| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
   * সুযোগ আছে বিএসসি অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে   * উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী ....ড. এফ এইচ আনসারী   * সবার মতামত নিয়েই গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় ব্যবস্থা :প্রধানমন্ত্রী   * ডুবোচরে আটকে আছে ১৫টি মালবাহী জাহাজ   * নিম্নকক্ষে নিয়ন্ত্রণ হারালেন ট্রাম্প   * শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব ---ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা   * আমার সংসার টিকে আছে এইতো বেশি   * গোপালগঞ্জে মোবাইলে প্রেমের ফাঁদ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার   * সাটুরিয়ায় দলিল হাতে ঘুরছে ভূমিহীন ২০ পরিবার   * এ্যরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় আসতে চাইলে  

   অপরাধ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
গোপালগঞ্জে মোবাইলে প্রেমের ফাঁদ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
গোপালগঞ্জে মোবাইলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে মুক্তিপন আদায় চক্রের নারীসহ ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, এই প্রতারক চক্র বড় ব্যবসায়ী ও চাকুরীজীদের মোবাইল ফোনে নারীদের দিয়ে প্রেম করিয়ে কৌশলে ডেকে নিয়ে আটকিয়ে অশ্লীল ভিডিও ধারন করে তা নেটে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ও তাদের মারপিট করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। কোন কোন সময় সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এ পর্যন্ত প্রায় ২০ জনের কাছ থেকে এ চক্র লাখ লাখ টাকা নিয়েছে বলে স্বীকার করেছে। আবার অনেকের রুমে গিয়ে নগ্ন হয়ে ব্লাকমেল করে অর্থ আদায় করে আসছিল। 
চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মেম্বার আনিছ গাজি ও ফোকরা গ্রামের রিপন ফকির অভিযোগে রবিবার গভীর রাতে গোপালগঞ্জ শহরের নবীনবাগ থেকে লুৎফর সিকদারের ছেলে সাইফুল সিকদার, মানিকদা গ্রামের সিরাজুল হকের ছেলে রইচ সিকদার, টুঙ্গিপাড়া উপজেলার নিলফা গ্রামের ফরিদ মোল্লার ছেলে মেম্বার কামরুল ইসলাম মোল্লা, নিলফা গ্রামের জামাল মোল্লার ছেলে সোহাগ মোল্লা ও সদর উপজেলার মেরী গোপীনাথপুর গ্রামের আ: আজিজ এর মেয়ে সায়েরা আজিজ তিথিকে গ্রেফতার করে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করা হয়। এ চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতার করতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

গোপালগঞ্জে মোবাইলে প্রেমের ফাঁদ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার
                                  

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
গোপালগঞ্জে মোবাইলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে মুক্তিপন আদায় চক্রের নারীসহ ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, এই প্রতারক চক্র বড় ব্যবসায়ী ও চাকুরীজীদের মোবাইল ফোনে নারীদের দিয়ে প্রেম করিয়ে কৌশলে ডেকে নিয়ে আটকিয়ে অশ্লীল ভিডিও ধারন করে তা নেটে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ও তাদের মারপিট করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। কোন কোন সময় সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এ পর্যন্ত প্রায় ২০ জনের কাছ থেকে এ চক্র লাখ লাখ টাকা নিয়েছে বলে স্বীকার করেছে। আবার অনেকের রুমে গিয়ে নগ্ন হয়ে ব্লাকমেল করে অর্থ আদায় করে আসছিল। 
চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মেম্বার আনিছ গাজি ও ফোকরা গ্রামের রিপন ফকির অভিযোগে রবিবার গভীর রাতে গোপালগঞ্জ শহরের নবীনবাগ থেকে লুৎফর সিকদারের ছেলে সাইফুল সিকদার, মানিকদা গ্রামের সিরাজুল হকের ছেলে রইচ সিকদার, টুঙ্গিপাড়া উপজেলার নিলফা গ্রামের ফরিদ মোল্লার ছেলে মেম্বার কামরুল ইসলাম মোল্লা, নিলফা গ্রামের জামাল মোল্লার ছেলে সোহাগ মোল্লা ও সদর উপজেলার মেরী গোপীনাথপুর গ্রামের আ: আজিজ এর মেয়ে সায়েরা আজিজ তিথিকে গ্রেফতার করে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করা হয়। এ চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতার করতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

কক্সবাজারে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২
                                  

কক্সবাজারের হিমছড়িতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুইজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।

জানা গেছে, ভোরে র‌্যাব ও বিজিবি হিমছড়িতে যৌথ তল্লাশি চৌকি বসায়। সে সময় টেকনাফ থেকে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে একটি সাদা কার আসছিল। তল্লাশি চৌকি থেকে সিগন্যাল দেয়া হলেও কারটি দ্রুতগতিতে সামনে চলে যায়। এরপর র‌্যাব-বিজিবিকে উদ্দেশ্য করে গুলি ছোড়ে। তখন পাল্টা গুলি ছোড়া হলে তাতে দু’জন আহত হয়। পরে তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।

তাদের বহনকারী গাড়ি থেকে ইয়াবা এবং আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভারতে স্ত্রীকে বাজি রেখে জুয়ায় হার, ধর্ষণের শিকার নারী
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের বালেশ্বর জেলার এক বাসিন্দা বন্ধুর সঙ্গে জুয়া খেলতে নেমেছিলেন স্ত্রীকে বাজি রেখে। সেই জুয়া খেলতে গিয়ে হেরেও যান তিনি। আর খেলার শর্ত হিসাবে স্ত্রীকে তুলে দেন জয়ী ব্যক্তির হাতে। পরে জয়ী ব্যক্তি বন্ধুর সামনেই তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন।
ধর্ষণের শিকার ওই নারী জানান, ‘‘সেদিন রাত ১১টা নাগাদ স্বামী বাড়িতে ফেরে। বলে তার সঙ্গে যেতে হবে। অত রাতে কোথায় যেতে হবে, বাচ্চারা ঘুমোচ্ছে - এসব বলেছিলাম আমি। কিন্তু স্বামী শোনে নি। কোনও জবাব না দিয়ে একরকম জোর করেই নিয়ে যায় গ্রামের বাইরে। সেখানে তার এক বন্ধু আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল।’’
ওই নারী আরো জানান, সেই ব্যক্তিকে স্বামীর বন্ধু হিসাবে তিনি ভাই বলে সম্বোধন করেন। সেই ব্যক্তি তার হাত ধরে টানছিল। অনেক মিনতি করেছিলেন নির্যাতিতা। শেষে তার স্বামীই ওই ব্যক্তির হাতে জোর করে তুলে দেয়। তারপরে স্বামীর সামনেই তাকে ধর্ষণ করে ওই ব্যক্তি, জানাচ্ছিলেন ওই নির্যাতিতা।
ঘটনাটি গত সপ্তাহের হলেও সম্প্রতি সামনে এসেছে, যখন স্থানীয় থানা অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে আর জেলার পুলিশ সুপারকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। কিন্তু ততদিনে নির্যাতিতার স্বামী এবং ধর্ষণে অভিযুক্ত- দুজনেই পলাতক।-বিবিসি বাংলা।

কল্যাণপুরে জঙ্গি অভিযান মামলার প্রতিবেদন ১৬ জুলাই
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
রাজধানীর কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে হতাহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৬ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। কিন্ত এদিন পুলিশের তদন্ত সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল হক প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এ তারিখ ঠিক করেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই রাজধানীর কল্যাণপুরে ৫ নম্বর সড়কে জাহাজ বিল্ডিং-এ রাতভর অভিযান চালায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সকালে এক ঘণ্টার মূল অভিযানে ৯ জঙ্গি নিহত হয়। ওই ঘটনায় আহত হয় রিগ্যান নামে আরও একজন। তারা সবাই নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির (জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ) সদস্য বলে জানায় পুলিশ। অভিযানের দুই দিন পর মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. শাহ জালাল আলম সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় ১০ জনকে আসামি করা হয়।

‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত আরও ৪
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
দেশজুড়ে র‍্যাব ও পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে গতকাল শনিবার রাতে চার জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আরও চারজন নিহত হয়েছেন। পুলিশ বলেছে, তাঁদের মধ্যে মেহেরপুর ও ঝিনাইদহে মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন দুজন। বাকি দুজন পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে।
এ নিয়ে মাদকবিরোধী অভিযান শুরুর পর ১৩ দিনে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়াল ৮৫–তে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, তাঁদের ৭৮ জনই মাদক ব্যবসায়ী। গতকাল রাতের বন্দুকযুদ্ধের পর দু-একটি ছাড়া প্রতিটি ঘটনাস্থল থেকেই ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য, দেশি-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করার হয় বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র বলেছে, ১৭ মে থেকে গতকাল পর্যন্ত নয় দিনে সারা দেশে পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে মাদক ব্যবসায় জড়িত অভিযোগে সাত হাজার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে ১৫ লাখ ইয়াবা, ২ হাজার কেজি গাঁজা, ১৭ কেজি হেরোইন, ১৩ হাজার বোতল ফেনসিডিল ও ১ হাজার ১০০ ক্যান বিয়ার উদ্ধার করা হয়। মাদক বহনে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ও ট্রাকও জব্দ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় দেশের বিভিন্ন থানায় সাড়ে পাঁচ হাজার মামলা হয়েছে।
ডিটিভি বাংলার নিজস্ব প্রতিবেদক, আঞ্চলিক কার্যালয় ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর

মেহেরপুর: গাংনী উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের বাথানমাঠে কথিত বন্ধুকযুদ্ধে হাফিজুর রহমান ওরফে হাফিজ (৪৮) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে, গতকাল দিবাগত রাত তিনটার দিকে এ বন্ধুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। পুলিশ গোলাগুলির শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে হাফিজুরের লাশ পায়। পুলিশের দাবি, হাফিজুর একজন মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে তিনি নিহত হয়েছেন। গাংনী থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মাদকের দুই ডজনের বেশি মামলা রয়েছে।

ময়মনসিংহ: ডিবি পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ময়মনসিংহে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। ডিবির ভাষ্য, মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক ভাগাভাগি করছেন—এমন খবরের ভিত্তিতে ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার টহল পুলিশও। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি গুলিবিনিময় হয়। কিছুক্ষণ পর মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অজ্ঞাত একজনকে পাওয়া যায়। তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পাল্টাপাল্টি গুলিবিনিময়ের ঘটনায় হুমায়ুন ও আমির হামজা নামে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

ঝিনাইদহ: শৈলকুপার বড়দাহ জামতলায় ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের পাশে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ পাওয়া গেছে। তাঁর নাম রফিকুল ইসলাম ওরফে গাঁজা লিটন। পুলিশ বলেছে নিহিত ব্যক্তি চিহ্নিত গাঁজা ব্যবসায়ী ছিলেন। দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলিতে গাঁজা লিটন নিহত হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে শৈলকুপাসহ পার্শ্ববর্তী থানাগুলোয় ১২টি মাদক মামলা রয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, রাত একটার পর তাঁরা হঠাৎ করে গুলির শব্দ শুনতে পান। এরপর তাঁরা ঘর থেকে বেরিয়ে বড়দাহ জামতলায় রাস্তার পাশে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একটি মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

চাঁদপুর: মতলব দক্ষিণে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মো. সেলিম (৩৭) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশের ভাষ্য, নিহত ব্যক্তি মাদক ব্যবসায়ী। গতকাল দিবাগত রাত তিনটার দিকে মতলব দক্ষিণ থানা ও ডিবি পুলিশের একটি যৌথ দল চাঁদপুরের মতলব সড়কের হাজীর ডোন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে। কিন্তু সহযোগীরা তাঁকে ছাড়িয়ে নিতে পুলিশের ওপর চড়াও হয়। দুই পক্ষে পাল্টাপাল্টি গুলিবিনিময় হয়। এ সময় সেলিম গুলিবিদ্ধ হন। তাঁকে মতলব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সেলিমের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাতটি মামলা রয়েছে।
মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কুতুব উদ্দিন বলেন, এই ঘটনায় তাঁদের চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

৯৯৯ ডায়ালের পর গ্রেফতার ধর্ষক
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একটি বস্তিতে ৮ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছিল। তবে সোমবার সকালে স্থানীয় কেউ জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে ঘটনা জানায় পুলিশকে। শেষ পর্যন্ত ধর্ষণে অভিযুক্ত ইমরান নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনার শিকার শিশুটিকেও উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত শনিবার বছিলা এলাকায় শাহজালাল হাউজিং এলাকার বস্তিতে ধর্ষণের ওই ঘটনা ঘটে। শিশুটির বাবা একজন রিকশা চালক। অভিযুক্ত যুবক ইমরানের বস্তিতে প্রভাব রয়েছে। এজন্য ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছিল। শেষ পর্যন্ত মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। ওই ঘটনায় শিশুটির মা থানায় মামলা করেছেন।ৎ
মোহাম্মদপুর থানার ওসি জামাল উদ্দিন মীর বলেন, শনিবারের ওই ঘটনার পর বিষয়টি কেউ পুলিশকে জানায়নি। সবাই মিলে ধর্ষণের ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছিল। তবে গতকাল সকালে কেউ একজন ৯৯৯ এ ফোন করে ঘটনা জানায়। এরপর সেখান থেকে থানায় অবহিত করার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ব্যবস্থা নেয়। অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ইমরানকে গ্রেফতার করা হয়।

মা-বাবাকে বেঁধে কিশোরীকে গণধর্ষণ
                                  

ভোলা প্রতিনিধি

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার বিচ্ছিন্ন চর মোজাম্মেলে গভীর রাতে বাড়িতে হানা দিয়ে বাবা-মাকে বেঁধে রেখে এক কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে দুর্গম চরাঞ্চল হওয়ায় আসাসিদের গ্রেফতারে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তজুমদ্দিন থানার ওসি ফারুক আহমেদ। 

ভিকটিমের মা-বাবা জানান, সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এক ব্যক্তি তাদেরকে ঘুম থেকে জাগিয়ে পানি খেতে চায়। দরজা খুলে পানি দিতে গেলে ৪ থেকে ৫ জন লোক ঘরে ঢুকেই তাদের হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলেন। এরপর তাদের কিশোরী মেয়েকে (১৬) টেনে হিচড়ে ঘর থেকে বাহিরে নিয়ে যায়। পরে ৬ ব্যক্তি ওই কিশোরীর উপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে কিশোরীর গোঙানির শব্দ পেয়ে পার্শ্ববর্তী লোকজন লাইট নিয়ে বের হলে ৬ লম্পট মেয়েটিকে ফেলে রেখে চলে যায়। এ সময় তারা দুইজনকে চিনতে পেরেছে বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে। পরদিন মঙ্গলবার স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাবা, মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য তজুমদ্দিন উপজেলা শহরে পাঠানো হয়। 

এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে চরমোজাম্মেলের ৬নং ওয়ার্ডের ইব্রাহিম মাঝির ছেলে সালাউদ্দিন (৩৫) ও একই এলাকার রহিম সারেংয়ের ছেলে মনির (২৭) নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৪ জনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০ এর (সংশোধিত) ২০০৩ এর ৯এর (৩)/৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন, মামলা নং ০৪।
 
জুমদ্দিন থানার ওসি ফারুক আহাম্মদ জানান, পুলিশ কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে দুর্গম চরাঞ্চল হওয়ায় কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। 

 

ডিটিভি বাংলা/১১ এপ্রিল ২০১৮/ মেহেদী হাসান

জারের পানির কতটা জানি?
                                  

তেষ্টা পেলে অনেকেই ধারেকাছের দোকানে গিয়ে চটপট গলাটা ভিজিয়ে নেন। এক টাকায় জার থেকে পাওয়া যায় পরিষ্কার এক গ্লাস পানি। তেষ্টা মিটল, প্রাণ জুড়াল—ভালো কথা। কিন্তু যে জারের পানিতে অগাধ বিশ্বাস, তা ঠিক আছে তো? শরীর-স্বাস্থ্যের জন্য তা ভালো তো?

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে মুরগির দোকানগুলোর পাশেই হাসান মিয়ার দোকান। চা-বিস্কুট-পাউরুটিসহ নানা খাবার রয়েছে সেখানে। ক্রেতাদের জন্য পানির জারও আছে। প্রতি গ্লাস পানি এক টাকা। জারের গায়ে সাদা রঙে ‘ফারুক’ লেখা থাকলেও নেই পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বিএসটিআইয়ের কোনো সিল।

পানিভর্তি জারের দাম ৩০ টাকা। এতে থাকে ১৯ লিটার পানি। হাসান মিয়া বলেন, ‘পানি বিক্রি কইর‍্যা ভালো লাভ।’

পানি কোত্থেকে আসে—জানতে চাইলে তিনি বলেন, তেজগাঁওয়ের জনৈক ‘রায়হান ভাইয়ের’ বাসা থেকে। এ দোকানে যে পানি বিক্রি হচ্ছে, এতে বিএসটিআইয়ের সিল-ছাপর নেই কেন—এমন প্রশ্নে হাসানের মুখের অভিব্যক্তি দেখেই বোঝা যায়, এই সিল বা সরকারি অনুমোদন নিয়ে কোনো ধারণা নেই তাঁর। দোকানে পানি খাচ্ছিলেন রিকশাচালক শেখ রহমান। পানি ভালো কী মন্দ—এ বিষয়ে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই তাঁরও। বললেন, ‘বড় বোতলের (জার) মইদ্দে আছে। ভালোই হইব।’

হাসান মিয়ার কাছ থেকে পানি উৎপাদনকারী রায়হানের মুঠোফোন নম্বর নিয়ে তাঁকে ফোন করেন এই প্রতিবেদক। পানি উৎপাদনে অনুমোদনের বিষয়ে কথা বলতেই তিনি ফোন কেটে দেন। এরপর বন্ধ পাওয়া যায় ফোন।

রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় এখন যত্রতত্র জারের পানি উৎপাদনের প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। চলছে অবৈধ বিক্রি। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) কোনো অনুমোদন ছাড়াই এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। বিএসটিআইয়ের পরিচালক (সিএম) এস এম ইসাহাক আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘জারের পানির নিবন্ধনহীন অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। আবার যাদের নিবন্ধন আছে, তাদের অনেকেই পানির মান বজায় রাখে না। দেখা যাচ্ছে, নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানও একই জার একাধিকবার ব্যবহার করে। এতে দূষিত পানি বিক্রি চলছে দেদার।’

ইসাহাক আলী বলেন, ‘এখন জার বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে আমাদের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। সর্বোচ্চ নয় লিটারের বেশি পানির বোতল আর বিক্রি করতে দেওয়া হবে না—এমন ভাবনা আছে।’

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা জারের পানি নিয়ে গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) গবেষণা করে। সেখানে দেখা যায়, ঢাকার বাসাবাড়ি, অফিস-আদালতে সরবরাহ করা শতকরা ৯৭ ভাগ জারের পানিতে ক্ষতিকর মাত্রায় মানুষ ও প্রাণীর মলের জীবাণু ‘কলিফর্ম’ আছে। সংগ্রহ করা নমুনাগুলোয় মোট কলিফর্মের ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ মিলিলিটার পানিতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মাত্রা পাওয়া গেছে যথাক্রমে ১৭ ও ১৬০০ এমপিএন (মোস্ট প্রবাবল নম্বর) এবং ফিকাল কলিফর্মের (মলের জীবাণু) ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ মিলিলিটার পানিতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মাত্রা ছিল যথাক্রমে ১১ ও ২৪০ এমপিএন।

পানির এই গবেষণার ফল প্রকাশের পর থেকে র‍্যাব ও বিএসটিআই অভিযান শুরু করে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত পরিচালিত সাতটি অভিযানে অনিবন্ধিত ৪৪টিসহ ৪৮টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ধ্বংস করা হয় প্রায় ২০ হাজার জার। কারাদণ্ড দেওয়া হয় ৩৩ জনকে।

বিএসটিআইয়ের সহকারী পরিচালক (সিএম) মো. রিয়াজুল হক বলেন, ‘আমাদের ধারণা, এখন পর্যন্ত ১০ থেকে ১৫ শতাংশ অবৈধ জারের প্রতিষ্ঠান আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি। এর বাইরে অনেক আছে। আসলে এই ব্যবসা ছড়িয়ে পড়েছে।’

পরিশোধন তো দূরে থাকুক, স্রেফ সরবরাহের পানি সরাসরি জারে ভরে এখন বিক্রির ঘটনা ঘটছে। আর এই অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে যাঁরা জড়িত, এলাকায় তাঁরা ব্যাপক প্রভাবশালী।

গত ফেব্রুয়ারিতে রাজধানীর ভাটারায় বিএসটিআই অভিযানে গিয়ে দেখতে পায়, বাসাবাড়ির ওয়াসার লাইন থেকে পানি সরাসরি জারে ভরা হচ্ছে। যেসব জারে পানি ভরা হচ্ছে, সেগুলো পুরোনো, ময়লাযুক্ত। অভিযানে দোষী ব্যক্তিকে ধরা হলে এলাকার লোকজন জড়ো হয়। পড়ে অনেক কষ্টে তাকে বের করে নিয়ে আসা হয় এবং কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বিএসটিআইয়ের পরিচালক (সিএম) এস এম ইসাহাক আলী বলেন, ‘স্থানীয় প্রভাবশালীরা পানির ব্যবসায় নেমেছে। তারা যথেচ্ছভাবে পানির ব্যবসা করছে।’

যেভাবে বিএসটিআইয়ের নিবন্ধন নিতে হয়
জারের বা বোতলজাত পানির মান নিয়ন্ত্রণ ও নিবন্ধন করে বিএসটিআই। যেসব প্রতিষ্ঠান পানি উৎপাদন করবে, তাদের বিএসটিআই বরাবর দরখাস্ত দিতে হয়। দরখাস্তের সঙ্গে ট্রেড লাইসেন্স, পানির নমুনা, ভ্যাটের কপিসহ আনুষঙ্গিক কাগজপত্র দিতে হয়। এরপর একটি দল পরিদর্শনে যায়। তাদের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে নতুন একটি দল আবার পরিদর্শন করে কারখানাটি। বিএসটিআই পানিতে রাসায়নিক, অনুজৈবিক ও ভারী ধাতব উপাদান পরীক্ষা করে। এরপর যে প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়, একটি প্যানেল তাদের অনুমোদন দেয়। সেখানে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের একজন প্রতিনিধি, বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক, একজন বিশেষজ্ঞ, বিএসটিআইয়ের পরিচালক (মান) থাকেন। এই প্যানেলই নিবন্ধন দেয়। এসব নিবন্ধন আবার নির্দিষ্ট মেয়াদে নবায়ন করতে হয়।

নামহীন প্রতিষ্ঠানের জার বিক্রি হচ্ছে বেশি
বিএসটিআইয়ের তালিকা অনুযায়ী, ৩১৫টি নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান জারের পানি উৎপাদন করে। এর মধ্যে ১৬৬টিরই নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। এসব প্রতিষ্ঠান এখন আদৌ পানি উৎপাদন করছে কি না, এ ব্যাপারে নিশ্চিত নয় বিএসটিআই। একই জার কতবার ব্যবহার হয়, তাও ধরাছোঁয়ার বাইরে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলো নিবন্ধিত কোম্পানির জার কেনে ঠিকই, কিন্তু এর সঙ্গে অনিবন্ধিত, নামহীন প্রতিষ্ঠানের জার বিক্রি করে অনেক বেশি পরিমাণে। রাজধানীর মতিঝিলে গত ফেব্রুয়ারিতে র‍্যাব-বিএসটিআইয়ের অভিযানে দেখা যায়, নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের ৩০টির মতো জার আছে। কিন্তু প্রায় ২০০ জার ছিল অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের।

সাতটি অভিযানের মধ্যে ছয়টিতেই ছিলেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, এসব জারের পানি ব্যবসায়ীরা তিন ধরনের অপরাধ করছে। প্রথমত, এরা পানি কোনোরূপ শোধন না করেই জারে ভরে। দ্বিতীয়ত, এসব জার একেবারে খাবার পানি রাখার মতো না। তৃতীয়ত, এগুলোতে এমন ময়লা জমে থাকে যে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ অবশ্যম্ভাবী। একের পর এক গজিয়ে ওঠা জার কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বেশ কিছু ব্যবস্থা নিতে চায় বিএসটিআই।

পরিচালক এস এম ইসাহাক আলী জানান, এখন প্রতিটি পানির বোতলে ও জারে ‘ড্রিংকিং ওয়াটার’ বা খাবার পানি লেখা থাকে। বিএসটিআইয়ের পরিকল্পনা হলো, প্রতিটি বোতলে ‘বটলড ওয়াটার’ বোতলজাত পানি লেখা হবে। সর্বনিম্ন ২০০ মিলিলিটার থেকে সর্বোচ্চ নয় লিটারের পানি লেখা থাকবে।

ধর্ম পরিবর্তন করেও রেহাই পেল না খুনি
                                  

খুনের দায় থেকে রেহাই পেতে ধর্ম পরিবর্তন করে আত্মগোপনে চলে যান এক ছিনতাইকারী। ঠিকানা না পেয়ে তাকে মামলার দায় থেকে মুক্তি দিতে আদালতে আবেদনও করে বসে গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর আদালতের আদেশে ওই মামলাটি অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে খুনিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

গ্রেফতার আল আমিন ওরফে প্রদীপ চৌধুরী১ (৩২) চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার আলীপুর এলাকার মৃত নিরঞ্জন চৌধুরীর ছেলে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তিনি নিজের নাম রাখেন আল আমিন।

পিবিআই সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের ৩ মার্চ বাকলিয়ার কালামিয়া বাজার এলাকায় আলাউদ্দিন (১৬) নামের এক তরুণ ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে ছুরিকাহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলাউদ্দিন মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলা করেন। এ মামলার তদন্তভার পায় নগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরবর্তীতে দুই আসামির নামে চার্জশিট দেওয়ার পাশাপাশি পলাতক আসামি আল আমিন ওরফে প্রদীপের সঠিক নাম-ঠিকানা না পাওয়ায় তাকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতির আবেদন জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা।

এরপর গত ১৮ জানুয়ারি ওই চার্জশিট পর্যালোচনা করে অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. শাহাদাত হোসেন ভূঁইয়া আদেশ দেন, পলাতক আসামি আল আমিন ওরফে প্রদীপ ধর্মান্তরিত হওয়ার পর তার বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন হলেও পূর্বের ঠিকানা সঠিক থাকবে। এক্ষেত্রে বর্তমান ঠিকানা সংগ্রহ করা দুরূহ হওয়ার কথা নয় উল্লেখ করে পুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তা দ্বারা মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআই, চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটকে নির্দেশনা প্রদান করেন।

আদালতের নির্দেশনার আলোকে পিবিআই পরিদর্শক জাহিদ হোসেন মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে আসামির স্থায়ী ঠিকানা পরিদর্শন করেন। সেখানে তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য দিতে না পারায় তার বর্তমান ঠিকানা তথা ধর্ম পরির্তনের পর তার বর্তমান স্ত্রী, শ^শুর-শাশুড়ি এবং শ্যালকদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন। পিবিআইয়ের তৎপরতার কথা জানতে পেরে তার শ^শুর বাড়ির লোকজন তাদের বর্তমান ভাড়া বাসা ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে যায়। তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ করে দেয়।

পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর জনসংযোগ কর্মকর্তা পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, তদন্তের একপর্যায়ে আল আমিন ওরফে প্রদীপ চৌধুরীকে গত ১৮ মার্চ রাতে ঢাকার মধ্য বাড্ডা ভূঁইয়া বাড়ি এলাকায় মুদির দোকানদারি করা অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকা, মামলা থেকে রেহাই পেতে ধর্ম পরিবর্তন এবং ঢাকা শহরে পালিয়ে থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক জাহিদ হোসেন বলেন, আল আমিন ওরফে প্রদীপ চৌধুরীকে গতকাল মঙ্গলবার আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

মসজিদের দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরি
                                  

টঙ্গীর তিস্তার গেট জামে মসজিদের দানবাক্স ভেঙে প্রায় দেড় লাখ টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় রোববার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
টঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন কে জানান, রোববার গভীর রাতের কোনো একসময় মসজিদের ভেতরের দানবাক্স ভেঙে দেড় লাখ টাকা চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

পরে ফজরের নামাজের পর বাক্স ভাঙা দেখে মসজিদের ইমাম সাহেব আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানান। পরে টঙ্গী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ওসি আরও জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

বাইক চুরিতে বেপরোয়া ছিনতাইকারী চক্র
                                  

রাজধানী জুড়ে হঠাৎ করেই মোটরসাইকেল চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। গত মাসে দুই ডজন মোটরবাইক চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। বাইক ছিনতাইয়ের ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটছে। তাদের হামলায় নিরাপত্তারক্ষীরাও প্রাণ হারিয়েছেন। মোটরসাইকেল চোর-ছিনতাইকারীরা টার্গেট করে বিভিন্ন বাসায় হানা দিচ্ছে। তাদের এই নতুন কৌশলে আতঙ্কিত মোটরবাইক মালিকরা।

আগে রাস্তায় বা বাইরে রাখা মোটরসাইকেল বেশি চুরি হলেও এখন অপরাধীরা বাড়ি বাড়ি হানা দিচ্ছে। বাড়ির পার্কিংয়ে রাখা মোটরসাইকেলও তালা ভেঙে নিয়ে যাচ্ছে তারা। বাধার মুখে পড়লেই নিরাপত্তাকারী বা মোটরসাইকেলের মালিককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করছে। সম্প্রতি সংঘটিত কয়েকটি ঘটনা থেকে দেখা যাচ্ছে, চুরি বা ছিনতাইয়ের বেশিরভাগ ঘটনাই ঘটছে শুক্র-শনিবার, বন্ধের দিনে। গত এক মাসে দুই ডজনের বেশি ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় চোর-ছিনতাইকারীদের হামলায় এক নিরাপত্তাকর্মী নিহত এবং ১২ জন আহত হয়েছেন।

সর্বশেষ গত শুক্রবারও দুটি ঘটনা ঘটে। ভোরে মুগদার মানিকনগরের একটি বাসায় নিরাপত্তা কর্মী মিজান (৫৫) ও একটি ফ্ল্যাটের গৃহকর্মী আবদুল গণিকে (৩০) কুপিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। দুপুরে খিলগাঁওয়ের সিপাহীবাগের উত্তর গোড়ান আদর্শনগের একটি বাড়ির নিচে থেকে মোটরসাইকেলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

ভুক্তভোগীরা বলেছেন, মোটরসাইকেল চুরি বা ছিনতাই হলে সে ঘটনার তদন্ত হয় না। সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেই দায় সারে পুলিশ। ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারের ঘটনাও কম। তদন্ত ও মামলা না হওয়ায় হাজারো ঘটনা ধামাচাপা পড়ছে। এ সুযোগটি কাজে লাগিয়ে কৌশল পাল্টে বাড়িতেই ঢুকছে অপরাধীরা। এ জন্য ছুটির দিনে বেশি বাসার নিচে পার্ক করে রাখা মোটরসাইকেলটির দিকেই টার্গেট অপরাধীদের।

গত ৮ মার্চ রাতে মিরপুরের উত্তর টোলারবাগে মোটরসাইকেল চুরিতে বাধা দিতে গিয়ে খুন হন নিরাপত্তাকর্মী ওমর ফারুক। এ ঘটনায় জড়িতদের কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। তবে চুরি যাওয়া মোটরসাইকেলটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০ মার্চ উদ্ধার করে পুলিশ। একই রাতে মিরপুর ২ নম্বর সেকশনের ‘ই’ ব্লকের নোভা রহমান হাউজিং সোসাইটির একটি বাসায় হানা দেয় ছিনতাইকারী চক্র। সেখানেও মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হন নিরাপত্তাকর্মী অপু কুমার সরকার ও আনিসুর রহমান। সম্প্রতি আদাবরের শেখেরটেক ১/১ নম্বর রোডের ১২ নম্বর বাড়ি থেকে দুই দফায় দুটি মোটরসাইল ও দুটি বাইসাইকেল চুরি হয়েছে। একই এলাকার ফারুক সাহেবের বাড়ি থেকে আরো দুটি বাইক চুরি হয়েছে। কয়েক দিনের ব্যবধানে আটটি বাইক চুরি হয়েছে ওই এলাকা থেকে।

শেখেরটেকের বাসিন্দা মুঈদ খন্দকার জানান, আদাবরে বাসার ভেতর থেকে বাইক ও বাইসাইকেল চুরির ঘটনা বেড়ে গেছে। এ ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পুরো এলাকায়। চুরির দৃশ্য ধরা পড়ছে সিসিটিভির ফুটেজে। সেই ফুটেজ নিয়ে থানায় জিডি কিংবা মামলাও হচ্ছে, কিন্তু চোরের কোনো হদিস দিতে পারছে না পুলিশ। তিনি মনে করেন, পুলিশ আন্তরিক হলে চোর ধরা কোনো ব্যাপারই না।

গত ১০ মার্চ ভোরে খিলগাঁওয়ের উত্তর গোড়ানের ৬৬ নম্বর বাসায় কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙে ভেতওে ঢুকে পড়ে তিন দুর্বৃত্ত। সেখানেও একইভাবে তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হন নিরাপত্তাকর্মী মনির হোসেন। ওই বাড়ির অদূরে আদর্শবাগে গতকাল দিনদুপুরে ঘটে একই ঘটনা। ভুক্তভোগী নূরে আলম জানান, ৩৫০ নম্বর বাড়ির নিচে তার ডিসকভারি মোটরসাইকেলটি রাখা ছিল। দুপুরে নামাজের সময় লোকজন ছিল না। এ সুযোগে চোর হানা দেয়। পাশের গলির মুখে সিসি ক্যামেরা আছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, একজন লাল গেঞ্জি পরা যুবককে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যেতে দেখেন তারা। নূরে আলম জানান, চুরির ঘটনায় পুলিশ জিডি নিয়ে তদন্ত করছে। খিলগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর হোসেন খান বলেন, ‘ঘটনাটি আমরা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি।’

খিলগাঁওয়ের কাছেই মুগদায় মানিকনগরের ৮২/৮৩ নম্বর নুর ফাতেমা ভবনে গত বৃহস্পতিবার ভোর ৫টায় তিন ছিনতাইকারী ঢুকে পড়ে। রাসেল নামের এক ফ্ল্যাট মালিক জানান, ছিনতাইকারীরা নিরাপত্তাকর্মী মিজানকে চাপাতি দিয়ে এবং গৃহকর্মী আবদুল গণিকে রড দিয়ে আঘাত করে মোটরসাইকেল নিয়ে যায়। টোলারবাগ ও গোড়ানের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, এ দুই এলাকায় কয়েক বছর ধরেই বাড়িতে মোটরসাইকেল চোর-ছিনতাইকারীরা হানা দেয়। মাঝে বন্ধ থাকলেও এখন আবার বেড়েছে।

গত ১০ মার্চ ভোরে হাজারীবাগের বউবাজার এলাকায় নিরাপত্তাকর্মী মুরাদ হোসেনকে ছুরিকাঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালায়। এ সময় ছিনতাইকারী শিবলিকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন স্থানীয়রা। হাজারীবাগ থানার ওসি ইকরাম আলী মিয়া বলেন, শিবলি চিহ্নিত চোর। এর আগেও তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিন্ডিকেটের সদস্য হলেও সে এককভাবেই অপরাধ করে।

এদিকে, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ সূত্র জানায়, গত এক মাসে মোটরসাইকেল ছিনতাইকারীদের হামলায় আহত অন্তত ১২ জন সেখানে চিকিৎসা নিয়েছেন। কোনো ঘটনায়ই পরে তদন্তে অপরাধী ধরা পড়ার নজির নেই। গত বছরের ১৯ অক্টোবর ধানমন্ডির ৯/এ এলাকার একটি ছয় তলা বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী মেনহাজ উদ্দিনকে (৫০) ছুরিকাঘাত করে মোটরসাইকেল নিয়ে গেছে ছিনতাইকারীরা। বাড়ির কেয়ারটেকার তৌফিক এলাহী বলেন, এ ঘটনায় একবার পুলিশ এসে খোঁজ নিয়ে যায়। পরে আর কিছুই হয়নি।

অন্যদিকে, পুলিশ সদর দফতরের দেওয়া তথ্যমতে, ২০১৭ সালের শেষ তিন মাসে রাজধানীতে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটে ৭৮টি। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে সারাদেশে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় ২৯২টি মামলা হয়। একই সময়ে পুরনো ঘটনায় উদ্ধার হয়েছে মাত্র ১৩৫টি মোটরসাইকেল। মামলা না হওয়ায় ঘটনাগুলো পুলিশের এই তথ্যের বাইরে রয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ শাখার উপকমিশনার মাসুদুর রহমান বলেন, মোটরসাইকেল চুরির ঘটনাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। শিগগিরই জড়িতদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

পোনা ব্যবসায়ী হোসেন আলীই ইয়াবা ডন আলম
                                  

ইয়াবা ব্যবসায়ীদের চাঞ্চল্যকর কাহিনী ক্রমান্বয়ে বিস্মিত করছে মানুষকে। এবার আরও এক ইয়াবা গডফাদারের গ্রেপ্তারের খবরে হতবাক দেশবাসী। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া হোসেন আলী এখন ইয়াবা সম্রাট আলম । এক কোটি টাকা নগদে জামানত দিয়ে কক্সবাজারে কলাতলির শামীম গেস্ট হাউজ ভাড়া নিয়ে সেখানে গড়ে তুলেছিলেন বিশাল ইয়াবা গোডাউন। হোসেন আলী কত কোটি টাকার মালিক তা তিনি নিজেও জানেন না।

জানা গেছে, মাত্র তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন তিনি। ছিলেন মাদকাসক্ত। চিংড়ি মাছের পোনা, কটেজ ব্যবসা, একটি পত্রিকার সাবেক পরিচালক, জমি-জমা বিক্রিতেও আসেনি কাঙ্খিত পরিমাণ টাকা। এরপর দ্রুত কোটিপতি হবার স্বপ্নে পা বাড়ান ইয়াবা ব্যবসায়। গত ৪ বছরে তিনি গড়ে তোলেন ইয়াবার বড় একটি সিন্ডিকেট। এক লাখ পিস কমে কখনও ইয়াবার চালান কক্সবাজার থেকে ঢাকায় আনতেন না তিনি। নিজ রেন্ট-এ-কারের ব্যবসার সুবিধা নিয়ে নিজস্ব গাড়িতে শুধু ঢাকা নয় পার্শ্ববর্তী জেলাতেও ইয়াবার চালান করতেন।’

তেমনই এক ইয়াবা সম্রাটের নাম জানালো র‌্যাব। যার নাম মোঃ আলম। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে তার নাম আলম নয়, আলম নামে পুরো কক্সবাজার জেলায় তাকে কেউ চিনে না। ভুঁয়া নাম দিয়েছে র‌্যাবের কাছে। 

রাজধানীর হাজারীবাগ থানাধীন ১৯ নং সড়কের পশ্চিম ধানমন্ডির মধুবাজারের ১৫৩ নং বাসা হতে এই হোসেন আলীসহ চারজনকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বুধবার বিকেলে এক লাখ তেইশ হাজার পিস ইয়াবা, ইয়াবা বিক্রির ৮১ হাজার টাকা, সাতটি মোবাইল ফোন জব্দ করে। মিডিয়ায় চলে আসে এই খবর। তবে নাম মো: আলম দিলেও ছবি দেখে ইয়াবা সম্রাট হোসেন আলীকে চিনতে পেরেছে কক্সবাজার জেলার মানুষ। র‌্যাবের নিকট পরিচয় গোপন করে মোঃ আলম নাম দেয়া ব্যক্তি কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী এলাকার হাজী সামশুল আলমের ছেলে হোসেন আলী। 

তার সাথে গ্রেফতার করা হয় হোসেন আলীর ছোট ভাই মো. জসিম উদ্দিন (৩০), মো. সালাউদ্দিন (২৭) ও মো. মিজানুর রহমান (৩৩)কে।
মিয়ানমারের এক মাদক ব্যবসায়ীর হাত ধরে ইয়াবা ব্যবসায় নামেন হোসেন আলী প্রকাশ কথিত মোঃ আলম। 

জানা গেছে, গত ২০১৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর এক কোটি টাকা নগদ জামানত দিয়ে কলাতলি বি ব্লকের ৮নং প্লটের উপর গড়ে তোলা শামীম গেস্ট হাউজের চারতলা বিশিষ্ট ৪১টি কক্ষ ভাড়া নেন হোসেন আলী। ‘শামীম গেস্ট হাউজ’কে ইয়াবা মজুদের জন্য ব্যবহার করেন তিনি। সেখান থেকে মূলত নিজস্ব রেন্ট-এ কারের মাধ্যমে, কখনও পিকআপ, ট্রাক বা বাসের বডিতে করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ইয়াবার চালান করতেন।

জিজ্ঞাসাবাদে তিনি র‌্যাবকে জানিয়েছেন, এক লাখ পিসের নিচে কখনও তিনি ইয়াবার চালান ঢাকায় আনেননি। যতবার তিনি ইয়াবা সফলভাবে ঢাকায় পাঠিয়েছেন ততবারই পরিবর্তন হয়েছে মোবাইল ফোন নম্বর। 

সুত্র জানিয়েছে, এই ইয়াবা ব্যবসায় একই সিন্ডিকেটে শামীম গেস্ট হাউজ মালিক পক্ষ, জিএম রফিক, নুরুল ইসলাম ও হোসেন আলীর ভাই মোঃ আলী সহ আরো বেশ কয়েকজন জড়িত বলে একাধিক নির্ভর যোগ্য সুত্র জানায়।

নগদ এক কোটি টাকা জামানত দিয়ে ইয়াবা ডন হোসেন আলী মাসিক আড়াই লাখ টাকা ভাড়ায় শামীম গেস্ট হাউজটিতে আসলে কিসের ব্যবসা চলতো, কেন এই হোটেলটি ভাড়া নেয়া হয়েছিল, তা এখন বেরিয়ে এসেছে অনেকটা।

তবে একটি সুত্র জানিয়েছে, শামীমে গেস্ট হাউজ সিন্ডিকেটের এই ইয়াবা ব্যবসা নতুন নয়, এর আগে আরো একটি ইয়াবা সিন্ডিকেটকে ভাড়া দেয়া হয়েছিল। এরা দীর্ঘ দিন ধরেই ইয়াবা ব্যবসা করে কোটি কোটি নগদ টাকার টাকার মালিক হয়েছে। গত ১৭/১২/২০১৭ইং শামীমে গেস্ট হাউস ভাড়া নেয়ার সময় শামীম গেস্ট হাউজ মালিক মোঃ সেলিমকে জামানত বাবদ নগদ এক কোটি টাকা দেয়া হয়। এই এক কোটি টাকা নগদে দেয়ার কথা নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে ভাড়া চুক্তি নামা পত্রে উল্লেখ আছে। 

এখন জনমনে প্রশ্ন হচ্ছে, ব্যাংক কিংবা চেকের মাধ্যমে জামানতের এক কোটি টাকা না নিয়ে নগদে নেয়ার সময় শামীম গেস্ট হাউজ মালিক কি জানতেন না, এত বিশাল অংকের নগদ টাকার উৎস কি? এরা কিসের ব্যবসা করেন। আসলে সব জানার পরেও এমন ঘটনা, বলে দাবি অনেকের।

এদিকে, ওই গেস্ট হাউজটি ইয়াবা ডন হোসেন আলীকে আগামী ১৮/১২/২০১৮ সাল মেয়াদে ১ কোটি টাকা জামানতে ভাড়া দেয়া হলেও নিচ তলার দায়িত্বে ছিলেন শামীম গেস্ট হাউজ মালিক মোঃ সেলিম। তবে অভ্যর্থনা কক্ষ হোসেন আলী ব্যবহার করতেন। এতেই স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে, ইয়াবা ডনের সাথে মালিকপক্ষ জড়িত বলে সন্দেহ পোষণ করেছেন অনেকে।

শামীম গেস্ট হাউজে কাদের নিয়মিত যাতায়ত ছিলো, ওই গেস্ট হাউজের অভ্যন্তরে গড়ে তোলা পরিবহণ কাউন্টারগুলোর ভুমিকাসহ আরো অনেক চাঞ্চল্যকর বিষয়গুলো তদন্ত করে ইয়াবা সিন্ডিকেটে আর কারা জড়িত তা বের করা হোক। পাশাপাশি হোটেল, মোটেল আর গেস্ট হাউজ কেন্দ্রিক ভাড়াটিয়া আর মালিক পক্ষ ইয়াবা ব্যবসার চাঞ্চল্যকর তথ্যগুলো উদঘাটন হোক, এমনটাই দাবি সবার।

নবাবগঞ্জে নববধুর আত্মহত্যা
                                  
দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি.
 
ঢাকার নবাবগঞ্জের পুরাতন বান্দুরা গ্রামে জয়া রানী সরকার (১৮) নামে এক গৃহবধূ গলায় কাপড় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সে ঐ গ্রামের প্রবাসী রনি সরকারের স্ত্রী। গত প্রায় একমাস আগে তাদের বিয়ে হয়।
 
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকালে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার আটিপাড়া এলাকার বান্ধবীর  বিয়েতে যাওয়ার প্রস্ততি নিচ্ছিল জয়া ও রনি। এসময় 
রনির প্রস্তুতি নিতে দেরি হচ্ছিল। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জয়া নিজের কক্ষে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। কিছুক্ষণ পর দরজা ভেঙে ঘরের আড়াঢ় সাথে ঝুলে থাকা জয়াকে উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে রাত ৮টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
 
এসআই মোহাম্মদ আল-আমীন জানান, এসআই মোহাম্মদ আল-আমীন আরও জানান, এব্যাপারে মঙ্গলবার রাতেই থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রজু হয়েছে। বুধবার সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কালিয়াকৈরে ফসলি জমিতে অবৈধ ইটভাটা নির্মাণের পায়তারা
                                  
মো.সোহেল মিয়া.কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ
 
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে কুতুবদিয়া এলাকায় ফসলী জমিতে অবৈধ ভাবে ইটভাটা নির্মানের পায়তারা করছে।এঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়ছে ওই এলাকার অর্ধশতাধিক কৃষক পরিবার।
স্থাণীয় ও কৃষক পরিবার সূত্রে জানাযায়, ওই ফসলী জমিতে প্রতি বছর মৌসুমী জাতীয়  বিভিন্ন আমন ধান,পাট,গম ,আলু, ভূট্টা রোপন করে কৃষকদের জিবীকা নির্বাহ করা হয়ে থাকে।এছাড়া ওই ফসল চাষাবাদ করে ওই হতদরিদ্র কৃষক পরিবার সারা বছরের খরচ জুটিয়ে থাকে।কিন্তুু ওই ফসলী জমিতে পলাশতলীর আজহার প্রফেসর,কুদ্দুস মিয়া,আজগানার কফিল গং নাম দারী ব্যাক্তিরা ওই ফসলী জমিতে জোর পূর্বক ভাবে অবৈধ ইট ভাটা নির্মাণে পায়তারা চালাচ্ছে।কৃষকদের দাবী ইট ভাটা নির্মাণের কারনে ওই এলাকায় ফসল উৎপাদনে ব্যাপক ক্ষতি সাধন হবে।এছাড়াও পরিবেশের ভারসাম্য চরম ভাবে নষ্ট হয়ে যাবে এবং ওই জমি ফসল উৎপাদন ক্ষমতা হারাবে।বর্তমান সরকারের কাছে ওই হত দরিদ্র কৃষক পরিবারের দাবি ওই কুচক্রমহল যাতে করে ফসলী জমিতে অবৈধ ভাবে ইট ভাটা নির্মাণ করতে না পাড়ে।এব্যপারে কালিয়াকৈর উপজেলা সহকারী কমিশনরা (ভূমি) শাহ্ মোহাম্মদ শামসজ্জুহুার সাথে কথা বললে তিনি জানায়, কৃষি আবাদি জমিতে ইট ভাটা নির্মানের কোন নিয়ম নেই।যদি এমনটি কেও করে  থাকে তবে তদন্দ্র সাপেক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
নাটোরে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে অভিযান, আটক ৪
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

নাটোরে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে জেলার দিঘাপতিয়ার একটি বাড়িটিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযান চালানো বাড়িটি এক প্রবাসীর বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, উত্তরা গণভবনের উত্তর পাশে ইকবালের বাড়িতে জঙ্গিরা অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দিবাগতরাত থেকে বাড়িটি ঘিরে রাখে পুলিশ ও র‌্যাবের সদস্যরা। ভোরে বাড়িটি লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে পুলিশ। এসময় তাদের আত্মসমর্পণের জন্য আহ্বান করেন তারা। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে নাটোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মো. আব্দুল হাই জানান, পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদারের নেতৃত্বে জেলা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ দল ওই বাড়িটি ঘিরে অবস্থান করে। পরে সেখান থেকে চারজনকে আটক করা হয়।

মোবাইলে আড়িপাতার ক্ষমতা পেল দুদক
                                  

এখন থেকে ফোনে আড়িপাতাবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্তের স্বার্থে সংস্থাটিকে এই ক্ষমতা দেয়া হল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মোবাইল ট্রেকিং সংক্রান্ত অনুমোদন পেয়েছে দুদক। এখন থেকে সন্দেহভাজন দুর্নীতিবাজের গতিবিধি অনুসরণ, তাদের কথোপকথন রেকর্ড, চলাফেরা ও পলাতক আসামির অবস্থান শনাক্তে দুদক এই সুবিধা ব্যবহার করবে।

ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সহায়তায় পুরো কাজটি পরিচালনা করবে দুদক। এর দায়িত্বে থাকছে বিশেষভাবে দক্ষ একটি টিম। এই টিমের সদস্যরা সন্দেহভাজন বা দুদকের তালিকাভুক্ত ব্যক্তির গতিবিধি অনুসরণসহ তাদের ওপর নজরদারি করবে। তাদের সবকিছু (কথা, গতিবিধি, অবস্থান ইত্যাদি) ট্রেকিং করে সার্ভারে ধারণ করে রাখবে। দুদকের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে প্রযুক্তিনির্ভর এ কাজটি দুদক শুরু করতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, আমরা এ ধরনের একটা উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ট্রেকিংয়ের বিষয়টি এককভাবে নিজের হাতে রাখার যৌক্তিকতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কারও কথা বলার স্বাধীনতা যেন খর্ব না হয় সেটা আমি নিজে নিশ্চিত করতে চাই। তবে যাদের বিষয়ে দুর্নীতির অর্ভিযোগ আছে তারা এর আওতায় পড়বেন।

তিনি জানান, সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে যাদের দুর্নীতির বিষয়ে জনশ্রুতি আছে, সবাই যাদের দুর্নীতির বিষয়ে জানে তাদের বিষয়ে গোপনে আমরা তথ্য সংগ্রহ করব।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটি মোবাইল ট্রেকিংয়ের বিষয়ে ইতোমধ্যে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। কিভাবে কার্যক্রমটি পরিচালিত হবে তারও ধারণা নিয়েছে।

দুদকের একজন পদস্থ কর্মকর্তা বলেন, আমাদের প্রযুক্তি অফিস বা ঘরের চার দেয়ালের খবরও বের করে আনবে। ঘরে বা অফিসে বসেও যদি কেউ দুর্নীতি বা অবৈধ টাকা লেনদেনের বিষয়ে কথা বলেন, দুদক চাইলে অনুসন্ধানের স্বার্থে ওই খবরটিও ট্রেকিংয়ের মাধ্যমে ধারণ করে রাখতে পারবে। তবে এটা শুধু তাদের ক্ষেত্রেই করা হবে, যাদের বিষয়ে দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ আছে।

এদিকে দুদকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, নিজস্ব গোয়েন্দা ইউনিটের মাধ্যমে রাঘববোয়ালদের দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে দুদক। দুদকের পঞ্চবার্ষিকী কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা (২০১৭-২০২১) বাস্তবায়নের অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হয়েছে গোয়েন্দা ইউনিটের কার্যক্রম। তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই, অভিযোগের অনুসন্ধান ও মামলা তদন্ত করতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর করতে হয় দুদককে। পাশাপাশি পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ, সরকারি-বেসরকারি দফতর ও বিভিন্ন সূত্রের অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক নিজেও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে। এতে অহেতুক কালক্ষেপণসহ অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে দেখা যায় অনেক অভিযোগ ভিত্তিহীন। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ে নির্ভুল অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে নিজস্ব গোয়েন্দা ইউনিটের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহে মনোনিবেশ করেছে দুদক।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে দুদকের কমিশনার ড. নাসির উদ্দীন বলেন, আমাদের পঞ্চবার্ষিকী কৌশলগত কর্মপরিকল্পনায় গোয়েন্দা ইউনিট গঠনের বিষয়টি প্রাধান্য পায়। দুদককে একটি বিশেষায়িত সংস্থায় রূপান্তর করতে যা যা প্রয়োজন কর্মপরিকল্পনায় সব রয়েছে।

 


   Page 1 of 14
     অপরাধ
গোপালগঞ্জে মোবাইলে প্রেমের ফাঁদ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার
.............................................................................................
কক্সবাজারে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২
.............................................................................................
ভারতে স্ত্রীকে বাজি রেখে জুয়ায় হার, ধর্ষণের শিকার নারী
.............................................................................................
কল্যাণপুরে জঙ্গি অভিযান মামলার প্রতিবেদন ১৬ জুলাই
.............................................................................................
‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত আরও ৪
.............................................................................................
৯৯৯ ডায়ালের পর গ্রেফতার ধর্ষক
.............................................................................................
মা-বাবাকে বেঁধে কিশোরীকে গণধর্ষণ
.............................................................................................
জারের পানির কতটা জানি?
.............................................................................................
ধর্ম পরিবর্তন করেও রেহাই পেল না খুনি
.............................................................................................
মসজিদের দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরি
.............................................................................................
বাইক চুরিতে বেপরোয়া ছিনতাইকারী চক্র
.............................................................................................
পোনা ব্যবসায়ী হোসেন আলীই ইয়াবা ডন আলম
.............................................................................................
নবাবগঞ্জে নববধুর আত্মহত্যা
.............................................................................................
কালিয়াকৈরে ফসলি জমিতে অবৈধ ইটভাটা নির্মাণের পায়তারা
.............................................................................................
নাটোরে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে অভিযান, আটক ৪
.............................................................................................
মোবাইলে আড়িপাতার ক্ষমতা পেল দুদক
.............................................................................................
সাতক্ষীরায় ২ জঙ্গি আটক
.............................................................................................
প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে স্কুলছাত্রসহ গ্রেফতার ২
.............................................................................................
আশুলিয়ায় ফেলে যাওয়া প্রাইভেটকারে ১০৮ কেজি গাঁজা
.............................................................................................
মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্রকে হত্যা!
.............................................................................................
কুমিল্লায় বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত নিহত
.............................................................................................
গ্রেফতারের পর বন্দুকযুদ্ধে চরমপন্থী নিহত
.............................................................................................
সোনার দোকানে ককটেল ফাটিয়ে ডাকাতি!
.............................................................................................
তেজগাঁওয়ে বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত নিহত
.............................................................................................
মাইক্রোবাসসহ ৬ ছিনতাইকারী আটক
.............................................................................................
বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
গোপালগঞ্জে বাসচাপায় পথচারী নিহত
.............................................................................................
ফের দুদকের মুখোমুখি বাচ্চু
.............................................................................................
কোচিং বাণিজ্যে লেনদেন ৪০ কোটি টাকা
.............................................................................................
যশোরে দুর্বৃত্তদের গুলি ও বোমায় এনজিও পরিচালক খুন
.............................................................................................
ইয়াবাসহ মা-ছেলে আটক
.............................................................................................
জঙ্গি আস্তানায় বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল
.............................................................................................
ছেলের ছুরিকাঘাতে মা খুন!
.............................................................................................
অস্ত্র-গুলিসহ তরুণ আটক
.............................................................................................
অজ্ঞাতনামা লাশ নিয়ে বিপাকে পুলিশ
.............................................................................................
বাল্যবিয়ে : ভুয়া কাজিকে দণ্ড
.............................................................................................
ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায় বাবাকে হত্যা!
.............................................................................................
নওগাঁয় ৫ জেএমবি সদস্য আটক
.............................................................................................
সুন্দরবনে বন্দুকযুদ্ধে ২ বনদস্যু নিহত
.............................................................................................
কোটি টাকা হাতানোর অভিযোগে ৩ বিদেশি প্রতারক আটক
.............................................................................................
প্রথমে বাসায়ই হত্যার পরিকল্পনা, ঘটনাস্থলে ছিল সেই জিয়া!
.............................................................................................
মুন্সীগঞ্জে হোন্ডা কোম্পানীর মটর সাইকেল কারখানার নির্মাণ কাজ উদ্বোধন
.............................................................................................
পঞ্চগড়ে এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাইকিং
.............................................................................................
ফিল্মী কায়দায় অপহৃত শিশু উদ্ধার
.............................................................................................
সিরাজগঞ্জে মদ পান করে ২ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
মুরাদনগরে গাঁজা ও ফেন্সিডিলসহ আটক ১
.............................................................................................
কক্সবাজার সৈকতে চাঁদাবাজি পর্যটকরা বিরক্ত, অতিষ্ঠ
.............................................................................................
আজিজা হত্যার নেপথ্যে চাচীর পরকীয়া
.............................................................................................
এ বর্বরতার শেষ কোথায়!
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের হামলায় ৪ শ্রমিক আহত
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক : জাকির এইচ. তালুকদার ,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : এস এইচ শিবলী ,
    [সম্পাদক মন্ডলী ]
সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ই-মেইল:dailybortomandin@gmail.com
   All Right Reserved By www.dtvbangla.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]