| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
   * সুযোগ আছে বিএসসি অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে   * উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী ....ড. এফ এইচ আনসারী   * সবার মতামত নিয়েই গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় ব্যবস্থা :প্রধানমন্ত্রী   * ডুবোচরে আটকে আছে ১৫টি মালবাহী জাহাজ   * নিম্নকক্ষে নিয়ন্ত্রণ হারালেন ট্রাম্প   * শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব ---ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা   * আমার সংসার টিকে আছে এইতো বেশি   * গোপালগঞ্জে মোবাইলে প্রেমের ফাঁদ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার   * সাটুরিয়ায় দলিল হাতে ঘুরছে ভূমিহীন ২০ পরিবার   * এ্যরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় আসতে চাইলে  

   জাতীয় -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ফাইভ-জি চালুতে বিশ্বের প্রথম দিকেই থাকবে বাংলাদেশ: জয়

বাংলাদেশে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক ফাইভ-জি এর পরীক্ষামূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। বুধবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ফাইভ-জির যাত্রা শুরু করেন তিনি।

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ফাইভ-জি চালুর ক্ষেত্রে বিশ্বের প্রথম শ্রেণির দেশগুলোর কাতারে থাকবে বাংলাদেশ। আওয়ামী লীগ সরকার আগামী মেয়াদে ক্ষমতায় এলে ফাইভ-জি এর পরীক্ষামূলক কার্যক্রম থেকে বাস্তবায়ন করবে।

তিনি বলেন, উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রথম হবে বাংলাদেশ-এটি আমার স্বপ্ন। অন্ধকারকে পেছনে ফেলে আলোকে জয় করেছে বাংলাদেশ। সব জল্পনা কল্পনার পর অবশেষে দেশে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক ফাইভ-জি আসছে।

ফাইভ-জি সেবার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, বিটিআরসির সচিব শ্যাম সুন্দর শিকদার, রবির এমডি ও সিইও মাহতাব উদ্দিন, হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও ঝ্যাং জেনজুন।

তবে ফাইভ-জি সেবা এখনই ভোক্তা পর্যায়ে ব্যবহার করা যাবে না। আজকের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফাইভ-জির পরীক্ষামূলক সংযোগ চালু হলো। এই সংযোগ শুধু ফাইভ-জি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহার করতে পারবে।

ফাইভ-জি চালুতে বিশ্বের প্রথম দিকেই থাকবে বাংলাদেশ: জয়
                                  

বাংলাদেশে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক ফাইভ-জি এর পরীক্ষামূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। বুধবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ফাইভ-জির যাত্রা শুরু করেন তিনি।

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ফাইভ-জি চালুর ক্ষেত্রে বিশ্বের প্রথম শ্রেণির দেশগুলোর কাতারে থাকবে বাংলাদেশ। আওয়ামী লীগ সরকার আগামী মেয়াদে ক্ষমতায় এলে ফাইভ-জি এর পরীক্ষামূলক কার্যক্রম থেকে বাস্তবায়ন করবে।

তিনি বলেন, উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রথম হবে বাংলাদেশ-এটি আমার স্বপ্ন। অন্ধকারকে পেছনে ফেলে আলোকে জয় করেছে বাংলাদেশ। সব জল্পনা কল্পনার পর অবশেষে দেশে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক ফাইভ-জি আসছে।

ফাইভ-জি সেবার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, বিটিআরসির সচিব শ্যাম সুন্দর শিকদার, রবির এমডি ও সিইও মাহতাব উদ্দিন, হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও ঝ্যাং জেনজুন।

তবে ফাইভ-জি সেবা এখনই ভোক্তা পর্যায়ে ব্যবহার করা যাবে না। আজকের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফাইভ-জির পরীক্ষামূলক সংযোগ চালু হলো। এই সংযোগ শুধু ফাইভ-জি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহার করতে পারবে।

সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিত্সা পাবেন মুক্তিযোদ্ধারা
                                  

মুক্তিযোদ্ধাদের দেশের সকল পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূলে চিকিত্সা সুবিধা প্রদানের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সমঝোতা অনুযায়ী এখন থেকে সরকারি হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য কোনো খরচ করতে হবে না মুক্তিযোদ্ধাদের। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে সরকারি হাসপাতালে মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সাসেবা ফ্রি ঘোষণা করেছে। কিন্তু সীমিত সম্পদের কারণে অনেক সময় জটিল রোগে আক্রান্ত মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যয়বহুল চিকিত্সাসেবা ব্যয় বহন করতে পারে না স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এই ঘাটতির জায়গাটুকু পূরণে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতালগুলোতে ইতিমধ্যে প্রাথমিক বরাদ্দের টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

গতকাল রবিবার সচিবালয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সমঝোতা স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে স্বাস্থ্য সচিব (স্বাস্থ্যসেবা) সিরাজুল হক খান ও মুুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সচিব অপরূপ চৌধুরী স্বাক্ষর করেন। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন।
মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সাসেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মহত্ উদ্যোগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতায় সম্মান ও গৌরবের সঙ্গে মাথা উঁচু করে পরিচয় দেওয়ার সাহস করেন মুক্তিযোদ্ধারা। অথচ বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলে মুক্তিযোদ্ধারা নানাভাবে হয়রানি ও অবহেলার শিকার হয়েছেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা জীবন সায়াহ্নে বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রেক্ষিতে দেশের উপজেলা, জেলা বা বিভাগীয় পর্যায়ে অবস্থিত সকল পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে বা সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বা বিশেষায়িত হাসপাতালে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে চিকিত্সাসেবা প্রদানের জন্য সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। হাসপাতালে অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহসহ সর্বোত্তমভাবে সকল চিকিত্সাসেবা প্রদান নিশ্চিত করা হবে। সকল ধরনের চিকিত্সা, পরামর্শ, শল্য চিকিত্সা, হাসপাতাল কর্তৃক সরবরাহযোগ্য ওষুধ, বেড সরবরাহ, পথ্য এবং নার্সিং ইত্যাদি চিকিত্সাসেবা অন্তর্ভুক্ত হবে। তবে হাসপাতালে প্রদত্ত নিয়মিত সরকারি বরাদ্দের অতিরিক্ত চিকিত্সা সেবার প্রয়োজন হলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহার করা যাবে। এই সেবামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও বিশেষায়িত পর্যায়ে আলাদা আলাদা কমিটি গঠন করা হবে।

এইচএসসিতে কমলো পাসের হার ও জিপিএ-৫
                                  

মাদ্রাসা, কারিগরিসহ ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৪। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৯ হাজার ২৬২ জন শিক্ষার্থী।

গত বছর এ পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৩৭ হাজার ৭২৬ জন। সেই হিসাবে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হার কমেছে ২ দশমিক ২৭ পয়েন্ট। এ ছাড়া পূর্ণাঙ্গ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৮ হাজার ৪৬৪ জন।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার পর গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সেখানে তিনি ফলাফলের সংক্ষিপ্ত কিছু তথ্য তুলে ধরেন। এরপর সংশ্লিষ্ট বোর্ডের চেয়ারম্যানরা তাদের স্ব স্ব বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

চলতি বছর সারা দেশের দুই হাজার ৫৪১টি কেন্দ্রে এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে সাধারণ আট বোর্ডে শিক্ষার্থী সংখ্যা ১০ লাখ ৯২ হাজার ৬০৭ জন।

গত ২ এপ্রিল শুরু হয় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলে ১৩ মে পর্যন্ত। আর ১৪ থেকে ২৩ মের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা।

‌পরীক্ষার সময় কমিয়ে আনলে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বাড়বে
                                  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা যখন পরীক্ষা দিয়েছি, তখন দুই বেলা করে পরীক্ষা দিতে হতো। সকালে এক পেপার, বিকালে এক পেপার। আমাদের তো দম ফেলার সময়ই থাকতো না। সাত দিনে পরীক্ষা শেষ। এখন পরীক্ষার সময় আরেকটু কমিয়ে আনার ব্যবস্থা যদি করতে পারেন তাহলে দেখবেন, ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করবে, পরীক্ষাটাও তাড়াতাড়ি হবে। আর এখানে ওই যে নানা ধরনের অপপ্রচার, তার হাত থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে ২০১৮ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ এবং ফলের পরিসংখ্যান হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছো, তাদের অামি শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। যারা ভালো করতে পারোনি তারা ভেঙে পড়বে না। অাগামীতে অারও ভালোভাবে পড়াশোনা করে ভালো ফল করবে।

তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস শুধু অামাদের দেশে নয়। ডিজিটালের যেমন ভালো দিক অাছে তেমনি খারাপ কিছু দিকও অাছে। তারপরও অামরা নকলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি। যে কারণে এবার এইচএসসি পরীক্ষা নকলমুক্তভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, অামাদের ছেলে-মেয়ারা খুব মেধাবী। তাদের এ মেধাকে কাজে লাগিয়ে অামরা বঙ্গবন্ধুর সোনার মানুষ এবং সোনার দেশ গড়ে তুলবো।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ প্রধানমন্ত্রীর হাতে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল তুলে দেন। পরে প্রধানমন্ত্রী কম্পিউটারের বার্টন টিপে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফলাফল উন্মোক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসেন, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত অালী। এরপর প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নেত্রকোনাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখান থেকে শিক্ষার্থীরাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীও তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং জানতে চান তারা লেখাপড়া শিখে কী করবে। শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভুতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন।

ইলেক্ট্রোনিক পদ্ধতিতে ভাতা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
                                  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামাজিক নিরাপত্তা বলয় কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীদের ভাতাসমূহ ইলেক্ট্রোনিক পদ্ধতিতে (জিটুপি-গভর্নমেন্ট টু পারসন) বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন।

আজ মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফান্সের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এই কর্মসূচির আওতায় প্রবীণ, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও বিধবাসহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রায় ৬৭ লাখ ভাতাপ্রাপ্ত মানুষ প্রতিমাসের নির্দিষ্ট সময়ে মোবাইল ফোনে এসএসএম পাওয়ার পর সরাসরি ব্যাংক থেকে তাদের প্রাপ্ত ভাতা তুলতে পারবেন।

সরকার চলতি অর্থবছর সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তাবলয় কর্মসূচির আওতায় ৪ হাজার ৩শ’ ১৭ কোটি টাকা বেদে, হরিজন, চা শ্রমিক এবং দূরারোগ্য ব্যাধি যেমন ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সমস্যায় আক্রান্তদের সহযোগিতার জন্য বরাদ্দ করেছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জিল্লার রহমান প্রকল্পের অর্থ প্রদান সম্পর্কিত একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান গণভবন প্রান্তে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং গোপালগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ এবং চাপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসকগণ ভিডিও কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় আরও ৭টি জেলা অনুষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চাই বাংলাদেশ হবে দারিদ্র্যমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ। বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে আমরা গড়ে তুলবো। প্রতিটি গ্রামে মানুষ শহরের মতো সুবিধা পাবে।’

তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় সরকারি ভাতা দেওয়ার পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। যাতে দরিদ্র মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে। তাদের সম্পদ ও টাকা পয়সা কেউ কেড়ে নিতে না পারে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আগে ভাতার টাকা ব্যাংক ও পোস্ট অফিসের মাধ্যমে যেত। এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ। আজ আমরা সেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে যারা যা প্রাপ্য তার কাছেই পৌঁছে দেবো। কেউ আর কমিশন খেতে পারবে না। সরাসরি টাকা আপনার হাতে পৌঁছে যাবে।’

তিনি বলেন, টাকা প্রাপকদের নামের একটি ডাটাবেজ করে রাখা হবে, যাতে কেউ তাদের নিয়ে কোনরকম খেলা খেলতে না পারেন। সরকারের পক্ষ থেকে ব্যক্তির কাছে অর্থাৎ ‘গভর্নমেন্ট টু পারসন’ এই ভাতা পৌঁছে যাবে।

সরকারের লক্ষ্য নতুন প্রজন্মকে মানবসম্পদে পরিণত করা: শিক্ষামন্ত্রী
                                  

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, নতুন প্রজন্মকে মানব সম্পদে পরিণত করা সরকারের লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তি প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তিত হচ্ছে। এজন্য প্রযুক্তিগত দক্ষতার চাহিদাও প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বেকার সমস্যা সমাধানে যুব সমাজের দক্ষতা বৃদ্ধিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।’

আজ রবিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর ভবনে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কাউন্সিল সচিবালয়ের সভাকক্ষে ‘দক্ষতা বদলে দেয় জীবন এবং বৃদ্ধি করে সামাজিক মর্যাদা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন তিনি।

বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০১৮ উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কাউন্সিল (এনএসডিসি) সচিবালয়ের উদ্যোগে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দক্ষতার ঘাটতি মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস পালন করা হয়। এবছরের প্রতিপাদ্য ’দক্ষতা বদলে দেয় জীবন।’ এর মাধ্যমে সারাবিশ্বে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মর্যাদা বৃদ্ধিতে জোর দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশেও কারিগরি শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

কারিগরি শিক্ষার বিষয়টি আগে খুবই অবহেলিত ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন এ ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে ১৪ ভাগ শিক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করছে। ২০২০ সালে তা শতকরা ২০ ভাগে এবং ২০৩০ সালে ৩০ ভাগে উন্নীত করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে উন্নত মানের টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) স্থাপন করা হচ্ছে। কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য শতকরা ২০ ভাগ আসন বরাদ্দ রাখা হচ্ছে।

আমরা চাই দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকুক : প্রধানমন্ত্রী
                                  

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলেই দেশ সবদিক থেকে এগিয়ে যায়। আমরা তা প্রমাণ করেছি।

তিনি বলেন, আমরা চাই দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকুক। কারণ গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকলে দেশ উন্নত হয় না, বরং মানুষ বঞ্চিত ও নির্যাতনের শিকার হয়। এটা বার বার এ দেশে প্রমাণিত হয়েছে।

বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য নূরজাহান বেগমের সম্পুরুক প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, একজন নারী দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে আদালতের রায়ে জেলে রয়েছেন। মামলাটি আমরা করিনি। রাজনৈতিক কারণে মামলা করলে আমরা ২০১৪-১৫ সালেই তাকে গ্রেফতার করতে পারতাম। মামলাটি প্রায় দশ বছর ধরে চলেছে। বিএনপির এত জাদরেল আইনজীবী কেউই আদালতে তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারলেন না। আর এতে প্রমাণিত হয় তিনি অপরাধী।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বিএনপির নেতারাও সেটা জানতেন বলেই মামলার রায়ের আগেই দলের গঠনতন্ত্রের সাত ধারা সংশোধন করে দুর্নীতিবাজ, অপরাধী ও দণ্ডিতদের নেতা হওয়ার সুযোগ রাখা হলো কেন?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রেখেছি বলেই দেশে এতো উন্নতি হয়েছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা না থাকলে নারীরা নির্যাতিত হয়। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এসে একাত্তরের পাক হানাদার বাহিনীর মতো নারীদের ওপর নিষ্ঠুর ও পাশবিক নির্যাতন চালায়। ৬ বছরের ছোট শিশুকে পর্যন্ত গণধর্ষণ করে। দেশের এমন কোন স্থান ছিল না যেখানে নির্যাতন হয়নি। যে কারণে ২০০৮ সালের নির্বাচনে তারা ভোট পায়নি। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।

তিনি বলেন, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে আন্দোলন ও নির্বাচন বানচালের নামে তারা নির্বিচারে নারীসহ দেশের মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। সারাদেশে নাশকতা চালিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারী মানে একজন মা। কিন্তু একজন নারী হয়ে এতিমের টাকা মেরে খাওয়া এটা চিন্তাই করা যায় না। এটা সমস্ত নারী জাতির জন্য কলঙ্ক। দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে আমাদের মেয়েরাই লাভবান হবে। দেশে যখন সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ থাকে তখন সর্বস্তরের মানুষ কর্মক্ষেত্রে পারদর্শীতা দেখাতে পারে, দেশে উন্নতি হয়। আমরা ১৯৯৬ সালে যে সমস্ত প্রকল্প গ্রহণ করেছিলাম, বিএনপি ক্ষমতায় এসে তা বন্ধ করে দেয়। দেশে যদি সুন্দর গণতান্ত্রিক পরিবেশ অব্যাহত থাকে তাহলে অনেক কাজ করা যায়। জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা নারী উন্নয়নে আমাদের ভূয়সী প্রশংসা করছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে নারী-পুরুষ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সুসংহতকরণ আমাদের সরকারের গৃহীত বহুমুখী কার্যক্রম বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃত। এ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আমাকে ইউএন উইমেন প্লানেট ৫০: ৫০ চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

কাজী ফিরোজ রশীদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের একটি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করা দরকার। আমরা তা নির্মাণ করবো। যার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ভৌগলিক দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এশিয়ান হাইওয়ে, ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে যোগাযোগ তৈরি করবো। যাতে বাংলাদেশ প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা করতে পারে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পারবে। এছাড়া আমরা আরও উন্নত বিমানবন্দর, দক্ষিণাঞ্চলে আরও একটি পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ করবো। আর গ্রামকে নগরে পরিণত করবো, নাগরিক সুবিধা পৌঁছে দেব সব গ্রামে।

মন্ত্রিসভায় জাতীয় কৃষিনীতির খসড়া অনুমোদন
                                  

কৃষকদের জন্য কৃষিকে নিরাপদ এবং লাভজনক করে তুলে জনগণের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জনের লক্ষ্যে ‘জাতীয় কৃষিনীতি ২০১৮’র খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বলেন, জাতীয় কৃষিনীতি ২০১৩ কে আরেকটু যুগোপযোগী ও হালনাগাদ করে এটাকে আরও সমৃদ্ধ করা হয়েছে। যার মূল লক্ষ্যই হচ্ছে কৃষিকে কৃষকের কাছে নিরাপদ ও লাভজনক করে তোলা এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জন করা। বাংলাদেশ শিশু একাডেমী আইন-২০১৮ এর খসড়াও আজ অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।

নতুন কৃষিনীতি সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘অনেক কিছুই এখানে নতুন যোগ করা হয়েছে। যেসব আগের নীতিতে ছিল না। তাই এটাকে বেশ সমৃদ্ধ এবং বিস্তারিত বলা যায়।’

তিনি বলেন, মানঘোষিত বীজ উৎপাদন ও নগর কেন্দ্রিক কৃষি সম্প্রসারণ সেবা সংক্রান্ত বিষয়টিও নতুন যুক্ত করা হয়েছে। কৃষি যান্ত্রিকীকরণ সেবা, উদ্ভাবনী সম্প্রসারণ প্রযুক্তি, প্রযুক্তি ব্লক স্থাপন, বছরে ফল উৎপাদন-এগুলো আাগে ছিল না।
তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যায়ে ফসলের রোগ, জাতভিত্তিক চাহিদার উন্নয়ন, পুষ্টি আহরণ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। আর ন্যানো সেন্সর প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমির গুণাগুন পর্যবেক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। গবেষণার অংশ হিসেবে ন্যানো এবং জেনেটিক্স গ্রহণ করা হয়েছে।

জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে ঢালাও শিল্পাঞ্চল করা যাবে না
                                  

জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে ঢালাওভাবে শিল্পাঞ্চল স্থাপন না করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পাশাপাশি নতুন করে বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল অনুমোদনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের আর্থিক সামর্থ্য, ব্যাংক ঋণ, ব্যবসার সুনাম যাচাই করার নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) গভর্নিং বোর্ডের ৬ষ্ঠ সভায় এমন নির্দেশনা এসেছে। গত ২৭ মে অনুষ্ঠিত ওই সভার কার্যবিবরণী সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সভায় মোট ২৮টি অর্থনৈতিক অঞ্চল অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হলেও ৪টি সরকারি এবং ৬টি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, সভায় প্রধানমন্ত্রী সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠাকালে ব্যক্তিমালিকানাধীন একাধিক ফসলি জমি এবং বসতবাড়ি আছে, এমন জমি যথাসম্ভব পরিহার করে খাস জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলের ক্ষেত্রে একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে প্রদানকৃত লাইসেন্সভুক্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্প স্থাপন ও অপারেশন নিশ্চিত করার পর পুনরায় অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের আবেদন বিবেচনা করা যেতে পারে বলে মত প্রকাশ করেন। এছাড়া বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এখন থেকে সাধারণত একশ একর জমি রয়েছে এমন প্রস্তাব বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য প্রস্তাব পাঠানোর আগে আবেদনকারীর জমির পরিমাণ, আর্থিক সামর্থ্য, ব্যাংক ঋণ ব্যবসার সুনাম যাচাই করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) পবন চৌধুরী ইত্তেফাককে বলেন, বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল অনুমোদনের ক্ষেত্রে আমরা অনেক যাচাই-বাছাই করছি। এর সুফলও পাওয়া যাচ্ছে। ইতোমধ্যে অনুমোদন পাওয়া ৬টি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলে দুইশ কোটি ডলারের বিনিয়োগ এসেছে এবং ১৩ হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো সফল ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। নতুন করে বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল অনুমোদনে তাই আরো সতর্ক হতে প্রধানমন্ত্রী এমন নির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে খাস বা পতিত জমি ব্যবহার করা হচ্ছে। এরপরেও এসব খাস জমিতে যে কয়টি পরিবার পাওয়া যাচ্ছে তাদেরকেও পুনর্বাসনের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। সারাদেশের জন্য জোন প্লানিং অতিদ্রুত সম্পন্ন করা হবে। পরিকল্পিত অঞ্চলেই অর্থনৈতিক অঞ্চল করা হবে। সকলকে নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বেজা সূত্রে জানা যায়, বেজা গভর্নিং বোর্ড দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এযাবত্ ৭৯টি স্থানে মোট ৭৯ হাজার ২০৮ একর জমির উপর অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। সরকারি ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব ভিত্তিক (পিপিপি) অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহের বেশির ভাগ খাস জমি বন্দোবস্ত গ্রহণের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। বেজা স্বল্প মেয়াদে ১৮টি প্রকল্পের অবকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এজন্য পাঁচ বছর মেয়াদে একটি ‘বেজা অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল’ গঠনের বিষয়ে প্রস্তাব করা হয়। গভর্নিং বোর্ডের সভায় অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেটে এ ধরনের তহবিল গঠনের সুযোগ নেই। এজন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রদান করা যেতে পারে।

সূত্র জানায়, প্রতিটি অর্থনৈতিক অঞ্চলে হ্রদ বা জলাধার নির্মাণ নিশ্চিত করার উপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। অর্থনৈতিক অঞ্চলে নির্মিতব্য প্রত্যেক ভবনের বৃষ্টির পানি জলাধারে সংরক্ষণ করে অগ্নি নির্বাপণ কাজসহ এই পানির বহুমুখী ব্যবহারের উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। মিরসরাই-কক্সবাজার নির্মিতব্য মেরিন ড্রাইভের দুই পাশে খাস জমি চিহ্নিত করে তাতে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প স্থাপনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সভায় উল্লেখ করেছেন, অনেক ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীগণ পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প স্থাপনের জন্য জমি বরাদ্দ নিয়ে শুধু রিফাইনারি স্থাপন করেন। তিনি পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প স্থাপনের নামে যাতে শুধু রিফাইনারি স্থাপন করা না হয় সেটি নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশনা দেন।

সভায় আগারগাঁয়ে নিজস্ব জমিতে বেজার বহুতল বিশিষ্ট প্রধান কার্যালয় নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী এই মুহূর্তে বেজার নিজস্ব ভবন তৈরি না করে অর্থনৈতিক অঞ্চল
প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে কক্সবাজারে গুতেরেস ও কিম
                                  

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে কক্সবাজার পৌঁছেছেন বাংলাদেশ সফররত জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস ও বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম।

আজ সোমবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা তাদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইট কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এরপর তারা গাড়িযোগে কলাতলীস্থ হোটেল সায়মনে যান। সেখানে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এবং বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিমকে রোহিঙ্গা বিষয়ে অবহিত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এরপর সকাল ১০টায় গাড়িযোগে উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তারা।

তাদের সঙ্গে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্ডি এবং জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলবিষয়ক নির্বাহী পরিচালক ড. নাতালিয়া খানেমসহ জাতিসংঘের অধীন বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা।

ঢাকায় বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট
                                  

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বর অভিযানের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দেখতে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। জিম ইয়ং কিম তার ঢাকা সফরে হোটেল র্যাডিসনে অবস্থান করবেন। এদিকে রোহিঙ্গাদের দুর্দশা দেখতে গত মধ্য রাতেই ঢাকায় এসে পৌঁছানোর কথা জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেসের। বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট পর্যবেক্ষণ করবেন এবং এক্ষেত্রে আরো কি করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করবেন।

সূত্র জানায়, তারা আজ রবিবার থেকে আনুষ্ঠানিক সফর শুরু করবেন। সফরকালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের অবস্থা সরেজমিনে দেখবেন। এরপর তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গেও বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।

জাতিসংঘ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই সফরের আরো লক্ষ্য হচ্ছে, রোহিঙ্গা পরিস্থিতি সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারকে মধ্য মেয়াদি পরিকল্পনায় আরো সংলাপের ব্যবস্থা করতে উদ্বুদ্ধ করা এবং রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের জন্য জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতার কথা পুনর্ব্যক্ত করা।

গত ৬ এপ্রিল মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দেখার জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। টেলিফোনে আলাপকালে শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ-মিয়ানমারের চুক্তি বাস্তবায়নে জাতিসংঘের সহযোগিতা কামনা করেন। বাংলাদেশ সফর শেষে আগামী ৩ জুলাই নিউইয়র্কে ফেরার কথা রয়েছে জাতিসংঘ মহাসচিবের।

প্রসঙ্গত, গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযানের মুখে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। সেনাবাহিনীর অভিযানে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ-সহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। যদিও মিয়ানমার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানিয়েছে।

সংসদে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট পাস
                                  

২০৪১ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ দেশ গড়তে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে এবং উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনের ধারা অব্যাহত রাখতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট পাস করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে নির্দিষ্টকরণ বিল, ২০১৮ পাসের মাধ্যমে এ বাজেট পাস করা হয়। গত ৭ জুন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ বাজেট পেশ করেন।

বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নির্বাহের যৌক্তিকতা তুলে ধরে মোট ৫৯টি মঞ্জুরি দাবি সংসদে উত্থাপন করেন। এই মঞ্জুরি দাবিগুলো সংসদে কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়।

প্রধান বিরোধীদল মঞ্জুরি দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে বিরোধীদলের ৯ জন সংসদ সদস্য মোট ৪৪৮টি ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এর মধ্যে ৫টি মঞ্জুরী দাবিতে আনীত ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর বিরোধী দলের সদস্যরা আলোচনা করেন। পরে কণ্ঠভোটে ছাঁটাই প্রস্তাব গুলো নাকচ হয়ে যায়।

এরপর সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০১৮ পাসের মাধ্যমে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করেন।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর এটি হচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের পঞ্চম বাজেট। আর এটি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের পেশ করা ১২তম বাজেট এবং এক নাগাড়ে ১০ম বাজেট। এছাড়া গত অর্থ বছরের মতো এবারও সংসদে বিরোধীদলের উপস্থিতিতে বাজেট পেশ করা হলো।

এদিকে গত ১০ জুন থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও অন্যান্য মন্ত্রীসহ সরকারি ও বিরোধীদলের সদস্যরা মূল বাজেট ও সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

বাজেটে মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে আয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১১ দশমিক ৭ শতাংশ। এছাড়া, এনবিআর বহির্ভূত সূত্র থেকে কর রাজস্ব ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা, যা জিডিপির ০.৪ শতাংশ। কর বহির্ভূত খাত থেকে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১.৩ শতাংশ।

বাজেটে অনুন্নয়নসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯১ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১১.৫ শতাংশ। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

বাজেটে সার্বিক বাজেট ঘাটতি ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে, যা জিডিপির ৪ দশমিক ৯ শতাংশ। এ ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক সূত্র থেকে ৫৪ হাজার ৬৭ কোটি টাকা, যা জিডিপির ২.১ শতাংশ এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ৭১ হাজার ২২৬ কোটি টাকা, যা জিডিপির ২.৮ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১.৭ শতাংশ এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য ব্যাংক বহির্ভূত উৎস থেকে ২৯ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা সংস্থানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭.৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৫.৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজেটের উন্নয়নের লক্ষ্য ও কৌশল হচ্ছে টেকসই উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন।
এদিকে বাজেটে সামাজিক অবকাঠামোগত খাতে মোট বরাদ্দের ২৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ, যার মধ্যে মানব সম্পদ খাতে- শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতে ২৪.৩৭ শতাংশ, ভৌত অবকাঠামো খাতে ৩০.৯৯ শতাংশ- যার মধ্যে রয়েছে সার্বিক কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ১২.৬৮ শতাংশ, বৃহত্তর যোগাযোগ খাতে ১১.৪৩ শতাংশ এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৫.৩৬ শতাংশ।
এছাড়া সাধারণ সেবা খাতে ২৫.৩০ শতাংশ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) এবং বিভিন্ন শিল্পে আর্থিক সহায়তা, ভর্তুকি, রাষ্ট্রায়ত্ত, বাণিজ্যিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের জন্য ব্যয় বাবদ ৪.৭৮ শতাংশ। এছাড়া সুদ পরিশোধ বাবদ ১১.০৫ শতাংশ। নিট ঋণদান ও অন্যান্য ব্যয় খাতে অবশিষ্ট ০.৫৪ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেটে বিদ্যুৎ, সামাজিক নিরাপত্তা, যোগাযোগ অবকাঠামো, ভৌত অবকাঠামো, আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, কৃষি, মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।

বিশ্বে ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় ঢাকা ৬৬ তম
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় স্থান পেয়েছে ঢাকা। গতকাল মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানবসম্পদ প্রতিষ্ঠান মার্কার এই তালিকা প্রকাশ করেছে। ২০৯টি নগরীর সেই তালিকায় বিশ্বের অনেক উন্নত এবং ধনীদেশের বড় বড় নগরীকে পেছনে ফেলে ঢাকার অবস্থান ৬৬ নম্বরে।

মার্কার ব্যয়বহুল নগরীর এই সূচক তৈরি করে কোন নগরীতে বিদেশিদের জীবনযাত্রার খরচের তুলনা করার জন্য। মোট ২শ’ জিনিসের ব্যয় বিবেচনায় নেয়া হয়। এর মধ্যে আছে বাসস্থান, যাতায়াত, খাবার, বিনোদন থেকে শুরু করে নানা কিছুর দাম। এক কাপ কফি, এক বোতল পানি, এক লিটার পেট্রোল বা এক লিটার দুধ। মানদণ্ড হিসেবে ধরা হয় নিউ ইয়র্ক নগরীকে। আর খরচের হিসেব তুলনা করা হয় মার্কিন ডলারে। এসব খরচ বিবেচনায় বিদেশিদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল নগরী হংকং। দ্বিতীয় স্থানে টোকিও। তিন থেকে পাঁচ নম্বরে আছে যথাক্রমে জুরিখ, সিঙ্গাপুর এবং সিউল।

প্রথম দশটি স্থানে আরো আছে সাংহাই, এনডজামেনা, বেইজিং এবং বার্ন। বিদেশিদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল পাঁচটি নগরীর চারটিই আছে এশিয়াতে। সেখানে চীনের বড় বড় শহরগুলিই আছে উপরের দিকে। সবচেয়ে কম ব্যয়বহুল নগরী হচ্ছে তাশখন্দ। তিউনিস আর বিশকেকের পর তাদের অবস্থান।

সূচকে দক্ষিণ এশিয়া থেকে একমাত্র নগরী মুম্বাই (৫৫) ঢাকার উপরে। ভারত বা পুরো দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য নগরীগুলো ঢাকার অনেক পেছনে। ইয়াংগুন আছে ৯১ নম্বরে, দিল্লি ১০৩ নম্বরে, কলম্বো ১০৮, চেন্নাই ১৪৪, কলকাতা ১৮২, ইসলামাবাদ ১৯০ আর করাচি ২০৫ নম্বরে।

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী মঙ্গলবার
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী মঙ্গলবার (২৬ জুন)। দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ১৯৯৪ সালের এইদিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
মুক্তিযোদ্ধার গর্বিত জননী, বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সংগঠক এই মহীয়সী নারীর নেতৃত্বেই গত শতকের নব্বইয়ের দশকে গড়ে উঠেছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলন। ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ব্যানারে করা সেই আন্দোলনই আজ এগিয়ে যাচ্ছে চূড়ান্ত লক্ষ্যের দিকে। বহু ঘাত-প্রতিঘাত অতিক্রম করে আজ তা বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তার ছেলে শফি ইমাম রুমী শহীদ হন। এছাড়া তার স্বামী শরীফ ইমামও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ইন্তেকাল করেন।
১৯৯১ সালের ২৯ ডিসেম্বর গোলাম আযমকে জামায়াতে ইসলামী তাদের দলের আমীর ঘোষণা করলে বাংলাদেশে জনবিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। বিক্ষোভের অংশ হিসাবে জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠন করা হয়। তিনি হন এর আহ্বায়ক।
পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-বিরোধী প্রতিরোধ মঞ্চ, ১৪টি ছাত্র সংগঠন, প্রধান রাজনৈতিক জোট, শ্রমিক-কৃষক-নারী এবং সাংস্কৃতিক জোটসহ ৭০টি সংগঠনের সমন্বয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি গঠন করা হয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটি। এর আহ্বায়ক নির্বাচিত হন জাহানারা ইমাম। তার নেতৃত্বেই এই কমিটি ১৯৯২ সালের ২৬ মার্চ গণআদালতের মাধ্যমে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গোলাম আযমের ঐতিহাসিক বিচার সম্পাদন করা হয়। ১২ জন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত গণআদালতের চেয়ারম্যান শহীদ জননী জাহানারা ইমাম গোলাম আযমের ১০টি অপরাধ মৃত্যুদণ্ডযোগ্য বলে ঘোষণা করেন। তার এই প্রতীকী বিচারের পরে দেশব্যাপী এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। তৎকালীন সরকারের বিরোধিতা জেল-জুলুম সহ্য করে তিনি এই আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। আন্দোলন চলাকালীন তার ক্যান্সার আরো বেড়ে যায়। আমেরিকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
জাহানারা ইমাম ১৯২৯ সালে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় এক রক্ষণশীল বাঙালি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
শহীদ জননীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবারের মতোই একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ‘জাহানারা ইমাম স্মারক বক্তৃতা’, আলোচনা সভা এবং ‘জাহানারা ইমাম স্মৃতিপদক’ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বিকেল সাড়ে ৩টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত জাহানারা ইমাম স্মারক বক্তৃতা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংগঠনের উপদেষ্টা অ্যধাপক অজয় রায়।
এর আগে কমিটির পক্ষ থেকে সকাল ৮টায় মিরপুরে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হবে।

আঞ্চলিক যোগাযোগ জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
                                  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রবিবার দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে কানেকটিভিটি জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই ভারতের সঙ্গে একটি রেল যোগাযোগ উন্মুক্ত করার পদক্ষেপ নিয়েছে। যেটি ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় বন্ধ হয়ে যায়।
প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে ঢাকায় নবনিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ড. চোপ লাল ভূশাল তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নেপাল এবং ভূটানের সঙ্গে কানেকটিভিটি জোরদার করার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন এবং মালামাল পরিবহন ও ট্রানজিট হিসেবে সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে ব্যবহার করতে দেয়ার প্রস্তাবও পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বিদ্যমান সৌহাদ্যপূর্ণ এবং ঐতিহ্যগত সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেপালের সহযোগিতার কথা বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্রের জোগানদানের বিষয়টি স্মরণ করেন বলেও প্রেস সচিব উল্লেখ করেন।
কানেকটিভিটি জোরদারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-ভূটান-ইন্ডিয়া-নেপাল (বিবিআইএন) সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামো বাস্তবায়নের বিষয়ে বাংলাদেশ অধিক গুরুত্বারোপ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বলেন, নেপালের রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান অত্যন্ত আন্তরিকতাপূর্ণ সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তাঁর দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

বাংলাদেশ থেকে লোক নেওয়া স্থগিত করেছে মালয়েশিয়া
                                  

বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নেওয়া স্থগিত করেছে মালয়েশিয়ার সরকার। গতকাল শুক্রবার সরকারের একজন মন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রবাসী এক বাংলাদেশির নেতৃত্বে একটি মানবপাচার সিন্ডিকেটের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সরকার লোক নেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত করে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

বাংলাদেশ থেকে দশটি এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি চলছিল। প্রবাসী এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর নেতৃত্বে একটি মানবপাচার চক্র মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগসাজশে ওই এজেন্সিগুলোকে নিয়ে সিন্ডিকেট করে শ্রমিকদের কাছ থেকে দুই বছরে অন্তত ২০০ কোটি রিঙ্গিত হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পর দেশটির সরকার এই সিদ্ধান্ত নিলো।

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী এম কুলাসেগারানকে উদ্ধৃত করে দেশটির ইংরেজি সংবাদমাধ্যম স্টার অনলাইন জানিয়েছে, ওই চক্রের বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই দেশেই রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে ওই বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর।

খবরে বলা হয় এক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, প্রত্যেক বাংলাদেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় কাজের জন্য ২০ হাজার মালয়েশীয় রিঙ্গিত দিয়েছে। স্থানীয় এজেন্টরা এর মধ্যে অর্ধেক অর্থ, অর্থাৎ প্রায় ১০ হাজার রিঙ্গিত দিয়েছে সরকারিভাবে নিবন্ধিত এজেন্টদের হাতে। তবে সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য স্টার জানায়, একজন শ্রমিক পাঠানোর নথিভুক্তি ও পরিবহনে খরচ হয় ২ হাজার রিঙ্গিতের চেয়েও কম। ২০১৬ সালের শেষের দিক থেকে এ পর্যন্ত ১ লাখের বেশি বাংলাদেশি মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছে। এছাড়া আরও লক্ষাধিক শ্রমিক দেশটিতে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছেন।

খবরে বলা হয়েছে, এই বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর ‘দাতুক সেরি’ পদমর্যাদা রয়েছে। হাজার কোটির এই মানবপাচার ব্যবসাকে সংগঠিত করা ও বৈধতা দেওয়ার পেছনে এই ব্যবসায়ীর ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ায় ব্যাপক রাজনৈতিক প্রভাব থাকার কারণে ২০১৬ সালে দুই দেশের সরকারের মধ্যে এই বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করিয়েছেন এই ব্যবসায়ী। তার প্রভাবেই মালয়েশিয়ায় শ্রমিক নিয়োগের জন্য বাংলাদেশের মাত্র ১০টি কোম্পানিকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এই দশটি কোম্পানিও রাতারাতি গজিয়ে উঠেছে।

সূত্র আরো জানিয়েছে, ওই বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ধনী থেকে আরো ধনী হয়েছেন এবং তার ঘনিষ্ঠ ও সহযোগী ব্যবসায়ীরা বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। শ্রমিকদের কাছ থেকে নেওয়া টাকার কিছু অংশ তিনি উভয় দেশের রাজনীতিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের দেন। পঞ্চাশের কাছাকাছি বয়সের ওই ব্যক্তি এক মালয়েশীয় নারীকে ১৫ বছর আগে বিয়ে করেছেন।

সূত্রটি আরো জানায়, বাংলাদেশের তুলনায় ইন্দোনেশিয়া, নেপাল, ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমার থেকে মালয়েশিয়া যেতে শ্রমিকদের খরচ কম। এই দেশগুলোর শ্রমিকদের খরচ পড়ে আড়াই হাজার রিঙ্গিতের মতো।


   Page 1 of 43
     জাতীয়
ফাইভ-জি চালুতে বিশ্বের প্রথম দিকেই থাকবে বাংলাদেশ: জয়
.............................................................................................
সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিত্সা পাবেন মুক্তিযোদ্ধারা
.............................................................................................
এইচএসসিতে কমলো পাসের হার ও জিপিএ-৫
.............................................................................................
‌পরীক্ষার সময় কমিয়ে আনলে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বাড়বে
.............................................................................................
ইলেক্ট্রোনিক পদ্ধতিতে ভাতা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
.............................................................................................
সরকারের লক্ষ্য নতুন প্রজন্মকে মানবসম্পদে পরিণত করা: শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
আমরা চাই দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকুক : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
মন্ত্রিসভায় জাতীয় কৃষিনীতির খসড়া অনুমোদন
.............................................................................................
জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে ঢালাও শিল্পাঞ্চল করা যাবে না
.............................................................................................
রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে কক্সবাজারে গুতেরেস ও কিম
.............................................................................................
ঢাকায় বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট
.............................................................................................
সংসদে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট পাস
.............................................................................................
বিশ্বে ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় ঢাকা ৬৬ তম
.............................................................................................
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী মঙ্গলবার
.............................................................................................
আঞ্চলিক যোগাযোগ জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
.............................................................................................
বাংলাদেশ থেকে লোক নেওয়া স্থগিত করেছে মালয়েশিয়া
.............................................................................................
তিন দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন শুরু ২৪ জুলাই
.............................................................................................
নদীবন্দরসমূহকে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরেছেন
.............................................................................................
লঘুচাপ নিম্নচাপে পরিণত, আজও বৃষ্টি হবে
.............................................................................................
কানাডার গভর্নর জেনারেল আয়োজিত নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিমানবাহিনীর বিদায়ী এবং নবনিযুক্ত প্রধানের সাক্ষাৎ
.............................................................................................
সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন মেলেনি আজো
.............................................................................................
১৪ বছরে গ্রেফতার ৭২ হাজার
.............................................................................................
সব নাগরিক পাবেন সমান পেনশন
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলন বিকালে
.............................................................................................
ঈদে বাসযাত্রার আগাম টিকেট বিক্রি আজ থেকে শুরু
.............................................................................................
অভিযানের আগাম তথ্য পুলিশের সোর্সের মাধ্যমে পেয়ে যাচ্ছে মাদক ব্যবসায়ীরা
.............................................................................................
‘আমাদেরও অনেকেই মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মিশে গেছে’ এক পুলিশ সুপারের রোমহর্ষক অভিজ্ঞতা
.............................................................................................
মাদকের গডফাদাররা আত্মগোপনে
.............................................................................................
ঢাকা-দিল্লি সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক অবস্থান সুদৃঢ় করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
.............................................................................................
সিটি নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণার সুযোগ দিল ইসি
.............................................................................................
আলোচনার মাধ্যমে ৬টি ধারা সংশোধনের আশ্বাস আইনমন্ত্রীর
.............................................................................................
দেশের বাইরে যে বাড়িতে প্রথম ওড়ে বাংলাদেশের পতাকা
.............................................................................................
ডিজিটাল ব্যবস্থায় লন্ডনে ১৩টি ফাইলে স্বাক্ষর প্রধানমন্ত্রীর
.............................................................................................
আজ সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
বাদশার আমন্ত্রণে সৌদি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার সাজা বাড়াতে দুদকের আবেদন বেআইনি: রিজভী
.............................................................................................
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের শুভেচ্ছা
.............................................................................................
একটি প্রদেশকে রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন বঙ্গবন্ধু: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
.............................................................................................
ত্রিভুবনে ২৩ বাংলাদেশির লাশবাহী গাড়ী
.............................................................................................
নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের জানাজায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
পাকিস্তানের কিছু প্রেতাত্মা এখনো এদেশের মাটিতেই রয়ে গেছে: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুরের দু’টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
.............................................................................................
মেঘালয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থান পরিদর্শনে গিয়ে আপ্লুত রাষ্ট্রপতি
.............................................................................................
দাওয়াহ ইলাল্লাহ’ জঙ্গি ফোরামের নেপথ্যে কারা
.............................................................................................
জাফর ইকবালকে দেখতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক : জাকির এইচ. তালুকদার ,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : এস এইচ শিবলী ,
    [সম্পাদক মন্ডলী ]
সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ই-মেইল:dailybortomandin@gmail.com
   All Right Reserved By www.dtvbangla.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]