| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
   * সুযোগ আছে বিএসসি অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে   * উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী ....ড. এফ এইচ আনসারী   * সবার মতামত নিয়েই গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় ব্যবস্থা :প্রধানমন্ত্রী   * ডুবোচরে আটকে আছে ১৫টি মালবাহী জাহাজ   * নিম্নকক্ষে নিয়ন্ত্রণ হারালেন ট্রাম্প   * শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব ---ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা   * আমার সংসার টিকে আছে এইতো বেশি   * গোপালগঞ্জে মোবাইলে প্রেমের ফাঁদ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার   * সাটুরিয়ায় দলিল হাতে ঘুরছে ভূমিহীন ২০ পরিবার   * এ্যরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় আসতে চাইলে  

   শিক্ষা-সাহিত্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সুযোগ আছে বিএসসি অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে

অনলাইন ডেস্ক:
এইচএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বিএসসি অ্যারোনটিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনার্স কোর্সে স্প্রিং সেমেস্টারে ভর্তির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
এইচএসসি পরীক্ষায় ২০১৭-২০১৮ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশগ্রহণ করা শিক্ষার্থীরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বিএসসি অ্যারোনটিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনার্স কোর্সে ভর্তির জন্য আবেদন করে এই সেমেস্টারে সরাসরি ভর্তি হতে পারবেন । এক্ষেত্রে রয়েছে লাইভ বিমানে প্রাকটিক্যাল প্রশিক্ষণ,  জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, সুইডেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াতে ইন্টার্নশীপ এর সুযোগ, দক্ষ শিক্ষকমন্ডলী, ইঞ্জিন ল্যাব, ককপিট ল্যাব প্রভৃতি সুবিধা রয়েছে। এছাড়া কিংসস্টন ইউনিভার্সিটি লন্ডন, কভেন্ট্রি ইউনিভার্সিটি, হার্টফোর্ডশায়ার ইউনিভার্সিটি, ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি অথবা আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ রয়েছে। এই কোর্স আটটি সেমিস্টারে মোট চার বছর অধ্যায়ন করতে হবে। এপর্যায়ে ভর্তি হতে হবে ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৮ সময়ের মধ্যে। শিক্ষার্থীদের আবেদন করতে এইচএসসিতে ন্যূনতম ৩.৫০ জিপিএ থাকতে হবে। 
বিএসসি অ্যারোনটিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি ফি রয়েছে ত্রিশ হাজার পাঁচশত টাকা; সেমিস্টার প্রতি টিউশন ফি পাঁচাশি হাজার টাকা; চার বছরে মোট খরচ হবে সাত লাখ দশ হাজার পাচ’শ টাকা । বিএসসি অ্যারোনটিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে মোট ক্রেডিট সংখ্যা ১৪২ ।
বিএসসি অ্যারোনটিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত চার বছরের অনার্স কোর্স যেখানে আট সেমিস্টার পড়াশোনা করে এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, এভিওনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ারিং, এয়ারলাইন্স ইঞ্জিনিয়ারিং, এয়ারপোর্ট ইঞ্জিনিয়ারিং, এয়ারপোর্ট ডিজাইন এন্ড প্ল্যানিং,  স্যাটেলাইট, স্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, রোকেট্রি, রাডার সিস্টেমস, রিমোট কন্ট্রোল সেন্সিং সিস্টেমস, হিউমান মেকানিক্স, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেমস, এয়ারক্রাফট মেইনটেনেন্স ম্যানেজমেন্ট, এয়ারক্রাফট ডিজাইন, গ্যাস টারবাইন ইঞ্জিন ডিজাইন এন্ড মেইনটেনেন্স, রেডিও ইলেকট্রিকাল সিস্টেমস, এয়ারক্রাফট ইন্টেরিওর , জেট ইঞ্জিন ডিজাইন, জেট ইঞ্জিন মেইনটেনেন্স, থার্মাল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটেশনাল ফ্লুইড ডাইনামিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, স্পেসক্রাফট কনস্ট্রাকশন এন্ড ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ারিং, রোবোটিক্স, মেকাট্রনিক্স, রেডিও টেকনোলজি, স্যাটেলাইট এন্ড টেলিকম্যুনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিসিএস, সরকারি ও বেসরকারি সেক্টরে  কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এটি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত এবং জনপ্রিয়  একটি পেশা । এর পাশাপাশি বিএসসি ইলেকট্রিকাল, ইলেকট্রনিক্স এন্ড মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ৬০ টি ক্রেডিট অধ্যয়ন করে ইলেকট্রিকাল, ইলেকট্রনিক্স এন্ড মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিসিএস, সরকারি ও বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরে চাকরি পাবার সুযোগ রয়েছে। তাছাড়া মধ্য প্রাচ্যের এয়ারলাইন্স এমিরেটস এয়ারলাইন্স, কাতার এয়ারলাইন্স, গালফ এয়ার, কুয়েত এয়ারওয়েজ, ওমান এয়ার, সাউদিয়া এয়ারলাইন্স ও অন্যান্য যে এয়ারলাইন্স গুলি বাংলাদেশে ফ্লাইট অপারেট করে সেগুলিতে রয়েছে কাজ করার সুযোগ। বিস্তারিত ভর্তি তথ্যের জন্য ০১৯২৬৯৬৩৬৫৩ অথবা ৮৯৯১৩৭১ নম্বরে যোগাযোগ অথবা সরাসরি কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলজিতে এসে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।
সুযোগ আছে বিএসসি অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে
                                  
অনলাইন ডেস্ক:
এইচএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বিএসসি অ্যারোনটিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনার্স কোর্সে স্প্রিং সেমেস্টারে ভর্তির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
এইচএসসি পরীক্ষায় ২০১৭-২০১৮ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশগ্রহণ করা শিক্ষার্থীরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বিএসসি অ্যারোনটিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনার্স কোর্সে ভর্তির জন্য আবেদন করে এই সেমেস্টারে সরাসরি ভর্তি হতে পারবেন । এক্ষেত্রে রয়েছে লাইভ বিমানে প্রাকটিক্যাল প্রশিক্ষণ,  জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, সুইডেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াতে ইন্টার্নশীপ এর সুযোগ, দক্ষ শিক্ষকমন্ডলী, ইঞ্জিন ল্যাব, ককপিট ল্যাব প্রভৃতি সুবিধা রয়েছে। এছাড়া কিংসস্টন ইউনিভার্সিটি লন্ডন, কভেন্ট্রি ইউনিভার্সিটি, হার্টফোর্ডশায়ার ইউনিভার্সিটি, ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি অথবা আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ রয়েছে। এই কোর্স আটটি সেমিস্টারে মোট চার বছর অধ্যায়ন করতে হবে। এপর্যায়ে ভর্তি হতে হবে ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৮ সময়ের মধ্যে। শিক্ষার্থীদের আবেদন করতে এইচএসসিতে ন্যূনতম ৩.৫০ জিপিএ থাকতে হবে। 
বিএসসি অ্যারোনটিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি ফি রয়েছে ত্রিশ হাজার পাঁচশত টাকা; সেমিস্টার প্রতি টিউশন ফি পাঁচাশি হাজার টাকা; চার বছরে মোট খরচ হবে সাত লাখ দশ হাজার পাচ’শ টাকা । বিএসসি অ্যারোনটিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে মোট ক্রেডিট সংখ্যা ১৪২ ।
বিএসসি অ্যারোনটিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত চার বছরের অনার্স কোর্স যেখানে আট সেমিস্টার পড়াশোনা করে এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, এভিওনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ারিং, এয়ারলাইন্স ইঞ্জিনিয়ারিং, এয়ারপোর্ট ইঞ্জিনিয়ারিং, এয়ারপোর্ট ডিজাইন এন্ড প্ল্যানিং,  স্যাটেলাইট, স্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, রোকেট্রি, রাডার সিস্টেমস, রিমোট কন্ট্রোল সেন্সিং সিস্টেমস, হিউমান মেকানিক্স, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেমস, এয়ারক্রাফট মেইনটেনেন্স ম্যানেজমেন্ট, এয়ারক্রাফট ডিজাইন, গ্যাস টারবাইন ইঞ্জিন ডিজাইন এন্ড মেইনটেনেন্স, রেডিও ইলেকট্রিকাল সিস্টেমস, এয়ারক্রাফট ইন্টেরিওর , জেট ইঞ্জিন ডিজাইন, জেট ইঞ্জিন মেইনটেনেন্স, থার্মাল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটেশনাল ফ্লুইড ডাইনামিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, স্পেসক্রাফট কনস্ট্রাকশন এন্ড ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ারিং, রোবোটিক্স, মেকাট্রনিক্স, রেডিও টেকনোলজি, স্যাটেলাইট এন্ড টেলিকম্যুনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিসিএস, সরকারি ও বেসরকারি সেক্টরে  কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এটি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত এবং জনপ্রিয়  একটি পেশা । এর পাশাপাশি বিএসসি ইলেকট্রিকাল, ইলেকট্রনিক্স এন্ড মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ৬০ টি ক্রেডিট অধ্যয়ন করে ইলেকট্রিকাল, ইলেকট্রনিক্স এন্ড মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিসিএস, সরকারি ও বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরে চাকরি পাবার সুযোগ রয়েছে। তাছাড়া মধ্য প্রাচ্যের এয়ারলাইন্স এমিরেটস এয়ারলাইন্স, কাতার এয়ারলাইন্স, গালফ এয়ার, কুয়েত এয়ারওয়েজ, ওমান এয়ার, সাউদিয়া এয়ারলাইন্স ও অন্যান্য যে এয়ারলাইন্স গুলি বাংলাদেশে ফ্লাইট অপারেট করে সেগুলিতে রয়েছে কাজ করার সুযোগ। বিস্তারিত ভর্তি তথ্যের জন্য ০১৯২৬৯৬৩৬৫৩ অথবা ৮৯৯১৩৭১ নম্বরে যোগাযোগ অথবা সরাসরি কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলজিতে এসে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।
এ্যরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় আসতে চাইলে
                                  

সাইফ হোসেন॥ শুধু সঠিক বিষয় নিয়ে লেখা পড়া করার সিদ্ধান্তের জন্য বেকার থাকতে হয়না বুদ্ধিমানদের। যেকারণে শিক্ষা জীবনে অনেকে শিক্ষা শেষ না হতেই চাকরির অফার পেতে শুরু করেন। কেননা প্রতিনিয়ত কর্মক্ষেত্রের ধরন বদলাচ্ছে এবং শিক্ষা বিষয়ে নতুনত্ব আসছে। এদিক দিয়ে আকাশ পথ বা অ্যাভিয়েশন অত্যন্ত সময়োপযোগী শিক্ষা যেখানে কর্মই প্রার্থীকে খোঁজে। আর বাংলাদেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত এবং প্রথম বিবিএ (অনার্স) ইন অ্যাভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট ও বিএসসি (অনার্স) ইন অ্যারোনটিক্যাল এবং অ্যাভিয়েশন সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু করেছে সর্বাধীব গ্রহণযোগ্য প্রতিষ্ঠান ক্যাটেক।

বিবিএ ইন অ্যাভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট হলো এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা যেটা অনার্স কোর্স। যেখানে এয়ারলাইন্স ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক যেমন প্যাসেঞ্জার সার্ভিস, ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, এয়ারক্রাফট সিক্যুরিটি অ্যান্ড সেফটি, কাস্টমার রিলেশন, গ্রুমিং, এয়ারলাইন্স কার্গো ম্যানেজমেন্ট, মার্কেটিং ও সেলস, এয়ারপোর্ট অপারেশন, বোর্ডিং কন্ট্রোল, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, কাস্টমার রিলেশন, এয়ারক্রাফট লিজিং, এয়ারলাইন্স ফাইন্যান্স, এয়ারলাইন্স পলিসি ও আইন কানুন, টিকেট সেলস, কাস্টমার রিলেশন, ট্যুর অপারেশন, ট্যুর গাইড, ট্রাভেল এজেন্সি অপারেশন রিজারভেশন সিস্টেম প্রভৃতি নিয়ে লেখাপড়া করা হয়। এসব ক্রমবর্ধমান গ্লোবাল ক্যারিয়ারে সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে দেয়। ইতোমধ্যেই এটি পুরো বিশ্বে অতন্ত আকর্ষণীয় পেশা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

বিএসসি(অনার্স) ইন অ্যারোনটিক্যাল ও অ্যাভিয়েশন সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং হলো অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর ৪ বছর মেয়াদি অনার্স কোর্স যেখানে মোট ১৪২ ক্রেডিট পড়ানো হয়। ৪ বছরে ৮ সেমিস্টার। মানসম্মত শিক্ষাব্যাবস্থার জন্য এরই মধ্যে উত্তরার এই অ্যাভিয়েশন কলেজ অর্জন করেছে শিক্ষার্থীদের আস্থা। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ০১৯২৬৯৬৩৬৫৩ নম্বরে।
৪ বছরে ৮ সেমিস্টার মেয়াদি বিবিএ (অনার্স) ইন অ্যাভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট অনার্স কোর্সে যেকোনো বিভাগ হতে এইচএসসি/‘এ’ লেভেল পাসকৃত শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবেন। আর বিজ্ঞান বিভাগ হতে এইচএসসি/‘এ’ লেভেল পাসকৃত শিক্ষার্থীরা বিএসসি(অনার্স) ইন অ্যারোনটিক্যাল ও অ্যাভিয়েশন সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হতে পারবেন। কোসের্র প্রতি সেমিস্টারে খরচ পড়বে ৪০,০০০ টাকা। অন্যদিকে বিএসসি ইন অ্যারোনটিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ৪ বছরে ৮ সেমিস্টার মেয়াদি কোর্সের প্রতি সেমিস্টারে খরচ পড়বে ৮৫,০০০ টাকার মতো।
এছাড়া স্কলার সুবিধায় ক্যাটেক এসএসসি/ও-লেভেল অথবা সমমানের পরীক্ষায় বাণিজ্য/ব্যবসা প্রশাসন/ কলা/ মানবিক/ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য এভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট এবং অ্যারোনটিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং পিগ্রি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। এই কোর্সে দুই বছর এইচএনডি ক্যাটেক থেকে এবং চূড়ান্ত বছর বিএসসি অ্যারোনটিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং/বিবিএ এভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট কিংসস্টন ইউনিভার্সিটি লন্ডন, কভেন্ট্রি ইউনিভার্সিটি, হার্টফোর্ডশায়ার ইউনিভার্সিটি, সাউথ ওয়েলস ইউনিভার্সিটি অথবা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা, স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়ে করার সুযোগ রয়েছে৷
এখানে রয়েছে মেধাবীদের টিউশন ফি মওকুপ সুবিধা; লাইভ বিমানে প্রাকটিক্যাল প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা৷ জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, সুইডেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াতে ইন্টার্নশীপ এর সুযোগ৷ দক্ষ শিক্ষক মন্ডলী; রয়েছে ইঞ্জিন ল্যাব, ককপিট ল্যাব। ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ আছে কিংসস্টন ইউনিভার্সিটি লন্ডন, কভেন্ট্রি ইউনিভার্সিটি, হার্টফোর্ডশায়ার ইউনিভার্সিটি, সাউথ ওয়েলস প্রভৃতি ইউনিভার্সিটি অথবা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা, স্কটল্যান্ড, আয়াারল্যান্ড, ইংল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়ে৷কোর্সটি মোট চার বছর বারটি সেমিস্টারে সম্পন্ন করা যাবে।
এই কলেজে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য শিক্ষার্থী পড়তে আসে। এখানের শিক্ষার্থী পুরো বিশ্বের উন্নত দেশে চাকরি করছে। নবীনগর থেকে পড়তে আসা জেসি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই মনে স্বপ্ন ছিল এয়ারলাইন্সে কাজ করার। তাই এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করছি।’ রিজেন্ট এয়ারওয়েজে কর্মরত একজন নির্বাহী জানিয়েছেন, এখানে ভর্তি হওয়ার পর নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি এখন বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রথম সারির এয়ারলাইন্স-এ কাজ করছেন।

৩৭তম বিসিএসে ক্যাডার হলেন ১৩১৪ জন
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
৩৭তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। বিভিন্ন ক্যাডারে এক হাজার ৩১৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে পিএসসি।

পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মেহদী শাহনেওয়াজ জলিল মঙ্গলবার এ তথ্য জানান।

৩৭তম বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় ৪ হাজার ৭৬৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের জন্য ১ হাজার ৩১৪ জনকে সুপারিশ করা হয়েছে।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৬ জন পরীক্ষার্থী। এতে উত্তীর্ণ হন ৮ হাজার ৫২৩ জন। পরে অবশ্য লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ৮ হাজার ৩১ জন।

প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে ১ হাজার ২২৬ জনকে নিয়োগ দিতে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ৩৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এই বিসিএস পরীক্ষায় নিতে গত ৩১ মার্চ থেকে ২ মে পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদন করেন।

সিকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, গোলযোগের আশংকা
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে ছাত্রছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিকৃবি কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার দুপুরে জরুরী এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার মধ্যে ছাত্রদের হল ত্যাগ করতে এবং আগামীকাল সকাল ৯টার মধ্যে ছাত্রীদের হল ত্যাগ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সিকৃবি রেজিস্ট্রার বদরুল ইসলাম শোয়েব জানান, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষ সভার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। সেই সাথে হলে অবস্থানকারী ছাত্র-ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থগিত করা হয়েছে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন ক্লাস ও পরীক্ষা।
ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, সিকৃবিতে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলছে। এ নিয়ে ক্যাম্পাসে তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় সংঘর্ষের আশঙ্কায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এসএসসি’র পর এভিয়েশনে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে
                                  

ক্যারিয়ার ডেস্ক: জীবন গড়ার জন্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় এসএসসি বা এইচএসসি পাশের পর। এখান থেকেই সঠিক পেশার বিষয় নির্বাচন করে লেখাপড়া করতে হয়। আর এক্ষেত্রে যদি একটু ভুল হয় তবে এর মাশুল দিতে হয় সারা জীবন ভর। যে কারণে এদেশে অসংখ্য শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষা নিয়েও বেকার জীবন বয়ে বেড়াচ্ছে। শুধু তাই নয় লক্ষ্য করলে দেখা যাবে অর্ধেকেরও বেশি পেশাজীবি এক বিষয়ে পড়ালেখা করে অন্য বিষয়ের চাকরি করছে। এর ফলে তার কর্মক্ষেত্র যেমন নিরানন্দ হয়ে পড়ছে একই সাথে সে দারুণবাবে পিছিয়ে পড়ছে তারা। যে কারণে ৪ বছরে ৮-১৫ লক্ষ টাকা দিয়ে পড়াশোনা করেও ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়তে হচ্ছে শুধু সঠিক বিষয় নিয়ে লেখাপড়া না করার কারণে। এদিক দিয়ে সফল ক্যারিয়ার গড়তে এভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট হতে পারে সময়োপযোগী বিষয়। এই ধারায় বাংলাদেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রথম বারের মত বিবিএ (অনার্স) ইন অ্যাভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট ও বিএসসি (অনার্স) ইন অ্যারোনটিক্যাল এবং অ্যাভিয়েশন সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু করেছে ক্যাটেক। এটি হচ্ছে বিশেষ করে ক্যারিয়ার ভিত্তিক প্রফেশনাল কোর্স। এই ডিগ্রি অর্জন করে একজন শিক্ষার্থী নিজেকে বিশ্বব্যাপী দ্রুত সফল ক্যারিয়ারিস্ট হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। 

বিবিএ ইন অ্যাভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট হলো এয়ারলাইন্সের ম্যানেজমেন্ট বা ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনার্স কোর্স, যেখানে অন্তর্ভুক্ত এয়ারলাইন্স ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক যেমন প্যাসেঞ্জার সার্ভিস, ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, এয়ারক্রাফট সিক্যুরিটি অ্যান্ড সেফটি, কাস্টমার রিলেশন, গ্রুমিং, এয়ারলাইন্স কার্গো ম্যানেজমেন্ট, মার্কেটিং ও সেলস, এয়ারপোর্ট অপারেশন, বোর্ডিং কন্ট্রোল, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, কাস্টমার রিলেশন, এয়ারক্রাফট লিজিং, এয়ারলাইন্স ফাইন্যান্স, এয়ারলাইন্স পলিসি ও আইন কানুন, টিকেট সেলস, কাস্টমার রিলেশন, ট্যুর অপারেশন, ট্যুর গাইড, ট্রাভেল এজেন্সি অপারেশন এবং রিজারভেশন সিস্টেম প্রভৃতি। এসব বিষয়ে পড়লে দ্রুত ক্রমবর্ধমান গ্লোবাল ক্যারিয়ারে নিজের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হয়। বিএসসি (অনার্স) ইন অ্যারোনটিক্যাল ও অ্যাভিয়েশন সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং হলো অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর ৪ বছর মেয়াদি ৮ সেমিস্টার অনার্স কোর্স যেখানে মোট ১৪২ ক্রেডিট পড়ানো হয়। মানসম্মত শিক্ষাব্যাবস্থার জন্য এরই মধ্যে উত্তরার অ্যাভিয়েশন কলেজটি অর্জন করেছে শিক্ষার্থীদের আস্থা। এখানে রয়েছে লাইভ বিমানে প্রাকটিক্যাল প্রশিক্ষণ, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, সুইডেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াতে ইন্টার্নশীপ এর সুযোগ ৷ দক্ষ শিক্ষকমন্ডলী, ইঞ্জিন ল্যাব, ককপিট ল্যাব প্রভৃতি সুবিধা ৷ যেকোনো বিভাগ হতে এসএসসি/ও-লেভেল, এইচএসসি/‘এ’ লেভেল পাসকৃত শিক্ষার্থীরা এবং আর বিজ্ঞান বিভাগ হতে এসএসসি/ও-লেভেল, এইচএসসি/‘এ’ লেভেল পাসকৃত শিক্ষার্থীরা বিএসসি (অনার্স) ইন অ্যারোনটিক্যাল ও অ্যাভিয়েশন সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ০১৯২৬৯৬৩৬৫৩ নম্বরে।
এই কলেজে পটুয়াখালী থেকে পড়তে আসা ওমর ফারুক রাহাত তার পড়াশোনা বিষয় অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানায়, ছোটবেলা থেকেই মনে স্বপ্ন ছিল এয়ারলাইন্সে কাজ করার। তাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলজিতে অ্যারোনটিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হই। এখান থেকে পাস করে আমি এখন আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন এরোস্পেসে মাসে দুই লাখ টাকা বেতন কাজ করছি। অস্ট্রেলিয়ার ক্যানটাস এয়ারে কমর্রত মনসুর আহমেদ ক্যাটেক-এ এভিয়েশন ম্যানেজমেন্টে পড়ে এখন বিশ্বের অন্যতম একটি প্রথম সারির এয়ারলাইন্স-এ দুই লাখ টাকা বেতনে কাজ করছেন।

ভিকারুন নিসায় নিয়ম ভেঙে ২ শতাধিক শিক্ষার্থী ভর্তি
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
‘টাকার বিনিময়ে ও তদবিরের মাধ্যমে কয়েশ শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে ভিকারুন নিসা নূন স্কুল এ্যান্ড কলেজে। এ ক্ষেত্রে পরিচালনা কমিটির সভাপতিসহ একাধিক সদস্য মূল ভূমিকা রাখছেন। প্রতি শ্রেণিতে নির্ধারিত আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর মাধ্যমে মূলত স্কুলটিকে পুরোপুরি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করা হচ্ছে।’ বিভিন্ন মহল থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা অধিদপ্তরে এমন একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে।
প্রতিষ্ঠানটিতে নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে কেন অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে তার জবাব চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ১৫ দিনের মধ্যে জবাব দিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব কামরুল হাসানের স্বাক্ষরিত এ চিঠি গত ২৭ মে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, কোন ধরণের নিয়ম-নীতি না মেনে এবারও দুই শতাধিক শিক্ষার্থী ভর্তি করেছে রাজধানীর ভিকারুন নিসা নূন স্কুল কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন সুপারিশের মাধ্যমে কিছু ভর্তি করা হলেও বাকিগুলো ভর্তির ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদের অভিযোগ তুলেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা। অভিভাবক ফোরামের সভাপতি জিয়াউল কবির দুলু বলেন, শিক্ষার্থী ভর্তির নামে লাখ লাখ টাকা অবৈধ আয় করছে প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন সদস্য। তিনি প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডি বাতিলের দাবি জানান।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভর্তির আগেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি ভর্তি নীতিমালা জারি করে। এরপরও অযৌক্তিকভাবে সুপারিশের অযুহাত দেখিয়ে নীতিমালা অমান্য করে স্কুলগুলো। ভিকারুন নিসা স্কুলও তাই করেছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালেও অবৈধ ভাবে শিক্ষার্থী ভর্তির কারণে দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। কিন্তু ওই কমিটির প্রতিবেদন আলোর মুখ দেখেনি। গত বছরও ভর্তি নীতিমালা না মানার কারণে অভিযুক্ত হয়েছিল এই প্রতিষ্ঠাটি। ভর্তি নীতিমালা না মানায় ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠানটির তত্কালীন অধ্যক্ষের এমপিও স্থগিত করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই বছর ভিকারুননিসা স্কুলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৬৮ লাখ ১৭ হাজার ১০০ টাকা আদায় করেছিল।
প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির সভাপতি ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম আশরাফ তালুকদার এ প্রসঙ্গে বলেন, ২০৯ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন সুপারিশের ভিত্তিতে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ কর্মকর্তাদের সুপারিশেও কিছু ভর্তি করা হয়েছে। তবে অভিভাবকরা বলছেন, বোনের কোটা, মুক্তিযোদ্ধার কোটা, বদলিসহ বিভিন্ন ইস্যু দেখিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে। এর নেপথ্যে রয়েছে আর্থিক অনিয়ম।
গভর্নিং বডির সদস্য মুনসুর আলী বলেন, সরকারির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সুপারিশে ভর্তি করা হয়েছে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কেন এই জবাব চেয়েছে তার সুষ্পষ্ট কোন ব্যাখ্যা দিতে পারেননি এই সদস্য। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জবি ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সম্মানজনক ডি.লিট ডিগ্রিতে ভূষিত হওয়ায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা একটি আনন্দ মিছিল করে। সোমবার দুপুর ১টায় আনন্দ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার থেকে শুরু করে বিজ্ঞান ভবন, ভিসি চত্বর ও কলা ভবন চত্বর হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। সেখানে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে জবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানজনক ডি.লিট ডিগ্রিতে ভূষিত হওয়ায় আমরা আনন্দিত।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এমন আর অনেক ডিগ্রি দেশের জন্য বয়ে এনেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সম্মান মানে বাংলাদেশের সম্মান। পক্ষান্তরে খালেদা জিয়া কোথাও থেকে সম্মান তো আনতে পারেনি উল্টা বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে ডুবিয়েছে। আমরা আশা করি জনগণ উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে আবারও ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনবে।

‘শিল্পকলা পদক-২০১৭’ তুলে দেয়া হল পদক প্রাপ্তদের হাতে
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
শিল্প ও চারুকলা, সংগীত, নাটকসহ সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ‘শিল্পকলা পদক-২০১৭’ পেয়েছেন দেশের সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।
এই পদক প্রাপ্তরা হচ্ছেন, মিহির পাল (কণ্ঠসংগীত), মোহাম্মদ আলাউদ্দিন মিয়া ( যন্ত্রসংগীত), এস এম মহসীন (নাট্যকলা), কাঙ্গালিনী সুফিয়া বেগম (লোক সংস্কৃতি), চন্দ্র শেখর দে (চারুকলা), নাসির আলী মামুন (ফটোগ্রাফি ) ও শর্মিলা বন্দোপাধ্যায়।
সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী পদক প্রাপকদের নাম ঘোষণা করেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন শিল্পকলা একাডেমির সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন একাডেমির পরিচালক (অর্থ) শহীদুল ইসলাম।
লাকী জানান, আাগামীকল ২৮ মে সোমবার ‘শিল্পকলা পদক-২০১৭’ প্রদান করা হবে। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই পদক প্রদান করবেন। দুপুর ২টায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি হবে।
লিয়াকত লাকী জানান, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে ২০১৩ সাল থেকে এই পদক প্রদান করা হচ্ছে। এবার পঞ্চম বারের মতো এই পদক প্রদান করা হচ্ছে। গত চার বছরে ২৮ জন শিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বকে এই পদক প্রদান করা হয়েছে। আগামী বছর থেকে পদকের ক্যাটাগরি আরও তিনটি বিভাগ বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে আগামী বছর থেকে দশটি বিভাগে ১০টি পদক দেয়া হবে।
তিনি বলেন, বাঙালি জাতির প্রতিটি সংগ্রাম,আন্দোলন ও অর্জনে এদেশের শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা নাটক, সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি, চিত্রকর্মসহ শিল্পের সকল শাখার মাধ্যমে তাঁদের অপরিসীম অবদান রেখেছেন। হাজার বছরের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের লালন, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছেন আমাদের শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে তাঁরা নি:স্বার্থভাবে অবদান রেখে চলেছেন। তাঁদের অবদানকে সম্মান জানাতে ‘শিল্পকলা পদক’ প্রদান করা হচ্ছে। দেশের শিল্প ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ অবদানের জন্য গুণীজনদের কর্মকে মূল্যায়ণ করে সংস্কৃতির বিকাশ সাধনের লক্ষ্যে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
লাকী জানান, শিল্পকলা পদক প্রদানের জন্য জাতীয়ভাবে ১৬ সদস্যের একটি কমিটি রয়েছে। কমিটির সদস্যরা বিচারিক কাজ সম্পন্ন করেন। একাডেমি এ ছাড়াও জেলা পর্যায়ে শিল্পকলা পদক প্রদান করে থাকে। সারাদেশের শিল্পীদের সন্মান জানানো হচ্ছে জেলা শিল্পকলা একাডেমির মাধ্যমে। জেলায় প্রতিবছর মোট ৩০৫ জনকে পদক প্রদান করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানান হয়, আগামীকাল পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুণীশিল্পীদের হাতে পদক তুলে দেবেন রাষ্ট্রপতি জনাব মোঃ আবদুল হামিদ। অনুষ্ঠান সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ নাসির উদ্দিন অহমেদ। বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এম.পি এবং স্বাগত বক্তব্য রাখবেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। আলোচনা পর্ব ও পদক প্রদান শেষে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের পরিবেশনায় অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী।

নজরুলের সাম্যবাদ
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মুজফ্ফর আহ্‌মেদ ছিলেন নজরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। একক ব্যক্তি হিসেবে কবির মানস গঠনে তিনি যতটা প্রভাব বিস্তার করেছিলেন, সম্ভবত অন্য কেউ তা করেননি। তাঁর কাছ থেকে তিনি কেবল অসাম্প্রদায়িকতার শিক্ষা লাভ করেননি, ধনী-দরিদ্রভেদে মানুষ যে সমান, এই ধারণাও অর্জন করেছিলেন। মুজফ্ফর আহ্‌মেদের এই প্রভাব এতটাই গভীর ছিল যে, কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেওয়ার কথাও কবি একসময়ে ভেবেছিলেন, যদিও শেষ পর্যন্ত তিনি পার্টিতে যোগ দেননি। কারণ তিনি পার্টির নিয়মকানুন মেনে চলার মতো মানুষ ছিলেন না, তিনি চলতেন আপন খেয়ালে। তিনি যে লিখেছিলেন, ‘আমি দলে যাই যত নিয়ম কানুনশৃঙ্খল।’ সেটা স্রেফ কবিত্বের কথা ছিল না। এ বৈশিষ্ট্য তাঁর নিজের স্বভাবের মধ্যেই প্রোথিত ছিল। তা ছাড়া, প্রথম দিকে তাঁর হৃদয়ে যে অফুরন্ত মানবপ্রেম ছিল, তা দিয়ে তিনি মানুষে-মানুষে ভেদাভেদ থাকবে না, দরিদ্ররা দুবেলা দুমুঠো খেতে পাবে—এই সরল সত্যটা যতটা বুঝতেন, মার্ক্সবাদী শ্রেণি-সংগ্রামভিত্তিক সাম্যবাদ সম্পর্কে তাঁর ধারণা ততটা সম্যক ছিল না।

এই ধারণা তাঁর কাছে অনেকটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে ১৯২৫ সালের শেষ দিকে, কুতুবউদ্দীনের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারাভিযানে অংশ নেওয়ার সময়ে। কুতুবউদ্দীন প্রাদেশিক আইনসভার নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করলেও কমিউনিস্ট দলের প্রতি তাঁর আনুগত্য ছিল একান্তভাবে আন্তরিক। তখনকার সরকারি প্রতিবেদনে তাঁকে আখ্যায়িত করা হয়েছিল ‘বলশেভিক এজেন্ট’ বা বলশেভিকদের দালাল হিসেবে। তিনি ছিলেন উর্দুভাষী। তাই তিনি বাঙালি কবি নজরুল ইসলামকে তাঁর পক্ষে প্রচারাভিযানে অংশ নিতে অনুরোধ করেছিলেন। নজরুল তখন অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। তা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট মুসলিম-নির্বাচনী এলাকা থেকে কুতুবউদ্দীন ফিরে এসেছিলেন মাত্র ১২৪টি ভোট নিয়ে। আর নজরুল ফিরেছিলেন দৃশ্যত ম্যালেরিয়া এবং রক্ত-আমশয় নিয়ে। কিন্তু অদৃশ্য যা নিয়ে ফিরেছিলেন, তা হলো সাম্যবাদী চিন্তাধারায় বর্ধিত আস্থা।

তারই প্রভাবে কয়েক সপ্তাহ পরে পয়লা নভেম্বর Ñ হেমন্তকুমার সরকার ও কুতুবউদ্দীনসহ কয়েক বন্ধুকে নিয়ে তিনি কংগ্রেস দলের মধ্যেই লেবার স্বরাজ নামে একটি উপদল গঠন করেন। তিনি ও তাঁর বন্ধুরা উপলব্ধি করেছিলেন যে, তখনকার রাজনীতি সীমাবদ্ধ ছিল কেবল শহরের শিক্ষিতদের মধ্যে। সেই রাজনীতিকে কৃষক-শ্রমিকদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁরা এই দল গঠন করেছিলেন। এই দল কৃষক-শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে দাবি-দাওয়া উত্থাপন করেছিল। এরই সূত্র ধরে পরের মাসে কবি তাঁর বন্ধুদের নিয়ে এই দলের মুখপত্র হিসেবে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ করেন। পত্রিকাটির নাম দেন লাঙল। নাম থেকেই বোঝা যায় পত্রিকাটি কাদের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত হয়েছিল। পত্রিকা প্রকাশের জন্য এক হাজার টাকা দিয়েছিলেন কুতুবউদ্দীন।
কবি এ সময়ে একগুচ্ছ কবিতা লেখেনÑ‘সাম্যবাদী’ নাম দিয়ে এবং তা প্রকাশিত হয় পত্রিকার প্রথম সংখ্যায়। এ কবিতাগুচ্ছ তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলোর অন্যতম। এ কবিতাগুলোর বিষয়বস্তু হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছিলেন ‘ঈশ্বর’ থেকে আরম্ভ করে ‘চোর-ডাকাত’, ‘কুলি-মজুর’, ‘বারাঙ্গনা’ ইত্যাদি নিম্নশ্রেণির মানুষ পর্যন্ত। এই কবিতাগুচ্ছ এবং সর্বহারা কাব্যের কৃষক, শ্রমিক ও ধীবরদের নিয়ে রচিত তিনটি কবিতায় সাম্যবাদ সম্পর্কে কবির ধারণা প্রকাশিত হয়েছে।ৎ
যেমন: ‘কুলি-মজুর’ কবিতায় তিনি বলেছেন, শ্রমজীবীদের শ্রমের বিনিময়ে সভ্যতা গড়ে উঠেছে। সুতরাং সভ্যতার পরিচালিকা শক্তি তাদেরই হাতে ন্যস্ত থাকার কথা: ‘সিক্ত যাদের সারা দেহ-মন মাটির মমতা-রসে/এই ধরণির তরণীর হাল রবে তাহাদেরি বশে!’ এ কবিতাগুচ্ছের প্রথম কবিতা ‘সাম্যবাদী’র বক্তব্যও মূলত এক। এ কবিতায় তিনি বলেছেন, মানুষে-মানুষে সব ধর্মীয় এবং জাতিগত ব্যবধান ঘুচে গেছে, ‘যেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম-ক্রিশ্চান। পারস, জৈন, ইহুদি, সাঁওতাল, ভিল, গারো?’ কারণ, মানুষের ‘হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনো মন্দির-কাবা নাই।’ এবং ‘মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান!’ ভিখারি, চাষি, চণ্ডাল, রাখাল—মানুষ হিসেবে সবারই অভিন্ন পরিচয়। বিচিত্র নামের আড়ালে এসব কবিতার মূলে আছে মানবপ্রেম এবং শ্রেণি-নির্বিশেষে সামাজিক সাম্য। এই হলো নজরুলের সাম্যবাদী চিন্তার স্বরূপ। এ সময়কার কিছু কবিতায় সমকালীন রাজনীতির কথাও প্রতিফলিত হয়েছে।
কিন্তু তিনি ‘সর্বহারা’ ও ‘সাম্যবাদী’ কবিতাগুচ্ছে সামাজিক সাম্য ও দরিদ্রদের অধিকারের কথা লিখলেও, এসব কবিতায় কবি ‘তারা’ ও ‘আমরা’র ভেদ রক্ষা করেছিলেন। তিনি দূর থেকে কুলি-মজুর-চাষি-ধীবর ইত্যাদি সমাজের সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্রদের দেখে তাঁদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে এ কবিতাগুলো রচনা করেছিলেন। তাঁর আন্তরিকতায় ঘাটতি ছিল না, কিন্তু এসব কবিতায় তিনি এই দরিদ্রদের সঙ্গে নিজেকে শনাক্ত করতে পারেননি। সেদিক দিয়ে ‘সাম্যবাদী’ কবিতাগুচ্ছ মানবিক দরদে পরিপূর্ণ, কিন্তু শ্রেণিসংগ্রামের বিচারে সাম্যবাদী কবিতা নয়।

১৯২৫-২৬ সালে রচিত এই কবিতাগুলোর পরবর্তী প্রায় পনেরো বছর কবির সৃষ্টিকর্মে ‘সাম্যবাদী’ চেতনার প্রতিফলন তেমন একটা লক্ষ করা যায় না। কিন্তু নতুন করে দরিদ্রদের প্রতি আন্তরিক দরদের প্রকাশ লক্ষ করি নজরুল-জীবনের একেবারে শেষ পর্বে, অর্থাৎ কবি অপ্রকৃতিস্থ হওয়ার ঠিক আগেকার পর্বে। ১৯৪১-৪২ সালে সমাজের নিচের তলার মানুষের দারিদ্র্য এবং নিম্ন মর্যাদা নিয়ে তিনি অনেকগুলো কবিতা রচনা করেছিলেন। এই কবিতাগুলো রচনা করার পেছনে আপাতদৃষ্টিতে বিশেষ কোনো উপলক্ষ ছিল বলে মনে হয় না। কবিতাগুলোর সম্ভবত সব কটিই দৈনিক নবযুগ-এ প্রকাশিত হয়েছিল।

এসব কবিতায় তিনি সর্বহারাশ্রেণির সঙ্গে আগের তুলনায় নিজেকে অনেকটা একাত্ম বোধ করেছেন এবং শ্রেণি-সংগ্রামের কথাও স্পষ্ট করে বলেছেন। ধনীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন যে, দরিদ্ররা তাদের দ্বারে এসেছে অধিকার নিয়ে, তাদের ভাগ তাদের দিয়ে দাও, নয়তো ওরা কেড়ে নেবে। আলোচ্য কবিতাগুলো তাই সাম্যবাদী ও শ্রেণিসংগ্রাম ধারণায় সম্পৃক্ত। কিন্তু এ কবিতাগুলোতে আরেকটি বৈশিষ্ট্য নির্ভুলভাবে দেখা যায়, সে হলো সাম্যবাদী ধারণার সঙ্গে তাঁর নব্য-ধর্মীয় চেতনাও এ কবিতাগুলোয় একাকার হয়ে আছে।
১৯৪২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি, অর্থাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ার সাড়ে চার মাস আগে প্রকাশিত একটি কবিতায় ধারণাটি অবাস্তব ও ইউটোপিয়ান হলেও কবি বলেছেন: ‘রবে না দারিদ্র্য রবে না অসাম্য’:
‘জয় হোক জয় হোক আল্লার জয় হোক/শান্তির জয় হোক সাম্যের জয় হোক/সত্যের জয় হোক জয় হোক জয় হোক।...নহিলে আল্লার আদেশ না মানিবে/পরকালে দোজখের অগ্নিতে জ্বলিবে/...রবে না দারিদ্র্য রবে না অসাম্য/সমান অন্ন পাবে নাগরিক গ্রাম্য/রবে না বাদশা রাজা জমিদার মহাজন/কারও বাড়ি উৎসব কারও বাড়ি অনশন।’

লক্ষণীয় এই যে, এ কবিতায় ধনীদের তিনি শ্রেণি-সংগ্রামের ভয় না দেখিয়ে দোজখের আগুনে পোড়ার ভয় দেখিয়েছেন।

‘দরিদ্র মোর পরমাত্মীয়’ কবিতায়ও সর্বহারাদের প্রতি কবি তাঁর গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু শ্রেণি-সংগ্রামের শেষে তারা জয়ী হবে—এ কথা বলেননি; বরং আল্লাহর আশ্বাসের কথা বলেছেন। ‘আল্লা আমার সহায়—আল্লা পুরাবেন মোর আশ;/গরিব ভাইরা ভয় নাই, আসে আল্লার আশ্বাস।/আসে আল্লার কাবার শির্নী, ক্ষুধার খোরাক আসে—রোজা শেষ হবে, দেখিব ঈদের চাঁদ পুন এ আকাশে। /দরিদ্র মোর নামাজ ও রোজা, আমার হজ-জাকাত; উহাদের বুকে কাবা-ঘর; মহা মিলনের আরফাত।’
‘ঈদের চাঁদ’ কবিতায়ও ঈদ উপলক্ষে নিজেদের ভাগ আদায় করে নেওয়ার জন্য চাষি, মজুর ও বিড়িওয়ালাদের আগমনের কথা বলেছেন, কিন্তু দোহাই দিয়েছেন আল্লাহ তাআলার: ‘সিঁড়িওয়ালাদের দুয়ারে এসেছে আজ/চাষা মজুর ও বিড়িওয়ালা; /মোদের হিস্‌সা আদায় করিতে ঈদে/দিল হুকুম আল্লাতালা/দ্বার খোলো সাততলা-বাড়ি-ওয়ালা, দেখো কারা দান চাহে, /মোদের প্রাপ্য নাহি দিলে যেতে নাহি দেব ঈদগাহে।’
শ্রেণি-সংগ্রামের কথা স্মরণ করিয়ে না দিয়ে তিনি আল্লাহর বিচারের কথা ‘শ্রমিক মজুর’ কবিতায়ও বলেছেন। তবে এ কবিতাটি তিনি আল্লাহর দোহাই দিয়ে শেষ করেননি; বরং সর্বহারাদের ‘শক্তি’র কথা বলেছেন। এ কবিতায় আমরা ধর্ম ও শ্রেণি-সংগ্রাম—উভয়ের কথা শুনতে পাই: ‘নহে আল্লার বিচার এ ভাই, মানুষের অবিচারে/আমাদের এই লাঞ্ছনা, আছি বঞ্চিত অধিকারে/...দেখেছি নিজের শক্তিকে, আর লাঞ্ছনা সহিব না!/যে হাত হাতুড়ি দিয়া গড়িয়াছি প্রাসাদ হর্ম্যরাজি,/সেই হাত দিয়া বিলাস-কুঞ্জ ধ্বংস করিব আজি।...গড়ার হাতুড়ি ধরেছি, এবার ভাঙার হাতুড়ি ধর।’ কবি এখানে শ্রেণি-সংগ্রাম সম্পর্কে তাঁর অভ্রান্ত সচেতনতা প্রকাশ করেছেন। তা ছাড়া, অন্যত্র তিনি এ কথাও ঘোষণা করেছেন যে, নির্যাতিতের ধর্মীয় পরিচয় নেই।
জানি না, তাহারা হিন্দু কি ক্রিশ্চান কি মুসলমান।
নির্যাতিতের জাতি নাই, জানি মোরা মজলুম ভাই।
তবে কবির দৃষ্টিভঙ্গি এ সময়ে ধর্মীয় চিন্তা দিয়ে এত প্রবলভাবে প্রভাবিত হয়েছিল যে, নির্যাতিতের কোনো ধর্মীয় পরিচয় নেই, এ কথা বলার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে তিনি আল্লাহর দোহাই দিয়েছেন:
‘এক আল্লার সৃষ্টিতে আর রহিবে না কোনো ভেদ,...
টলেছে খোদার আসন টলেছে, আল্লাহু-আকবর।...
সাত আসমান বিদারী আসিছে তাঁহার পূর্ণ ক্রোধ,
জালিমে মারিয়া করিব ন মজলুমের প্রাপ্য শোধ।’
তিনি অবশ্য নিজের সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করেছেন ‘কেন আপনারে হানি হেলা’ কবিতায়। নিজের সৃষ্টি সর্বহারাদের জন্য নয় বলে তিনি এ কবিতায় অনুশোচনাও প্রকাশ করেছেন।
‘মোর বাণী ছিল রসলোকের আল্লার বাণী শুনিনু এই,
বিলাসের নেশা গেল টুটে জেগে দেখি আর সে আমি নেই।...
জমিদার মহাজনপাড়ায় মেয়ের বিয়েতে বাজে সানাই
ইহাদের ঘরে বার্লি নাই ওদের গোয়ালে দুধেল গাই।
আগুন লাগুক রসলোকে, কত দূরে সেথা কারা থাকে?...
মুক্তি চাহি না, চাহি না যশ, ভিক্ষার ঝুলি চাহি আমি,
এদের লাগিয়া মাগিব ভিখ, দ্বারে দ্বারে কেঁদে দিবাযামী।’
ভিক্ষা এবং দ্বারে দ্বারে কান্নার কথা বলে এ কবিতায় নজরুল আরও একবার প্রমাণ করেন, তিনি শ্রমিকশ্রেণির প্রতি আন্তরিকভাবে দরদি হলেও তিনি নিজে শ্রমিকশ্রেণির সদস্য নন, তিনি মধ্যবিত্ত। কিন্তু এ কবিতার অল্পকাল পরে চিয়াংকাইশেকের আগমন উপলক্ষে ১৯৪২ সালের প্রথম দিকে তিনি যে গানটি গ্রামোফোন কোম্পানির ফরমাশে রচনা করেন, তাতে তিনি শ্রমিকশ্রেণির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন: ‘হইব সর্বজয়ী আমরাই সর্বহারার দল/সুন্দর হবে, শান্তি লভিবে নিপীড়িত ধরাতল।’ মোট কথা, একুশ-বাইশ বছরজুড়ে বিস্তৃত তাঁর কবিজীবনের প্রথম ছয়-সাত বছর পর্যন্ত তিনি যতটা শোষিত মানুষের জন্য আন্তরিক সহানুভূতি দেখিয়েছেন, পরবর্তী প্রায় বছর পনেরো সেখান থেকে অনেক দূরে সরে গিয়েছিলেন। তারপর আলো নেভার ঠিক আগে, শেষের আট-নয় মাস—তিনি আবার নিঃস্বদের জন্য তাঁর সমমর্মিতা প্রকাশ করেন। এবারে সেই সহানুভূতির সঙ্গে বাড়তি যা দেন, তা হলো সৃষ্টিকর্তার দোহাই।
খেয়াল করলে দেখা যায়, শোষিত মানুষের প্রতি সচেতনতা দেখালেও দেশের রাজনীতির প্রতি তাঁর সচেতনতা তত দিনে প্রায় লোপ পেয়েছিল। যে নজরুল একদা রাজনৈতিক কবিতা লিখে বিস্ময়ে অভিভূত পাঠক-সমাজের হৃদয় জয় করেছিলেন এবং তাঁদের মনে সাহস ও আশাবাদ জুগিয়েছিলেন, ১৯২৬ সালের পর থেকে সেই নজরুল রাজনীতির অঙ্গন থেকে যোজন-যোজন দূরে সরে যান—সে রাজনীতি দেশীয় হোক, অথবা আন্তর্জাতিক। রাজনীতিক নন, কবি হয়েও বঙ্গদেশের তাবৎ রাজনীতিকের আগে তিনি লিখিতভাবে ভারতবর্ষের পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি জানিয়েছিলেন, ১৯২২ সালে। তারপর ১৯২৬ সালের শেষ অবধি রাজনীতির প্রতি তাঁর আন্তরিক আগ্রহ বজায় ছিল। সেই আগ্রহ লোপ পেল নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর (নভেম্বর ১৯২৬)। কিন্তু সে কি নির্বাচনে হেরে যাওয়ার দরুন, নাকি রাজনীতির সত্যিকার চেহারা বুঝতে পারার কারণে, তা সঠিক বলা মুশকিল। এ সময়ে তিনি যে কেবল কংগ্রেসি রাজনীতি থেকে দূরে সরে গেলেন তা-ই নয়, সর্বহারাদের রাজনীতি থেকেও ছিটকে পড়লেন।
১৯২৫ সালের পয়লা নভেম্বর তারিখে তাঁরই স্বাক্ষরে যে লেবার স্বরাজ গঠিত হয়েছিল কৃষক-শ্রমিকদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে, বছর তিনের মধ্যে তিনি সেই দলের বার্ষিক সম্মেলনে পর্যন্ত অনুপস্থিত থাকেন। সব শেষবার তাঁকে বামপন্থীদের সম্মেলনে যোগ দিতে দেখি ১৯২৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। ২৩ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত সেই সম্মেলনে তিনি গান পরিবেশন করেছিলেন। অনুষ্ঠানের পরের দিন সম্মেলনের সভাপতি মুজফ্ফর আহ্‌মেদ কলকাতায় ফিরে যান। আর নজরুল কদিনের জন্য কুষ্টিয়াতেই থেকে যান। অতঃপর মুজফ্ফর আহ্‌মেদ দীর্ঘদিনের জন্য গ্রেপ্তার হন। আর নজরুল যাত্রা করেন কেবল বামপন্থী রাজনীতির জগৎ থেকে নয়, সার্বিকভাবে রাজনীতির জগৎ থেকেই অন্তহীন দূরে—গানের জগতের উদ্দেশে। তারপর রাজনীতি নয়, স্বাধীনতা আন্দোলন নয়, তিনি এক ধর্ম-সম্পৃক্ত সাম্যবাদী চিন্তা-জগতে ফিরে যান অসুস্থ হওয়ার স্বল্পকাল আগে।

তিন দিনের জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত উৎসব শুরু
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীর শাহবাগের সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগারের (কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি) শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে শুরু হয়েছে তিন দিনের জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত উৎসব। ৩০তম বারের মতো এ উৎসবের আয়োজন করেছে জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা।
এবারের উৎসব সাজানো হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উৎসব-পার্বণ, প্রেম-পূজা-প্রকৃতি-স্বদেশ পর্যায়ের গান নিয়ে। প্রথম দিনের অধিবেশন সাজানো হয় পূজা, প্রেম, প্রকৃতি ও স্বদেশ পর্যায়ের গান দিয়ে। এতে দলীয় ও একক পরিবেশনায় অংশ নেয় ১২০ জন শিল্পী। একক গান পরিবেশন করেন ৩০ জন।
সন্ধ্যায় শাহবাগের সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগারের মুক্তাঙ্গনে উৎসবের উদ্বোধন করেন কথাশিল্পী অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। এ সময় সংগঠনের সভাপতি তপন মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজেদ আকবর উপস্থিত ছিলেন। গানের মূল পর্ব শুরু হয় মিলনায়তনে পর পর তিনটি সমবেত গানের মধ্য দিয়ে। এরপর আলোচনায় অংশ নেন অতিথিরা।
একক গানের পর্বে উত্তম কুমার শর্মা, লিটন কুমার বৈদ্য, মতিউর রহমান, দিলিপ কুমার দাস, নির্ঝর, মৃদুল চক্রবর্তী, আবদুল রশিদ, স্বপ্নীল সজীব, রানা সিংহা, সুচিত্রা চক্রবর্তী, শর্মিলা চক্রবর্তী, নিলোত্পল সাধ্য, অভীক দেব, ফারহানা খান খান পূরবী, আশিকুর রহমান, মেহেরা মোস্তফা নীপা, শিল্পী রায়, শর্মিষ্ঠা সরকার, নকুল চন্দ্র দাস, সুস্মিতা মন্ডল, রীতা মুসা, আঁখি হালদার. ওয়াহিদা রহমান, রাইয়ান খালিদ স্যান্ড্রা, সালমা সাবেরা মিতু প্রমুখ একক গান পরিবেশন করেন।
উৎসবের দ্বিতীয় দিন আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় লাইব্রেরি প্রাঙ্গণ থেকে বের হবে আনন্দ শোভাযাত্রা। এর পর মূল মঞ্চে অনুষ্ঠানের সূচনা হবে পর পর দুইটি গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। এই পর্বে পরিবেশন করা হবে আবৃত্তি ও গান। উৎসবের সমাপনী দিন কাল শনিবার বিকেল ৫টায় সম্মাননা দেওয়া হবে প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হককে।

এসএসসির পর অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট: বিশ্বায়নের যুগে আন্তর্জাতিক পেশায় আসতে এদেশে অসংখ্য শিক্ষার্থীর স্বপ্ন এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ার হবার। কিন্তু এর জন্যে কি করতে হবে, কোথায় পড়তে হবে তা অনেকেরই জানা নেই। আনন্দের বিষয় এদেশ থেকেই এএমই লাইসেন্স পাবার সুযোগ রয়েছে। আর এই সুযোগটি করে দিচ্ছে ক্যাটেক। আকাশ পথ বা অ্যাভিয়েশন এমনই একটি সেক্টর যেখানে কর্মই প্রার্থীকে খোঁজে। আর বাংলাদেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত এই প্রথম বিবিএ (অনার্স) ইন অ্যাভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট ও বিএসসি (অনার্স) ইন অ্যারোনটিক্যাল এবং অ্যাভিয়েশন সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু করেছে ক্যাটেক। এই ডিগ্রির আরো কিছু নাম আছে যেমন এরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ার, উড়োজাহাজ প্রকৌশলী প্রভৃতি। 

দীর্ঘ মেয়াদী এবং স্বল্প সময়েও কোর্সটি করা যায়। এক্ষেত্রে শ্যানন এরোস্পেসের অধীনে ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে ইএএসএ কমন মডেউলে থিউরিটিক্যাল সম্পন্ন করে প্রাকটিক্যাল শিক্ষার জন্যে চলে যেতে পারে আয়ারল্যান্ডের শ্যানন এয়ারপোর্টে। থিউরিটিক্যাল শিক্ষার মধ্যে রয়েছে ম্যাথ, পিজিক্স, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রোনিক্স ফান্ডামেন্টাল, মেইনটেনেন্স প্রাকটিস, ম্যাটারিয়ালস এন্ড হার্ডওয়ার, ডিজিটাল টেকনিকস, বেসিক এরোডায়নামিকস, হিউম্যান ফ্যাকটোর, এভিয়েশন লেজিজলেশন। প্রাকটিক্যাল টাইমে শ্যানন এরোস্পেস-এ প্রতি স্টুডেন্ট সার্টিফিকেট পাবার আগ পর্যন্ত মাসে ৫’শ ডলার করে সম্মানী পাবার সুযোগ রয়েছে। আর সার্টিফিকেট পাবার পর শুরুতেই তার বেতন হয়ে যায় ২০০০ ইউরো: সাথে আন্তর্জাতিক ধারার সুযোগ সুবিধা। এসএসসি/এইচএসসি, এ-লেভেল/ও-লেভেল সম্পন্নকারীরা এই কোর্সটি করতে পারবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যায় ছাড়াও চার বছরে সর্বসমাদৃত ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষা বোর্ড বিটেক এডেক্সেলের অধীনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই অনার্স ডিগ্রি অর্জন করার সুযোগ রয়েছে। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ০১৯২৬৯৬৩৬৫৩ নম্বরে।
এই কলেজে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য শিক্ষার্থী পড়তে আসে। একেক জনের একেক ধরনের মতাদর্শ। যেমন নোয়াখালী থেকে পড়তে আসা ইসরাত বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই মনে স্বপ্ন ছিল এয়ারলাইন্সে কাজ করার। তাই এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করছি।’ রিজেন্ট এয়ারওয়েজে কর্মরত গ্রেগরি ভিকি মনে করেন তিনি এখানে ভর্তি হওয়ার পর নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি এখন বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রথম সারির এয়ারলাইন্স-এ কাজ করছেন।

কোটা নিয়ে ঢাবি শিক্ষকের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব
                                  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কাবেরি গায়েন। কোটা নিয়ে তিনি তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। আমাদেরসময় পাঠকদের জন্য তা হুবুহু তুলে ধরা হলো।

তিনি লেখেছেন- ১. জেলা কোটা বাতিল হোক। যারা বিসিএস পর্যন্ত যান, তাঁরা প্রত্যেকেই ভালো স্কুল-কলেজের সার্টিফিকেটধারী। ২. নারীরা এতো ভালো করছেন বহুদিন থেকে যে নারীকোটা রীতিমত অপমানজনক অনেক নারীর জন্য। তবে অনগ্রসর এলাকা চিহ্নিত করে কিছু কোটা সেখানে থাকতে পারে। সর্বোচ্চ ৫%। তবে অনগ্রসর এলাকার নারীরাও যদি ভালো কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী হন তাঁদের ক্ষেত্রেও এই কোটার বিরোধী আমি। তাঁরা স্বেচ্ছায় বিসিএস ফর্ম পূরণ করার সময়ে নিজেরাই এই কোটার সুযোগ নিতে চান না মর্মে আন্ডারটেকিং দিতে পারেন।

৩. আদিবাসী কোটা থাকতে হবে আরো বহু বছর। পৃথিবীর সব দেশে আছে। ৫% থাকুক। ৪. প্রতিবন্ধী কোটা বাড়ানো হোক। ২%।

৫. মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ নিয়ে ঝামেলাটা হচ্ছে। যুদ্ধফেরত/যুদ্ধে নিহত ভ্যাটারানদের সন্তান-সন্ততি পৃথিবীর সব দেশেই বিশেষ সুবিধা পান। মুক্তিযুদ্ধে কতজন অংশগ্রহণ করেছেন, সেই মর্মে তালিকা নিশ্চয়ই আছে। সেখান থেকে প্রান্তিক মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান-সন্ততি/পৌত্র-দৌহিত্রদের সুযোগের পক্ষে আমি। সেই সংখ্যা কোনভাবেই ৩০% হবে না। এমনকি ৫% হবে কি না সন্দেহ। মুশকিল হলো, এই কোটার সুযোগ নেয়া পর্যন্ত তাঁরা পৌঁছাতে পারেন না। বরং খুব প্রতিষ্ঠিত ঘরের, ভালো স্কুল-কলেজে শিক্ষিত শ্রেণীর অনেকে ছেলেমেয়েকে নির্লজ্জভাবে পিতামহ/মাতামহের মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তি করান বিশ্ববিদ্যালয়ে/ উচ্চ শিক্ষায়তনে। ফের চাকরির সময়েও যদি এই কোটা বহাল থাকে তাহলে সেই সন্তানদের মেধা নিয়ে প্রশ্ন থাকবেই। সচ্ছল, প্রতিষ্ঠিত ঘরের ছেলে-মেয়েদের মুক্তিযোদ্ধা পিতামহ/মাতামহ কোটায় উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তিরও বিপক্ষে আমি।

আমার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব
প্রান্তিক মুক্তিযোদ্ধাদের কোন সন্তান/পৌত্র-দৌহিত্র অভাবের কারণে পড়তে না পারলে তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব রাষ্ট্র নেবে, উচ্চ শিক্ষায়তনে ভর্তির সময়ে কোটার সুযোগ পাবে কিন্তু তাদের বিসিএস কোটা থাকবে না। আর যদি ভর্তিপরীক্ষায় তারা কোটা না নেন, তবে বিসিএস পরীক্ষায় পাশ করলে তাঁদের কোটার আওতায় নেয়া হোক। যে কোন একটা কোটার সুযোগ পাবেন তাঁরা। সেই কোটা তখন সাকূল্যে ৫%-এর বেশি হবে না।

সব মিলিয়ে দাঁড়াবে তখন নারী (৫%)+ আদিবাসী (৫%)+ প্রতিবন্ধী (২%)+ মুক্তিযোদ্ধা (৫%)= ১৭% কোটা। সেটা গ্রহণযোগ্য। আস্তে আস্তে সে’সব কোটাও তুলে দেয়া হোক। আদিবাসী এবং প্রতিবন্ধী কোটা বহাল থাকবে শুধু তখন, পৃথিবীর যে কোন দেশের মত।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উপর এবং ছাত্রীদের উপর আক্রমণের নিন্দা জানাই।

সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস বর্জনের ঘোষণা
                                  

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না-আসা অবধি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস বর্জনের ঘোষণা এসেছে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে। সারাদেশে সব বিশ্ববিদ্যালয়েই ক্লাস বর্জনের ডাক এসেছে। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়। কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলা বাংলা‌দেশ সাধারণ অধিকার সংরক্ষণ প‌রিষ‌দের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

রোববার এই দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করার ঘটনায় তুলকালামের পর ঢাকা থেকে ২৪ জন এবং দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৬ জনকে আটকের অভিযোগ করে তাদের মুক্তিও দাবি করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। আজ দুপুরের মধ্যে তাদের মু‌‌ক্তি না-দিলে বিকাল তিনটা থেকে সারাদেশে বিক্ষোভের ডাকও দেয়া হয়েছে।

গতকাল শাহবাগ ও ঢাবি এলাকায় পু‌লিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে মোট ২১৭ জন আহত হয়েছে বলেও জানানো হয় আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে। এদের ম‌ধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৬২ জনের, ঢাকা বিশ্ব‌বিদ্যালয় হাসপাতালে ১৭ জনের এবং বি‌ভিন্ন হলে ৩৮ জনের চি‌কিৎসা চলছে বলে তথ্য তাদের।

গতকাল গভীর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আখতারুজ্জামানের বাসভবনে আন্দোলনকারীরা হামলা করলেও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আন্দোলনকারীদের নেতা। নুরুল ইসলামের দাবি, ভি‌সির বা‌ড়িতে হামলা আন্দোলনকারীদের কেউ করে‌নি।

গতরাতে উপাচার্যের বাসভবনে ঢুকে দুটি গাড়িতে আগুন দেয়া ছাড়াও বাসার নিচতলার বিভিন্ন কক্ষে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে শিক্ষার্থীরা। তবে এখন তাদের পক্ষ থেকে ষড়যন্ত্র খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে। নুরুল ইসলাম বলেন, যারা  শুরু  থেকে থেকেই  এই আন্দোলন‌কে বিত‌র্কিত করতে চেয়েছে তারা এই হামলা চালিয়েছে। উপাচার্যের বাসার সি‌সিটিভির ফুটেজ পরীক্ষা করার পরামর্শও দেয়া হয় সংবাদ সম্মেলনে।

ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ
                                  

কোটা সংস্কারসহ পাঁচ দফা দাবিতে ফের ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা।

সোমবার সকাল ১০টায় তারা সড়ক অবরোধ করে সেখানে অবস্থান নেন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তারা সেখানে অবস্থান করছেন। এছাড়া কোনো বিভাগে ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি বলে জানা গেছে।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- কোটা সংস্কার করে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা, কোটার শূন্য পদগুলোতে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ, চাকরি পরীক্ষায় কোটা সুবিদা একবারের বেশি নয়, কোটায় বিশেষ নিয়োগ বন্ধ এবং চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা অভিন্ন করা।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে থাকেন। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে আসে। পরে সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেয়। এতে রাস্তার দু’পাশে হঠাৎ যানযট সৃষ্টি হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলো ক্যাম্পাস ছেড়ে যায়নি বলেও জানা গেছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের রাবি শাখার সমন্বয়ক মাসুদ মোন্নাফ বলেন, দাবি অাদায় না হওয়া পর্যন্ত অামরা অান্দোলন চালিয়ে যাব। যদি সারাদিন মহাসড়ক অবরোধ করা লাগে অামরা তাই করব।

উল্লেখ্য, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে কোটা সংস্কারসহ পাঁচ দফা দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। সর্বশেষ রোববার বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৮টা এবং রাত দেড় টায় দুই দফায় মহসড়ক অবরোধ করেন রাবির বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

আল্লাহর রহমতে প্রাণে বেঁচে গেছি: ঢাবি ভিসি
                                  

প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসী বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছে, লাশের রাজনীতি করতেই এমন তাণ্ডব এবং এদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর আল্লাহর অনেক রহমত প্রাণে বেঁচে গেছি এবং আমার পরিবারের সদস্যরাও অক্ষত আছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

সোমবার (৯ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাবি ভিসি বলেন, আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা এবং লাশের রাজনীতি না হতে পারে, এজন্য জাতীয় সব বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে আমি আইনি পথ আর ধরিনি। ফলে ওই অবস্থার মধ্য দিয়ে তারা ভিতরে ঢুকে যে তাণ্ডব এই ধরণের তাণ্ডব পরিচালনা করবে এটাতো চিন্তার বাইরে। আমি ভাবছি তারা আন্দোলন করবে এবং এক পর্যায়ে চলেও যাবে। আমি বরং পুলিশকে বলেছি, তারা যেন কোনোভাবে পাবলিক লাইব্রেরী ক্রস করে দক্ষিণ দিকে না আগায়। কিন্তু ১০ মিনিটের মধ্যেই উপাচার্য ভবনের সামনে এসে তারা জড়িত হয় এবং এই তাণ্ডব পরিচালনা করে। আর কোটার বিষয়টিতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। সেইজন্য আমরা ধারণাও করিনি যে, এই ধরণের আক্রমণ এখানে হবে।

উপাচার্য বলেন, আমি উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের কোটার বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছি। শিক্ষার্থীদের বক্তব্য তাঁদের জানানো হয়েছে। এরপরও আমার বাসায় তাণ্ডব পরিচালিত হয়েছে। এটি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমাদের সবাইকে মেরে ফেলার চেষ্টা ছিল। কিছু ছাত্র আমার প্রাণ রক্ষা করেছে।

মো. আখতারুজ্জামান বলেন, হামলার ঘটনায় অনেক প্রাণহানি ঘটতে পারত। আন্দোলনরত ব্যক্তিরা ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট চেষ্টার মাধ্যমে দরজা ভেঙেছে। আমি নিজের নিরাপত্তার কথা ভুলে শিক্ষার্থীদের অবস্থা দেখার জন্য বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছিলাম। এ জন্য বেঁচে গেছি। বেডরুমে থাকলে আমি মারা যেতাম।

‘মেয়েরা পড়তে এসে খোলামেলা পোশাকে তরমুজের মতো বুক দেখায়’!
                                  

ভারতের কেরালায় মুসলিম নারীদের পোশাক নিয়ে এক অধ্যাপকের অশালীন ও কুরুচিকর মন্তব্যে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ফারুক ট্রেনিং কলেজের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর জৌহর মুনাভীর অভিযোগ তুলে বলেন, ‘মেয়েরা পড়তে এসে খোলামেলা পোশাকে তরমুজের মতো বুক দেখায়’! এ মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করে গত সোমবার প্রতিষ্ঠানের সদর দরজায় তরমুজ নিয়ে বিক্ষোভ দেখান ছাত্রছাত্রীরা। অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

মুসলিম পরিবারদের নিয়ে এক জমায়েতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জৌহর মুনাভীর বলেন, ‘মেয়েরা ঠিকমতো হিজাব পরছে না। তারা ইচ্ছে করে তাদের বুক দেখাচ্ছে। যেন তরমুজের টুকরোর প্রদর্শনী করা হয়েছে।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মন্তব্যের ভিডিয়ো ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ার পরই বিক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে কোঝিকোড়তে। এই মন্তব্যের প্রতিবাদে প্রতিষ্ঠানে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় ছাত্রীরা। কলেজের গেটের সামনে তরমুজ ফাটিয়ে চলে বিক্ষোভ। একদল সমাজকর্মী আবার সবাইকে তরমুজ বিতরণ করে প্রতিবাদ জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।

ছাত্রীদের লেগিংস পরা নিয়েও মন্তব্য করে ওই শিক্ষিকা বলেছেন, ‘এই ক্যাম্পাসের ৮০% পড়–য়াই ছাত্রী। আর বেশিরভাগই মুসলিম। তারা পর্দা পরে। তবে সেটাকে তুলে রাখে লেগিংস দেখানোর জন্য। মেয়েরা আজকাল ওড়না পরে না। কিন্তু স্কার্ফ বা শাল দিয়ে মাথা ঢেকে রাখে। মেয়েদের শরীরের যে অংশ একজন পুরুষ বা ইসলামের শিক্ষকদের আকর্ষণ করে তা হল বুক। কাজেই তা ঢেকে রাখা উচিত।’

এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করে কালীকট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদের চেয়ারপার্সন সুজা পি বলেছেন, ‘শিক্ষকদের আমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে পড়ানো উচিত, শরীরের দিকে তাকিয়ে নয়।’

আর কলেজের প্রিন্সিপালের যুক্তি, তিন মাস আগে কলেজের বাইরে ওই মন্তব্য করেছিলেন শিক্ষিকা। এখনও কোনও অভিযোগ আসেনি। কাজেই কলেজ কোনও ব্যবস্থা নিতে পারে না।


   Page 1 of 11
     শিক্ষা-সাহিত্য
সুযোগ আছে বিএসসি অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে
.............................................................................................
এ্যরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় আসতে চাইলে
.............................................................................................
৩৭তম বিসিএসে ক্যাডার হলেন ১৩১৪ জন
.............................................................................................
সিকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, গোলযোগের আশংকা
.............................................................................................
এসএসসি’র পর এভিয়েশনে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে
.............................................................................................
ভিকারুন নিসায় নিয়ম ভেঙে ২ শতাধিক শিক্ষার্থী ভর্তি
.............................................................................................
শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জবি ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল
.............................................................................................
‘শিল্পকলা পদক-২০১৭’ তুলে দেয়া হল পদক প্রাপ্তদের হাতে
.............................................................................................
নজরুলের সাম্যবাদ
.............................................................................................
তিন দিনের জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত উৎসব শুরু
.............................................................................................
এসএসসির পর অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
.............................................................................................
কোটা নিয়ে ঢাবি শিক্ষকের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব
.............................................................................................
সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস বর্জনের ঘোষণা
.............................................................................................
ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ
.............................................................................................
আল্লাহর রহমতে প্রাণে বেঁচে গেছি: ঢাবি ভিসি
.............................................................................................
‘মেয়েরা পড়তে এসে খোলামেলা পোশাকে তরমুজের মতো বুক দেখায়’!
.............................................................................................
দেশে প্রথমবারের মতো বিনামূল্যে অনলাইন মানসিক সেবা
.............................................................................................
কোটা সংস্কারের দাবি জবিতে বিক্ষোভ
.............................................................................................
পড়ালেখার পাশাপাশি কাজ
.............................................................................................
তালমা নাজিমুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের নব নির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা
.............................................................................................
চবিতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলি, আহত ৬
.............................................................................................
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: ৪র্থ বর্ষ অনার্সের ফল প্রকাশ
.............................................................................................
প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে অনলাইনে নজরদারি
.............................................................................................
শিক্ষকরা সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং করাচ্ছেন
.............................................................................................
মুন্সীগঞ্জে ৫ ছিনতাইকারী আটক
.............................................................................................
ইংরেজি পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা আগেই উত্তর
.............................................................................................
বাড়িতে মায়ের লাশ রেখে পরীক্ষা দিল সুমাইয়া ও ইভানা
.............................................................................................
অর্থ আত্মসাৎ চেষ্টার অভিযোগ কুবির দুই শিক্ষকের রিট পিটিশন খারিজ
.............................................................................................
এবার আমরণ অনশনে মাদরাসা শিক্ষকরা
.............................................................................................
ঢাবি সিনেটে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন শুরু
.............................................................................................
বিনামূল্যে বই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন
.............................................................................................
প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮, ইবতেদায়িতে ৯২.৯৪
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁসসহ নানা বিতর্ক বছরজুড়ে
.............................................................................................
অনশনের ২য় দিনে ১৫ শিক্ষক অসুস্থ : হাসপাতালে ভর্তি
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস আতঙ্কে এবার পিএসসি
.............................................................................................
ইবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি মিজান, সাধারণ সম্পাদক অলী উল্যাহ
.............................................................................................
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ
.............................................................................................
ঢাবিতে ছিনতাইকারী আটক
.............................................................................................
বিনামূল্যের বই ছাপানোর শেষ মুহূর্তেও অনিয়ম
.............................................................................................
বাংলাদেশ সফরে বিএসএফ’র স্কুল শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
জাবির সিনেট নির্বাচনে আলোচনায় ৯ সাংবাদিক
.............................................................................................
চুয়েটে পদার্থ বিজ্ঞানের আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু কাল
.............................................................................................
নন্দিত বিজয়পুর মৃৎশিল্প
.............................................................................................
আনসার সদস্যকে মারধর, নোবিপ্রবির ৪ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
.............................................................................................
খুলনায় সরকারি স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা ১৯ ও ২০ ডিসেম্বর
.............................................................................................
রোববার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে লেকহেড গ্রামার স্কুল
.............................................................................................
কর্মবিরতিতে অচল সরকারি কলেজ
.............................................................................................
জাবিতে ৩ ছাত্রীর বিরুদ্ধে ছাত্র নিপীড়নের অভিযোগ
.............................................................................................
হাসপাতালে গাফফার চৌধুরী
.............................................................................................
শাবিপ্রবিতে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক : জাকির এইচ. তালুকদার ,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : এস এইচ শিবলী ,
    [সম্পাদক মন্ডলী ]
সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ই-মেইল:dailybortomandin@gmail.com
   All Right Reserved By www.dtvbangla.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]