| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
   * সুযোগ আছে বিএসসি অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে   * উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী ....ড. এফ এইচ আনসারী   * সবার মতামত নিয়েই গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় ব্যবস্থা :প্রধানমন্ত্রী   * ডুবোচরে আটকে আছে ১৫টি মালবাহী জাহাজ   * নিম্নকক্ষে নিয়ন্ত্রণ হারালেন ট্রাম্প   * শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব ---ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা   * আমার সংসার টিকে আছে এইতো বেশি   * গোপালগঞ্জে মোবাইলে প্রেমের ফাঁদ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার   * সাটুরিয়ায় দলিল হাতে ঘুরছে ভূমিহীন ২০ পরিবার   * এ্যরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় আসতে চাইলে  

   পাঁচ মিশালী -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ভারী বর্ষণে রোহিঙ্গা শিবিরে ভূমিধস, শিশু নিহতসহ আহত ৫ শতাধিক

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
দেশের দক্ষিণাঞ্চলে গত চারদিনের টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজার জেলার টেকনাফের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে ভূমিধসে এক শিশুর মৃত্যুসহ আরো অন্তত পাঁচ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। সোমবার সকালে উখিয়ার কুতুপালং ডি-রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৮ নম্বর পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

গত শনিবার থেকে উখিয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত শুরু চলছে। সেই সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়াও বইছে। শরণার্থীরা যেসব বাড়ি-ঘরে থাকেন, সেরকম অন্তত ৬০০ ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে ভূমিধসে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অনিয়ন্ত্রিত পাহাড় কাটার কারণে পরিস্থিতি বিরূপ আকার ধারণ করেছে। টেকনাফের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জি ব্লক, জি-সেভেন ব্লক, বালুখালী ক্যাম্প, টেংখালি এসব এলাকায় ভুমিধস ঘটেছে।
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে গত কয়েকদিন ধরে ঝোড়ো হাওয়া আর একটানা প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্বের জেলা কক্সবাজারে। এই জেলার টেকনাফে বসবাস করছেন সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী। কুতুপালং ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীরা জানান, যারা পাহাড়ের উপরে বা নিচে ঘর বেঁধেছিলেন তারা জখম হয়েছেন। যারা পাহাড়ের নিচে ঘর বানিয়েছেন তারা এখন বন্যার কবলে পড়েছেন।
৭০ কিলোমিটার গতির বাতাসের সঙ্গে ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসের কবলে পড়েছেন অন্তত ২ হাজার ৫শ’ মানুষ। এদের পাশাপাশি আরো প্রায় ১১ হাজার ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। গত শনিবার থেকে কক্সবাজার অঞ্চলে ৪শ’ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। টানা এ বর্ষণের কবলেই দিনযাপন করছেন রোহিঙ্গা শিবিরগুলোর ৯ লাখ শরণার্থীর সবাই।টেকনাফের শরণার্থীদের জন্য যে ক্যাম্পগুলো তৈরি করা হয়েছে সেগুলো অস্থায়ী ত্রিপলের ছাউনি এবং বেড়া দিয়ে নির্মিত। রেড ক্রিসেন্ট বলছে এখন সেখানে দুই লক্ষের মত মানুষ ভূমি ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলাদেশের সরকার এর আগে বলেছিল রোহিঙ্গাদের জন্য নোয়াখালীর ভাসানচরে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করছে তারা।বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ভাসানচরে সুনির্দিষ্ট মডেলে ঘরবাড়ি এবং সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে এক লাখ রোহিঙ্গা ভাসানচরে নেয়ার কথা জানানো হলেও ঠিক কবে নাগাদ সেটি শুরু হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ভারী বর্ষণে রোহিঙ্গা শিবিরে ভূমিধস, শিশু নিহতসহ আহত ৫ শতাধিক
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
দেশের দক্ষিণাঞ্চলে গত চারদিনের টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজার জেলার টেকনাফের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে ভূমিধসে এক শিশুর মৃত্যুসহ আরো অন্তত পাঁচ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। সোমবার সকালে উখিয়ার কুতুপালং ডি-রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৮ নম্বর পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

গত শনিবার থেকে উখিয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত শুরু চলছে। সেই সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়াও বইছে। শরণার্থীরা যেসব বাড়ি-ঘরে থাকেন, সেরকম অন্তত ৬০০ ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে ভূমিধসে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অনিয়ন্ত্রিত পাহাড় কাটার কারণে পরিস্থিতি বিরূপ আকার ধারণ করেছে। টেকনাফের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জি ব্লক, জি-সেভেন ব্লক, বালুখালী ক্যাম্প, টেংখালি এসব এলাকায় ভুমিধস ঘটেছে।
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে গত কয়েকদিন ধরে ঝোড়ো হাওয়া আর একটানা প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্বের জেলা কক্সবাজারে। এই জেলার টেকনাফে বসবাস করছেন সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী। কুতুপালং ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীরা জানান, যারা পাহাড়ের উপরে বা নিচে ঘর বেঁধেছিলেন তারা জখম হয়েছেন। যারা পাহাড়ের নিচে ঘর বানিয়েছেন তারা এখন বন্যার কবলে পড়েছেন।
৭০ কিলোমিটার গতির বাতাসের সঙ্গে ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসের কবলে পড়েছেন অন্তত ২ হাজার ৫শ’ মানুষ। এদের পাশাপাশি আরো প্রায় ১১ হাজার ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। গত শনিবার থেকে কক্সবাজার অঞ্চলে ৪শ’ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। টানা এ বর্ষণের কবলেই দিনযাপন করছেন রোহিঙ্গা শিবিরগুলোর ৯ লাখ শরণার্থীর সবাই।টেকনাফের শরণার্থীদের জন্য যে ক্যাম্পগুলো তৈরি করা হয়েছে সেগুলো অস্থায়ী ত্রিপলের ছাউনি এবং বেড়া দিয়ে নির্মিত। রেড ক্রিসেন্ট বলছে এখন সেখানে দুই লক্ষের মত মানুষ ভূমি ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলাদেশের সরকার এর আগে বলেছিল রোহিঙ্গাদের জন্য নোয়াখালীর ভাসানচরে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করছে তারা।বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ভাসানচরে সুনির্দিষ্ট মডেলে ঘরবাড়ি এবং সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে এক লাখ রোহিঙ্গা ভাসানচরে নেয়ার কথা জানানো হলেও ঠিক কবে নাগাদ সেটি শুরু হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।

সিরাজগঞ্জে বাস ও কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। আহত ১৫ জনের বেশি। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া দুইটার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও একজন নারী। হতাহত ব্যক্তিদের নাম–পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।
ওসি শহীদ আলম বলেন, সয়দাবাদ এলাকায় ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী শ্যামলী পরিবহনের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে চারজন মারা গেছেন।
শহীদ আলম বলেন, তাঁদের মধ্যে কাভার্ড ভ্যানের চালক ও তাঁর সহকারী রয়েছেন। বাসের যাত্রীদের মধ্যে মারা গেছেন দুজন। আর দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাসের ১৫ জনের মতো যাত্রী আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের দ্রুত উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

১৩ ও ১৪ জুনের টিকিটের জন্য হন্যে দূরপাল্লার যাত্রীরা
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
ঈদ উপলক্ষে আজ বুধবার থেকে দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। বাস কর্তৃপক্ষ ও টিকিটপ্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের আগে মূলত ১৩ ও ১৪ জুন—এই দুই দিনের টিকিটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। অন্যান্য দিনের বাসের টিকিট বিক্রি কম।
আজ বুধবার সকাল ছয়টা থেকে রাজধানীর বিভিন্ন বাস কাউন্টারে অগ্রিম টিকিট বিক্রি হয়েছে। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে টিকিটপ্রত্যাশীরা বাসের কাউন্টারগুলোর সামনে ভিড় করতে শুরু করেছেন।
কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডে কথা হয় নীলফামারীর বাসিন্দা আফতাব উদ্দিনের সঙ্গে। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন তিনি। তিনি বলেন, ঈদের আগে ১৪ জুন তাঁর শেষ অফিস। তাই ওই দিন তিনি বিকেলে বাসে উঠবেন। পরিবারকে আগেই পাঠিয়ে দেবেন তিনি।
বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শ্যামলী পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমেশ চন্দ্র ঘোষ প্রথম আলোকে বলেন, ‘বেশি মানুষ ১৪ জুনের টিকিট খুঁজছেন। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, ওই দিন ঈদের আগে শেষ অফিস। আমাদের কাউন্টারেও এসে অনেকে ওই দিনের টিকিট না পেয়ে চলে গেছেন। আমরাও ওই দিনের টিকিট দিতে হিমশিম খাচ্ছি।’
তবে কেউ কেউ ঈদের আগে এক দিন ছুটি নিয়ে ১৩ জুন ঢাকা ছেড়ে যাবেন। এমনই একজন গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর মো. মেরাজ হোসেন। সরকারি এই কর্মকর্তা বলেন, ‘কয়েক বছর ধরে দেখছি, ঈদের আগে মহাসড়কে অনেক যানজট হয়। এতে আমাদের বাড়ি পৌঁছাতে ২৫ থেকে ৩০ ঘণ্টা লেগে যায়। পরিবারকে কিছুটা সময় বাড়তি দিতে এক দিন আগেই ঢাকা ছাড়ছি। ঈদের পরপরই আবার ঢাকা চলে আসতে হবে।’
ঈদের আগে ১৪ জুনের টিকিটের পরপরই ১৩ জুনের টিকিটের চাহিদা বেশি বলে জানালেন এস আর ট্রাভেলসের সহকারী মহাব্যবস্থাপক প্লাবন রহমান। তাঁর প্রতিষ্ঠানের সব বাস উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় চলে। প্লাবন বলেন, বেশি লোক ১৪ জুনের টিকিট খুঁজছেন। তবে ওই দিনের টিকিট না পেয়ে ১৩ জুনের টিকিট চাইছেন। তবে আগাম টিকিট দেওয়ার প্রথম দিনেই ১৩ ও ১৪ জুনের টিকিট শেষ হয়ে গেছে বলে জানান তিনি। ওই দুই দিন বাদে অন্য দিনগুলোর টিকিটের চাহিদা তেমন নেই বলে জানান প্লাবন।
তবে চাকরিজীবীরা ঈদের ঠিক আগমুহূর্তে ঢাকা ছাড়ার প্রস্তুতি নিলেও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কিছুদিন আগেই ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছেন।
সকাল সাতটায় গাবতলী এলাকায় হানিফ কাউন্টারে গিয়ে দেখা গেছে, টিকিটপ্রত্যাশীদের দীর্ঘ সারি। সেখানে বাসের অগ্রিম টিকিট কাটতে এসেছিলেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী মিলন মাহমুদ। তিনি জানান, আগামী ১১ জুন ঢাকা ছেড়ে যাবেন। ঈদের আগে আগে যানজট ও ভোগান্তি বেড়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি এবার আগেই ঢাকা ছাড়ছেন।
হানিফ পরিবহনের মহাব্যবস্থাপক মো. মোশারফ হোসেন আজ সকাল আটটার দিকে বলেন, সকাল সোয়া ছয়টা থেকে তাঁরা অগ্রিম টিকিট দেওয়া শুরু করেছেন। ১৩ ও ১৪ জুনের টিকিটের চাহিদা বেশি। বিভিন্ন গন্তব্যের এই দুই দিনের টিকিট সকাল ১০টার মধ্যে প্রায় শেষ হয়ে যাবে বলে তাঁর ধারণা। ছুটি ভাগ করে দিলে টিকিটের চাপ কম হতো বলে মনে করেন মোশারফ হোসেন।

ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ১ জুন
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এবার ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু হবে ১ জুন থেকে। চলবে ৬ জুন পর্যন্ত। আর ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১০ জুন, চলবে ১৫ জুন পর্যন্ত।
আজ বৃহস্পতিবার রেলভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, ১৬ জুন ঈদের সম্ভাব্য দিন ধরে ১ জুন থেকে টিকেট বিক্রির সূচি ঠিক করা হয়েছে।
সে হিসেবে ঈদে বাড়ি গমনেচ্ছু যাত্রীদের ১ জুন দেয়া হবে ১০ জুনের (রবিবার) টিকিট। ২ জুন দেয়া হবে ১১ জুনের (সোমবার), ৩ জুন দেয়া হবে ১২ জুনের (মঙ্গলবার), ৪ জুন দেয়া হবে ১৩ জুনের (বুধবার), ৫ জুন দেয়া হবে ১৪ জুনের (বৃহস্পতিবার) এবং ৬ জুন দেয়া হবে ১৫ জুনের (শুক্রবার) টিকিট।
আর ঈদ উদযাপন শেষে কর্মস্থলে গমনেচ্ছু যাত্রীদের ১০ জুন দেয়া হবে ১৯ জুনের, ১১ জুনে দেয়া হবে ২০ জুনের, ১২ জুনে ২১ জুনের, ১৩ জুনে ২২ জুনের, ১৪ জুনে ২৩ জুনের এবং ১৫ জুনে দেওয়া হবে ২৪ জুনের ফিরতি টিকিট।
ঢাকার কমলাপুরের পাশাপাশি বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম সিলেট, খুলনা, যশোর ঈশ্বরদী, রাজশাহী, দিনাজপুর, লালমনিরহাটসহ বড় স্টেশনগুলো থেকেও অগ্রিম টিকেট বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন মুজিবুল হক।

পশ্চিমবঙ্গকে আরেক বাংলাদেশ বানাচ্ছেন মমতা !
                                  

ভারতের পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে আরেকটি বাংলাদেশ বানাচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছে দেশটির বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। রাম নবমীর র‌্যালিকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে সহিংস সংঘাত হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সতর্ক করে ওই কথা বলেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। পাশাপাশি বিজেপি নেতারা মমতার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বলেছেন, তিনি রাষ্ট্রীয় মদতে হিন্দুদের ওপর সন্ত্রাস লেলিয়ে দিয়েছেন। ডিএনএ।

মমতাকে টার্গেট করে বক্তব্য রাখছেন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার থেকে শুরু করে রাজ্য বিজেপি নেতারা। এর মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জভেদকার। তারা বলছেন, যখন পশ্চিমবঙ্গ জ্বলছে, তখন দিল্লিতে বলে রাজনীতির তৃতীয় ফ্রন্ট করছেন মমতা। প্রকাশ জাভেদকার বলেন, পশ্চিমবঙ্গ জ্বলছে। আর অন্যদিকে এ রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে থাকা মুখ্যমন্ত্রী দিল্লিতে বসে রাজনীতি করছেন। মমতা তো নিরোর মতোই। রোম যখন জ্বলছিল নিরো তখন বাঁশী বাজাচ্ছিল।

মমতাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, যদি রাজনীতি করতে চান। তাহলে করেন। এক্ষেত্রে প্রথমেই পশ্চিমবঙ্গের আগুন নিভান। নিরপরাধ রামভক্তদের ওপর এই সহিংসতা শুরু করেছেন তার নিজের লোকেরাই। আইন শৃংখলা ভেঙে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে। ওদিবে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক বিষয়ক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈন বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, তারা হিন্দুত্ববিরোধিতা সহ্য করবেন না। ধর্মনিরপেক্ষতার নামে জাতীয়তাবেিরাধী কর্মকান্ড সহ্য করবেন না।

কাঁচা ও পাকা পেঁপে খুব উপকারি
                                  

পেঁপে  বাংলাদেশের জায়গা পাওয়া যায় ।পেপের উপকারিতা অনেক।পেঁপে একটি সবজি বা ফল আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী । কাঁচা অবস্থায় পেঁপে সবজি আর পাকা অবস্থায় ফল। এই জন্য পেঁপেকে ফলের রাজা বলা হয়। পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণ মিনারেল, অ্যানটিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন রয়েছে যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। শুধু তাই নয়, পেঁপেকে ভিটামিনের স্টোর বলা হয়।জেনে নিন পেপের উপকারিতা গুলো।

পাকা পেঁপে কালো দাগ দূর করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। পাকা এক টুকরো পেঁপে নিয়ে আক্রান্ত স্থানে ভালো করে ঘষে দিন। আধা ঘণ্টা রাখুন, তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ৩/৪ বার এভাবে করতে থাকেন। পেঁপেতে থাকা প্যাপিন মরা কোষ দূর করে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করে তোলে।

হজমের গোলমাল একটি ব্যাপক সমস্যা। হজমশক্তি কমে গেলে অম্বল হয়ে যায়, মুখে চোকা ঢেকুর ওঠে, পেট ব্যথা শুরু হয়। কখনো চিনচিনে ব্যথা, কখনো ভয়ঙ্কর ব্যথা হয়। কখনো কোষ্ঠ পরিষ্কার হয় না আর কখনো পেট খারাপ হয়। শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, শরীরে অবসাদ দেখা দেয়। পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম আছে যা খাবার হজমে সহায়তা করে থাকে। এছাড়াও প্রচুর পানি ও দ্রবণীয় ফাইবার আছে। যার ফলে হজমের সমস্যায় যে সকল মানুষ ভুগে থাকেন তাঁরা নিয়মিত পাকা বা কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন। এক্ষেত্রে পেঁপে খুব উপকারি।

রক্ত আমাশয় দেহের অনেক বড় সমস্যা। প্রত্যেহ সকালে কাঁচা পেঁপের আঠা ৫/৭ ফোঁটা ৫/৬ টি বাতাসার সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। ২/৩ দিন খাওয়ার পর রক্তপড়া কমতে থাকবে।

যে কোনো প্রকারের ক্রিমি হলে, পেঁপের আঠা ১৫ ফোঁটা ও মধু ১চা চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। এরপর আধা ঘন্টা পরে উঞ্চ পানি আধ কাপ খেয়ে তারপরে ১ চামচ বাখারি (শসা-ক্ষীরার মতো এর স্বাদ) চুনের পানি খেতে হয়। এভাবে ২ দিন খেলে ক্রিমির উপদ্রব কমে যাবে। ক্রিমি বিনাশের ক্ষেত্রে পেঁপে এটি ফলপ্রদ ওষুধ।

আমাশয় ও পেটে যন্ত্রনা থাকলে কাঁচা পেঁপের আঠা ৩০ ফোঁটা ও ১ চামচ চুনের পানি মিশিয়ে তাতে একটু দুধ দিয়ে খেতে হবে। একবার খেলেই পেটের যন্ত্রনা কমে যাবে এবং আমাশয় কমে যাবে । আমাশয় থেকে মুক্তি পাওয়ার অদ্ভুত শক্তি আছে কাঁচা পেঁপের আঠায়।

এই অবস্থা হলে ৩০ ফোঁটা পেঁপের আঠাতে এক চামচ চিনি মিশিয়ে এক কাপ পানিতে ভালো করে নেড়ে মিশ্রণটি সারাদিনে ৩বার খেতে হবে। ৪/৫ দিনের পর থেকে যকৃতের বৃদ্ধিটা কমতে থাকবে, তবে ৫/৬ দিন খাওয়ার পর সপ্তাহে ২ দিন খাওয়াই ভালো। এভাবে ১ মাস খেলে ভাল ফল পাওয়া যাবে।

পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি ও ই। এই ভিটামিন গুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। এছাড়া পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ যা চোখের জন্য উপকারী।

কেটে ফেলা চুলে কোটি টাকার ব্যবসা
                                  

বাংলাদেশে গ্রাম থেকে শহরে মানুষের মাথার চুল বিশেষ করে মেয়েদের ঝরে পড়া চুল সংগ্রহ করার ঘটনা নতুন নয়। তার ওপর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিউটি পার্লারগুলোতে কিংবা সেলুনে প্রতিনিয়ত কাটা হচ্ছে বহু মানুষের চুল। আর এসব ফেলনা চুল দিয়েই আসছে টাকা।

শুধু দেশের বাজারই এ দিয়ে ব্যবসা হচ্ছে তা নয়, আসছে শত-কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর হিসাবে, গত অর্থবছরে বিভিন্ন দেশে এই চুল রফতানি করে আয় হয়েছে এক কোটি ৯০ লাখ ডলার অর্থাৎ ১৫০ কোটি টাকারও বেশি।

ঢাকার ধানমন্ডির একটি পুরনো পার্লার লি। সেখানে বেলা ১১টার পর গিয়ে দেখা যায় যে কজন নারী সার্ভিস নিতে এলেন তারা বেশিরভাগই আসেন চুল কাটাতে। ক্লায়েন্টদের চুল কাটছেন কর্মীরা আর কিছুক্ষণ পরপর মেঝেতে জমা হওয়া কাটা চুল ঝাড়ু দিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন পরিচ্ছন্ন-কর্মীরা। কিন্তু এসব চুল যায় কোথায়?

লি বিউটি পার্লারের হিসাব বিভাগের পরিচালক বাদল শিমশাং জানান, ‘কাটা চুল কিছুদিন আগ পর্যন্ত বস্তায় ভরে কিনে নিয়ে যেত একদল লোক। তবে এখন আর ছোট চুলের চাহিদা নেই। বড় চুল কেউ কাটলে পার্লারের মেয়েরা সেগুলো সংরক্ষণ করেন এবং বিক্রি করেন।’

কলাবাগান এলাকার একজন নারী বলেন, মেয়েদের ঝড়ে পড়া চুল নিয়ে যায় ফেরিওয়ালারা। বিনিময়ে ক্লিপ, সেফটিপিন, স্টিলের বাটি, চামচ এগুলো দেয়। ঢাকার খিলগাঁওয়ের রেলগেট সংলগ্ন হেয়ারি নামে উইগ তৈরির কারখানার উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউর রহমান ২২ বছর আগে শুরু করেছিলেন কাজটি। তখন দোকানে দোকানে গিয়ে তিনি ফ্যাশন ডলের মাথায় উইগ বসানোর জন্য সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতেন। আর এখন তার কাছে প্রতিদিনই কেউ না কেউ আসছেন উইগের খোঁজে।

তিনি বলেন, ‘এখন বিভিন্ন বয়সের মানুষেরা আসছেন নিজেদের মাথার উইগ বা পরচুলা তৈরির জন্য। কেউ চাকরির ইন্টারভিউ দেবেন বা বিয়ের পাত্রী দেখতে যাবেন, আবার কেউ টেলিভিশনে খবর পরবেন এমন অনেকে নিচ্ছেন উইগ। এছাড়া দেশের বাইরে থেকে তাদের কাছে অর্ডার আসছে।’ কাটা চুল কেজি প্রতি তিন-চার কিংবা ৫০০০ টাকাতেও বেচা-কেনা চলছে। তবে চুলের আকার হতে হবে আট ইঞ্চি লম্বা। বর্তমানে কোনো কোনো কোম্পানি এই চুল আইল্যাশ বা চোখের পাপড়ি তৈরিতে ব্যবহার করছে। ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বাইরে সবচেয়ে বেশি এ ধরনের চুল যাচ্ছে ভারতে।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর তালিকায় উইগ এবং হিউম্যান হেয়ারকে অপ্রচলিত পণ্য হিসেবে বলা হচ্ছে। ইপিবির পরিচালক আবদুুর রউফ বলেন, রাজশাহী নওগাঁ, চুয়াডাঙ্গাসহ উত্তরাঞ্চলের অনেক জায়গাতে ফেলে দেওয়া চুল হয়ে উঠেছে অনেকের রোজগারের উৎস। মূলত স্বাধীনতার পর থেকেই এই ব্যবসাটি চলে আসছিল। তবে তা সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে পড়তে থাকে ১৯৯৯-২০০০ সালের পর থেকে।

আর রফতানি করে সবচেয়ে বেশি মুদ্রা এসেছে ২০১৫ -১৬ অর্থবছরে এক কোটি ১৪ লাখ মার্কিন ডলার। বর্তমানে চীনসহ কিছু দেশ বাংলাদেশে এসে এই খাতে বিনিয়োগও করছে। ফলে ছোট একটি খাত হলেও সেটি ধীরে ধীরে তা সম্ভাবনা জাগাচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

অল্পতে চোখে পানি চলে আসা বিশেষ গুণের লক্ষণ
                                  

স্বাভাবিক ব্যাপারে অল্পতে চোখে পানি চলে আসা বিশেষ গুণের লক্ষণ বলছেন মনোবিদরা। মানুষের অনুভূতি ও আবেগ থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু এই আবেগ কারোর বেশি থাকে, কারও বা কম। কেউ আবার আবেগপ্রবণ হলেও তা সবার সামনে প্রকাশ করতে পারেন না। আবার অনেকেই আছেন, যাদের অন্যের দুঃখ দেখেও চোখে পানি আসে। এক কথায় এরা খুবই সংবেদনশীল এবং আবেগপ্রবণ হন। কিন্তু এদের দুর্বল বলে মনে করে সমাজের বড় একটি অংশ।

মনোবিদরা আবার অন্যরকম মনে করেন। সম্প্রতি একটি গবেষণার মাধ্যমে মনোবিদরা জানতে পেরেছেন, যাঁরা অতিরিক্ত মাত্রায় কাঁদেন তাদের মধ্যে কয়েকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকে। এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হল সেই সম্পর্কে বিস্তারিত-

১। মনের মধ্যে কোনও কষ্ট জমে থাকলে তা খুবই ক্ষতিকারক। উল্টোদিকে যারা কেঁদে নিজের কষ্ট বের করে ফেলতে পারেন, তাদের পক্ষে সেই কষ্ট থেকে বেরিয়ে আসাও তুলনামূলক ভাবে সহজ। জীবনে বড় কোনও ধাক্কা খাওয়ার পরে মুহূর্তের জন্য কাঁদলেও, এরা সেই কষ্ট থেকে বেরিয়ে আসেত পারেন সহজে।

২। অনেকের ধারণা যারা কাঁদেন তারা ভীতু হন। কিন্তু মনোবিদরা উলটো মনে করেন। তাদের মতে, যারা কাঁদেন, তারা সাহসী হন। নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে তারা ভয় পান না। অনেকে কান্না চেপে রাখেন নিজেকে দুর্বল হিসেবে লোকের সামনে দেখাতে চান না তাই। কিন্তু যারা সমস্ত দুঃখ-কষ্টকে মেনে নিয়ি কাঁদতে ভয় বা লজ্জ্বা পান না, তারাই সাহসী।

৩। যারা বেশি কাদেন তারা জীবনে সমতা বজায় রাখতে সক্ষম হন। এরা জানেন কেঁদে মনের ভার হালকা করলে জীবনের পথে চলতে তাদের সুবিধাই হবে। উল্টোদিকে যারা না কেঁদে, কষ্ট ভেতরে আটকে রাখেন তাদের মাথায় ও জীবনে সেই কষ্ট বেশি প্রভাব ফেলে।

ইরানে পুলিশের জন্যে টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার
                                  

ইরানের পুলিশের জন্যে অত্যাধুনিক টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ি দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ যাতে দ্রুত ও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারে সেজন্যে এধরনের ব্যয়বহুর গাড়ি পাচ্ছে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ব্যস্ত সময় দায়িত্ব পালন যাতে নিষ্ঠার সাথে পুলিশ করতে পারে সেজন্যে এ ব্যবস্থা। ফিনান্সিয়াল ট্রিবিউন

ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিম বলছে, জাপানি গাড়ি হিসেবে এধরনের ল্যান্ড ক্রুজার বেশ টেকসই ও দীর্ঘদিন সেবা দিতে সক্ষম। তাই পুলিশ এধরনের গাড়ি পেলে সেবার মান বাড়াতে তা সহায়ক হবে। তবে এধরনের আধুনিক গাড়ি পুলিশকে দেওয়ার ব্যাপারে কিছু সমালোচনা রয়েছে। মাজদা থ্রি. কিয়া সেরাতো, সুযোকির গ্রান্ড ভিটারা, স্থানীয়ভাবে তৈরি সামান্ড ও পিগট ২০৬ ধরনের গাড়িও ইরানের পুলিশ ব্যবহার করে আসছে। পুলিশ যাতে ভালভাবে জনসেবা দিতে পারে তা নিশ্চিত করতেই তাদের টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ি দেওয়া হচ্ছে। ফিনান্সিয়াল ট্রিবিউন

দিনের শুরুতে কী করবেন?
                                  

রাত শেষ হয়ে আসে দিন। দিনের সূর্য উঁকি দেয় আকাশের বুকে। তবে সকালে ঘুম ভাঙ্গার পর প্রথম কোন কথাটা মাথায় আসে? চাকুরীজীবীদের মনে পড়ে অফিস, কাজ এবং ছোটাছুটি। আর শিক্ষার্থীদের মনে আসে ক্লাস, পরীক্ষার ব্যস্ততা। এতসব নেতিবাচক চিন্তা আপনার মন মেজাজ খারাপ করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

তাই দিনের শুরুটা ইতিবাচক, সুন্দর কিছু চিন্তা করে শুরু করুন। দেখবেন একটি সাফল্যময় সুন্দর দিন কাটাচ্ছেন আপনি। তাই আসুন দেখি, কিভাবে আপনি ইতিবাচকভাবে দিনের শুরুটা করতে পারেন।

পানি পান : সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে কয়েক গ্লাস পানি পান করুন। এটি আপনার এনার্জি বৃদ্ধি করবে। এবং আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে। সম্ভব হলে কুসুম গরম পানির সাথে লেবুর রস এবং মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন। এটি হজমশক্তি বৃদ্ধি করে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখবে। তবে গ্যাসের সমস্যা থাকলে লেবু পানি পান করা থেকে বিরত থাকুন।

বর্তমানকে গুরুত্ব দিন : গতকাল কি হয়ছে, কেন হয়ছে তা ভুলে যান। আজকে কি করবেন তা কীভাবে করবেন তা চিন্তা করুন। গতকাল আপনি পরিবর্তন করতে পারবেন না। তাই সেটা চিন্তা করে সময় নষ্ট করা উচিত নয়।

হালকা ব্যায়াম : দিনের শুরুতে হালকা কিছু ব্যায়াম দিয়ে শুরু করুন। ব্যায়াম করতে পারলে আপনার সারা দিন ঝরঝরে এবং সুন্দর কাটবে। ১৫/২০ সেকেন্ড আপানার পায়ের পাতা ডান দিক থেকে বাম দিকে আবার বাম দিক থেকে ডান দিকে ঘোরান। এটি করলে আপানার সারা রাতের ঘুমিয়ে থাকা ম্যাসলের জড়তা কেটে যায় এবং হাঁটাহাঁটি করতে কোন সমস্যা হয় না। এছাড়া কিছুক্ষণ বারান্দায় হাঁটাহাঁটিও করতে পারেন। এতেও আপনার মাংস পেশীর জড়তা কাটাতে সাহায্য করে থাকে।

ইতিবাচক চিন্তা : যা পেয়েছেন, যার জন্য আপনি কৃতজ্ঞ এমন জিনিসের লিস্ট মনে মনে তৈরি করুন। এটি আপনার মন ভাল করে কাজের শক্তি দেবে। নেতিবাচক চিন্তা দূর করে জীবনের ইতিবাচক দিক খুঁজে বের করুন। দেখবেন দিনটি সুন্দর হয়ে গেছে।

সাস্থ্যসম্মত সকালের নাস্তা : সকালে অনেকে তেলে ভাজা পরোটা খেতে পছন্দ করে। এটি সুস্বাদু হতে পারে তবে এটি স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও উপকারি নয়। রুটি, ফল, ফলের জুস, অথবা ওটস দিয়ে দিনের শুরুর নাস্তাটা হতে পারে। অনেকেই তাড়াহুড়া করে সকালের নাস্তা না করে ঘর থেকে বের হয়ে যান। এই কাজটি স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর।

বৃষের দুশ্চিন্তা, ধনুর কর্মব্যস্ততা
                                  

মানুষের কর্মই নিয়ন্ত্রণ করে তার ভাগ্যকে। জ্যোতিষশাস্ত্র কেবল কিছু সূত্র ধরে সম্ভাবনার পথ বাতলে দেয়। আসুন, রাশিচক্র অনুযায়ী জেনে নেয়া যাক আজকের দিনটি আপনার কেমন যাবে?

মেষ (২১ মার্চ - ২০ এপ্রিল):
সকাল সকালই কোনো পরোপকার করতে পারেন। মানসিক প্রশান্তি বৃদ্ধি পাবে। কর্ম সংক্রান্ত কোনো ঝামেলার অবশান হতে চলেছে। শুভ বৃহস্পতি ও চন্দ্রর প্রভাবে আজ আপনার সুনাম ও সম্মান বৃদ্ধি পাবে। সন্ধা থেকে ব্যবসায়ীক বকেয়া টাকা আদায় হতে শুরু করবে। বকেয়া বেতন বোনাস লাভের যোগ বলবান। সঞ্চয়ের প্রচেষ্টা সফল হতে পারে। বাড়িতে শ্যালক শ্যালিকার আগমন হতে পারে।

বৃষ (২১ এপ্রিল - ২১ মে):
সকালের দিকে কিছুটা দুশ্চিন্তায় থাকতে পারেন। দূরে কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করতে হতে পারে। আজ ট্রাভেল এজেন্ট ও ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ীরা অপ্রত্যাশিত ঝামেলার সম্মূখীন হতে পারেন। বিকেল থেকে আপনার সময় বলবান হয়ে উঠবে। কাজ কর্মের ঝামেলা কমে আসতে থাকবে। কর্মস্থলে আপনার দায়িত্ব বৃদ্ধি পাবে। রাজনৈতিক কাজে সফলতা আসবে।

মিথুন (২২ মে – ২১ জুন):
বকেয়া বিল আদায়ের চেষ্টা সফল হতে পারে। ঠিকাদারদের অপ্রত্যাশিত ভাবে নতুন কাজের সুযোগ চলে আসতে পারে। বড় ভাই বা বন্ধুর সাহায্যে পাওনা টাকা আদায় করতে পারবেন। বিকেলের পর থেকে ব্যয় কিছুটা বাড়তে পারে। কোনো আপ্যায়নে আর্থব্যয় করতে হচ্ছে। বিদেশ যাত্রা বা দূরের যাত্রার সুযোগ আসবে।

কর্কট (২২ জুন – ২২ জুলাই):
আজ চাকরিতে কোনো ভালো ঘটনা ঘটতে পারে। আয় উন্নতি বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। বেকারদের স্কুল বা কলেজে চাকরি পাওয়ার যোগ বলবান। আজ ব্যাংকার ও আয়কর আইনজীবীদের ভালো আয় রোজগার হতে চলেছে। বিকালে কোনো বন্ধুর সাহায্য পেতে পারেন। কোনো সামাজিক কাজে অংশ নিতে হতে পারে।

সিংহ (২৩ জুলাই - ২৩ আগস্ট):
উচ্চ শিক্ষার্থে বিদেশ গমন যোগ দেখা যায়। বৈদেশীক বাণিজ্যে আয় রোজগার বাড়বে। ধর্মীয় ও আধ্যাত্মীক কাজে কোথাও যেতে পারেন। বিকালের পর বিদেশী প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পেতে পারেন। চাকরিজীবীরা কর্মস্থলে কোনো ভালো সংবাদ আশা করতে পারেন। রাজনৈতিক কাজে সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে।

কন্যা (২৪ আগস্ট – ২৩ সেপ্টেম্বর):
বীমা বা শেয়ার বাণিজ্য থেকে ভালো আয় হতে পারে। উইলকৃত ভূমি পেতে পারেন। আজ চিকিৎক ও ঔষধ বিক্রেতাদের আয় উন্নতি বৃদ্ধি পাবে। দুপরের পর ভাগ্য আপনার সহায় হবে। জীবীকার জন্য বিদেশ যাত্রার ভিসা পেতে পারেন। কোনো আধ্যাত্মীক সাধকের দোয়া ও আশীর্বাদ লাভের যোগ প্রবল।

তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর – ২৩ অক্টোবর):
কর্ম ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। ব্যবসায় ভালো বেচাকেনা করতে পারবেন। ব্যবসায়ীক অংশীদারের কারণে লাভবান হতে চলেছেন। অবিবাহিতদের হটাৎ বিয়ের যোগ। দুপরের পর ব্যাংকারদের সময় কিছুটা ঝামেলাপূর্ণ হতে পারে। ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যবসায়ীরা কিছু দুঃশ্চিন্তায় ভুগতে পারেন। ঝুকি পূর্ণ বিনিয়োগে লোকসানে পড়তে পারেন।

বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর – ২২ নভেম্বর):
কাজের লোকের সাহায্য পেতে পারেন। অধীনস্ত কোনো কর্মচারীর বিশ্বস্ততার কারণে বড় রকমের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে যাচ্ছেন। কোনো হারানো দ্রব্য ফেরত পেতে পারেন। বিকালে ব্যবসায়ীদের বেচাকেনা বৃদ্ধি পাবে। জীবন সাথীর পূর্ণ সাহায্য পাবেন। অংশীদারি চুক্তিতে লাভবান হতে পারেন। হটাৎ বিবাহের যোগ দেখা যায়।

ধনু (২৩ নভেম্বর – ২১ ডিসেম্বর):
কাজের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। সৃজনশীল পেশার সঙ্গে সম্পৃক্তদের দিনটি ব্যস্ততার। প্রেম ও রোমান্স শুভ। বিকালের পর সময় কিছুটা প্রতিকূল। হটাৎ করে কর্মস্থলে সহকর্মীদের সঙ্গে ঝামেলা হতে পারে। রাগ ও জেদের কারণে অসুস্থ্য হয়ে পড়তে পারেন। অনৈতিক সম্পর্কের কারণে মানহানির আশঙ্কা দেখা যায়।

মকর (২২ ডিসেম্বর – ২০ জানুয়ারি):
ভূমি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত কাজে অগ্রগতি হতে পারে। গৃহের জন্য কোনো আসবাব পত্র ক্রয় করতে পারেন। মায়ের শরীর স্বাস্থ্য ভালো হয়ে উঠবে। বিকালে বিদ্যার্থীদের সময় ভালো যাবে। রোমান্টিক যোগাযোগ শুভ।

কুম্ভ (২১ জানুয়ারি – ১৮ ফেব্রুয়ারি):
আর্থিক অবস্থা ভালো যাবে। কোনো কাজের মধ্যস্ততা করায় কিছু কমিশন লাভের যোগ রয়েছে। সাংবাদিক ও ছাপাখানার মালিকদের ভালো আয় হবে। বিকালে গৃহস্থালী বা পারিবারিক কোনো কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। বাড়িতে কোনো আত্মীয়র আগমন হতে পারে। সাংসারিক কাজে জাতিকাদের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে।

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি – ২০ মার্চ):
দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। কোনো বকেয়া বিল আদায় হতে পারে। খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায় ভালো আয় হবে। বিকালের পরথেকে সময় কিছুটা বলবান বলা যায় কোনো প্রতিবেশীর বাড়িতে বেড়াতে যেতে পারেন। সাহিত্যিক ও প্রকাশকদের বই মেলায় ভালো বেচাকেনা হতে পারে।

মানুষের কর্মই নিয়ন্ত্রণ করে তার ভাগ্যকে। জ্যোতিষশাস্ত্র কেবল কিছু সূত্র ধরে সম্ভাবনার পথ বাতলে দেয়। আসুন, রাশিচক্র অনুযায়ী জেনে নেয়া যাক আজকের দিনটি আপনার কেমন যাবে?

মেষ (২১ মার্চ - ২০ এপ্রিল):
সকাল সকালই কোনো পরোপকার করতে পারেন। মানসিক প্রশান্তি বৃদ্ধি পাবে। কর্ম সংক্রান্ত কোনো ঝামেলার অবশান হতে চলেছে। শুভ বৃহস্পতি ও চন্দ্রর প্রভাবে আজ আপনার সুনাম ও সম্মান বৃদ্ধি পাবে। সন্ধা থেকে ব্যবসায়ীক বকেয়া টাকা আদায় হতে শুরু করবে। বকেয়া বেতন বোনাস লাভের যোগ বলবান। সঞ্চয়ের প্রচেষ্টা সফল হতে পারে। বাড়িতে শ্যালক শ্যালিকার আগমন হতে পারে।

বৃষ (২১ এপ্রিল - ২১ মে):
সকালের দিকে কিছুটা দুশ্চিন্তায় থাকতে পারেন। দূরে কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করতে হতে পারে। আজ ট্রাভেল এজেন্ট ও ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ীরা অপ্রত্যাশিত ঝামেলার সম্মূখীন হতে পারেন। বিকেল থেকে আপনার সময় বলবান হয়ে উঠবে। কাজ কর্মের ঝামেলা কমে আসতে থাকবে। কর্মস্থলে আপনার দায়িত্ব বৃদ্ধি পাবে। রাজনৈতিক কাজে সফলতা আসবে।

মিথুন (২২ মে – ২১ জুন):
বকেয়া বিল আদায়ের চেষ্টা সফল হতে পারে। ঠিকাদারদের অপ্রত্যাশিত ভাবে নতুন কাজের সুযোগ চলে আসতে পারে। বড় ভাই বা বন্ধুর সাহায্যে পাওনা টাকা আদায় করতে পারবেন। বিকেলের পর থেকে ব্যয় কিছুটা বাড়তে পারে। কোনো আপ্যায়নে আর্থব্যয় করতে হচ্ছে। বিদেশ যাত্রা বা দূরের যাত্রার সুযোগ আসবে।

কর্কট (২২ জুন – ২২ জুলাই):
আজ চাকরিতে কোনো ভালো ঘটনা ঘটতে পারে। আয় উন্নতি বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। বেকারদের স্কুল বা কলেজে চাকরি পাওয়ার যোগ বলবান। আজ ব্যাংকার ও আয়কর আইনজীবীদের ভালো আয় রোজগার হতে চলেছে। বিকালে কোনো বন্ধুর সাহায্য পেতে পারেন। কোনো সামাজিক কাজে অংশ নিতে হতে পারে।

সিংহ (২৩ জুলাই - ২৩ আগস্ট):
উচ্চ শিক্ষার্থে বিদেশ গমন যোগ দেখা যায়। বৈদেশীক বাণিজ্যে আয় রোজগার বাড়বে। ধর্মীয় ও আধ্যাত্মীক কাজে কোথাও যেতে পারেন। বিকালের পর বিদেশী প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পেতে পারেন। চাকরিজীবীরা কর্মস্থলে কোনো ভালো সংবাদ আশা করতে পারেন। রাজনৈতিক কাজে সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে।

কন্যা (২৪ আগস্ট – ২৩ সেপ্টেম্বর):
বীমা বা শেয়ার বাণিজ্য থেকে ভালো আয় হতে পারে। উইলকৃত ভূমি পেতে পারেন। আজ চিকিৎক ও ঔষধ বিক্রেতাদের আয় উন্নতি বৃদ্ধি পাবে। দুপরের পর ভাগ্য আপনার সহায় হবে। জীবীকার জন্য বিদেশ যাত্রার ভিসা পেতে পারেন। কোনো আধ্যাত্মীক সাধকের দোয়া ও আশীর্বাদ লাভের যোগ প্রবল।

তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর – ২৩ অক্টোবর):
কর্ম ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। ব্যবসায় ভালো বেচাকেনা করতে পারবেন। ব্যবসায়ীক অংশীদারের কারণে লাভবান হতে চলেছেন। অবিবাহিতদের হটাৎ বিয়ের যোগ। দুপরের পর ব্যাংকারদের সময় কিছুটা ঝামেলাপূর্ণ হতে পারে। ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যবসায়ীরা কিছু দুঃশ্চিন্তায় ভুগতে পারেন। ঝুকি পূর্ণ বিনিয়োগে লোকসানে পড়তে পারেন।

বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর – ২২ নভেম্বর):
কাজের লোকের সাহায্য পেতে পারেন। অধীনস্ত কোনো কর্মচারীর বিশ্বস্ততার কারণে বড় রকমের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে যাচ্ছেন। কোনো হারানো দ্রব্য ফেরত পেতে পারেন। বিকালে ব্যবসায়ীদের বেচাকেনা বৃদ্ধি পাবে। জীবন সাথীর পূর্ণ সাহায্য পাবেন। অংশীদারি চুক্তিতে লাভবান হতে পারেন। হটাৎ বিবাহের যোগ দেখা যায়।

ধনু (২৩ নভেম্বর – ২১ ডিসেম্বর):
কাজের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। সৃজনশীল পেশার সঙ্গে সম্পৃক্তদের দিনটি ব্যস্ততার। প্রেম ও রোমান্স শুভ। বিকালের পর সময় কিছুটা প্রতিকূল। হটাৎ করে কর্মস্থলে সহকর্মীদের সঙ্গে ঝামেলা হতে পারে। রাগ ও জেদের কারণে অসুস্থ্য হয়ে পড়তে পারেন। অনৈতিক সম্পর্কের কারণে মানহানির আশঙ্কা দেখা যায়।

মকর (২২ ডিসেম্বর – ২০ জানুয়ারি):
ভূমি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত কাজে অগ্রগতি হতে পারে। গৃহের জন্য কোনো আসবাব পত্র ক্রয় করতে পারেন। মায়ের শরীর স্বাস্থ্য ভালো হয়ে উঠবে। বিকালে বিদ্যার্থীদের সময় ভালো যাবে। রোমান্টিক যোগাযোগ শুভ।

কুম্ভ (২১ জানুয়ারি – ১৮ ফেব্রুয়ারি):
আর্থিক অবস্থা ভালো যাবে। কোনো কাজের মধ্যস্ততা করায় কিছু কমিশন লাভের যোগ রয়েছে। সাংবাদিক ও ছাপাখানার মালিকদের ভালো আয় হবে। বিকালে গৃহস্থালী বা পারিবারিক কোনো কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। বাড়িতে কোনো আত্মীয়র আগমন হতে পারে। সাংসারিক কাজে জাতিকাদের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে।

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি – ২০ মার্চ):
দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। কোনো বকেয়া বিল আদায় হতে পারে। খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায় ভালো আয় হবে। বিকালের পরথেকে সময় কিছুটা বলবান বলা যায় কোনো প্রতিবেশীর বাড়িতে বেড়াতে যেতে পারেন। সাহিত্যিক ও প্রকাশকদের বই মেলায় ভালো বেচাকেনা হতে পারে।

মানুষের কর্মই নিয়ন্ত্রণ করে তার ভাগ্যকে। জ্যোতিষশাস্ত্র কেবল কিছু সূত্র ধরে সম্ভাবনার পথ বাতলে দেয়। আসুন, রাশিচক্র অনুযায়ী জেনে নেয়া যাক আজকের দিনটি আপনার কেমন যাবে?

মেষ (২১ মার্চ - ২০ এপ্রিল):
সকাল সকালই কোনো পরোপকার করতে পারেন। মানসিক প্রশান্তি বৃদ্ধি পাবে। কর্ম সংক্রান্ত কোনো ঝামেলার অবশান হতে চলেছে। শুভ বৃহস্পতি ও চন্দ্রর প্রভাবে আজ আপনার সুনাম ও সম্মান বৃদ্ধি পাবে। সন্ধা থেকে ব্যবসায়ীক বকেয়া টাকা আদায় হতে শুরু করবে। বকেয়া বেতন বোনাস লাভের যোগ বলবান। সঞ্চয়ের প্রচেষ্টা সফল হতে পারে। বাড়িতে শ্যালক শ্যালিকার আগমন হতে পারে।

বৃষ (২১ এপ্রিল - ২১ মে):
সকালের দিকে কিছুটা দুশ্চিন্তায় থাকতে পারেন। দূরে কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করতে হতে পারে। আজ ট্রাভেল এজেন্ট ও ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ীরা অপ্রত্যাশিত ঝামেলার সম্মূখীন হতে পারেন। বিকেল থেকে আপনার সময় বলবান হয়ে উঠবে। কাজ কর্মের ঝামেলা কমে আসতে থাকবে। কর্মস্থলে আপনার দায়িত্ব বৃদ্ধি পাবে। রাজনৈতিক কাজে সফলতা আসবে।

মিথুন (২২ মে – ২১ জুন):
বকেয়া বিল আদায়ের চেষ্টা সফল হতে পারে। ঠিকাদারদের অপ্রত্যাশিত ভাবে নতুন কাজের সুযোগ চলে আসতে পারে। বড় ভাই বা বন্ধুর সাহায্যে পাওনা টাকা আদায় করতে পারবেন। বিকেলের পর থেকে ব্যয় কিছুটা বাড়তে পারে। কোনো আপ্যায়নে আর্থব্যয় করতে হচ্ছে। বিদেশ যাত্রা বা দূরের যাত্রার সুযোগ আসবে।

কর্কট (২২ জুন – ২২ জুলাই):
আজ চাকরিতে কোনো ভালো ঘটনা ঘটতে পারে। আয় উন্নতি বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। বেকারদের স্কুল বা কলেজে চাকরি পাওয়ার যোগ বলবান। আজ ব্যাংকার ও আয়কর আইনজীবীদের ভালো আয় রোজগার হতে চলেছে। বিকালে কোনো বন্ধুর সাহায্য পেতে পারেন। কোনো সামাজিক কাজে অংশ নিতে হতে পারে।

সিংহ (২৩ জুলাই - ২৩ আগস্ট):
উচ্চ শিক্ষার্থে বিদেশ গমন যোগ দেখা যায়। বৈদেশীক বাণিজ্যে আয় রোজগার বাড়বে। ধর্মীয় ও আধ্যাত্মীক কাজে কোথাও যেতে পারেন। বিকালের পর বিদেশী প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পেতে পারেন। চাকরিজীবীরা কর্মস্থলে কোনো ভালো সংবাদ আশা করতে পারেন। রাজনৈতিক কাজে সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে।

কন্যা (২৪ আগস্ট – ২৩ সেপ্টেম্বর):
বীমা বা শেয়ার বাণিজ্য থেকে ভালো আয় হতে পারে। উইলকৃত ভূমি পেতে পারেন। আজ চিকিৎক ও ঔষধ বিক্রেতাদের আয় উন্নতি বৃদ্ধি পাবে। দুপরের পর ভাগ্য আপনার সহায় হবে। জীবীকার জন্য বিদেশ যাত্রার ভিসা পেতে পারেন। কোনো আধ্যাত্মীক সাধকের দোয়া ও আশীর্বাদ লাভের যোগ প্রবল।

তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর – ২৩ অক্টোবর):
কর্ম ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। ব্যবসায় ভালো বেচাকেনা করতে পারবেন। ব্যবসায়ীক অংশীদারের কারণে লাভবান হতে চলেছেন। অবিবাহিতদের হটাৎ বিয়ের যোগ। দুপরের পর ব্যাংকারদের সময় কিছুটা ঝামেলাপূর্ণ হতে পারে। ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যবসায়ীরা কিছু দুঃশ্চিন্তায় ভুগতে পারেন। ঝুকি পূর্ণ বিনিয়োগে লোকসানে পড়তে পারেন।

বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর – ২২ নভেম্বর):
কাজের লোকের সাহায্য পেতে পারেন। অধীনস্ত কোনো কর্মচারীর বিশ্বস্ততার কারণে বড় রকমের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে যাচ্ছেন। কোনো হারানো দ্রব্য ফেরত পেতে পারেন। বিকালে ব্যবসায়ীদের বেচাকেনা বৃদ্ধি পাবে। জীবন সাথীর পূর্ণ সাহায্য পাবেন। অংশীদারি চুক্তিতে লাভবান হতে পারেন। হটাৎ বিবাহের যোগ দেখা যায়।

ধনু (২৩ নভেম্বর – ২১ ডিসেম্বর):
কাজের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। সৃজনশীল পেশার সঙ্গে সম্পৃক্তদের দিনটি ব্যস্ততার। প্রেম ও রোমান্স শুভ। বিকালের পর সময় কিছুটা প্রতিকূল। হটাৎ করে কর্মস্থলে সহকর্মীদের সঙ্গে ঝামেলা হতে পারে। রাগ ও জেদের কারণে অসুস্থ্য হয়ে পড়তে পারেন। অনৈতিক সম্পর্কের কারণে মানহানির আশঙ্কা দেখা যায়।

মকর (২২ ডিসেম্বর – ২০ জানুয়ারি):
ভূমি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত কাজে অগ্রগতি হতে পারে। গৃহের জন্য কোনো আসবাব পত্র ক্রয় করতে পারেন। মায়ের শরীর স্বাস্থ্য ভালো হয়ে উঠবে। বিকালে বিদ্যার্থীদের সময় ভালো যাবে। রোমান্টিক যোগাযোগ শুভ।

কুম্ভ (২১ জানুয়ারি – ১৮ ফেব্রুয়ারি):
আর্থিক অবস্থা ভালো যাবে। কোনো কাজের মধ্যস্ততা করায় কিছু কমিশন লাভের যোগ রয়েছে। সাংবাদিক ও ছাপাখানার মালিকদের ভালো আয় হবে। বিকালে গৃহস্থালী বা পারিবারিক কোনো কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। বাড়িতে কোনো আত্মীয়র আগমন হতে পারে। সাংসারিক কাজে জাতিকাদের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে।

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি – ২০ মার্চ):
দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। কোনো বকেয়া বিল আদায় হতে পারে। খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায় ভালো আয় হবে। বিকালের পরথেকে সময় কিছুটা বলবান বলা যায় কোনো প্রতিবেশীর বাড়িতে বেড়াতে যেতে পারেন। সাহিত্যিক ও প্রকাশকদের বই মেলায় ভালো বেচাকেনা হতে পারে।

জুতা পরে হাঁটলেই চার্জ হবে মোবাইলে!
                                  

চার্জার-পাওয়ার ব্যাংকের দিন শেষ। এবার থেকে জুতা পরে হাঁটলেই চার্জ হয়ে যাবে ফোন। অনেক সময় এমন হয় যে, বাইরে বেরোনোর সময়েই ফোনে চার্জ থাকে না। সেই রকম পরিস্থিতির জন্যই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছেন এমন এক যন্ত্র, যা মানুযের চলাফেরার শক্তিকে বিদ্যুতে রুপান্তরিত করে।

এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ১৬ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক টম ক্রুপেনকিন এই বিষয়ে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, মানুষের চলাফেরার সময় যে শক্তির উৎপাদিত হয়, তা থেকে দেহজাত তাপ উৎপন্ন হয়। সেই তাপকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎও উপাদন করা যায়। এই গবেষণায় তাঁর সহকারী ছিলেন জে অ্যাশলি টেলর।

নানা পরীক্ষা করার পর অবশেষে তিনি এক ধরনের জুতা আবিষ্কার করেন, যা পরে হাঁটলে বিদ্যৎ তৈরি হবে। সেই বিদ্যুৎকে কাজে লাগিয়ে মোবাইলে ল্যাপটপ ইত্যাদি চার্জ দেওয়া যাবে।

ফ্রিজে রাখা শুক্রাণু থেকে যমজ শিশু!
                                  

ক্যানসারে মারা যাওয়া পুত্রের জমিয়ে রাখা শুক্রাণু থেকে ভারতের এক দম্পতি ফিরে পেয়েছেন তাদের বংশ প্রদীপ। সেই শুক্রাণু থেকে তৈরি ভ্রুণ তাদেরই এক আত্মীয়ার গর্ভে প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে জন্ম নিয়েছে যমজ ভাই ও বোন। ভারতের পুনে শহরের ইঞ্জিনিয়ার প্রথমেশ পাটিল জার্মানিতে উচ্চতর পড়াশোনা করতে গিয়েছিলেন, সেখানেই তার ক্যানসার ধরা পড়ে। ভারতে ফিরে এসে তিনি মারা যান।

তার মা বলছেন, চিকিৎসা শুরুর আগেই জার্মানির একটি স্পার্ম ব্যাঙ্কে জমিয়ে রাখা ছিল তার ছেলের শুক্রাণু। তা থেকেই আবারও ঘরে ফিরে এসেছে প্রিয় পুত্রের সন্তানরা।ক্যানসারের সঙ্গে বছর তিনেক লড়াই করার পরে যখন পুনে শহরের বাসিন্দা ২৭ বছরের যুবক প্রথমেশ পাটিল মারা যান ২০১৬ সালে, তখন যে শুধু তার বাবা-মা-বোন এরাই ভেঙ্গে পড়েছিলেন, তা নয়। বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়, প্রতিবেশী- সবারই প্রায় একই মানসিক অবস্থা হয়েছিল সদা হাস্যময় ওই যুবককে হারিয়ে। জার্মানিতে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেলেকে ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন প্রথমেশের মা, রাজশ্রী পাটিল।

তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেন, ছেলেকে হারানোর পরে আমরা তো বটেই, ওর বন্ধুবান্ধব, আত্মীয় সবাই খুব মিস করছিল। ছেলের থেকে মেয়ে প্রায় নয় বছরের ছোট। সে দাদার সঙ্গে বছর তিনেক এতটাই অ্যাটাচড হয়ে গিয়েছিল যে ও মারা যাওয়ার পরে ভীষণ অবসাদে ভুগছিল। যে বছর তিনেক ভারতে চিকিৎসা হয়েছে, এমন একটা দিনও যায় নি যে কোনো না কোনো বন্ধু ওর কাছে আসে নি।

তবে আমি নিজে মনে করতাম ছেলে সামনেই আছে। ওর ঘরে শুধুই ওর ছবি রেখে দিয়েছি। সবসময়ে ছেলের একটা ছবি নিজের কাছেও রাখি। এমনকি কোনো কিছু খেলেও, সামনে থাকে প্রথমেশের ছবি।’ ‘হঠাৎই একদিন মনে হয় ছেলের শুক্রাণু তো ফ্রিজে জমিয়ে রাখা আছে জার্মানিতে। সেটা দিয়েই তো কৃত্রিম প্রজননের সাহায্যে আমিই ফিরিয়ে আনতে পারি প্রথমেশকে’ বলছিলেন পেশায় স্কুল শিক্ষিকা রাজশ্রী পাটিল।

জার্মানিতে ক্যানসারের চিকিৎসা শুরু করার আগেই সেখানকার ডাক্তারেরা প্রথমেশের শুক্রাণু জমিয়ে রেখে দিয়েছিলেন পরিবারের অনুমতি নিয়েই। তা রাখা ছিল সিমেন ক্রায়োপ্রিজারভেশন পদ্ধতিতে, চলতি কথায় যাকে বলে স্পার্ম ব্যাঙ্ক। 

যে চিকিৎসক এই গোটা প্রক্রিয়াটি চালিয়েছেন, সেই ডা. সুপ্রিয়া পুরাণিক বলেন, ‘প্রথমে তো জার্মানি থেকে প্রথমেশের রেখে যাওয়া শুক্রাণুটা নিয়ে আসাই একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। যদিও ঠিকমতো রাখলে কখনো শুক্রাণু নষ্ট হয় না। কিন্তু অনেকগুলো জটিল আইনি ব্যাপার এর মধ্যে জড়িত আছে।’ প্রথমেশের মার গর্ভে ওই ভ্রুণ প্রতিস্থাপন সম্ভব হত না। তার যে আত্মীয়ার গর্ভধারণ করেছেন, তিনি প্রথমবারের চেষ্টাতেই যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন’ জানাচ্ছিলেন ডা. পুরাণিক। সেই আত্মীয়ার গর্ভেই থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি জন্ম নিয়েছে এক যমজ। 

এমনিতেই কোনো মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া শুক্রাণু ব্যবহার করে সন্তানের জন্ম দেওয়া ভারতে খুবই কম হয়। তবে ভারতের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে এরকম কোনো ঘটনা জানা নেই, যেখানে এক পুত্রহারা মা তার সন্তানের শুক্রাণু ব্যবহার করিয়ে বলতে গেলে ছেলের পুনর্জন্ম ঘটাতে চেয়েছেন, বলছিলেন ডা. সুপ্রিয়া পুরাণিক।

রাজশ্রী পাটিল বলছেন, যমজ সন্তান ঘরে আসার পর থেকেই গোটা পাড়া আত্মীয়-স্বজন তাদের বাড়িতে আনন্দ উৎসবে মেতেছে। ছেলের শুক্রাণু থেকে জন্ম হলেও সদ্যজাতদের তিনি নাতি-নাতনি বলতে নারাজ। এরা তো আমার ছেলে আর মেয়েই। তাই পুত্র শিশুটির নাম রেখেছি মৃত ছেলের নামেই প্রথমেশ, আর কন্যা শিশুটির নাম পৃষা।

ভালোবেসেই মুক্ত করো সংকোচের দ্বার
                                  

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক 

‘ভালোবাসা’, এর চেয়ে কোমল শব্দ আর কী হতে পারে! একটি মাত্র শব্দ, তাতে এত মধু! এত আবেগ! ভালোবাসা আছে বলেই মানুষ বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে। ভালোবাসা আছে বলেই মানুষ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে মেতে ওঠে।

আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসা কোনো দিবস বা সময়-ক্ষণ গুনে আসে না। ভালোবাসার সত্ত্বা সর্বজনীন। ভালোবাসা বহুরূপী। তবুও কালের পরিক্রমায় ১৪ ফেব্রুয়ারি যেন ভালোবাসা প্রকাশের একটি আনুষ্ঠানিক দিবসে রূপ নিয়েছে।

সকল সংকোচ আড়াল করে আপনকে আপন করার দিন আজ। প্রেম-ভালাবাসার নির্মল আনন্দে মেতে উঠবে বিশ্ব। বিশেষত তরুণ-তরুণীরা প্রেমময় আবেগে ভালোবাসার বাহু মেলে ধরবে।

সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ভালোবাসা দিবসের ছোঁয়া লেগেছে সম্প্রতি। বিশেষ করে শহুরে জীবনে এই দিবসের প্রভাব দিনে দিনে বেড়েই চলছে। তবে গ্রামেও এখন ভালোবাসা দিবসের বিশেষ আয়োজন লক্ষ্য করা যায়।

ফুলে ফুলে সাজবে ভালোবাসার মন। মালাবদলও হয় এমন দিনে। অনলাইন, মোবাইল, ক্ষুদেবার্তায় ভালোবাসার রূপ ফুটে উঠবে। গোলাপের পাপড়ি দিয়ে নতুবা লিপস্টিক মাখা চুমোর চিত্র প্রেমচিঠিতে মেখে পাঠাবে প্রিয়তমার কাছে। আর নানা আকর্ষণীয় উপহার-সামগ্রী দিয়ে মন জয় করতে প্রেমচিঠি পাঠাবে প্রিয়তমার কাছে।

 

ভালোবাসা দিবসে শুধু তরুণ-তরুণীরাই আনন্দে মাতবে এমন নয়। পরিবার-স্বজন আর বিভিন্ন বয়সী মানুষদের মাঝেও এ দিবসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

জানা যায়, দুটি প্রাচীন রোমান প্রথা থেকে এ উৎসবের সূত্রপাত। এক খ্রিস্টান পাদ্রি ও চিকিৎসক ফাদার সেন্ট ভ্যালেনটাইনের নামানুসারে দিনটির নাম `ভ্যালেনটাইনস ডে` করা হয়। ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি খ্রিস্টানবিরোধী রোমানসম্রাট গথিকাস আহত সেনাদের চিকিৎসার অপরাধে সেন্ট ভ্যালেনটাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মৃত্যুর আগে ফাদার ভ্যালেনটাইন তার আদরের একমাত্র মেয়েকে একটি ছোট্ট চিঠি লেখেন, যেখানে তিনি নাম সই করেছিলেন `ফ্রম ইওর ভ্যালেনটাইন`।

সেন্ট ভ্যালেনটাইনের মেয়ে এবং তার প্রেমিক মিলে পরের বছর থেকে বাবার মৃত্যুর দিনটিকে ভ্যালেনটাইনস ডে হিসেবে পালন করা শুরু করেন। যুদ্ধে আহত মানুষকে সেবার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সেন্ট ভ্যালেনটাইনকে ভালোবেসে দিনটি বিশেষভাবে পালন করার রীতি ক্রমে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

 

ভ্যালেনটাইনস ডে সর্বজনীন হয়ে ওঠে আরও পরে প্রায় ৪০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে। দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাওয়ার পেছনে রয়েছে আরও একটি কারণ। সেন্ট ভ্যালেনটাইনের মৃত্যুর আগে প্রতি বছর রোমানরা ১৪ ফেব্রুয়ারি পালন করত `জুনো` উৎসব। রোমান পুরানের বিয়ে ও সন্তানের দেবী জুনোর নামানুসারে এর নামকরণ। এ দিন অবিবাহিত তরুণরা কাগজে নাম লিখে লটারির মাধ্যমে তার নাচের সঙ্গীকে বেছে নিত।

৪০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে রোমানরা যখন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীতে পরিণত হয় তখন `জুনো` উৎসব আর সেন্ট ভ্যালেনটাইনের আত্মত্যাগের দিনটিকে একই সূত্রে গেঁথে ১৪ ফেব্রুয়ারি `ভ্যালেনটাইনস ডে` হিসেবে উদযাপন শুরু হয়। কালক্রমে এটি সমগ্র ইউরোপ এবং ইউরোপ থেকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

মহাশূন্যে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট!
                                  

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের খেলোয়াড়রা জড়ো হয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ায় শীতকালীন অলিম্পিক আসরে যোগ দিতে। এদিকে অলিম্পিকে যোগ দিতে না পারা কয়েকজন খেলোয়াড় নিজেদের মধ্যে আয়োজন করেছেন এক ভিন্নধর্মী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট। তবে সেটা পৃথিবীতে নয়, টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হয়েছে মহাশূন্যে।

মহাশূন্যে ভেসে ভেসে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে (আইএসএস) ব্যাডমিন্টন খেলেছেন রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের নভোচারীরা। টুর্নামেন্টটিকে মজা করে ডাকা হচ্ছে, ‘মহাজাগতিক ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট’।

মজা করে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন হলেও, ভর শূন্য অবস্থায় ব্যাডমিন্টন খেলা কিন্তু সহজ কাজ ছিল না নভোচারীদের জন্য। সম্প্রতি এ টুর্নামেন্টের ভিডিও প্রকাশ করে রাশিয়ান সংবাদমাধ্যম। সেখানেই দেখতে পাওয়া যায়, র‌্যাকেটের সাহায্যে শাটলকক ছুড়ে দিতে ঘেমে একাকার হচ্ছেন নভোচারীরা।

দু’টি ডাবলস ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় নভোচারীদের মধ্যে। পরিবেশগত কারণে ব্যাডমিন্টন খেলার নিয়মনীতির বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে হয়। খেলায় কোনো নেট ছিল না। যেহেতু এটা মহাশূন্য, তাই ছিল না শাটলকক মাটিতে পড়ে যাওয়ার ভয়।

পৃথিবীর বাইরে অনুষ্ঠিত প্রথম মহাকাশ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে কোনো পয়েন্ট গণনা করা হয়নি। সবাই বিজয়ী হয়েছেন এতে।

আইএসএসের কমান্ডার রাশিয়ান নভোচারী আলেক্সান্দর মিসুরকিনের মতে, এটা একটা ঐতিহাসিক টুর্নামেন্ট। প্রথমবারের মতো পৃথিবীর বাইরে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হলো। ভবিষ্যতে মঙ্গলগ্রহে গিয়েও ব্যাডমিন্টন খেলার ইচ্ছা তার।
মহাকাশচারীরা একটা দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন পরিবার-পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন। এমনকি পৃথিবীর চেনা-পরিচিত জগত থেকেও শত শত মাইল দূরে তাদের অবস্থান। গবেষণায় ব্যস্ত নিঃসঙ্গ জীবনটা কিছুটা উপভোগ্য করে তুলতে নানা রকম মজা করেন তারা। মাসখানেক আগে নভোচারীরা মহাশূন্যে বসে তৈরি করেছিলেন পিজ্জা।

ভারতে হিন্দু নারীর মুসলিম স্বামীদের তালিকা প্রকাশ করে হত্যার হুমকি
                                  

ভারতে হিন্দু নারীর মুসলিম স্বামীদের নামের তালিকা প্রকাশ করে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন হিন্দু কট্টরপন্থীরা। শতাধিক মুসলিম পুরুষের একটি তালিকা ফেসবুকে প্রকাশ করে হত্যার আহ্বান জানায় তারা। মুসলিম স্বামীদের অপরাধ হিন্দু নারীকে বিয়ে করা।

বিতর্কিত এই তালিকাটি এখন ফেসবুক থেকে মুছে ফেলা হয়েছে।

তালিকায় যে মুসলিম পুরুষদের নাম ছিল, তাদের ফেসবুক প্রোফাইলের লিংকও সেখানে দেয়া ছিল। ফেসবুকের একটি পাতায় তালিকা প্রকাশ করে ‘তাদের খুঁজে বের করে হত্যার’ আহ্বান জানানো হয়। যাদের নাম এই তালিকায় আছে তাদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়।

তালিকাটি প্রকাশের পর এটি ভারতে তীব্র ক্ষোভ সৃ্ষ্টি করেছে।

‘হিন্দুত্ব বার্ত ‘ নামে ফেসবুক পাতায় এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। তবে কোন হিন্দুত্ববাদী সংগঠনই এই ফেসবুক পাতার সঙ্গে তাদের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেনি।

টুইটারে প্রথম একজন এই তালিকাটির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বিষয়টি অনেকের নজরে আসে।

টুইটার বার্তাটিতে বলা হয়, হিন্দু সন্ত্রাসীরা আন্তধর্মীয় বিয়ের একটি দীর্ঘ তালিকা প্রকাশ করে এই মহিলাদের স্বামীদের হত্যার জন্য হিন্দুদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।

যদিও পাতাটি এখন ফেসবুক থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছে, কয়েকটি ভারতীয় নিউজ সাইট এই ফেসবুক পাতার ছবি তাদের সাইটে প্রকাশ করেছে। তারা নামগুলো অস্পষ্ট করে দিয়েছে।

সবকটি ফেসবুক পোস্টেই তথাকথিত ‘লাভ জিহাদে’র বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দেয়া হয়।

ভারতে কট্টরপন্থী হিন্দু গোষ্ঠীগুলো কত কয়েক বছর ধরে এরকম প্রচারণা চালাচ্ছে যে মুসলিম পুরুষরা হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরিত করার জন্য প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করছে।

ভারতের ‘অল্ট নিউজ’ সাইটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক সিনহা বলেছেন, এরকম একটা তালিকা যে তৈরি করা হয়েছে সেটাই খুব উদ্বেগের কথা। তাদের সাইট গণমাধ্যমে ‘ফেইক নিউজ’ বা ভুয়া খবরের বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে।

মোট ১০২ জনের নাম ছিল এই তালিকায়। ফেসবুকে তাদের রিলেশনশীপ স্ট্যাটাস দেখে এই তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রতীক সিনহা বলেন, এবারই যে প্রথম এরকম তালিকা প্রকাশ করা হলে, তা নয়। ২০১৭ সালে আরেকটি তালিকা ছাড়া হয়েছিল ‘জাস্টিস ফর হিন্দুস’ নাম দিয়ে। সেখানেও মুসলমানদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দেয়া হয়েছিল। কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যে প্রচারণা চালানো হয় এবং এসব তালিকা একজনের ফেসবুক পাতা থেকে আরেকজনের পাতায় চালাচালি হতে থাকে, এটা তার একটা উদাহারণ।

রক্ষণশীল ভারতীয়রা বরাবরই হিন্দু-মুসলিম বিয়ে মেনে নিতে আপত্তি করেছে। কিন্তু গত কয়েক বছরে এধরণের বিয়ের পেছনে একটি ‘ষড়যন্ত্রমূলক উদ্দেশ্য’ খোঁজা হচ্ছে, যেটি আগে কখনো শোনা যায়নি।

এক মুসলিম পুরুষকে সম্প্রতি কুপিয়ে হত্যা করা হয় অন্য ধর্মের মেয়েকে বিয়ে করায়। অন্যদিকে এক হিন্দু মেয়ে তার মুসলমান ছেলে বন্ধুর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে হয়রানির শিকার হওয়ার পর আত্মহত্যা করে। সূত্র: বিবিসি


   Page 1 of 6
     পাঁচ মিশালী
ভারী বর্ষণে রোহিঙ্গা শিবিরে ভূমিধস, শিশু নিহতসহ আহত ৫ শতাধিক
.............................................................................................
সিরাজগঞ্জে বাস ও কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪
.............................................................................................
১৩ ও ১৪ জুনের টিকিটের জন্য হন্যে দূরপাল্লার যাত্রীরা
.............................................................................................
ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ১ জুন
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গকে আরেক বাংলাদেশ বানাচ্ছেন মমতা !
.............................................................................................
কাঁচা ও পাকা পেঁপে খুব উপকারি
.............................................................................................
কেটে ফেলা চুলে কোটি টাকার ব্যবসা
.............................................................................................
অল্পতে চোখে পানি চলে আসা বিশেষ গুণের লক্ষণ
.............................................................................................
ইরানে পুলিশের জন্যে টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার
.............................................................................................
দিনের শুরুতে কী করবেন?
.............................................................................................
বৃষের দুশ্চিন্তা, ধনুর কর্মব্যস্ততা
.............................................................................................
জুতা পরে হাঁটলেই চার্জ হবে মোবাইলে!
.............................................................................................
ফ্রিজে রাখা শুক্রাণু থেকে যমজ শিশু!
.............................................................................................
ভালোবেসেই মুক্ত করো সংকোচের দ্বার
.............................................................................................
মহাশূন্যে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট!
.............................................................................................
ভারতে হিন্দু নারীর মুসলিম স্বামীদের তালিকা প্রকাশ করে হত্যার হুমকি
.............................................................................................
লসএ্যাঞ্জেলে ‘গিল্ড এ্যাওয়ার্ডে’ কালোর বদলে আলোর ঝলক
.............................................................................................
ভ্রুণ সংরক্ষণের ২৫ বছর পর ‘এমা’র জন্ম
.............................................................................................
ছয় বছরে ইউটিউব স্টার, খেলনা দেখিয়েই কোটিপতি
.............................................................................................
‘জিন্স পরা মেয়েদের কেউ বিয়ে করবে না’
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে বিস্ময়কর উল্কাপাত
.............................................................................................
শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করতেই লিঙ্গ কামড়ে খেল বুলডগ!‌
.............................................................................................
হিন্দুবাদী সংগঠনগুলো এখনো চায় মসজিদ নয় মন্দির হোক: গৌতম লাহরি
.............................................................................................
ভক্তদের অবাক করে বিশ্ব নবিকে নিয়ে গান বাঁধলেন পপ তারকা আমাল হিজাজী
.............................................................................................
সিরিয়াল দেখে গায়ে আগুন দিয়ে শিশুর মৃত্যু
.............................................................................................
পুরুষের ব্যক্তিগত সমস্যা
.............................................................................................
হিটলারের বিরল ছবি ঠাঁই পেল ডাচ জাদুঘরে!
.............................................................................................
৩৭ দেশে অন অ্যারাইভাল সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশ
.............................................................................................
মেয়েকে বানাতে চান কুস্তিগীর, অর্থোপার্জনে রিকশা চালাচ্ছেন অসমের এই মহিলা
.............................................................................................
আইএস কাণ্ড : ‘ধর্ষণের আগে প্রার্থনা করানো হতো’
.............................................................................................
বর্তমান রাশিয়াকে গড়ে তুলেছে যারা
.............................................................................................
পৃথিবীর অর্ধেক সম্পদের মালিক মাত্র ১ ভাগ মানুষ
.............................................................................................
দুবাইয়ে গালি দেয়ার শাস্তি ২ হাজার দিরহাম
.............................................................................................
ভিক্ষুক ধরিয়ে দিলে পুরস্কার!
.............................................................................................
কাজী শুভর ‘সুন্দরী’ টয়া
.............................................................................................
অবশেষে পদত্যাগ করলেন বৃটিশমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল
.............................................................................................
অপচয় দারিদ্র্য আনে, আর দারিদ্র্য কুফরির দিকে ধাবিত করে
.............................................................................................
প্যারিসের যে রেস্তোরাঁয় পোশাক পরিধান নিষিদ্ধ!
.............................................................................................
এক ঘুমে ১১ দিন!
.............................................................................................
ভূতের সাজে নেইমার
.............................................................................................
পেটের ভেতর দেড় কেজি পেরেক!
.............................................................................................
১২৫ কোটি টাকার জুতা!
.............................................................................................
ত্রিশ নারীকে এইচআইভি আক্রান্ত করানোয় ইতালীয় ব্যক্তির ২৪ বছরের জেল
.............................................................................................
থাইল্যান্ডে রাজা ভূমিবলের শেষকৃত্যানুষ্ঠান শুরু
.............................................................................................
নতুন আতঙ্ক লালপোকা! ভারতে একজনের মৃত্যু
.............................................................................................
৭৩ বছর বয়সে বিশ্ব সুন্দরী
.............................................................................................
রাশিফল : স্থায়ী আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে
.............................................................................................
কারাগারে রাম রহিমকে চাইছেন হানিপ্রীত
.............................................................................................
কুকুরকে ধর্ষণের অভিযোগে তরুণ গ্রেফতার
.............................................................................................
৩৪ সন্তানের পিতা!
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক : জাকির এইচ. তালুকদার ,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : এস এইচ শিবলী ,
    [সম্পাদক মন্ডলী ]
সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ই-মেইল:dailybortomandin@gmail.com
   All Right Reserved By www.dtvbangla.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]