম্মানজনক পুরস্কার ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি’ (ডব্লিউএসআইএস) সহ নানা আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছে বাংলাদেশ।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ-এর সচিব জনাব জুয়েনা আজিজ, একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম-এর প্রকল্প পরিচালক জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (পিএএ) সহ বিসিসি, আইসিটি ডিভিশন, এটুআই, ইউএনডেসা’র উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন মিডিয়া সংবাদ কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।।

জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে ১১৫ তম বাংলাদেশ
                                  

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিগত ৬ বছরে আশানুরূপ ব্যাপক উন্নয়নের ফলে সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট জরিপে ১৫০তম স্থান থেকে ১১৫তম অবস্থান অর্জন করেছে। জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক বিভাগ (ইউএনডেসা) পরিচালিত ই-সরকার ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স (ইজিডিআই) অনুযায়ী, বাংলাদেশ ০.৪৭৬৩ পয়েন্ট পেয়ে এবং গত দুই জরিপে ৩৫ ধাপ এগিয়ে ১৯৩ টি দেশের মধ্যে ১১৫তম স্থানে অবস্থান করে নিয়েছে। যা ২০১৬ সালের জরিপ অনুযায়ী এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২৪তম, ২০১৪ সালে ১৪৮তম এবং ২০১২ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৫০তম।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান ‘শেখ হাসিনা’র সরকার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নানান উদ্যোগ গ্রহণের ফলে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ডিজিটাল সরকার ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ দিন দিন অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

রবিবার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)-এর সম্মেলন কক্ষে ইউএনডেসা প্রকাশিত জরিপ রিপোর্টের উপর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য প্রকাশ করেন।

তিনি আরো বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এবং রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। মানব সম্পদ সূচক এবং টেলিকমিউনিকেশন সূচককে আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি এবং ডাটার আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে সিআরভিএস, ওপেন ডাটা পোর্টাল, জাতীয় তথ্য বাতায়ন, এসডিজি পোর্টাল, বিগ ডাটা উদ্যোগ ইত্যাদিসহ নানান প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে যা বাস্তবায়িত হলে অনলাইন সার্ভিস সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান আরো ভাল হবে।
তিনি আরো বলেন, এই রিপোর্ট একদিক থেকে রোমাঞ্চকর আরেক দিক থেকে একটা চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বরের আগ পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে একটি কৃষিভিত্তিক দেশ হিসেবে পরিচিত, সেই দেশটিই ২০০৯ থেকে ২০১৮ এর মধ্যে যে রূপান্তর তা বিশ্ব মানচিত্রে উপস্থাপিত হয়েছে তা অভিনন্দনযোগ্য। এজন্য আমাদের নিজেদের কাজ করতে হয়েছে এবং পাশাপাশি পৃথিবীকে জানাতেও হয়েছে যে আমরা কাজ করছি। আমাদের চারপাশে যে তথ্য উপাত্ত তার পরিপূর্ণ প্রতিফলন প্রতিবেদনে হয় নি, সেজন্য প্রত্যাশিত প্রকৃত অবস্থান নির্ধারণ করা যায় নি। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ অতীতের চেয়ে ভাল সূচকে অবস্থান করছে। বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশ কেন্দ্রিক চিন্তার দিক থেকেও সবচেয়ে সুসময়ে অবস্থান করছি আমরা। ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে যে প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে তাদের নিজেদের মধ্যে যে সংহতি তা অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে ভাল। এখন সমন্বিতভাবে আমরা কাজ করছি।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘বিগত ৯ বছর ধরে সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। সহজলভ্যতা, সক্ষমতা এবং সচেতনতা-এই তিনটি বিষয় নিশ্চিত করতে না পারলে কোন দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়বে না। এইসব বিষয়ে আমরা কাজ করছি।’

তিনি আরো বলেন, ওপেন ডাটা পোর্টাল এর সাথে সাথে আমরা একটা ওপেন ডাটা পলিসি দ্রুত করে ফেলবো এবং ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট সংসদে বিবেচনাধীন রয়েছে। মন্ত্রী বলেন, কয়েকটি স্বল্পোন্নত দেশের সাথে এটুআই ইতোমধ্যে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের মত করে ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করা যায়। বিজ্ঞপ্তি।

সংবাদ সম্মেলন একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের পলিসি এ্যাডভাইজার জনাব আনীর চৌধুরী একটি উপস্থাপনা প্রদান করেন। তিনি উপস্থাপনায় উল্লেখ করেন, “এই জরিপে অবস্থান তৈরিতে আমরা ৫ টি পদ্ধতি গ্রহন করেছিঃ এক, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ড্যাসবোর্ড তৈরি করেছি এবং এদের মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করা হয়েছে। দুই, সৃষ্ট এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রতিটি মন্ত্রণালয় এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক তৈরি হয়েছে যা এনালগ থেকে ডিজিটাল সেবার প্রতি সবগুলো প্রতিষ্ঠানকে আগ্রহী করে তুলেছে। তিন, ইউএনডেসার সহযোগিতায় আমরা সরকারি বিশাল ডাটা বা তথ্য-উপাত্ত নিয়ে কাজ শুরু করেছি এবং উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে আইসিটি ফর এসডিজি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডাটা বা তথ্য-উপাত্ত নিয়ে কাজের ক্ষেত্রে আমরা অনেক পরিণত হয়েছি। চার, সরকারের বিভিন্ন সেবার মাধ্যমে জনগনের সাথে বিভিন্ন পদ্ধতিতে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। পাঁচ, আমরা এখন প্রযুক্তিগত কাঠামো তৈরী করতে বিভিন্ন প্রায়োগিক কৌশল প্রয়োগ করতে সক্ষমতা অর্জন করেছি।

উল্লেখ্য, সঠিক ব্যবস্থাপনা, ব্যবহারের দক্ষতা, দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা, ডিজিটাল কনটেন্টের সহজলভ্যতা ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার প্রত্যাশিত মাত্রা ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হচ্ছে বলে স্বল্প সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের নাম সামনের সারিতে এগিয়ে এসেছে। আর এর প্রতিফলন ঘটেছে সম্প্রতি জাতিসংঘ প্রকাশিত ই-সরকার সার্ভে ২০১৮ শীর্ষক প্রতিবেদনের মাধ্যমে। বিগত বছরগুলোতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় বিভিন্ন সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার নানা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। সরকারি বিভিন্ন ওয়েবসাইটে তথ্য হালনাগাদ করার পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি সেবা ডিজিটালাইজ করার মধ্য দিয়ে জনগনের দোরগোড়ায় তথ্যপ্রযুক্তির ছোঁয়া পৌঁছে দেয়া সম্ভব হয়েছে। দেশব্যাপী প্রায় ৫ হাজারের অধিক ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমেও তথ্যপ্রযুক্তির সুফল বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। এর মাধ্যমে জনগনের সময়, ব্যয় ও সরকারি অফিসে যাতায়াতের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। ক্রমাগত এই সফলতার ফলস্বরূপ বিশ্বে আইসিটি সেক্টরের সম্মানজনক পুরস্কার ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি’ (ডব্লিউএসআইএস) সহ নানা আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছে বাংলাদেশ।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ-এর সচিব জনাব জুয়েনা আজিজ, একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম-এর প্রকল্প পরিচালক জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (পিএএ) সহ বিসিসি, আইসিটি ডিভিশন, এটুআই, ইউএনডেসা’র উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন মিডিয়া সংবাদ কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।।

৫০০ উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দেবে সিস্টেমআই টেকনোলজিস
                                  

প্রযুক্তিসেবা প্রতিষ্ঠান সিস্টেমআই টেকনোলজিস লিমিটেড দীর্ঘদিন ধরে আইটি পণ্য সরবরাহ, সেবা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিন শতাধিক কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে আইটি সেবা দিয়েছে এবং নিয়মিত দিচ্ছে।

সম্প্রতি তারা সারাদেশের প্রত্যেকটি জেলার উপজেলা পর্যায়ে একজন করে উদ্যোক্তাকে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান এবং ব্যবসা আরম্ভ করার যাবতীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল আহমেদ বলেন, আইটি সেবামূলক ব্যবসায় পুঁজির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ কাজের দক্ষতা, আন্তরিকতা ও নিয়মানুবর্তিতা। বর্তমান সময়ে শুধু পণ্য বিক্রি করে মুনাফা করার দিন শেষ হয়ে গেছে। এখন তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য ব্যবসার সূত্র হচ্ছে পণ্য+দায়িত্বশীল সেবা=অধিক মুনাফা। তাই দক্ষ ও আন্তরিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের কদর দিন দিন বাড়ছে।

আপনি যদি একজন দক্ষ উদ্যোক্তা হতে আগ্রহী হোন এবং আপনার যদি স্বল্প পরিসরে বিনিয়োগ করার সক্ষমতা থাকে তাহলে সিস্টেমআইয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রাথমিক রেজিস্টেশন করুন www.systemeye.net এই ঠিকানায়। প্রশিক্ষণের বিষয়: ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ সার্ভিস, সিসিটিভি ও নেটওয়ার্ক সেটআপ, সেবামূলক প্রতিষ্ঠান পরিচালনার কৌশল, মার্কেটিং ও লিডারশিপ।

কিভাবে গ্রাহক সেবা প্রদান করতে হয়, সেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমে একজন গ্রাহককে কিভাবে দীর্ঘ মেয়াদে ধরে রাখা যায়, প্রচারের মাধ্যমগুলো কি কি, আইটি ব্যবসার ঝুঁকিগুলো কি কি ইত্যাদি। প্রত্যেকটি উপজেলা থেকে একজন এবং মেট্রোপলটন এলাকায় প্রত্যেক থানায় একজন করে উদ্যোক্তা স্বল্প ফিতে এই বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

তিন ঘণ্টায় বিশ্বের যে কোনো স্থানে!
                                  

এবার রীতিমতো অসম্ভবকে সম্ভব করার প্রকল্প হাতে নিয়েছে বিখ্যাত উড়োজাহাজ কোম্পানি বোয়িং। শব্দের চেয়ে ৫ গুণ দ্রুতবেগে চলতে সক্ষম বাণিজ্যিক বিমান তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মার্কিন এই কোম্পানিটি।

বোয়িং জানিয়েছে, এই বিমানটি যাত্রীদের এক থেকে ৩ ঘনটার মধ্যে পৃথিবীর যেকোনো স্থানে নিয়ে যেতে সক্ষম হবে। মাত্র ২ ঘণ্টায় লন্ডন থেকে নিউইয়র্কে যেতে সক্ষম হবে এই আকাশযান। বর্তমানে এই দূরত্ব বিমানে ভ্রমণে সময় লাগে ৭ ঘণ্টা।

বিমান প্রস্ততকারক বিশ্বের বৃহত্তম এই সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের এই বিমান তৈরির প্রকল্প এখন পর্যন্ত প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত সফলতা অর্জনের আগে প্রকৌশলীদের বেশ কিছু প্রযুক্তিগত বাঁধা অতিক্রম করতে হবে। শব্দের চেয়ে বেশি গতিতে চললে বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, যা দূর করতে হবে। কারণ, যাত্রীদের নিরাপত্তা যেকোনো সংস্থার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বোয়িং মুখপাত্র জ্যাকসন এই কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, এই স্বপ্ন পূরণে ২০ থেকে ৩০ বছর লাগতে পারে। তাই আগামী প্রজন্ম আকাশে ওড়ার এক নতুন অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারবে। তিনি আরো বলেন, নতুন কিছু নির্মাণে বছরের পর বছর লেগে যায়।

প্রচণ্ড গতিসম্পন্ন এই বিমান তৈরির ব্যাপারে বোয়িং ভীষণ আগ্রহী এবং দীর্ঘদিন ধরে তারা এই পরীক্ষা চালাচ্ছে। বছরের শুরুতে বোয়িং স্বচালিত হাইপারসনিক ড্রোনের একটি নকশা অবমুক্ত করে যা সামরিক কাজে ব্যবহার সম্ভব। বাজারে আসার আগে এই বাণিজ্যিক বিমান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত হতে পারে।

বোয়িং জানায়, চূড়ান্ত সফলতা অর্জনের পর তাদের বিমান ঘণ্টায় ৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি গতিতে চলতে সক্ষম হবে। তবে বোয়িং ছাড়াও আরো একাধিক কোম্পানি হাইপারসনিক বিমান তৈরির কাজে হাত দিয়েছে। এদের মধ্যে আছে লকহিড মার্টিন এবং এরিওন করপোরেশন। অন্যদিকে স্পেসএক্স এর কর্ণধার এলন মাস্ক বলেছেন, তার প্রতিষ্ঠান এমন বিমান তৈরির গবেষণা করছে যা আধা ঘণ্টায় নিউইয়র্ক থেকে সাংহাই (প্রায় ১২ হাজার কিলোমিটার) পৌঁছে যেতে পারবে!-সিএনএন।

বাংলাদেশে মোবাইল ব্যবহারকারী ১৫ কোটির বেশি
                                  

বাংলাদেশে মোবাইল সংযোগকারীর সংখ্যা গত মে মাস পর্যন্ত ১৫ কোটি ৭ লাখ ২০ হাজার। মার্চ মাস শেষে গ্রাহক সংখ্যা ছিল ১৫ কোটি ৩ লাখ ৩০ হাজার। এমন তথ্য জানায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

বিটিআরসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী মে মাসের শেষে দেশের সবচেয়ে বড় অপারেটর গ্রামীণ ফোনের গ্রাহক সংখ্যা ৬ কোটি ৮৬ লাখ ৯০ হাজার। বাংলালিংকের ৩ কোটি ৩৩ লাখ ৪০ হাজার। রবির ৪ কোটি ৫০ লাখ ২০ হাজার। রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটকের গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার।

স্মার্টফোন বিস্ফোরণে নিহত মালয়েশিয়ার ক্রেডল ফান্ডের প্রধান নির্বাহী
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
নিজের শোবার ঘরে স্মার্টফোন বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন মালয়েশিয়ার ক্রেডল ফান্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাজরিন হাসান। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়।
নিউ ইয়র্ক পোস্টের খবরে বলা হয়, কয়েক দিন আগে নাজরিন তার শোবার ঘরে দুটি স্মার্টফোন চার্জ দিচ্ছিলেন। এর মধ্যে একটি স্মার্টফোন বিস্ফোরণে তিনি মারা যান।
হাসানের আত্মীয়দের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, ব্ল্যাকবেরি ও হুয়াওয়ের স্মার্টফোন চার্জে দিয়েছিলেন হাসান। তবে কোন ফোনটি বিস্ফোরিত হয়েছে, তা জানা যায়নি।
বিস্ফোরণের পর বিছানায় আগুন লেগে যায় এবং বিস্ফোরিত ফোনের ভাঙা অংশ হাসানের মাথার পেছনের দিকে লাগে এবং তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে
পুরো ঘরে আগুন ধরে যায়।
দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, আগুনের ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে মারা যান হাসান। বিস্ফোরণে আহত হওয়ার পাশাপাশি তার সারা শরীর পুড়ে গিয়েছিল। ক্রেডল ফান্ডের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, পাশে থাকা মোবাইল বিস্ফোরণ থেকে আহত হয়ে মারা গেছেন হাসান।
ক্রেডল ফান্ড হল মালয়েশিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি কর্মসূচি যা প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের তহবিল জোগাতে কাজ করে।

কম্পিউটার পণ্যের উপর ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি
                                  

২০১৮-১৯ সালের প্রস্তাবিত বাজেট পাশ হলে কম্পিউটার ও এর যন্ত্রাংশের মূল্য প্রায় ১১% বাড়বে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির নেতারা। দাম বাড়লে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রগতি অনেকাংশে থমকে যাবে। এজন্য প্রস্তাবিত কম্পিউটারের উৎপাদন, আমদানি এবং বিপণন পর্যায়ে অ্যাডভান্স ট্রেড ভ্যাট (এটিভি) এবং ভ্যাট প্রত্যাহারের আহ্বান জানান ।
রাজধানী ঢাকায় বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির কার্যালয়ে রবিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে ব্যবসায়ী পর্যায়ে কম্পিউটার ও এর যন্ত্রাংশের মূসক অব্যহতি বহাল রাখার আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার বলেন, ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) যথাযথ গুরুত্ব ও আগ্রহের সঙ্গে পর্যালোচনা করেছে। এতে কিছু সংশোধনী আনার জন্য অর্থমন্ত্রী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট সকল মহলের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
তিনি বলেন, বিসিএসের সংশোধনী প্রস্তাবগুলো হলো-ব্যবসায়ী পর্যায়ে কম্পিউটার ও এর যন্ত্রাংশের মূসক অব্যহতি বহাল রাখা। নতুন করে আরোপিত কম্পিউটার পণ্যের উপর এটিভি প্রত্যাহার করা এবং তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর সেবার সংজ্ঞায় হার্ডওয়্যারকেও অন্তর্ভুক্তিতকরণ।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিসিএসের সহ-সভাপতি ইউসুফ আলী শামীম, মহাসচিব মোশারফ হোসেন সুমন, কোষাধ্যক্ষ মো. জাবেদুর রহমান শাহীন, পরিচালক মো. আছাব উল্লাহ খান জুয়েল এবং মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

বছরের সেরা স্মার্ট স্পিকার
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
প্রযুক্তি ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের জীবন যাত্রার মান উন্নত হচ্ছে। স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহারের প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আমাদের দৈনন্দিন কাজকে আরো সহজ করতে এই ডিভাইসগুলো যেমন ভূমিকা রাখছে ঠিক তেমনি এগুলো ব্যবহারে সহজ ও নির্ভরযোগ্য হওয়াতে জনপ্রিয়ও হচ্ছে। স্মার্টফোন, স্মার্ট টেলিভিশন, স্মার্ট সিকিউরিটি ও স্মার্ট ডিভাইস এগুলোর মধ্যে অন্যতম। আমাদের এবারের আয়োজন স্মার্ট স্পিকার নিয়ে।

স্মার্ট স্পিকার আপনার নতুন সহকারী

আমাদের বসবাসরত ঘর-বাড়িগুলো আরো স্মার্ট হয়ে উঠেছে। অ্যালেক্সা, গুগল, সিরি স্মার্ট স্পিকারগুলো দৈনন্দিন কাজের সহকারী হিসেবে কাজ করছে। সময় সেট করা, শিশুদের শিক্ষাদানে সহায়তা করা, মিউজিক প্লে করাসহ আমাদের অনেক কাজে সহকারী হিসেবে কাজ করছে এই স্মার্ট স্পিকারগুলো। আপনি যদি ভয়েসের সহায়তার কোনো প্লাটফর্মের কথা বিবেচনা করে থাকেন তাহলে আপনি এগুলোকে বাছাই করতে পারেন। এর আগে যদি আপনি কোনো সহকারীর সাহায্য নিতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে থাকেন এবং আপনি আপনার একধিক কক্ষে স্মার্ট সহায়তা চাচ্ছেন তাহলে একটি মাত্র ডিভাইস দিয়েই তা সম্ভব। আপনি এই ডিভাইসের প্রতি আস্থা রাখতে পারেন। অন্যান্য ডিভাইসগুলোর পাশাপাশি স্মার্ট স্পিকার আপনার চাহিদা পূরণে যথার্থই কাজ করবে। এক কথায় বলা যায় এটি আপনার বাসার জন্য উপযুক্ত একটি ডিভাইস। ভয়েস সহায়ক ডিভাইসের উদ্ভব মূলত দুইটি স্থান থেকে হয়েছে কিন্তু এখন তারা একত্রিত হয়ে কাজ করছে। আমাজনের অ্যালেক্সা ইকো ভয়েস কন্ট্রোল ডিভাইসের ধারণা চালু করেছে। পরবর্তীতে এটিকে আমাজন ফায়ার টিভিতে যুক্ত করা হয়েছে এবং অন্যান্য কোম্পানিও এটিকে বিভিন্ন ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত করতে শুরু করেছে। আমাজনের এই প্রযুক্তিটি প্রথমে স্মার্ট স্পিকারে যুক্ত হয়েছে এবং পরর্তীতে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসের সঙ্গে এই প্রযুক্তি যুক্ত করেছে। বর্তমানে ঘরে থাকা লাইট, ফ্যান এমনকি রুমের তাপমাত্রাও জানা যায় এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে। অন্যদিকে অ্যাপলের তাদের সহকারী তাদের অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোনে প্রথম চালু করে ভয়েস ডাবিং ফিচার। পরবর্তীতে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কল করা, মিউজিক প্লে করা, এসএমএস এর রিপ্লে দেয়া, বাসা/ অফিস/ গাড়ির তাপমাত্র জানার সুবিধা চালু করে। গুগলের তুলনায় অ্যাপল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্মার্ট টেলিভিশন ও স্মার্ট স্পিকারের মাধ্যমে মানুষের বাসা পর্যন্ত পৌঁছেছে।
গুগল সহকারী, সিরি ও মাইক্রোসফটের করটানার চেয়ে বর্তমানে আমরা অ্যালেক্সাকে বেশি পছন্দ করি। যদি আমরা কোনো ভালো স্মার্ট সলিউশনের কথা চিন্তা করি তাহলে আমাজনের ইকো এবং স্নোজকে বেছে নিতে পারি। তারা অ্যালেক্সার প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। স্নোজ আগামীতে গুগল সহকারীকে তাদের সঙ্গে যুক্ত করার কথা ভাবছে।
ভয়েস সহায়ক তিনটি ডিভাইস
বর্তমানে তিনটি ভয়েস কন্ট্রোল ডিভাইসের জনপ্রিয়তা রয়েছে। এর মধ্যে গুগল সহকারী প্রথম পছন্দের তালিকায় রয়েছে। প্রতিটি স্মার্ট স্পিকারের সাথে তারা বাসার অন্যান্য ডিভাইসগুলো কন্ট্রোল করে এবং হাজার হাজার ডিভাইসে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সিরি’র নিয়ন্ত্রণ কিছুটা সীমাবদ্ধ। সিরি নিদৃষ্ট সংখ্যক স্মার্টফোনে ও হোম এন্টারপ্রাইজে এবং স্মার্ট স্পিকারে কাজ করে। অন্যদিকে অ্যালেক্সা ও গুগল সহকারী এই কাজগুলোতে আরো বেশি সক্ষম। আপনার বাসা বাড়িকে স্মার্ট করতে হলে অ্যাপলের হোম কিটস এর সহায়তা নিতে হবে। অন্যদিকে করতানারও কার্য ক্ষমতা সীমিত। এছাড়াও অনেক ছোট ছোট সহরাকারী রয়েছে। যেমন ধরুন- স্যামসাং গ্যালাক্সি স্মার্টফোনে বিক্সবি প্রযুক্তি রয়েছে। এটি একটি স্মার্টফোনের জন্য যথেষ্ট হলেও একটি বাড়ি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়।

ডিভাইসের বৈচিত্র

কক্ষ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের স্মার্ট সহকারী ডিভাইসের প্রয়োজন রয়েছে। লিভিং রুমের জন্য আমাজনের বড় স্মার্ট স্পিকার বা স্নোজ শুধু সঙ্গীত বাজানোর কাজে ব্যবহার হতে পারে কিন্তু রান্না ঘরের জন্য এটি মোটেও মানানসই নয়। আমাজন ফায়ার টিভি ও টিভি প্রযুক্তিকে প্রকৃতপক্ষে অ্যালেক্সা প্রযুক্তির টেলিভিশন বলে। ট্রিবি থেকে আই অ্যালার্ম ঘড়ি পর্যন্ত প্রায় আধা ডজন স্পিকার নির্মাতা কোম্পানি অ্যালেক্সা প্রযুক্তিকে তাদের সঙ্গে নিয়েছে। গুগলের গুগল হোম মিনি, গুগল হোম এবং গুগল হোম ম্যাক্স এর মতো সনি, স্নোজ এবং জেবিএল এর তৃতীয় পক্ষের স্মার্ট স্পিকার রয়েছে। যদি আপনি স্মার্ট ডিভাইসের সঙ্গে একটি ডিসপ্লে চান তাহলে গুগলের স্মার্ট টেলিভিশন বেছে নিতে পারেন। এছাড়াও যেকোনো অ্যান্ড্রয়েড পরিচালিত টিভি থেকে এই সুবিধাটি ভোগ করতে পারেন। সিরি অ্যাপলের হোমপড এবং অ্যাপলের টিভি ডিভাইস, আইফোন, আইপ্যাডসহ ম্যাক কম্পিউটারে সমার্থন করে।

হোম ম্যানেজমেন্ট স্মার্ট স্পিকার

অ্যালেক্সা, গুগল সহকারী ও সিরি স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। গুগল ও অ্যালেক্সা অ্যাপের মাধ্যমে আপনি আপনার বিভিন্ন কক্ষের এমনকি বাড়ির অনেক সুবিধা পেতে পারেন। যেমন ধরুন- আপনি সেট করে রাখতে পারেন যখন আপনি বাড়িটি ছেড়ে চলে যাবেন। আমাজন ইকো প্লাসে গিগবি রেডিও প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি একটি স্মার্ট হাবে পরিনত হয়েছে। অন্যদিকে অ্যালেক্সা অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে স্মার্ট হাব তৈরির পাশাপাশি আপনার গৃহে থাকা ফিলিপস বাল্ব এর উজ্জলতা কমাতে বা বাড়াতে পারবেন। শুধু তাই নয়, এই অ্যাপের মাধ্যমে লাইট কন্ট্রোল ও গ্রুপ আকারে কমাতে বাড়াতে পারবেন।

মিউজিকে স্মার্ট স্পিকার

আপনি এই ধরনের স্পিকার দিয়ে সঙ্গীত বাজাতে চাচ্ছেন? আমাজন ইকো ও গুগল হোম উভয়েই অডিও ডিভাইস। উন্নতমানের শব্দ পেতে পারেন ভয়েস অ্যানাবেল স্নোজ, হারমান সনি অথবা জেবিএল স্পিকারের মাধ্যমে। গুগল হোম মিনি বা আমাজন ইকো ডট হতেপারে আপনার পছন্দের সস্তার একটি স্পিকার। ইকো ডটে একটি ৩.৫ মিলিমিটার অডিও আউটপুট রয়েছে। প্রত্যেকটি স্মার্ট স্পিকার দ্বারা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সঙ্গীত বাজাতে পারবেন কিন্তু সবগুলো স্মার্ট স্পিকার থেকে ক্লাউড সেবা পাবেন না। অ্যালেক্সা ও গুগল সহকারী উভয়ই স্পটিফাইয়ের সঙ্গে সংযুক্ত।এছাড়াও পানডোরা, টিউনইন এবং আইহার্ট রেডিও থেকে ফ্রি সার্ভিস পেতে পারেন। অ্যালেক্সা স্পিকার এছাড়াও আজান মিউজিক সাপোর্ট করে। গুগলের সহকারী স্পিকার গুগল-প্লে ও ইউটিউব রেড মিউজিক ছাড়াও গুগল মিউজিক লাইব্রেরিতে থাকা মিউজিক সমর্থন করে। করতানা স্পটিফাই প্রিমিয়াম, টিউনইন, আইহার্টরেডিও সমর্থন করলেও পানডোরা সমর্থন করে না। সিরি হোমপডে থাকা এবং অ্যাপল মিউজিক ও আইক্লাউড মিউজিক লাইব্রেবি থেকে গান বাজাতে সক্ষম। মাল্টি রুম অডিও পরিচালনার ক্ষেত্রে অ্যালেক্সা সেরা। আমাজনের ইএসপি’র বৈশিষ্ট হচ্ছে এগুলো শুধু নিকটবর্তী স্পিকারগুলোকে সাড়া দেয় এবং আপনাকে আপনার বাড়ির সীমানায় গান বাজাতে সাহায্য করে। গুগল হোম মাল্টি অডিও সমর্থন করে। আপনার রুমে যদি একাধিক অডিও সিস্টেম থেকে থাকে ও একাধিক গুগল অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে তাহলে আপনি কোনটির সহায়তা নিবেন তা চিহ্নিত করে ‘ওকে গুগল’ বললেই তা চালু হয়ে যাবে। এটি আসলেই চমত্কার বিষয়। সিরি মাল্টি রুম অডিও সমর্থন করে না তবে আগামীতে এই সুবিধা চালু হবে। এছাড়াও মোবাইলে কল করা, শিশুদের লেখাপড়ায় সহায়ক, অ্যালার্মসহ আরো অনেক সহযোগীতা পেতে পারেন স্মার্ট স্পিকার থেকে।

দেশে প্রথমবারের মতো অনলাইনে ছবি প্রদর্শনী করতে যাচ্ছে ৭১পিক্স ডটকম
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান অরেঞ্জ বিডি লিমিটেড পরিচালিত দেশের প্রথম ফটোগ্রাফি ই-কমার্স সাইট 71Pix.com এর যাত্রা শুরু। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে হাঁটি হাঁটি পা পা করে নবীন-প্রবীণ আলোকচিত্র শিল্পীদের সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলছে 71Pix.com।
ইতিমধ্যে 71Pix.com এর অধীনে রাজধানীর ধানমন্ডির দৃক গ্যালারিতে ২০১৫ সালে তিন দিনব্যাপী ‘ট্যাম্পল অফ মাইন্ড’ এবং ২০১৬ সালে ‘ওয়ার্ডস অফ লাইট’ শিরোনামে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ১৯-২১ জুলাই পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী রাজধানীর ধানমন্ডির দৃক গ্যালারিতে আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘ওয়ার্ডস অফ লাইট-২’ শিরোনামে আলোকচিত্র প্রদর্শনী। আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে ‘সিঙ্গেল ফটো’ এবং ‘ফটো স্টোরি’ বিভাগের ছবি প্রদর্শিত হবে। এবার প্রতিযোগিতায় ছয়টি ক্যাটাগরি থেকে বিজয়ীদের ৬২ হাজার টাকা মূল্যের পুরস্কার প্রদান করা হবে।
দৃক গ্যালারিতে প্রদর্শিত আলোকচিত্রগুলো একই সময়ে 71Pix.com এর সাইটও (www.71pix.com) প্রদর্শিত হবে যা বাংলাদেশে এই প্রথম। এছাড়া আলোকচিত্রীরা প্রথমবারের মতন 71pix.com পোর্টালের মাধ্যমে ১লা জুন থেকে ৩০ জুন, ২০১৮ পর্যন্ত ছবি জমা দিতে পারবেন। এর মাধ্যমে প্রত্যেক আলোকচিত্রী তাদের ছবির একটি ভার্চুয়াল গ্যালারি পাচ্ছেন। প্রদর্শনীতে অংশ নিতে আগ্রহীরা ভিজিট করুন www.71pix.com এর সাইটে।
অনলাইনে আলোকচিত্র প্রদর্শনী সম্পর্কে অরেঞ্জ বিডি লিমিটেড এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আল আশরাফুল কবীর জুয়েল বলেন, ইতিমধ্যে বাংলাদেশে আলোকচিত্র শিল্প একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। 71Pix.com এর লক্ষ্য এই প্রাতিষ্ঠানিক শিল্পটিকে ডিজিটাল রূপ দেয়া। আমাদের সাইটে প্রতিটা ফটোগ্রাফার ফটো স্টোরেজ সার্ভিস ফ্রি পাচ্ছেন।
তিনি আরো বলেন, এই সাইটে একজন ফটোগ্রাফার পোর্টফোলিও, গ্রুপ, ইভেন্ট, এক্সিবিশন, কনটেস্ট তৈরিসহ বিভিন্ন ফিচারের সুবিধা পাচ্ছেন। দেশি-বিদেশি স্বনামধন্য আলোকচিত্রীদের আলোকচিত্র দেখার সুযোগ থাকছে। আর নিজের ছবি বিক্রি করার সুবিধা তো থাকছেই।
এবাবের ২০১৮ এর আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসাবে থাকছেন দেশের খ্যাতনামা আলোকচিত্র শিল্পী আবির আব্দুল্লাহ ও তানভীর মুরাদ তপু।

স্মার্টফোন দেখভালের পদ্ধতি
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
বর্তমানে আমরা প্রায় সকলেই স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকি। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনগুলোর অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন রকম। তবে চায়না ভিত্তিক স্মার্টফোনগুলোর অপারেটিং সিস্টেম প্রায় একই রকম। বাহারী ডিজাই দেখে অনেকেই স্মার্টফোন কিনে থাকেন। বেশিরভাগ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরাই জানেন না যে, কীভাবে একটি স্মার্টফোন দেখভাল করলে স্বভাবিক ব্যবহারের চেয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। পাঠকদের সুবিধার্থে আমাদের এবারের ক্ষুদ্র আয়োজন কীভাবে দেখভাল করলে স্মার্টফোনটির ভালো সার্ভিস পাওয়া যাবে তা নিয়ে। আপডেট করুন: ‘আপডেট’ এর অর্থই হচ্ছে আগের তুলনায় নতুন কিছু সুবিধা যোগ করা। আর, ফার্মওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে স্মার্টফোন ছাড়াও প্রতিটি ডিভাইসেরই কম-বেশি ক্যাপাবিলিটি বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। অনেক সময় হয়ত সেই পরিবর্তন আপনার চোখে পরবে না তবে এমন অনেক ত্রুটি মুক্ত করার জন্য স্মার্টফোনের ফার্মওয়্যার আপডেট করা জরুরি।
স্মার্টফোনটি রিসেট দিন: আপনার ব্যবহৃত স্মার্টফোনটি মাঝে মাঝে রিসেট করুন। এত আপনার স্মার্টফোনের সেটিংটি নতুন করে সেট হবে এবং কোনো অপশন হারিয়ে গেয়ে তা পুনরায় ফিরে আসবে। ‘ফ্যাক্টোরি রিসেট’ এর ফলে আপনার স্মার্ট ফোনের যাবতীয় তথ্য মুছে যাবে এজন্য প্রয়োজন হলে রিসেট এর আগে আপনার তথ্যগুলো আলাদা কারে সংরক্ষণ করে নিতে পারেন। স্টোরেজ চেক করুন:প্রতিটি স্মার্টফোনেই নির্ধারিত পরিমানে স্টোরেজ ক্যাপাসিটি থাকে। এই ক্যাপাসিটি পূর্ণ হলে ফোনের গতি কমে আসে।
এজন্য, আপনি মাঝে মাঝে আপনার ফোনে অব্যবহূত গেমস, অ্যাপলিকেশন, মিডিয়া ফাইলগুলো এক্সটারনাল মেমোরিতে স্থানান্তর করতে পারেন।এতে আপনার ফোনের গতি অনেক বেড়ে যাবে। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশনগুলো মুছে ফেলুন: অনেক সময় আমারা ফেসবুক প্রোমোশন বা গুগল-প্লে স্টোর থেকে অজান্তেই ইনস্টল করি অপ্রোয়জনীয় অনেক অ্যাপস। অনেক বেশি অ্যাপস ইনস্টল করলে স্মার্টফোনের র্যাম ও স্টোরেজ দুইটাই অধিক পরিমানে ব্লক হয়ে থাকে। র‌্যাম যত বেশি ফ্রি রাখতে পারবেন ততোই আপনার স্মার্টফোনটি ফ্রি থাকবে এবং গতি বেশি থাকবে। এজন্য অব্যবহৃত অ্যাপগুলো খুব দ্রুত রিমুভ করে ফেলুন। স্মার্ট ফোনটি রিস্টার্ট করুন: আমরা সাধারণত ডেক্সটপ বা ল্যপটপ ব্যবহার করলে তা মাঝে মাঝে রিস্টার্ট দিই। এই রিস্টার্ট এর ফলে ডেক্সটপ বা ল্যাপটপে গতি ফিরে আসে। স্মার্টফোনের বেলাতেও ঠিক একই পদ্ধতি অবলম্বন করলে এতেই পেতে পারেন অনেক বেশি গতি। যদিও, এই ট্রিকসটি একটি টেম্পোরারি অপশন, তবুও এটা বেশ কাজ করে।

চারদিনব্যাপী জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার ক্যাম্প শুরু
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
স্কুল পর্যায়ে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্রোগ্রাম প্রতিযোগিতার জাতীয় ক্যাম্পেইন শুরু হলো আজ বৃহস্পতিবার। সাভারে শেখ হাসিনা জাতীয় যুব কেন্দ্রে চারদিনব্যাপী জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার শেষ পর্ব চলবে ১০ জুন পর্যন্ত। এই চারদিন প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতায় মেতে থাকবে সারাদেশ থেকে আগত ১৮৩ ক্ষুদে প্রোগ্রামার।
ইয়াং বাংলার সেক্রেটারিয়েট সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)-এর সহকারী সমন্বয়ক তন্ময় আহমেদ জানান, সারাদেশ ৬৪ জেলা থেকে বাছাই শেষে স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিংয়ে ৫৫ জন উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকায় এসেছেন। অন্যদিকে পাইথন প্রোগ্রামিংয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১২৮ জন প্রতিযোগী।
তিনি আরো জানান, ৭ জুন থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমের প্রথম দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামে উত্তীর্ণদের নিয়ে ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে তাদের স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিংয়ে আরো দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে। এই ক্যাম্পের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করে আগামীকাল (৮ জুন) স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিংয়ে তাদের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
একইভাবে ৯ জুন পাইথন প্রোগ্রামিংয়ের ওপর প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে এবং ১০ জুন ১২৮ জন প্রতিযোগী শেষ লড়াইয়ে নামবেন বলে জানান তন্ময় আহমেদ।
স্ক্র্যাচ একটি ভিজুয়াল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এবং অনলাইন কমিউনিটি যা মূলতঃ শিশুদের জন্য। স্ক্র্যাচ ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা নিজস্ব ইন্টারেক্টিভ গল্প, গেমস এবং অ্যানিমেশন তৈরি করে একে অপরের সঙ্গে শেয়ার করতে পারে। পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ একটা ডাইনামিক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যা বর্তমান বিশ্বে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা উপলক্ষে চলতি বছর ১৬ ও ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। সারাদেশে ১৮০টি শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব সংশ্লিষ্ট স্কুল বা কলেজে কর্মরত ৩৬০ জন আইসিটি শিক্ষক এবং শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের কো-অর্ডিনেটরেরা এই প্রশিক্ষণে অংশ নেন। এরপর নিজ নিজ জেলা গিয়ে তারা গত ১২ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত নিজ নিজ কর্মস্থান সংশ্লিষ্ট শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবে ঐ অঞ্চলের স্কুলগুলো থেকে বাছাই করে নিয়ে আসা শিক্ষার্থীদের পাইথন ও স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিংয়ের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।
এরপর জেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বাছাই শেষে স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় ২ হাজার ৭০০ জন এবং পাইথনে ২ হাজার ৭০০ জন অংশগ্রহণ করে। স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতাটিতে প্রতি তিনজন শিক্ষার্থী একটি টিম হিসেবে এবং পাইথনে প্রতিজন শিক্ষার্থী এককভাবে অংশগ্রহণ করে।
শিক্ষার্থীদের ল্যাব প্রশিক্ষণ শেষে ২ জুন এবং ৩ জুন জেলা পর্যায়ে স্ক্র্যাচ ও পাইথন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়। জেলাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের নিয়ে পরবর্তীতে ঢাকায় দুই দিনব্যাপী ‘স্ক্র্যাচ ভিত্তিক জাতীয় ক্যাম্প’ এবং দুই দিনের ‘পাইথন ভিত্তিক জাতীয় ক্যাম্প’ শুরু হলো আজ থেকে।
এই জাতীয় প্রতিযোগিতায় প্রাপ্ত প্কাল্পগুলোর মধ্যে থেকে সেরা প্রকল্পগুলোকে সমাপনী এবং পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করা হবে।

ফেসবুক, হোয়্যাটসঅ্যাপ ব্যবহার করলে কর দিতে হবে
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
ফেসবুক, হোয়্যাটসঅ্যাপ ব্যবহার করতে গেলে সরকারকে কর দিতে হবে। এমনই বিচিত্র আইন জারি করেছে উগান্ডার সরকার। গুজব ছড়ানো ঠেকাতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
১ জুলাই থেকে এই আইন কার্যকর হওয়ার কথা। কিন্তু এই আইনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই এতো বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে যে, আদৌ এই আইন কার্যকর করা হবে কি না, সেটা নিয়েই সন্দেহ রয়েছে। এর আগে মোবাইলে অর্থের লেনদেনের ওপরে সরকার ১ শতাংশ কর বসানোয় সেটা নিয়েও ক্ষোভ দেখা দিয়েছিল সেদেশের সরকারের ওপরে।
এদিকে সরকারের দাবি, তাদের ওপরে যে বিপুল পরিমাণ বিদেশি ঋণ রয়েছে, তা কমাতেই এই সিদ্ধান্ত। দেশের তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা এবং ইন্টারনেস পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাদের সংস্থা ইতিমধ্যেই সন্দেহপ্রকাশ করেছে, এই আইনে কীভাবে ঋণশোধ করা সম্ভব হবে। কারণ উগান্ডার মতো দেশে ভুয়ো নথি দিয়ে হাজারহাজার সিমকার্ড নথিভুক্ত করা রয়েছে।
উগান্ডায় ২ কোটি ৩৬ লাখ মানুষ মোবাইল পরিষেবা ব্যবহার করেন। তার মধ্যে ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যবহার করেন।

স্মার্টফোন ব্যবহারের আদ্যোপান্ত
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
বর্তমানে মোবাইল ফোন ব্যবহারকীদের তালিকায় যারা রয়েছেন তাদের মধ্যে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যাই বেশি। অনেকেই শুধু ভয়েস কল ও নেট কলের বাইরের স্মার্টফোনের ব্যবহার সম্পর্কে তেমন জানেন না। আমাদের এবারের আয়োজন স্মার্টফোনের পরিপূর্ণ ব্যবহার নিয়ে।

অ্যান্ড্রয়েড হলো অপারেটিং সিস্টেম। বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে অনেক সুবিধা ভোগ করা যায় এই অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে। কিন্তু থার্ডপার্টি অ্যাপ্লিকেশনগুলোর মাধ্যমে আপনি যে সুবিধা ভোগ করতে চান, আপনি কি আপনার ফোনে থাকা ফিচারগুলো সম্পর্কে সবকিছুই জানেন? আমাদের এবারের আয়োজনে সেসব ফিচার নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করা হবে যা অনেক ব্যবহারকারীরাই জানেন না। নিশ্চই অবাক হবেন আপনার না জানা ফিচারগুলো আপনার কাছেই রয়েছে তা ভেবে। অস্ট্রেলিয়ায় ব্যবহূত স্মার্টফোনের প্রায় ২০ শতাংশ ফোনেই অ্যান্ড্রয়েড সিক্স মাশম্যালো ভার্সনটি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর চেয়েও দ্বিগুন সংখ্যায় ব্যবহার হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড ৭ নুগাট ভার্সন। পরবর্তী অ্যান্ড্রয়েড ৮ ওরিও ভার্সনও উন্মুক্ত হয়েছে ইতোমধ্যে। বস্তুত গতবছর বিক্রিত অনেক স্মার্টফোনই পরবর্তীতে অ্যান্র্ভ্রয়েড ৮ ওরিও ভার্সনে আপডেট করা হয়েছে। ফলে আমাদের আয়োজনের মূল ফোকাস অ্যান্ড্রয়েড ৭ নুগাট ও ওরিও নিয়েই।

নোটিফিকেশন ওভারলোড
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অন্যতম মজার বিষয় হলো নোটিফিকেশন। এই সুবিধাটির মাধ্যমে আপনি জানতে পারেন বিভিন্ন অ্যাপের আপডেট তথ্য, ই-মেইল, ম্যাসেঞ্জারে বার্তা, বিভিন্ন ধরনের রিমাইন্ডারসহ বিশ্বের বিভিন্ন আপডেট তথ্য। কিন্তু আপনি কীভাবে এটাকে কন্ট্রোল করবেন? কীভাবে এবং কখন আপনি এর সুবিধাটি ভোগ করতে চান? বস্তুত; আপনার অ্যান্ড্রয়েডে এই বিষয়টি সংরক্ষণ করা সম্ভব। এজন্য প্রথমে আপনাকে সেটিং অপশনে প্রবেশ করতে হবে এর পর নোটিফিকেশন সেটিং অপশনে প্রবেশ করতে হবে। অনেক স্মার্টফোনে সুইপট ডাউন করলেও নোটিফিকেশন সেটিং পাওয়া যায়। এখানে প্রবেশ করে নোটিফিকেশন সেটিংস বিভিন্ন ফোনে বিভিন্ন রকমের দেখতে পাবেন। অধিকাংশ ফোনেই ‘ম্যানেজ দ্য নোটিফিকেশন’ নামের অপশনটি দেখতে পাবেন। আবার অনেক স্মার্টফোনে ‘লিস্ট অব অ্যাপস’ নামের একটি অপশন দেখেতে পাবেন। এখান থেকে অ্যালাউ নোটিফিকেশন অপশনটি চালু করে দিন। এখানে আপনি আরো অনেকগুলো অপশন দেখতে পাবেন। শো সাইলেন্টলি, অনলক স্ক্রিন, সেট এজ প্রিয়রিটি, ডনট ডিস্টার্ব ইত্যাদি। ইচ্ছেমতো সাজিয়ে নিন নোটিফিকেশন অপশনটি। এর মাধ্যমে আপনি উপভোগ করতে পারবেন আপডেট যত তথ্য ও রিমাইন্ডার।

ডু নট ডিস্টার্ব ডাউনলোড টাইম
ডাউনলোড টাইম অথবা ডু নট ডিস্টার্ব অপশনটি খুঁজে পাবেন স্মার্টফোনের সেটিংয়ে। অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ কোনো মিটিং কিংবা ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডাউনলোড করার প্রয়োজন হতে পারে। এ সময় হঠাত্ কোনো কল আসলে মিটিংয়ের জন্য বেমানান ও ডাউনলোডে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। এই সমস্যা সমাধানেরও উপায় রয়েছে। বর্তমানের প্রায় সকল স্মার্টফোনেই ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ নামের একটি অপশন দেখতে পাওয়া যায়। এই অপশনটি চালু করলে শুধুমাত্র ওয়াই-ফাই ও আইওএস অপশনটি সক্রিয় থাকে। গুরুত্বপূর্ণ কোনো ডকুমেন্ট ডাউনলোড করার সময় এই অপশনটি চালু করে নিলে ব্যবহারকারীরা বিরক্তিহীনভাবে ডাউনলোড করেত পারবেন। মনে রাখতে হবে, সরাসরি ডাউনলোডের ক্ষেত্রে ডাউনলোড টাইমের যেকোনো সময় কল আসলে বা নোটিফিকেশন আসলে ডাউনলোড ডিসকানেক্ট হয়ে যাবে এবং নতুন করে আবার ডাউনলোড করতে হবে। এতে যেমন সময় অপচয় হয় তেমনি ডাটাও বেশি খরচ হয়। ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ অপশনটি সক্রিয় করে নিলে আপনি এই ধরনের ঝামেলায় পরবেন না।

আনলক অ্যাট হোম
স্মার্টফোনের এমন কিছু সুবিধা রয়েছে যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বিশেষ সুবিধা ভোগ করতে পারে। তেমনই একটি সুবিধা হলো আপনার স্মার্টফোনটি অটোমেটিক আনলক হবে যখন আপনি আপনার বাসায় প্রবেশ করবেন। অ্যান্ড্রয়েড বা স্মার্টফোনের এই সুবিধাটি গ্রহণের ফলে ব্যবহারকারীদের আলাদা করে আর স্মার্টফোনকে আনলক করতে হয়না। এতে করে তার মোবাইলের লকস্ক্রিন বোতামের ওপর চাপ কমে আসছে। এই অপশনটি চালু করতে হলে ব্যবহারকারীকে প্রথমে Settings> Lock screen > Smart Lock’ এ প্রবেশ করতে হবে। এখান থেকে ‘Trusted Locations’ অপশনটি বেছে নিতে হবে। আপনি যে লোকেশনটি বাছাই করবেন আপনার স্মার্টফোনটি ওই লোকেশনে আসলেই অটোমেটিক আনলক হবে। শুধু তা—ই নয়, আপনার ভয়েস ব্যবহার করেও স্মার্ট আনলাক অপশনের সুবিধাটি ভোগ করতে পারবেন।

গেট ব্যাকআপ
অ্যান্ডয়েড স্মার্টফোনের বিভিন্ন তথ্য ব্যাবআপ রাখার সুবিধাও রয়েছে। অনেক সময় অ্যান্ডয়েড ফোনকে ডিফল্ট সেটিং দিতে হয়। এর ফলে, স্মার্টফোনে থাকা বিভিন্ন ডকুমেন্টস মুছে যায়। দীর্ঘদিন স্মার্টফোন ব্যবহার করলে ব্রাউজার ও বিভিন্ন সাইটের বাগ জমে থেকে ফোনকে স্লো করে দেয়। ডিফল্ট সেটিং দিলে স্মার্টফোনটি আবার আগের গতি ফিরে পায়। ফোনে থাকা ডকুমেন্টসগুলো যেনো মুজে না যায় সেজন্য অ্যান্ড্রয়েডে রয়েছে ব্যাকআপ সুবিধা। এই সুবিধাটি ভোগ করতে হলে ‘Settings > Backup & Restore’ অপশনে প্রবেশ করতে হবে। এর পর আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্ট এর ঠিকানা লিখতে হবে নির্ধারিত স্থানে নির্দেশনা মোতাবেক। এরপর যখন আপনি আপনার ফোনটি ডিফল্ট সেটিং দিবেন তখন আপনার যাবতীয় তথ্য জিমেইলের মাধ্যমে সংরক্ষিত হবে যা পুনরায় রিস্টোর করে নিতে পারবেন।

ম্যাক্সিমাম ব্যাটারি লাইফ
দীর্ঘ মেয়াদি ব্যাটারি লাইফ পেতে অনেকেই বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করছে। অ্যান্ড্রয়েড ৬ মাশম্যালো বা এর পরবর্তী অপারেটিং সিস্টেমে ব্যাটারিসেভার অপশনটি রয়েছে। এই সুবিধাটি পেতে হলে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে প্রবেশ করতে হবে। এর পর ‘Settings > Battery > Battery Saver’ অপশনের মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন ব্যটারি সেভার সুবিধাটি। বাজারে বিভিন্ন মডেলের স্মার্টফোন রয়েছে। মডেল ভেদে অপারেটিং মেন্যু আলাদা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যেমন ধরুন- স্যামসাং নোট ৮ এর ক্ষেত্রে এ বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। তাদের নিজস্ব সিস্টেমেই রয়েছে কুল ব্ল্যাক স্ক্রিন সুবিধা। এছাড়াও সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে সমৃদ্ধ স্মার্টফোনগুলোতে ওএলইডি সুবিধা। বর্তমানের প্রায় সকল স্যামসাং স্মার্টফোন ও নেক্সসাস ফোনগুলোতে ‘ওএলইডি’ প্রযুক্তির ডিসপ্লে ব্যবহার করা হচ্ছে।

পুশ বাটন শর্টকার্টস
স্মার্টফোনে অল্প কয়েকটি বোতাম রয়েছে। পাওয়ার অফ/অন, ভলিউয়াম আপ/ডাউন ব্যতীত তেমন কোনো বোতাম নজরে আসে না। এই বোতামগুলোর মধ্যে অনেক প্রোগ্রাম বা ফাংশন কাজ করানো যায়। অ্যান্ড্রয়েড ফোনটির সেটিং মেন্যুতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের সেটিং করে নেয়া যায় ইচ্ছে মতো। যেমন ধরুন আপনি ফোনে কথা বলার পর কল কেটে দিতে স্মার্টফোনে থাকা তিনটি বাটনের একটি ব্যবহার করতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনাকে Settings > Accessibility > Answering andEndingCalls’ ফাংশনে প্রবেশ করতে হবে। এখান থেকে আপনার পছন্দ মতো আপনি সেট করে নিন আপনি যা চাচ্ছেন। এছাড়াও আপনি ক্যামেরার কিছু শর্টকার্ট সেট করে নিতে পারেন। এজন্য আপনাকে ‘Settings > Advanced Features’ এই অপশনে প্রবেশ করতে হবে। এখান থেকে আপনি কোন ক্যামেরাটি শর্টকার্টে সেট করতে চান তা চিহ্নিত করুন। এছাড়াও কিছু কিছু স্মার্টফোনে ভলিউয়াম ডাউন বাটন দিয়ে ক্যামেরার ক্যাপচারের কাজটি করানো সম্ভব হয়।

টেক্সট -টু- স্পিস
বার্তা আদান প্রদানের জন্য শুধু লিখতে হবে আসলে তা-না। বার্তা আদান-প্রদানের জন্য ভয়েসকেও ব্যবহার করা যায়। এটাকে আপনি দুই প্রক্রিয়াতে ব্যবহার করতে পারেন আর তা হলো- লিখিত বার্তাটি আপনি ভয়েস আকারে শুনতে পারেন আবার ভয়েস থেকে লিখিত বার্তায় পরিণত করতে পারেন। এজন্য আপনাকে অ্যান্ড্রয়েডের সেটিং অপশনে গিয়ে ‘Text-to-SpeechOutput’ অপশনটি চালু করে দিতে হবে।

গেস্ট মুড
আপনি যদি কিছু সময়ের জন্য আপনার স্মার্টফোনটি কারো কাছে দিয়ে থাকেন তাহলে আপনার ফোনে থাকা বিভিন্ন তথ্য লুকিয়ে রাখতে আপনি গেস্ট মুডটি ব্যবহার করতে পারেন। এই সুবিধাটি পেতে হলে আপনাকে অপারেটিং সিস্টেমের সেটিং মেন্যুতে প্রবেশ করতে হবে। এর পর Settings >Users and accounts >Users > Guest’ এই অপশন গুলোতে ধাপে ধাপে প্রবেশ করতে হবে। মডেল ভেদে এই অপশনটি আলাদা হতে পারে। যেমন ধরুন লেটেস্ট স্যামসাং মোবাইলগুলোতে এই অপশনটি দেখা যায় না। স্যামসাংয়ে এই সুবিধাটির পরিবর্তে পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে ফোল্ডার সুরক্ষিত রাখার সুবিধা রয়েছে। এছাড়াও কিছু মডেলের স্মার্টফোনে এই সুবিধাটি প্যাটার্ন লক এর মাধ্যমে ভোগ করা যায়। ওই সেটগুলোর জন্য ফোল্ডার সুরক্ষা বা অ্যাপস লকের পদ্ধতি হলো- ‘Settings > Security > Screen pinning’ ।

জুম-ইন
অনেক সময় উচ্চ রেজুলেশনের কারণে স্মার্টফোনে টেক্সট ম্যাসেসগুলো ছোট আকারে প্রদর্শিত হয়। এই সমস্যারও সমাধান রয়েছে আপনার স্মার্টফোনেই। এজন্য আপনাকে নির্দেশনা মোতাবেক ‘Settings > Accessibility> Magniication>Magniication Gestures’ প্রবেশ করতে হবে। আপনি যদি এই সুবিধাটি ভোগ করতে না চান তাহলে ফিচারটি ডিজঅ্যাবল করে রাখতে পারেন।

এন্টার্কটিকার বরফের নীচে খোঁজ মিললো পবর্তশ্রেণির
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
এন্টার্কটিকার বিশাল বরফের চাদরের নীচে লুকিয়ে আছে পর্বতশ্রেণী। ব্রিটেনের এক দল গবেষক জানিয়েছেন, পশ্চিম এন্টার্কটিকার বিস্তীর্ণ বরফস্তরের নীচে রয়েছে একটি পর্বতশ্রেণি। এমনকি পর্বতের নীচে রয়েছে কয়েকশো মাইল ছড়ানো তিনটি উপত্যকাও। এই অনুসন্ধান নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে ‘জিয়োফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্স’ পত্রিকায়।

কৃত্রিম উপগ্রহের সাহায্যে বরফ ভেদ করে দেখতে পায় এমন বিশেষ রাডারের মাধ্যমে এই মহাদেশের মানচিত্র নতুনভাবে তৈরি করতে চেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

‘পোলার গ্যাপ’ নামে গবেষকদের বিশেষ এই অনুসন্ধানে ধরা পড়েছে, পশ্চিম এবং পূর্ব আন্টার্কটিকার বরফের আস্তরণকে জুড়ে রেখেছে ওই তিন উপত্যকা। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ওই বরফ ঢাকা পাহাড় ও উপত্যকার কারণে সমুদ্রতলের উচ্চতা বাড়তে পারে।

তারা আরো জানাচ্ছেন, উষ্ণায়নে বিশ্বের সর্বত্র বরফ গলছে। এন্টার্কটিকার ওই বরফের চাদরও ব্যতিক্রম নয়। বরফ গলে স্বাভাবিক নিয়মেই তা ছড়িয়ে পড়ছে। আর এই কারণেই আগামী দিনে সমুদ্রের জলস্তর আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৮.৬ কোটি
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন প্রায় ৮ কোটি ৬০ লাখে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এর দেয়া তথ্য মতে, গত মার্চে এ সংখ্যা ছিলো ৮ কোটি ৪৫ লাখ এবং এপ্রিলে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮ কোটি ৫৯ লাখে।
ব্যবহারকারীদের এ সংখ্যার অধিকাংশই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। গত মার্চে এ সংখ্যা ছিলো ৭ কোটি ৮৭ লাখ। যা পরবর্তী মাসে বেড়ে দাঁড়ায় ৮ কোটি ১ লাখে ।
বাকীরা ক্যাবল সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। গত মার্চে এ সংখ্যা ছিলো ৫৬ লাখ ৬০ হাজার এবং এপ্রিল মাসে এ সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৬ লাখ ৬৮ হাজারে। এছাড়া গত এপ্রিল মাসে ওয়াইম্যাক্স সংযোগের মাধ্যমে সারাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হচ্ছেন প্রায় ৮৭ হাজার।

ফসলের আগাছা দূর করতে রোবট
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
ফসলের আগাছা সনাক্ত করা ও কিটনাশক দিয়ে সেই আগাছা ধ্বংস করতে সক্ষম এমন একটি রোবট আবিষ্কার করেছেন সুইজারল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা। সুইজারল্যান্ডের একটি সুগার বিটের ক্ষেতে এই রোবট কাজ করতে দেখা গেছে। সৌর শক্তি চালিত এ রোবটটি দেখতে একটি টেবিলের মতো। চার চাকাওয়ালা এ রোবটে আছে ক্যামেরা। ক্যামেরার সাহায্যে রোবটটি আগাছা খুঁজে বের করে। তারপর সেটিকে নিজের ভেতর থাকা এক ধরনের নীল তরল দিয়ে ধ্বংস করে ফেলে।

এখনও পর্যন্ত আবিষ্কারটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকলেও সুইস এই রোবটটিকে আগাছা প্রতিরোধে একটি নতুন ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে ফসলে বেহিসেবী আগাছানাশক রাসায়নিক প্রয়োগের পরিমাণও কমবে। সুইজারল্যান্ডের আগাছানাশক রোবট প্রকল্পের ডেভেলপার ইকো-রোবোটিক্স জানায়, তারা বিশ্বাস করে এ যন্ত্রটি কৃষকদের আগাছানাশক প্রয়োগের হার ২০ গুণ কমিয়ে দেবে। তারা আরো জানায়, তারা বেশ কিছু বিনিয়োগকারীর সাথে চুক্তি সই করার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং ২০১৯ সালের শুরুর দিকে তাদের এ রোবট বাজারে যাবে।
গত বছর ব্লু রিভার নামের সিলিকন ভ্যালি স্টার্টআপ কোম্পানি গত বছর তিন কোটি ৫০ লাখ ডলার দিয়ে মার্কিন ট্রাক্টর কোম্পানি ডিরে অ্যান্ড কোং কিনে নেয়। তারা একটি যন্ত্রকে উন্নত করে তাতে ক্যামেরা সংযোজন করে। এ ক্যামেরার সাহায্যে আগাছা চিহ্নিত করা হয় এবং ঠিক সেখানেই কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়। ‘দেখা এবং স্প্রে করা’ এই পদ্ধতির যন্ত্রটি গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের তুলাক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়। এর ফলে সেখানে কীটনাশকের প্রয়োগ ৯০ শতাংশ হ্রাস পায়।

জার্মানি, ডেনমার্কসহ বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন কোম্পানি এ ধরনের যন্ত্র আবিষ্কারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কোম্পানিগুলো বিশ্বাস করে, ভবিষ্যতে ব্যবসার ক্ষেত্রে আগাছা বাছাইয়ে এ ধরনের স্প্রে পদ্ধতিই হবে মুনাফা অর্জনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। রোবোর ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা অঞ্চলের সিইও রিচার্ড লাইটবন্ড বলেন, অনেক প্রযুক্তিই এখন সহজলভ্য। কিন্তু এখন গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে এগুলো সব একত্র করে কৃষকের কাছে তা ন্যায্য দামে পৌঁছানো। যদি কীটনাশক কমানো যায় তাহলে উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহারে কৃষক বাধ্য হবে। পরিবেশবান্ধব এই যন্ত্রটি কৃষকদের কাছে খুবই জনপ্রিয় হবে।
এ যন্ত্রটি এমন সময়েই বাজারে আসছে যখন আগাছা ও কীটপতঙ্গ দমনে স্প্রের বিষয়টি পরিবেশবাদী ও পরিবেশ নিয়ন্ত্রকদের সমালোচনার মুখে পড়েছে। তাদের সমালোচনার মুখে এসব কীটনাশক ব্যবহার অনেকটা কমে এসেছে। সব মিলিয়ে ধারণা করা হচ্ছে এই যন্ত্রটি উন্নত দেশগুলোর কৃষিক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে। এমনকি আগাছা ও কীটনাশক ও জিএম শস্যের ব্যবসাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেবে রোবট টাইপের এ যন্ত্রটি।

তবে বিনিয়োগকারীরা বলছে, নতুন এই রোবটের কারণে এক লাখ কোটি ডলারের কীটনাশক ও বীজ শিল্পের ব্যবসায় ব্যাহত হবে। বিশ্বব্যাপী তারা যে কীটনাশক ও জিনগত রূপান্তরিত উচ্চফলনশীল জাতের খাদ্যশস্য (জিএম) আবাদের জন্য তারা সরবরাহ করত, এ রোবটের ফলে তার প্রয়োজনীয়তা কমে আসবে। বায়ের, ডাউডুপন্ট, বিএএসএফ ও সিঞ্জেন্টার মতো কোম্পানিগুলো এ ব্যবসায় নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু নতুন এই ডিজিটাল কৃষি প্রযুক্তির কারণে তাদের এই ব্যবসায় এখন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বাজার গবেষক ফিলিপস ম্যাকডুগাল বলেন, এসব কোম্পানি কীটনাশক বিক্রি করে ২৬০ কোটি ডলারের, যা বাজারের ৪৬ শতাংশ। একই সময়ে তারা বাজারের ৯০ শতাংশ জিএম খাদ্যশস্য বিক্রি করত। বিনিয়োগকারী কেড্রিক লিকেম্প বলেন, নতুন এ পরিস্থিতিতে এখন যেসব মুনাফা কৃষি-রাসায়নিক কোম্পানিগুলোর হাতে আসছে তা স্থানান্তরিত হবে। কিছু যাবে কৃষকদের হাতে আর কিছু যাবে যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারকদের কাছে।

মহাকাশে চীনের বিস্ময়কর অগ্রগতি: চাঁদের কক্ষপথে কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
চীনই বিশ্বের প্রথম দেশ, যে দেশটি চাঁদের অন্ধকার পাশে পৌঁছাতে একধাপ অগ্রসর হয়েছে। সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ২৮ মিনিটে চীনের চেচিয়াও রিলে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়। সিচুয়ান প্রদেশ থেকে লং মার্চ-৪সি রকেটে করে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।
চাঁদের যে পাশে সূর্যের আলো পৌঁছায় না তা ভীষণ অন্ধকার। এখন পর্যন্ত চাঁদের ওই অন্ধকার পৃষ্ঠে পৌঁছাতে পারেনি কোনো মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। চেচিয়াও স্যাটেলাইট পৃথিবীর গ্রাউন্ড স্টেশনের সাথে চাঁদে পাঠানো যানের যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে ।
উৎক্ষেপণের ২৫ মিনিট পর স্যাটেলাইটটি রকেট থেকে আলাদা হয়ে যায়। এরপর সেটি পৃথিবী-চাঁদের ট্রান্সফার অরবিটে প্রবেশ করে। পৃথিবী থেকে ৪ লাখ ৫৫ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে কিছু দিনের মধ্যে সেটি প্রবেশ করবে চাঁদের কক্ষপথে। চেচিয়াও হবে চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছানো পৃথিবীর প্রথম কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট।
এ বছরের শেষ দিকে পৃথিবী থেকে চাঁদে চাং’ই ৪ চন্দ্রযান পাঠাবে চীন। এটি আলু ও ফুলের বীজ বহন করবে । চাঁদে কৃত্রিম পরিবেশে ওই বীজ থেকে চারা গজানোর পরীক্ষা করা হবে। নার প্যালেস’ তৈরির পর সেই ‘চাঁদের প্রাসাদে’ বসে গবেষণা করতে পারবেন বিজ্ঞানীরা।
চেচিয়াও স্যাটেলাইট সাথে নিয়ে যাচ্ছে একটি রেডিও অ্যান্টেনা, যেটা মহাবিশ্বের সূচনাপর্বের রহস্য জানার চেষ্টায় সহায়ক হবে।


   Page 1 of 8
     তথ্য প্রযুক্তি
জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে ১১৫ তম বাংলাদেশ
.............................................................................................
৫০০ উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দেবে সিস্টেমআই টেকনোলজিস
.............................................................................................
তিন ঘণ্টায় বিশ্বের যে কোনো স্থানে!
.............................................................................................
বাংলাদেশে মোবাইল ব্যবহারকারী ১৫ কোটির বেশি
.............................................................................................
স্মার্টফোন বিস্ফোরণে নিহত মালয়েশিয়ার ক্রেডল ফান্ডের প্রধান নির্বাহী
.............................................................................................
কম্পিউটার পণ্যের উপর ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি
.............................................................................................
বছরের সেরা স্মার্ট স্পিকার
.............................................................................................
দেশে প্রথমবারের মতো অনলাইনে ছবি প্রদর্শনী করতে যাচ্ছে ৭১পিক্স ডটকম
.............................................................................................
স্মার্টফোন দেখভালের পদ্ধতি
.............................................................................................
চারদিনব্যাপী জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার ক্যাম্প শুরু
.............................................................................................
ফেসবুক, হোয়্যাটসঅ্যাপ ব্যবহার করলে কর দিতে হবে
.............................................................................................
স্মার্টফোন ব্যবহারের আদ্যোপান্ত
.............................................................................................
এন্টার্কটিকার বরফের নীচে খোঁজ মিললো পবর্তশ্রেণির
.............................................................................................
বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৮.৬ কোটি
.............................................................................................
ফসলের আগাছা দূর করতে রোবট
.............................................................................................
মহাকাশে চীনের বিস্ময়কর অগ্রগতি: চাঁদের কক্ষপথে কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট
.............................................................................................
শাওমির ক্যামেরা বিস্ট রেডমি নোট-৫ এর প্রি-বুকিং শুরু শনিবার
.............................................................................................
ফেসবুক গুগল ও টুইটারের প্রধানের বিরুদ্ধে সমন
.............................................................................................
ফেসবুক গুগল ও টুইটারের প্রধানের বিরুদ্ধে সমন
.............................................................................................
সানব্লক বা সানস্ক্রিন নিয়ে কিছু কথা
.............................................................................................
চার কিশোরের উদ্ভাবনী বদলে দেবে পৃথিবীকে
.............................................................................................
রোবটের সঙ্গে মানুষের মোটরবাইক রেসিং
.............................................................................................
দুরন্ত গতিতে এগিয়ে যাবে ‘টিম দুর্জয়’: রফিকুল ইসলাম
.............................................................................................
বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন
.............................................................................................
স্বাধীনতার মাসে ফুডপান্ডার বিশেষ ছাড়
.............................................................................................
তিন দিনের জন্য জব্দ রবির ব্যাংক হিসাব
.............................................................................................
দেশে ফোরজি’র যাত্রা শুরু অপারেটরদের লাইসেন্স হস্তান্তর
.............................................................................................
ই-স্বাস্থ্য’ কার্ডের মাধ্যমে ফোনেই মিলছে ডাক্তারের পরামর্শ
.............................................................................................
এসএসসি পরীক্ষায় ইন্টারনেটের গতি স্বাভাবিক থাকবে
.............................................................................................
নোভা ইলেক্ট্রনিক্স এর সৌজন্যে নেপাল ভ্রমন
.............................................................................................
ডিজিটাল বিনোদন প্লাটফর্ম ‘লিংকআস’
.............................................................................................
ব্যবসায়ীদের জন্য ‘হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস’
.............................................................................................
র‌্যাপিং পেপারের মতো গুটিয়ে রাখা যাবে এই টেলিভিশন
.............................................................................................
অ্যাপ স্টোরে বিক্রির নতুন রেকর্ডে অ্যাপল
.............................................................................................
সুপারমুন দেখা যাবে আজ
.............................................................................................
স্মার্টফোন ও ট্যাব মেলা ১১ জানুয়ারি থেকে
.............................................................................................
স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ই-বর্জ্য আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ
.............................................................................................
স্পেস স্টেশনে ভিনগ্রহী ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান!
.............................................................................................
উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় তথ্য-প্রযুক্তি দিবস পালিত
.............................................................................................
জরুরি সেবায় ৯৯৯
.............................................................................................
ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে ওয়ালটন প্রযুক্তি পণ্যের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
১৭ ডিসেম্বরই পৃথিবী ধ্বংস হচ্ছে!
.............................................................................................
তথ্যপ্রযুক্তিতে তৈরি হবে ৪০০০ দক্ষ জনশক্তি : পলক
.............................................................................................
এসএমএস সার্ভিসের ২৫ বছর পূর্তি
.............................................................................................
যেমন দেখাবে মঙ্গলের শহর
.............................................................................................
বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম ব্যাটারি চালু অস্ট্রেলিয়ায়
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রের বাইরে মিললো ব্যাকটেরিয়া, ভিনগ্রহী বলে দাবি
.............................................................................................
বিজয়ের মাসে আসছে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ইজিয়ার
.............................................................................................
বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ডে সম্মানিত হলো দেশসেরা ব্র্যান্ড
.............................................................................................
ফেসবুক-বিকাশে ‘ভয়ংকর’ ফাঁদ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক : জাকির এইচ. তালুকদার ,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : এস এইচ শিবলী ,
    [সম্পাদক মন্ডলী ]
সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ই-মেইল:dailybortomandin@gmail.com
   All Right Reserved By www.dtvbangla.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]