বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
   * ঈদে ৭ দিন বন্ধ থাকবে বুড়িমারী স্থলবন্দর   * দেশে কমেছে কোটিপতির সংখ্যা   * গাবতলীতে যাত্রী বেশি হলেই ‘বাড়তি ভাড়া আদায়’   * স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষায় গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর দাবি   * শরিকদের কোন কোন মন্ত্রণালয় দিলো বিজেপি   * একমাত্র পশুহাট পরিচালনা করবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নিজেই   * হজ পালনে সৌদির পথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী   * তীব্র গরমে নাজেহাল পশ্চিমবঙ্গবাসী   * হাসপাতালে ভর্তি কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা, যুবক গ্রেফতার   * ব্যাংক-জ্বালানি খাতের মতো রোগাক্রান্ত ফুসফুস মেরামতে বার্তা নেই  

   শিক্ষা-সাহিত্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
শুধু গণিতেই ফেল ১ লাখ ৬৬ হাজার পরীক্ষার্থী, বেশি মাদরাসা বোর্ডে

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার পাসের হার কিছুটা বাড়লেও জিপিএ-৫ কমেছে। জিপিএ-৫ কমে যাওয়া ও কিছু বোর্ডে ফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে উঠে এসেছে গণিতের খারাপ ফলাফল। পাশাপাশি কিছু বোর্ডে তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়েও শিক্ষার্থীরা খারাপ ফল করেছে। এ দুটি বিষয়ের অস্বাভাবিক ফল হওয়ায় অনেকে ফেল করেছে, আবার অনেকে জিপিএ-৫ পাওয়া থেকেও বঞ্চিত হয়েছে।

বিষয়ভিত্তিক ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাধারণ ৯টি ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে (কারিগরি বাদে) এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১৮ লাখ ৯১ হাজার ৫৯ জন। এরমধ্যে পাস করেছে ১৫ লাখ ৭২ হাজার ৪৩২ জন। অর্থাৎ, ১০টি বোর্ডে ফেল করেছে ৩ লাখ ১৮ হাজার ৬২৭ জন। এরমধ্যে শুধু গণিতে ফেল করেছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬০২ জন। অর্থাৎ, ফেল করা শিক্ষার্থীদের অর্ধেকের বেশি গণিতে অকৃতকার্য হয়েছে।

এদিকে, ৯টি সাধারণ ও মাদরাসা বোর্ডে বাংলা, ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, তথ্য ও প্রযুক্তি (আইসিটি), হিসাববিজ্ঞান, অর্থনীতিতে গড় পাসের হার ৯৬ শতাংশের ওপরে। বিপরীতে গণিতে পাসের হার ৯১ দশমিক ১৯ শতাংশ। অর্থাৎ, ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ শিক্ষার্থী শুধু গণিতে ফেল করেছে।

শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা বলছেন, গণিতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাব রয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায় থেকে গণিতের দুর্বলতা শিক্ষার্থীদের খারাপ ফলাফলের পেছনে মুখ্য কারণ।

বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে গণিতে এ বছর সবচেয়ে খারাপ ফল করেছে মাদরাসা বোর্ড। বোর্ডটিতে ১২ দশমিক ৬৪ শতাংশ শিক্ষার্থীই গণিতে ফেল করেছে। এরপর রয়েছে ঢাকা বোর্ড। এ বোর্ডে গণিতে ফেলের হার ১২ দশমিক ২৮ শতাংশ। কুমিল্লা বোর্ডে ১২ দশমিক শূন্য ০৪ শতাংশ, দিনাজপুরে ১১ দশমিক ৯০ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ডে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬ দশমিক ২৬ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৭ দশমিক ৬৩, বরিশালে ৭ দশমিক শূন্য ৪০ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থী গণিতে ফেল করেছে।

অন্যদিকে এবার গণিতে সবচেয়ে ভালো ফল করেছে যশোর বোর্ড। এ বোর্ডটিতে গণিতে পাসের হার ৯৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

গণিত ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ অন্য বিষয়গুলোতে ফেলের হার তুলনামূলক কম। এরমধ্যে বাংলায় ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ, ইংরেজিতে ৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ, পদার্থবিজ্ঞানে ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ, রসায়নে ১ দশমিক ৯০ শতাংশ, আইসিটিতে ২ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ, হিসাববিজ্ঞানে ২ দশমিক ৮৫ শতাংশ ও পৌরনীতিতে ২ দশমিক ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. সমীর কুমার ভৌমিক বলেন, সব বিষয়েই দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক প্রয়োজন। তবে গণিতের গুরুত্বটা আরও বেশি। গণিত চর্চার বিষয়। এটা মুখস্ত করার বিষয় নয়। শিক্ষার্থীরা যত বেশি গণিত চর্চা করবে, তত বেশি দক্ষ হয়ে ওঠবে। গণিতে দুর্বলতা দূর করতে অবশ্যই গণিতচর্চায় জোর দিতে হবে। এজন্য প্রশিক্ষিত ভালো শিক্ষক থাকাটা জরুরি।

গণিতে এবার সবচেয়ে ভালো ফল করা যশোর বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব বলেন, ২০২৩ সালের এইচএসসিতে যশোর বোর্ডের ফল খারাপ হয়েছিল। এরপর থেকে আমরা স্কুল-কলেজগুলোর সঙ্গে নিয়মিত বিভিন্ন সভা-সেমিনার করেছি। কেন ফল খারাপ হলো, সে বিষয়গুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছিলাম। কিছু বিষয় চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ফলস্বরূপ আমরা এবার এসএসসিতে বেশ ভালো ফল করেছি।

ফলাফলে দিক দিয়ে বোর্ডগুলোর মধ্যে তলানিতে থাকা (৭৩.৩৫ শতাংশ) সিলেট শিক্ষা বোর্ডে গণিতের পাশাপাশি পদার্থবিজ্ঞান ও আইসিটিতে খারাপ ফল করেছে শিক্ষার্থীরা। বোর্ডটিতে গণিতে গড় পাসের হার মাত্র ৮৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এছাড়া পদার্থবিজ্ঞানে গড় পাসের হার ৯৩ দশমিক ৬১ শতাংশ। আর আইসিটিতে পাসের হার ৯২ দশমিক ৯২ শতাংশ।

সিলেট বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রমা বিজয় সরকার বলেন, ‘আমার বোর্ডে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও আইসিটি বিষয়ে শিক্ষার্থীরা অস্বাভাবিক ফল করেছে, যাতে বোর্ডের গড় পাসের হার কমে গেছে। এছাড়া মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা বেশি ফেল করেছে। সার্বিক ফলাফলে এর প্রভাব পড়েছে।’

ফলাফলে পিছিয়ে থাকাদের মধ্যে কুমিল্লা বোর্ডের অবস্থান দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। এ বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৯ দশমিক ২৩ শতাংশ। সাধারণ ৯টি বোর্ডের মধ্যে কুমিল্লায় গণিতে সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছে শিক্ষার্থী। এ বোর্ডে গণিতে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ। অর্থাৎ গণিতে ফেল করেছে মোট শিক্ষার্থীর ১২ দশমিক ০৪ শতাংশ।

কুমিল্লা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল করিম বলেন, গণিতে প্রশ্ন তুলনামূলক কঠিন হওয়ার স্মরণকালের মধ্যে খারাপ ফল করেছে কুমিল্লা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা। এজন্য বোর্ডের জিপিএ-৫ কমেছে। গণিতে এত খারাপ হওয়ার কারণ খুঁজে বের করবো আমরা।

শুধু গণিতেই ফেল ১ লাখ ৬৬ হাজার পরীক্ষার্থী, বেশি মাদরাসা বোর্ডে
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার পাসের হার কিছুটা বাড়লেও জিপিএ-৫ কমেছে। জিপিএ-৫ কমে যাওয়া ও কিছু বোর্ডে ফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে উঠে এসেছে গণিতের খারাপ ফলাফল। পাশাপাশি কিছু বোর্ডে তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়েও শিক্ষার্থীরা খারাপ ফল করেছে। এ দুটি বিষয়ের অস্বাভাবিক ফল হওয়ায় অনেকে ফেল করেছে, আবার অনেকে জিপিএ-৫ পাওয়া থেকেও বঞ্চিত হয়েছে।

বিষয়ভিত্তিক ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাধারণ ৯টি ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে (কারিগরি বাদে) এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১৮ লাখ ৯১ হাজার ৫৯ জন। এরমধ্যে পাস করেছে ১৫ লাখ ৭২ হাজার ৪৩২ জন। অর্থাৎ, ১০টি বোর্ডে ফেল করেছে ৩ লাখ ১৮ হাজার ৬২৭ জন। এরমধ্যে শুধু গণিতে ফেল করেছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬০২ জন। অর্থাৎ, ফেল করা শিক্ষার্থীদের অর্ধেকের বেশি গণিতে অকৃতকার্য হয়েছে।

এদিকে, ৯টি সাধারণ ও মাদরাসা বোর্ডে বাংলা, ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, তথ্য ও প্রযুক্তি (আইসিটি), হিসাববিজ্ঞান, অর্থনীতিতে গড় পাসের হার ৯৬ শতাংশের ওপরে। বিপরীতে গণিতে পাসের হার ৯১ দশমিক ১৯ শতাংশ। অর্থাৎ, ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ শিক্ষার্থী শুধু গণিতে ফেল করেছে।

শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা বলছেন, গণিতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাব রয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায় থেকে গণিতের দুর্বলতা শিক্ষার্থীদের খারাপ ফলাফলের পেছনে মুখ্য কারণ।

বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে গণিতে এ বছর সবচেয়ে খারাপ ফল করেছে মাদরাসা বোর্ড। বোর্ডটিতে ১২ দশমিক ৬৪ শতাংশ শিক্ষার্থীই গণিতে ফেল করেছে। এরপর রয়েছে ঢাকা বোর্ড। এ বোর্ডে গণিতে ফেলের হার ১২ দশমিক ২৮ শতাংশ। কুমিল্লা বোর্ডে ১২ দশমিক শূন্য ০৪ শতাংশ, দিনাজপুরে ১১ দশমিক ৯০ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ডে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬ দশমিক ২৬ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৭ দশমিক ৬৩, বরিশালে ৭ দশমিক শূন্য ৪০ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থী গণিতে ফেল করেছে।

অন্যদিকে এবার গণিতে সবচেয়ে ভালো ফল করেছে যশোর বোর্ড। এ বোর্ডটিতে গণিতে পাসের হার ৯৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

গণিত ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ অন্য বিষয়গুলোতে ফেলের হার তুলনামূলক কম। এরমধ্যে বাংলায় ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ, ইংরেজিতে ৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ, পদার্থবিজ্ঞানে ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ, রসায়নে ১ দশমিক ৯০ শতাংশ, আইসিটিতে ২ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ, হিসাববিজ্ঞানে ২ দশমিক ৮৫ শতাংশ ও পৌরনীতিতে ২ দশমিক ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. সমীর কুমার ভৌমিক বলেন, সব বিষয়েই দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক প্রয়োজন। তবে গণিতের গুরুত্বটা আরও বেশি। গণিত চর্চার বিষয়। এটা মুখস্ত করার বিষয় নয়। শিক্ষার্থীরা যত বেশি গণিত চর্চা করবে, তত বেশি দক্ষ হয়ে ওঠবে। গণিতে দুর্বলতা দূর করতে অবশ্যই গণিতচর্চায় জোর দিতে হবে। এজন্য প্রশিক্ষিত ভালো শিক্ষক থাকাটা জরুরি।

গণিতে এবার সবচেয়ে ভালো ফল করা যশোর বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব বলেন, ২০২৩ সালের এইচএসসিতে যশোর বোর্ডের ফল খারাপ হয়েছিল। এরপর থেকে আমরা স্কুল-কলেজগুলোর সঙ্গে নিয়মিত বিভিন্ন সভা-সেমিনার করেছি। কেন ফল খারাপ হলো, সে বিষয়গুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছিলাম। কিছু বিষয় চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ফলস্বরূপ আমরা এবার এসএসসিতে বেশ ভালো ফল করেছি।

ফলাফলে দিক দিয়ে বোর্ডগুলোর মধ্যে তলানিতে থাকা (৭৩.৩৫ শতাংশ) সিলেট শিক্ষা বোর্ডে গণিতের পাশাপাশি পদার্থবিজ্ঞান ও আইসিটিতে খারাপ ফল করেছে শিক্ষার্থীরা। বোর্ডটিতে গণিতে গড় পাসের হার মাত্র ৮৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এছাড়া পদার্থবিজ্ঞানে গড় পাসের হার ৯৩ দশমিক ৬১ শতাংশ। আর আইসিটিতে পাসের হার ৯২ দশমিক ৯২ শতাংশ।

সিলেট বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রমা বিজয় সরকার বলেন, ‘আমার বোর্ডে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও আইসিটি বিষয়ে শিক্ষার্থীরা অস্বাভাবিক ফল করেছে, যাতে বোর্ডের গড় পাসের হার কমে গেছে। এছাড়া মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা বেশি ফেল করেছে। সার্বিক ফলাফলে এর প্রভাব পড়েছে।’

ফলাফলে পিছিয়ে থাকাদের মধ্যে কুমিল্লা বোর্ডের অবস্থান দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। এ বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৯ দশমিক ২৩ শতাংশ। সাধারণ ৯টি বোর্ডের মধ্যে কুমিল্লায় গণিতে সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছে শিক্ষার্থী। এ বোর্ডে গণিতে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ। অর্থাৎ গণিতে ফেল করেছে মোট শিক্ষার্থীর ১২ দশমিক ০৪ শতাংশ।

কুমিল্লা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল করিম বলেন, গণিতে প্রশ্ন তুলনামূলক কঠিন হওয়ার স্মরণকালের মধ্যে খারাপ ফল করেছে কুমিল্লা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা। এজন্য বোর্ডের জিপিএ-৫ কমেছে। গণিতে এত খারাপ হওয়ার কারণ খুঁজে বের করবো আমরা।

প্রাথমিকে মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিক রুটিনে ক্লাস
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গত কয়েকদিন সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন সময়সূচিতে পাঠদান চলছিল। গরম কমে আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় বিদ্যালয়ও ফিরছে স্বাভাবিক সময়সূচিতে। মঙ্গলবার (৭ মে) থেকে শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী আগের সময়সূচিতে পুরোদমে চালু হচ্ছে ক্লাস।

সোমবার (৬ মে) বিকেলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিনের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার থেকে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর লার্নিং সেন্টারে শ্রেণি কার্যক্রমসহ সব কার্যক্রম ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী চলবে।

বছরের শুরুতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর যে বর্ষপঞ্জি প্রকাশ করেছিল, সে অনুযায়ী- এক শিফটের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু হবে সকাল ৯টায়, চলবে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত। দুই শিফটের বিদ্যালয়ে প্রথম শিফট শুরু হবে সকাল ৯টায়, শেষ হবে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে। দ্বিতীয় শিফটে ক্লাস চলবে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত।

তবে ঢাকা মহানগরীর জন্য পরিপত্র অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সূচি প্রযোজ্য হবে। অন্যদিকে প্রাক-প্রাথমিকের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা সময়সূচি নির্ধারণ করবেন।

আজ সারাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে কয়েক দফা ছুটি ঘোষণার পর আজ রোববার (৫ মে) থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুরোদমে ক্লাস চলবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গতকাল শনিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়েরের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাঠদানে বেশকিছু শর্ত মানতে হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে গত ২৫ এপ্রিল প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনের শর্তাদি পালন সাপেক্ষে রোববার থেকে দেশের সব মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

২৫ এপ্রিলের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির ধারাবাহিকতায় তাপপ্রবাহের কারণে গত ২০ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ঘোষিত ছুটি শেষ হওয়ার পর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হলো।

গরম-শীত-বন্যায় স্কুল ছুটি দেবে বিশেষ কমিটি, নীতিমালা শিগগির
প্রয়োজনে শুক্রবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
এতে আরও বলা হয়, তাপপ্রবাহ সহনীয় পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত অ্যাসেম্বলি বন্ধ থাকবে। শ্রেণি কার্যক্রমের যে অংশটুকু শ্রেণিকক্ষের বাইরে পরিচালিত হয়ে থাকে এবং সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসতে হয়, সেসব কার্যক্রম সীমিত থাকবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তাপপ্রবাহ ও অন্যান্য কারণে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকার ফলে যে শিখন ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা পূরণ এবং নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী শিখন ফল অর্জনের জন্য পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত শনিবারও শ্রেণি কার্যক্রম চলবে।

আজ রোববার থেকে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়েও যথারীতি ক্লাস চলবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের দেওয়া শর্তগুলো মেনে প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা করতে হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, এক শিফটে পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলবে। দুই শিফটে পরিচালিত বিদ্যালয়ে প্রথম শিফট সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা এবং দ্বিতীয় শিফট সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলবে। এছাড়া তাপপ্রবাহ সহনীয় পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত অ্যাসেম্বলি বন্ধ থাকবে।

‘সন্তানের ক্ষতি হলে সরকার তো দায় নেবে না, স্কুলও দেখবে না’
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

ছেলেকে নিয়ে নতুনবাজার থেকে বাসে করে স্কুলে এলাম। রামপুরা এলেই বাসের হেলপার জানালা বন্ধ করে দিয়ে বললো, আপা, অবরোধ চলছে। হঠাৎ কেউ এসে আগুন দিতে পারে। এ কথা শুনে ছেলেটা ভয়ে আমার কোলের ভেতর মাথা দিয়ে দিলো। পুরোটা পথ এভাবেই আসছি। এগুলো-তো কেউ দেখবে না। আমার সন্তানের ক্ষতি হলে আমারই যাবে। সরকারও দায় নেবে না, স্কুলের লোকজনও দেখবে না।

কথাগুলো বলছিলেন মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অভিভাবক নাসরিন সুলতানা। তার একমাত্র ছেলে শোয়াইব হোসেন আইডিয়াল স্কুলের বনশ্রী শাখার ইংরেজি ভার্সনের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র।

রোববার (৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় ছেলেকে স্কুলে ঢোকাতে প্রধান ফটকে দাঁড়িয়ে এভাবেই অবরোধে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় সন্তানকে নিয়ে স্কুলে আসার অভিজ্ঞতা জানাচ্ছিলেন নাসরিন সুলতানা।

তার পাশেই সন্তানকে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন সিরাজুম মুনিরা। তার মেয়ে আইডিয়াল স্কুলের ইংরেজি ভার্সনের দিবা শাখায় চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। সিরাজুম মুনিরা জাগো নিউজকে বলেন, এমন একটা সময়, বাচ্চাকে স্কুলে না আনলেও অনেক পিছিয়ে যাবে। রিভিশন চলছে। কেমন প্রশ্ন হবে সেটাও এখন স্কুলে না এলে বুঝতে পারবে না।

তিনি বলেন, আমরা ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকা থেকে আসি। রাস্তাটা নির্জন। শুনেছি মাঝেমধ্যে হঠাৎ ওই এলাকায় অবরোধকারীরা বাসে ভাঙচুর চালায়। হঠাৎ কয়েকজন এসে ভাঙচুর চালিয়ে চলে যায়। পুলিশ-তো আর সব জায়গায় থাকে না। বাচ্চারা এগুলো দেখলে, শুনলেই ভীতিতে পড়ে যাবে। তখন আর স্কুলে আসতে চাইবে না।

এদিকে দ্বিতীয় দফায় বিএনপির অবরোধের প্রথমদিনে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম। তৃতীয় শ্রেণির ঝ শাখায় মোট শিক্ষার্থী ৭০ জন। আজ (রোববার) ক্লাসে এসেছে মাত্র ২৬ জন। দ্বিতীয় শ্রেণির আরেকটি শাখায় ৭১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ক্লাসে এসেছে ২৯ জন। প্রভাতি শাখার অধিকাংশ শাখায় উপস্থিতি অর্ধেকের কম।

তবে ক্লাসে কম উপস্থিতি নিয়ে স্কুলটির কোনো শিক্ষক কথা বলতে রাজি হননি। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, আজ এখন পর্যন্ত কেমন উপস্থিতি, তার হিসাব আমি এখনো জানি না। আগে হিসাবটা দেখি। তারপর বলা যাবে।

তবে ভিকারুননিসার প্রধান শাখা এবং বসুন্ধরা শাখায় খোঁজ নিয়ে ছাত্রীদের প্রায় স্বাভাবিক উপস্থিতির তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি, মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রামপুরা একরামুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয়, সপ্তবর্ণ বিদ্যানিকেতনসহ ৮/১০টি স্কুলে খোঁজ নিয়ে ‘ভালো’ উপস্থিতির তথ্য জানা গেছে।

তবে অভিভাবকরা বলছেন তারা বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়েই সন্তানদের স্কুলে নিয়ে আসছেন। উলন রোডের সপ্তবর্ণ বিদ্যানিকেতনে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী আজিম হোসেনের মা রুকাইয়া পারভীন বলেন, আগের দফায় হরতাল-আবরোধে বাচ্চাকে স্কুলে আসতে দেইনি। এক সপ্তাহ স্কুল করেনি। এখন আবার অবরোধ। এভাবে কতদিন চলবে কে জানে! এজন্য আজ বাচ্চাকে স্কুলে আনলাম।

রামপুরা একরামুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আকরাম খান জাগো নিউজকে বলেন, গত সপ্তাহে হরতাল-অবরোধে স্কুলে উপস্থিতি কিছুটা কম ছিল। এ সপ্তাহের শুরুতে আজ আবার অবরোধ। তবে আজকে আমাদের উপস্থিতি ভালো। ৮০/৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী সব ক্লাসে উপস্থিত রয়েছে।

অন্যদিকে বিএনপি-জামায়াত ও সমমনা দলগুলোর অবরোধে কিন্ডারগার্টেনগুলোতে কোনো প্রভাব পড়েনি। সীমিত শিক্ষার্থী হওয়ায় উপস্থিতিও ভালো। কিন্ডারগার্টেন স্কুলে আনা-নেওয়ার জন্য অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া বাসার আশপাশের কিন্ডারগার্টেনে শিশুদের ভর্তি করে থাকেন অভিভাবকরা। ফলে বাসা থেকে কাছে হওয়ায় নিয়মিত সন্তানদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন তারা।

বর্ণমালা আদর্শ বিদ্যাপিঠের প্রিন্সিপাল জোসনা রাণী মল্লিক জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের ছাত্র-ছাত্রী কম। প্রতি ক্লাসে আমরা নির্দিষ্ট সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করি। আশপাশে যারা থাকেন তারাই বেশি এখানে। ওদের আসা-যাওয়ায় কোনো সমস্যা হয় না।

তিনি বলেন, আজ আমাদের চতুর্থ শ্রেণিতে ১৬ জন শিক্ষার্থীর সবাই উপস্থিত। তৃতীয় শ্রেণিতে ৭ জনের মধ্যে ৬ জন এসেছে। আরেকজন অসুস্থ। এভাবে সব ক্লাসেই প্রায় শতভাগ উপস্থিতি রয়েছে। আবরোধ বলেন, আর হরতাল বলেন, আমাদের এখানে এগুলোর প্রভাব নেই।

নতুন শিক্ষাক্রমের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছেন ‘ভুয়া অভিভাবকরা’
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক :

নতুন শিক্ষাক্রম সংশোধন করে পরীক্ষা পদ্ধতি বহালসহ বিভিন্ন দাবিতে যারা মানববন্ধন করছেন, তারা প্রকৃত অভিভাবক নয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা এ তথ্য দিয়েছেন।

সোমবার (২৩ অক্টোবর) রাতে ‘নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে সমস্যা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এ বৈঠক হয়। এতে ঢাকা অঞ্চলের ১১ জেলার ৪৫৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক অংশ নেন। পর্যায়ে সব অঞ্চলের শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মন্ত্রী।

প্রথম দফায় ঢাকা অঞ্চলের শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে উপস্থিত অন্তত পাঁচজন প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেছেন এ প্রতিবেদক। তারা জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে অপপ্রচার রুখতে শিক্ষকদের ভূমিকা রাখার নির্দেশনা দেন। যেসব অভিভাবক ও শিক্ষার্থী আন্দোলনে নেমেছে, তাদের ডেকে শিক্ষাক্রম সম্পর্কে ধারণা দিতে বলেছেন। পাশাপাশি তিনি স্কুলে স্কুলে দ্রুত অভিভাবক সমাবেশ করে শিক্ষাক্রম বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা দেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন।

মন্ত্রী আরও জানান, শিগগির স্কুলগুলোতে সামষ্টিক মূল্যায়ন নির্দেশিকা যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের তথ্য সংগ্রহে নভেম্বরে একটি অ্যাপ চালু করা হবে। নতুন শিক্ষাক্রমের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় ভর্তিও নতুন পদ্ধতি অনুসরণ করে হবে । এটাও অভিভাবকদের জানাতে বলেছেন দীপু মনি।

বৈঠকে ঢাকার যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে মানববন্ধন হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক বা সহকারী প্রধান শিক্ষকরা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন। তারা শিক্ষামন্ত্রীকে জানান, মানববন্ধন বা সমাবেশে যারা আসছেন, তাদের অনেকে কোচিং ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত। বয়সে তরুণ প্রাইভেট-কোচিং চালানো অনেক শিক্ষার্থীকেও মানববন্ধনে দেখা গেছে। তাদের উসকানিতে কিছু অভিভাবক না বুঝে আন্দোলনে আসছেন। যারা আসছেন অধিকাংশই প্রকৃত অভিভাবক নন।

পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকরা নতুন শিক্ষাক্রম বিষয়ে শিক্ষকদের আরও বেশি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান। সুপারভাইজারদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কমিয়ে সরাসরি পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণে জোর দেওয়ারও আহ্বান জানান শিক্ষকরা।

মিরপুর মডেল একাডেমির প্রধান শিক্ষক শুভাশীষ কুমার বিশ্বাস এ বৈঠকে অংশ নেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নতুন শিক্ষাক্রম যুগান্তকারী একটি শিক্ষাক্রম। এটি নিয়ে নানা অপপ্রচার চলছে। এ অপপ্রচার রুখতে শিক্ষকদের কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।’

ভার্চুয়াল এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ। সঞ্চালনা করেন অধিদপ্তরের কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক অধ্যাপক শাহেদুল খবির চৌধুরী।

জানতে চাইলে মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, ‘২৩ অক্টোবর রাতে একটা সভা হয়েছে। আগামীতে আরও অনেকগুলো এমন বৈঠক করা হবে। শিক্ষাক্রম নিয়ে অপপ্রচার রুখতে শিক্ষকদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষকরাও তাদের মতামত জানিয়েছেন। আরও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়েছেন। সেগুলো আমরা বিবেচনা করে বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেবো।’

এদিকে, শিক্ষাক্রম সংশোধন ও পরীক্ষা পদ্ধতি বহাল রাখাসহ বিভিন্ন দাবিতে ঢাকাসহ সারাদেশে স্কুলে স্কুলে মানববন্ধন করছেন অভিভাবকরা। শিক্ষা আন্দোলন সম্মিলিত অভিভাবক ফোরামের ব্যানারে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন স্কুলের সামনে মানববন্ধনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৬ অক্টোবর মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল (বালক ও বালিকা), ২৭ অক্টোবর চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব, ৩১ অক্টোবর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর শাখায়, ১ নভেম্বর সেন্ট জোসেফ, মোহাম্মদপুর রেসিডেন্সিয়াল স্কুল, ২ নভেম্বর মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে মানববন্ধন করা হবে।

জানতে চাইলে আন্দোলনরত অভিভাবক ফোরামের সদস্য মারজান আক্তার বলেন, ‘যারা কর্মসূচিতে আসছেন, তারা প্রত্যেকে অভিভাবক। তাদের সন্তানরা কোথায় পড়েন, কোন ক্লাসে পড়েন সেটাও জানাচ্ছেন। ভুয়া অভিভাবক বলে এখানে কেউ নেই। গাইড বা কোচিংয়ে যুক্ত কেউ এখানে উসকানি দিচ্ছেন না। আমরা চাই, এ কারিকুলামটা সংশোধন করে পরীক্ষা বহাল করা হোক। শিক্ষার্থীদের খরচ কমানো হোক।’

আবুল খায়ের গ্রুপে চাকরির সুযোগ, কর্মস্থল ঢাকা
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক :

আবুল খায়ের গ্রুপে ‘মার্কেটিং অফিসার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: আবুল খায়ের গ্রুপ
বিভাগের নাম: রেডি মিক্স কনক্রিট

পদের নাম: মার্কেটিং অফিসার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ডিপ্লোমা (সিভিল)/স্নাতক
অভিজ্ঞতা: ০১ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: সর্বনিম্ন ২৫ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২৭ অক্টোবর ২০২৩

সূত্র: বিডিজবস ডটকম

দেশসেরা প্রধান শিক্ষক শাহনাজ কবীর আর নেইশাহনাজ কবীর
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক :

কিশোরগঞ্জ: কিশোরগঞ্জের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরযূ বালা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের (এস ভি) দেশসেরা প্রধান শিক্ষক শাহনাজ কবীর ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

রোববার (০১ অক্টোবর) দুপুর ১টা ২০ মিনিটে ভারতের মুম্বাইয়ের একটি ক্যানসার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। তার স্বামী ড. রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের একজন বিসিএস কর্মকর্তা। তিনি দুই কন্যা সন্তানের জননী।

তার মৃত্যুতে শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণীপেশার মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন।

এক নজরে শাহনাজ কবীর:

মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেশের সেরা ‘প্রধান শিক্ষক’ নির্বাচিত হয়েছিলেন কিশোরগঞ্জ শহরের সরযূ বালা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের (এস ভি) প্রধান শিক্ষক শাহনাজ কবীর।

‘জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯’ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাকে দেশের সেরা ‘প্রধান শিক্ষক’ নির্বাচিত করে।

এর আগে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৯ এ শাহনাজ কবীর প্রথমে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পর্যায়ে ও পরে কিশোরগঞ্জ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হন। পরে ময়মনসিংহ অঞ্চলের সেরা প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়ে তিনি জাতীয় পর্যায়ের বাছাইয়ে নাম লেখান।

২০১৯ সালের ২৬ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশসেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান-‘প্রধান শিক্ষক’ হিসেবে সরযূ বালা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (এস ভি) এর প্রধান শিক্ষক শাহনাজ কবীরকে পুরস্কৃত করা হয়।

১৯৭০ সালের ১৮ মার্চ হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার কুমড়ি-দুর্গাপুর গ্রামে শাহনাজ কবীর জন্মগ্রহণ করেন। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামছুল কবীর ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা। মাতা সুফিয়া কবীর গৃহিণী।

মেধাবী শাহনাজ কবীর মুন্সিগঞ্জ এভি জেএম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৮৬ সালে প্রথম বিভাগে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি পাস করেন। কিশোরগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ১৯৮৮ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ঢাকার লালমাটিয়া মহিলা কলেজ থেকে ১৯৯০ সালে বিএ এবং আনন্দমোহন সরকারি কলেজ থেকে ১৯৯২ সালে এমএ পাস করেন তিনি। এরপর ১৯৯৩-৯৪ সালে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (মহিলা) ময়মনসিংহ থেকে বিএড প্রশিক্ষণে প্রথম শ্রেণি লাভ করেন। ১৯৯৪-৯৫ শিক্ষাবর্ষে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ময়মনসিংহ থেকে এমএড প্রশিক্ষণেও প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন।

১৯৯৭ সালে ঐতিহ্যবাহী নোয়াখালী জিলা স্কুলে ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে শাহনাজ কবীরের বর্ণাঢ্য শিক্ষকতা জীবনের শুরু হয়। এরপর তিনি ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্কুলে সহকারী শিক্ষিকা (ইংরেজি) পদে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৩ সালের পিএসসি (বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন) এর মাধ্যমে সরাসরি সহকারী প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হন শাহনাজ কবীর।

২০০৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। এরপর ২০০৬ সালের ৬ মার্চ তিনি কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহ্যবাহী সরযূ বালা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে (এস ভি) সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীকালে তিনি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। পরে পদোন্নতি পেয়ে ২০১০ সালে তিনি প্রধান শিক্ষক হন। প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পাওয়ার পর ২০১২ ও ২০১৩ সালে টানা দুইবার এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফলে সরযূ বালা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (এস ভি) জেলার সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে। এরপর ২০১৫ সাল থেকে শতভাগ পাস ও সর্বাধিক জিপিএ-৫ পেয়ে কিশোরগঞ্জ জেলায় ধারাবাহিকভাবে প্রথমস্থান দখল করে আছে সরযূ বালা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (এস ভি)। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে সরযূ বালা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (এস ভি) জেলার সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

বেস্টসেলার অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১৮ লেখক
                                  


অনলাইন ডেস্ক :
ঢাকা: বাংলাদেশে অনলাইন বই বিপণনের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান রকমারি ডট কমের উদ্যোগে আয়োজিত হলো নগদ-রকমারি বইমেলা বেস্টসেলার অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ অনুষ্ঠান। ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৩ সালের মার্চ পর্যন্ত রকমারি থেকে সর্বোচ্চ বিক্রীত বইয়ের লেখকদের দেওয়া হয় এ পুরস্কার।

ফিকশন, নন ফিকশন, ধর্মীয় এবং ক্যারিয়ার ও অ্যাকাডেমিক- এ চার শাখায় রকমারিতে সর্বোচ্চ বিক্রি হওয়া বইয়ের ৪ জন লেখক ও ৪টি বইকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়া একইসঙ্গে ২১টি ক্যাটাগরির ২১ জন লেখক ও ২১টি বইকেও সম্মাননা জানানো হয় এ অনুষ্ঠানে।

শনিবার রাজধানীর খামার বাড়ি রোডে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ফিকশন বিভাগে বেস্টসেলার লেখক হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন জনপ্রিয় তরুণ তাসরিফ খান। একই বিভাগে বেস্টসেলার বই ছিল কিংবদন্তী পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত বাইশের বন্যা। নন-ফিকশন শাখায় বেস্টসেলার লেখক হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন মুহাম্মদ ইলিয়াস কাঞ্চন। নন-ফিকশন বিভাগে বেস্টসেলার বই হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে পেয়েছে আদর্শ থেকে প্রকাশিত বিজনেস ব্লুপ্রিন্ট। ধর্মীয় বিভাগে বেস্টসেলার লেখক হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন আরিফ আজাদ। একই বিভাগে বেস্টসেলার বই হয়েছে সত্যায়ন থেকে প্রকাশিত কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ। ক্যারিয়ার ও অ্যাকাডেমিক ম্যাজিক ম্যাথ বই লিখে অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন মোত্তাসিন পাহলভী। ইনফিনিটি পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত তার বইটিও একই বিভাগে বেস্টসেলার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বেস্টসেলার হয়েছেন উপন্যাসে সাদাত হোসাইন, সায়েন্স ফিকশনে মুহম্মদ জাফর ইকবাল, কমিক ও রম্যতে অন্তিক মাহমুদ, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধে আসিফ নজরুল, জীবন ইতিহাসে মহিউদ্দিন আহমদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মুহম্মদ আনোয়ার হোসেন ফকির, আত্ম-উন্নয়ন ও মোটিভেশনে প্রিতম মুজতাহিদ, বিবিধ শাখায় ড. আমিনুল ইসলাম, কুরআন ও হাদিসে জোবায়ের আল মাহমুদ, ইসলামি ইতিহাস-ঐতিহ্যে আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ, ইসলামী আদর্শ ও মতবাদে মিরাজ রহমান, ভাষা ও অভিধানে সাইফুল ইসলাম এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ভর্তি শাখায় বিজ্ঞানবিদ্যা টিম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফা জব্বার। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলা অ্যাকাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন, কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রয় সমিতির সহ-সভাপতি শ্যামল পাল, একুশে পদকপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হক এবং রকমারি ডট কমের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সোহাগ।

সমাপনী বক্তব্যে রকমারি ডট কমের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সোহাগ বলেন, ‘প্রকাশকরা এক সময় আমাদের নিয়ে হাসতেন তবে এখন তারা আমাদের তাদের বন্ধু মনে করেন। বাংলাদেশের বাইরেও ৩০টি দেশে আমরা এখন বই পাঠাচ্ছি। আগামীতে আমরা উদ্যোক্তা, প্রকাশকদের নিয়ে কাজ করতে চাই। আগামীতে ই-বুক, অডিও বুক আনবে আপনাদের প্রিয় রকমারি.কম।

মেডিকেল ভর্তির ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৯ হাজার
                                  

Online Desk(DTV BANGLA NEWS):   সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৯ হাজার ১৯৪ জন। রোববার (১২ মার্চ) দুপুর দেড়টায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বাস্থ্য অধিদফতরে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল প্রকাশ করেন। এতে দেখা যায়, এবারের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৯ হাজার ২১৭ আবেদনকারীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৯ হাজার ১৯৪ জন। পাসের হার ৩৫.৩৪ শতাংশ। স্বাস্থ্য অধিদফতরের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটে এবং এসএমএসের মাধ্যমে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল জানা যাবে। এবার এমবিবিএস কোর্সে সরকারি ও বেসরকারি ১০৮টি মেডিকেল কলেজে মোট আসন রয়েছে ১১ হাজার ১২২টি। এমবিবিএস কোর্সে গত শুক্রবার (১০ মার্চ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার সরকারি ও বেসরকারি ১০৮টি মেডিকেল কলেজে মোট আসন রয়েছে ১১ হাজার ১২২টি। সেই হিসাবে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়েছেন ১২ জন। দেশে মোট সরকারি মেডিকেল কলেজ ৩৭টি। সরকারি মেডিকেলে এমবিবিএসে চার হাজার ৩৫০টি আসন রয়েছে। মেধা কোটায় তিন হাজার ৩৮৪ জন, জেলা কোটায় ৮৪৮ জন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৮৭ জন ও উপজাতি কোটায় ৩১ জন ভর্তি হতে পারবেন। এছাড়া ৭১টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ছয় হাজার ৭৭২টি আসনের জন্য ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর মধ্যে থেকে ৩৩ হাজার ৮৬০ শিক্ষার্থী মেধা ও পছন্দের ভিত্তিতে ভর্তির জন্য বিবেচিত হবেন।

সূত্র: সময় নিউজ

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে আবেদন শুরু
                                  

Online Desk(DTV BANGLA NEWS):   সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ এবার বিভাগভিত্তিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আবেদন শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (১০ মার্চ) থেকে রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগে সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন করা যাচ্ছে। এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এ তিন বিভাগে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে এ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আবেদন করতে হবে। ওয়েবসাইটে আবেদন ফরম পূরণের বিস্তারিত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আর আবেদন করা যাবে আগামী ২৪ মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। আবেদন করতে যা যা করতে হবে: আবেদনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফি ২০০ টাকা, টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ২০ টাকাসহ মোট ২২০ টাকা টেলিটক প্রিপেইড নম্বর থেকে জমা দিতে হবে। আবেদনের জন্য যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) পাস হতে হবে। প্রার্থীদের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়স ৩২ বছর। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ আবেদনকারীর বয়স সর্বোচ্চ বয়সসীমার মধ্যে থাকলে সেইসব প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন। বেতন হবে ১৩তম গ্রেডে ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা। অনলাইনে আবেদন করতে সমস্যা হলে এই ই-মেইলে (vas.query@ teletalk.com.bd) অথবা যেকোনো টেলিটক নম্বর থেকে ১২১ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।সরকারি প্রাথমিক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৯ অনুসারে, মেধাক্রম অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীদের দিয়ে প্রথমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদ পূরণ করা হবে। মেধাতালিকার বাকি প্রার্থীদের প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়া হবে।

সূত্র: সময় নিউজ

ইবিতে ছাত্রী নির্যাতন: বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির প্রতিবেদন জমা
                                  

Online Desk(DTV BANGLA NEWS):  কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আবাসিক হলে ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে জমা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি। রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রেবা মণ্ডল ৫০০৯নং স্মারকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে ওই প্রতিবেদন জমা দেন। রেজিস্ট্রার এইচএম আলী হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগী, অভিযুক্ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও শেখ হাসিনা হলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাক্ষাৎকার এবং তথ্য-উপাত্ত নিয়ে পর্যালোচনা শেষ হয়েছে। সকাল ১০টার দিকে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রেবা মণ্ডল ৫০০৯নং স্মারকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে ওই প্রতিবেদন জমা দেন। এর আগে ছাত্রী নির্যাতনের নানা দিক খতিয়ে দেখতে শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) তথ্য-উপাত্ত নিয়ে পর্যালোচনায় বসে তদন্ত কমিটি। আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রেবা মণ্ডলের কক্ষে কমিটির সদস্যদের একত্রিত হওয়ার কথা থাকলেও, সেদিন তারা অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. দেবাশীষ শর্মার কক্ষে বসেন। পর্যালোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন তদন্ত কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. দেবাশীষ শর্মা, অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন আরা সাথী, সদস্য ও সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুর্শিদ আলম ও সদস্যসচিব একাডেমিক শাখার উপরেজিস্ট্রার আলীবদ্দীন খান। প্রসঙ্গত, দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত শারীরিক নির্যাতন করা হয় নবীন ওই ছাত্রীকে। ভুক্তভোগী ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী। সানজিদা চৌধুরী অন্তরা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, তারা ওই ছাত্রীকে মারধর করে তার বিবস্ত্র ভিডিও ধারণ করে রাখেন। ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালে ভয় পেয়ে হল ছেড়ে বাসায় চলে যান ভুক্তভোগী ছাত্রী। র‌্যাগিংয়ের নামে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তার বিচার ও নিরাপত্তা চেয়ে প্রক্টর ও ছাত্র-উপদেষ্টা দফতর বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে হল প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাখা ছাত্রলীগ পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করে। বিষয়টি হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের নির্দেশে ক্যাম্পাস ছাড়েন অভিযুক্তরা।

সূত্র: সময় নিউজ

সপ্তাহে দুদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী
                                  

Online Desk(DTV BANGLA NEWS):  শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, নতুন শিক্ষাক্রমেও সপ্তাহে দুদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এটি প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত সিদ্ধান্ত। তাছাড়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ডেও একই নিয়ম চালু রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় চাঁদপুর সার্কিট হাউজে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, অবসরজনিত কারণে কোথাও কিছু সংখ্যক শিক্ষকের সংকট তৈরি হলেও দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেই। এখন থেকে সপ্তাহে পাঁচদিন চলবে শিক্ষাক্রম। দুদিন থাকবে বন্ধ। তবে গতবছর বিদ্যুৎ সংকটের কারণে এমন ঘোষণা দিলেও এখন থেকে এটিই চালু থাকবে। এ নিয়ে নতুন করে কথা বলার কিছু নেই। সারাবিশ্বে সপ্তাহে পাঁচদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকে। কারণ, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের কিছুটা বিশ্রামেরও প্রয়োজন আছে। এদিকে, সাংবাদিকদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তোমাদের পড়াশোনার অভাব রয়েছে, পড়াশোনা করে প্রশ্ন করবে। তাছাড়া সাংবাদিকদের জন্য একটি ওরিয়েন্টেশন কোর্স চালু করার কথাও জানান তিনি। এর আগে ঢাকা থেকে সড়কপথে শিক্ষামন্ত্রী চাঁদপুর সার্কিট হাউজে পৌঁছালে জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান ও পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ এবং চাঁদপুর পৌরসভা ছাত্রলীগ কমিটির নবনির্বাচিত নেতারা ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।

সূত্র: সময় নিউজ

শ্রুতিকটু বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের গেজেট ছয় মাসের মধ্যেই: প্রতিমন্ত্রী
                                  

Online Desk(DTV BANGLA NEWS):  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেছেন, যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম শ্রুতিকটু ও নেতিবাচক, সেগুলোর নাম পরিবর্তন করে সুন্দর, রুচিশীল, শ্রুতিমধুর এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি, বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ স্থানীয় ইতিহাস, সংস্কৃতির সঙ্গে মিল রেখে রাখার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গেল বছরের ২৩ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করা হয়। ৬ মাসের মধ্যে পরিবর্তিত নামের গেজেট করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। প্রাথমিক শিক্ষার উদ্যোগ ও অর্জন নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। শিক্ষক বদলির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাইলটিং করে প্রায় ৪ লাখ শিক্ষককে দ্রুততম সময়ে বদলির জন্য গত বছরের ২২ ডিসেম্বর সংশোধিত অনলাইন বদলি নীতিমালা জারি করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে মাত্র ৭ দিনের মধ্যে অনলাইনে বদলির জন্য করা ২৫ হাজার আবেদনের বিষয়ে নিষ্পত্তিমূলক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের কার্যক্রম গ্রহণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। পাঠ্যপুস্তকের বিষয়ে তিনি বলেন, পরিমার্জিত শিক্ষাক্রম অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষায় শুধু প্রথম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক প্রণীত হয়েছে। অন্যান্য শ্রেণির পাঠ্যবই পর্যায়ক্রমে বিদ্যালয়ে দেয়া হবে। এ কারণে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ইতোমধ্যে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাক্রম ৪+ ও ৫+ কে বিবেচনা করে ২ বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা পাইলটিং হিসেবে ৩২১৪টি স্কুলে এ বছর শুরু করা হয়েছে। জাকির হোসেন আরও জানান, শিশুর বিকাশ ও খেলাভিত্তিক শিখনের ওপর ৬ দিনব্যাপি প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষকদের তৈরি করার লক্ষ্যে ৭০০ প্রশিক্ষক তৈরি করা হয়েছে। এ প্রশিক্ষণটিও মাঠ পর্যায়ের সব শিক্ষক সরাসরি ও অনলাইন পদ্ধতিতে পাবেন। এনসিটিবি এরমধ্যে এ বিষয়ে প্রাক-প্রাথমিক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ শিক্ষাক্রমের ওপর একটি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ দেশব্যাপী পরিচালনা করবে। চলতি বছরের মার্চের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ের সব শিক্ষকের পাঠ্যক্রম বিস্তরণ সংক্রান্ত এবং বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের প্রোফাইল প্রণয়ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে জানিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, এরইমধ্যে ৯ লাখ ৪৭ হাজার ৩২৭ শিক্ষার্থীর প্রোফাইল প্রণয়ন সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৪ সালের এসব কাজ শেষ হবে। এতে একক পরিচিতর (ইউআইডি) ভর্তি, পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ, হাজিরা তথ্য, মিড ডে মিল, উপবৃত্তি বিতরণ পরবর্তিতে নির্ভুল জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরিসহ সব কাজ সহায়ক হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ।

সূত্র: সময় নিউজ

এইচএসসির ফল: ১১ বোর্ডে পাসের হার ৮৫.৯৫ শতাংশ
                                  

Online Desk(DTV BANGLA NEWS):    উচ্চমাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। এ বছর ১১টি বোর্ডে পাসের হার ৮৫.৯৫ শতাংশ। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চামেলী হলে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ও বোর্ডের চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন। এ সময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল উপস্থিত ছিলেন। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৮৭.৮৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬২ হাজার ৪২১ জন; সিলেটে পাসের হার ৮১.৪০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৮৭১ জন; কুমিল্লায় পাসের হার ৯০.৭২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪ হাজার ৯৯১ জন; বরিশালে পাসের হার ৮৬.৯৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৩৮৬ জন, দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৭৯.০৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৮৩০ জন; চট্টগ্রামে পাসের হার ৮০.৫০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ হাজার ৬৭০ জন; যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৩.৯৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮ হাজার ৭০৩ জন; রাজশাহীতে পাসের হার ৮১.৬০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ হাজার ৮৫৫ জন এবং ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার ৮০.৩২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ২৮ জন।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ৪ হাজার ৬১৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিপরীতে ১ হাজার ৫৭২টি কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯ লাখ ৬৯ হাজার ৩৩৮ জন; পাস করেছে ৮ লাখ ১৭ হাজার ২৩০ জন। মোট পাসের হার ৮৪.৩১ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৫৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র অংশ নেয় ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৫২০ জন, পাস করেছেন ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ জন, পাসের হার ৮২.১৯, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭২ হাজার ৫১৯; ছাত্রী অংশ নেয় ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৮১৮ জন, পাস করেছেন ৪ লাখ ২৭ হাজার ২৩১, পাসের হার ৮৬.৩৪, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৭ হাজার ২৩৬ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ২ হাজার ৬৮৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিপরীতে ৪৪৮টি কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯০ হাজার ২৬৬ জন; পাস করেছে ৮৩ হাজার ৫৫৩ জন; পাসের হার ৯২.৫৬ শতাংশ; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৪২৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র অংশ নেয় ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৫২০ জন, পাস করেছেন ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯, পাসের হার ৮২.১৯ শতাংশ; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭২ হাজার ৫১৯; ছাত্রী অংশ নেয় ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৮১৮ জন, পাস করেছেন ৪ লাখ ২৭ হাজার ২৩১; পাসের হার ৮৬.৩৪ শতাংশ; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৭ হাজার ২৩৬ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ হাজার ৮৩৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিপরীতে ৬৬২টি কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৮৩ জন। পাস করেছে ১ লাখ ১১ হাজার ২০৪ জন; পাসের হার ৯৪.৪১ শতাংশ; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ১০৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র অংশ নেয় ৮৫ হাজার ২৯৬ জন; পাস করেছেন ৭৯ হাজার ৭৭৪ জন; পাসের হার ৯৩.৫৩ শতাংশ; জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৮৭৮ জন; ছাত্রী অংশ নেয় ৩২ হাজার ৪৮৭ জন; পাস করেছেন ৩১ হাজার ৪৩০ জন; পাসের হার ৯৬.৭৫; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ২২৬ জন।
এ বছর সারা দেশে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৬ লাখ ২২ হাজার ৭৯৬ ছাত্র এবং ৫ লাখ ৮০ হাজার ৬১১ ছাত্রী। সারা দেশে ২ হাজার ৬৪৯টি কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা নেয়া হয়।

সূএ: সময় নিউজ

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু ৩০ এপ্রিল
                                  

Online Desk(DTV BANGLA NEWS):   চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী শুরু ৩০ এপ্রিল শুরু করা হবে বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সূত্র।
রোববার (২৯ জানুয়ারি) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। করোনার কারণে পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাসে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত কয়েক বছর থেকে ফেব্রুয়ারির শুরুতে এসএসসি ও সমমান এবং এপ্রিলের শুরুতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু করা হলেও ২০২০ সালে করোনা সংক্রমণের কারণে তা বিলম্বিত হয়।

সূএ: বাংলানিউজ

প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন স্কাউট প্রশিক্ষণ পায়: প্রধানমন্ত্রী
                                  

Online Desk(DTV BANGLA NEWS):   দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন স্কাউট প্রশিক্ষণ পায়, সে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, তাহলে (প্রশিক্ষণ দেওয়া গেলে) আমি বিশ্বাস করি, আমাদের সোনার বাংলা গড়া বা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার উপযুক্ত নাগরিক তৈরি হবে। বুধবার (২৫ জানুয়ারি) গাজীপুরের মৌচাকে ৩২তম এশিয়া প্যাসিফিক ও একাদশ জাতীয় স্কাউট জাম্বুরির সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন এসব কথা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্কাউট সম্প্রসারণের মাধ্যমে শিশু কিশোরদের আত্মনির্ভরশীল সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবো। আমি চাই, আমাদের প্রত্যেক শিক্ষার্থী এর আওতায় আসুক। এখন ২২ লাখ সদস্য আছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ লাখ সদস্য হবে। এসময় স্কাউটের কাজের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্কাউট-ই নতুন প্রজন্মকে নৈতিক ও জীবনধর্মী প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। আর তরুণদের মধ্যে আধুনিক সৃজনশীল গুণাবলী বিকশিত হয়। ফলে স্কাউট সদস্যরা সেবার মন্ত্রে দীক্ষিত হচ্ছে ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলছে। পরোপকারী হিসেবে সমাজ সেবার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখে যাচ্ছে। প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অতিমারি করোনায় তাদের আন্তরিকতা আমরা দেখতে পেয়েছি। এই স্কাউট আন্দোলন আরও ব্যাপকভাবে গড়ে উঠুক। এজন্য আমরা নানা উদ্যোগ নিয়েছি। এসময় শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখনই আমি তোমাদের মাঝে আসি, তখনই আমার মনে পড়ে আমার ছোট ভাই শেখ রাসেলকে, মাত্র ১০ বছরে যাকে ঘাতকের বুলেট কেড়ে নিয়েছে। তোমাদের মাঝেই আমি শেখ রাসেলকে খুঁজে পাই। আমি চাই, আমাদের দেশের আজকের শিশু-কিশোরদের জীবন নিরাপদ হোক, সুন্দর হোক, অর্থবহ হোক। তারা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠুক। আজকের শিশুরাই আগামী দিনে বাংলাদেশের কর্ণধার হবে। তিনি বলেন, আমি চাই, আমাদের দেশটা আরও চমৎকারভাবে গড়ে উঠুক। যেখানে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ স্থান পাবে না। সাম্প্রদায়িকতা বা সন্ত্রাসবাদ থেকে মুক্ত থাকবে। আজকের শিশু যারা বড় হবে, তারা উদার মন নিয়ে বড় হবে। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। দেশকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং গঠন করার কাজ করবে।

সূএ: জাগো নিউজ


   Page 1 of 14
     শিক্ষা-সাহিত্য
শুধু গণিতেই ফেল ১ লাখ ৬৬ হাজার পরীক্ষার্থী, বেশি মাদরাসা বোর্ডে
.............................................................................................
প্রাথমিকে মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিক রুটিনে ক্লাস
.............................................................................................
আজ সারাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা
.............................................................................................
‘সন্তানের ক্ষতি হলে সরকার তো দায় নেবে না, স্কুলও দেখবে না’
.............................................................................................
নতুন শিক্ষাক্রমের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছেন ‘ভুয়া অভিভাবকরা’
.............................................................................................
আবুল খায়ের গ্রুপে চাকরির সুযোগ, কর্মস্থল ঢাকা
.............................................................................................
দেশসেরা প্রধান শিক্ষক শাহনাজ কবীর আর নেইশাহনাজ কবীর
.............................................................................................
বেস্টসেলার অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১৮ লেখক
.............................................................................................
মেডিকেল ভর্তির ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৯ হাজার
.............................................................................................
প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে আবেদন শুরু
.............................................................................................
ইবিতে ছাত্রী নির্যাতন: বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির প্রতিবেদন জমা
.............................................................................................
সপ্তাহে দুদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
শ্রুতিকটু বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের গেজেট ছয় মাসের মধ্যেই: প্রতিমন্ত্রী
.............................................................................................
এইচএসসির ফল: ১১ বোর্ডে পাসের হার ৮৫.৯৫ শতাংশ
.............................................................................................
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু ৩০ এপ্রিল
.............................................................................................
প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন স্কাউট প্রশিক্ষণ পায়: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল, খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
এসএসসির ফল সোমবার, জানা যাবে যেভাবে
.............................................................................................
এসএসসির ফল প্রকাশ ২৮ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে
.............................................................................................
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনা
.............................................................................................
এইচএসসির প্রশ্নে সাম্প্রদায়িক ‘উসকানি’: তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি
.............................................................................................
এইচএসসির প্রশ্নে সাম্প্রদায়িক উসকানি, জড়িতদের চিহ্নিত করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এইচএসসি বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা স্থগিত
.............................................................................................
প্রশ্নফাঁসের অপচেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু
.............................................................................................
এইচএসএসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা
.............................................................................................
এক শিফট হ‌চ্ছে সব প্রাথ‌মিক বিদ্যালয়
.............................................................................................
এইচএসসি পরীক্ষা: বিএনপিকে কর্মসূচি পরিবর্তনের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
.............................................................................................
এসএসসি পরীক্ষার কক্ষ থেকে ফেসবুক লাইভ, দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার
.............................................................................................
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড স্থগিত চার বিষয়ের পরীক্ষা ১০-১৩ অক্টোবর
.............................................................................................
চার বিষয়ের এসএসসি পরীক্ষা স্থগিতের খবরে শিক্ষার্থীদের কান্না
.............................................................................................
দিনাজপুর বোর্ডের এসএসসির চার পরীক্ষা স্থগিত
.............................................................................................
যশোর শিক্ষা বোর্ড স্থগিত এমসিকিউ পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ
.............................................................................................
যশোর শিক্ষাবোর্ডে কমেছে এসএসসি পরীক্ষার্থী
.............................................................................................
শিক্ষার্থীরা অনলাইনে অধিকাংশ সময় নষ্ট করছে: পরিকল্পনামন্ত্রী
.............................................................................................
রাজনৈতিক দলগুলো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ঝুঁকছে কেন?
.............................................................................................
ডিপ্লোমা কোর্স ৪ বছরে টেনে নেওয়ার কোনো মানে হয় না: দীপু মনি
.............................................................................................
ঘষে-মেজে পাস নয় দক্ষ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
শিক্ষামন্ত্রী বললেন, আমি লজ্জিত ও বিব্রত
.............................................................................................
রুটিন চূড়ান্ত হলে ১৩ দিনে শেষ হবে এসএসসি পরীক্ষা
.............................................................................................
এসএসসি পরীক্ষা কবে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
করোনার ঊর্ধ্বগতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
এমপিওভুক্ত হলো ২৭১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
.............................................................................................
এসএসসিতে পরীক্ষার্থী কমেছে ২ লাখ
.............................................................................................
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন: এসএসসির ইংরেজি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন
.............................................................................................
১৫ জুন থেকে তিন সপ্তাহ কোচিং সেন্টার বন্ধ
.............................................................................................
এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি
.............................................................................................
সুযোগ আছে বিএসসি অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে
.............................................................................................
এ্যরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় আসতে চাইলে
.............................................................................................
৩৭তম বিসিএসে ক্যাডার হলেন ১৩১৪ জন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
চেয়ারম্যান: এস.এইচ. শিবলী ।
সম্পাদক, প্রকাশক: জাকির এইচ. তালুকদার ।
হেড অফিস: ২ আরকে মিশন রোড, ঢাকা ১২০৩ ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বাড়ি নং ২, রোড নং ৩, সাদেক হোসেন খোকা রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা ১০০০ ।
ফোন: 01558011275, 02-৪৭১২২৮২৯, ই-মেইল: dtvbanglahr@gmail.com
   All Right Reserved By www.dtvbangla.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop    
Dynamic SOlution IT Dynamic POS | Super Shop | Dealer Ship | Show Room Software | Trading Software | Inventory Management Software Computer | Mobile | Electronics Item Software Accounts,HR & Payroll Software Hospital | Clinic Management Software Dynamic Scale BD Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale Digital Load Cell Digital Indicator Digital Score Board Junction Box | Chequer Plate | Girder Digital Scale | Digital Floor Scale