| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
   * সুযোগ আছে বিএসসি অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে   * উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী ....ড. এফ এইচ আনসারী   * সবার মতামত নিয়েই গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় ব্যবস্থা :প্রধানমন্ত্রী   * ডুবোচরে আটকে আছে ১৫টি মালবাহী জাহাজ   * নিম্নকক্ষে নিয়ন্ত্রণ হারালেন ট্রাম্প   * শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব ---ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা   * আমার সংসার টিকে আছে এইতো বেশি   * গোপালগঞ্জে মোবাইলে প্রেমের ফাঁদ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার   * সাটুরিয়ায় দলিল হাতে ঘুরছে ভূমিহীন ২০ পরিবার   * এ্যরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় আসতে চাইলে  

   দেশজুড়ে -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
আড়াই লাখ ডলারে নাজিবের জামিন

মোটা অঙ্কের নগদ অর্থের বিনিময়ে জামিন পেয়েছেন মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। মঙ্গলবার কুয়ালালামপুরে তার নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তারের পর বুধবার সকালে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ গঠন করা হয়। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

খবরে বলা হয়, বুধবার নাজিবের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার উচ্চ আদালতে (হাইকোর্ট) দুর্নীতি, বিশ্বাস ভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ গঠন করা হয়।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তিনি মালয়েশিয়ার ওয়ানএমডিবি কেলেঙ্কারিতে যুক্ত থেকে ৭০ কোটি মার্কিন ডলার নিজের পকেটে পুরেছেন। গত মে মাসে নির্বাচনে পরাজয়ের পর তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। অবশ্য সব ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

মালয়েশিয়ার হাইকোর্টের এক বিচারপতি ২ লাখ ৫০ হাজার নগদ ডলারের বিনিময়ে তার জামিন মঞ্জুর করেছেন।

বিচারপতি মোহাম্মদ সোফিয়ান আব্দুল রাজাক, জামিনের জন্য নির্ধারিত অর্থের পরিমাণ ঠিক করেন। পাশাপাশি নাজিবকে তার দুই কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, নাজিবের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর প্রত্যেকটির জন্য সর্বোচ্চ ২০ বছর কারাদণ্ড হতে পারে। এক্ষেত্রে বেত্রাঘাতও করা হয়ে থাকে। তবে নাজিবের ৬০ বছরের বেশি হওয়ায় তাকে এই শাস্তি দেওয়া হবে না।

আড়াই লাখ ডলারে নাজিবের জামিন
                                  

মোটা অঙ্কের নগদ অর্থের বিনিময়ে জামিন পেয়েছেন মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। মঙ্গলবার কুয়ালালামপুরে তার নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তারের পর বুধবার সকালে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ গঠন করা হয়। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

খবরে বলা হয়, বুধবার নাজিবের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার উচ্চ আদালতে (হাইকোর্ট) দুর্নীতি, বিশ্বাস ভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ গঠন করা হয়।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তিনি মালয়েশিয়ার ওয়ানএমডিবি কেলেঙ্কারিতে যুক্ত থেকে ৭০ কোটি মার্কিন ডলার নিজের পকেটে পুরেছেন। গত মে মাসে নির্বাচনে পরাজয়ের পর তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। অবশ্য সব ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

মালয়েশিয়ার হাইকোর্টের এক বিচারপতি ২ লাখ ৫০ হাজার নগদ ডলারের বিনিময়ে তার জামিন মঞ্জুর করেছেন।

বিচারপতি মোহাম্মদ সোফিয়ান আব্দুল রাজাক, জামিনের জন্য নির্ধারিত অর্থের পরিমাণ ঠিক করেন। পাশাপাশি নাজিবকে তার দুই কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, নাজিবের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর প্রত্যেকটির জন্য সর্বোচ্চ ২০ বছর কারাদণ্ড হতে পারে। এক্ষেত্রে বেত্রাঘাতও করা হয়ে থাকে। তবে নাজিবের ৬০ বছরের বেশি হওয়ায় তাকে এই শাস্তি দেওয়া হবে না।

পুনরায় ভোট গণনার পক্ষে রায় দিয়েছে ইরাকের সর্বোচ্চ আদালত
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
গত মাসে ইরাকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ভোট পুনরায় গণনা করার পক্ষে রায় দিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। আদালত জানিয়েছে, হাতে গত মাসের ১২ তারিখ অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ভোট পুনরায় গণনা করা, সংবিধান লঙ্ঘন করে না। খবর আল জাজিরার।
খবরে বলা হয়, গত মাসের নির্বাচনে সবাইকে অবাক করে দিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয় শিয়া নেতা মুকতাদা আল সদর- নেতৃত্বাধীন জোট। কিন্তু নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ ওঠলে পুনরায় ভোট গণনার প্রস্তাব পাস হয় পার্লামেন্ট থেকে।
বৃহস্পতিবার দেশটির সর্বোচ্চ আদালত জানায় যে, জালিয়াতির অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় পুনরায় ভোট গণনা সংবিধান লঙ্ঘন করে না। এই রায়ই চূড়ান্ত । এর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
এই মাসের ৬ তারিখ পুনরায় সক, ভোট গণনার পক্ষে ভোট দেয় ইরাকের পার্লামেন্ট। মোট ১ কোটি ১০ লাখ ভোট পুনরায় গণনা করা হবে।
এছাড়াও, অনিয়মের অভিযোগের জের ধরে ইরাকের নয় সদস্য বিশিষ্ট স্বাধীন উচ্চ নির্বাচন কমিশনও বাতিলও ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের জায়গায় বিচারকদের বসানো হয়েছে। বিচারকেরা কমিশনের দায়িত্ব নেয়ার পরপরই ভোট গণনা শুরু হয়।

উত্তর প্রদেশে বাস দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
ভারতের উত্তর প্রদেশ অঙ্গরাজ্যের মৈনিপুরি জেলায় এক বেসরকারি বাস দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ৩৫ জন। বুধবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে। এ খবর দিয়েছে জি নিউজ ও হিন্দুস্তান টাইমস।

খবরে বলা হয়, আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বাসটি অস্বাভাবিক দ্রুত গতিতে চলছিল। এক সময় বাসের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে বাসটি যাত্রীসহ একটি ‘ডিভাইডারের’ সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়।

এই ঘটনায় বাস চালক নিজেও আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। পরবর্তীতে তার সাক্ষ্য নেয়া হবে। ধারণা করা হচ্ছে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।

উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি শোক জ্ঞাপন করেছেন। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে রাশিয়া ও চীনের সাথে ইরানের সম্মেলন
                                  

আগামী সপ্তাহের শুরুতে চীনা উপকূলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইরান, রাশিয়া ও চীনের শীর্ষ সম্মেলন। সম্মেলনে ইরানের পারমাণবিক চুক্তি রক্ষার উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করতে পারেন দেশ তিনটির নেতারা। গত মাসে এ চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে নিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
খবরে বলা হয়, চীন ও রাশিয়ার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্লক সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) আগামী শনিবার ও রোববার চীনের উপকূলীয় কিংদাও নগরীতে সংগঠনটির ১৮ তম বার্ষিক সম্মেলন করতে যাচ্ছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রোহানি এ বছর এসসিও’র সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন। দ্বিতীয়বারের মতো ইরানের কোন নেতা এ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।
২০১৫ সালে ইরানের সাথে করা একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিতর্কিতভাবে ওয়াশিংটনের বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়ার পর তারা এ সম্মেলন করতে যাচ্ছে। এ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত আর্থিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিনিময়ে তেহরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করে।
কিন্তু চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার পর পুনরায় ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞাগুলো আরোপিত হয়েছে। ঝুঁকির মুখে পড়েছে চুক্তি। চুক্তির ইউরোপীয় অংশীদাররা চুক্তিটি রক্ষা করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। পাশাপাশি ঝুঁকিতে পড়েছে ইরানের অর্থনীতিও।
এমতাবস্থায়, পারমাণবিক চুক্তির বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষাপটে ইরান নতুন করে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে তাদের সক্ষমতা জোরদারের পরিকল্পনা করছে। উল্লেখ্য, চীন হচ্ছে ইরানের শীর্ষ বাণিজ্যিক অংশীদার দেশ এবং তাদের তেলের বড় ক্রেতা দেশগুলোর অন্যতম।

কাল কানাডা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
বিশ্বের শিল্পোন্নত সাতটি দেশের জোট জি-৭ এর শীর্ষ নেতাদের আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার কানাডা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সফরে তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। ওই বৈঠকে রোহিঙ্গা সমস্যার দ্রুত ও টেকসই সমাধান, মিয়ানমারে তাদের প্রত্যাবাসন এবং বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরীকে কানাডা থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।
গতকাল মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এ কথা জানান। তিনি বলেন, জি-৭ জোটের সভাপতি ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী জি-৭ জোটের নেতাদের আউটরিচে অংশ নেবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১২ জন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এ বছর জি-৭ নেতাদের আউটরিচে নেতারা বিশ্বের সাগর ও মহাসাগরগুলোকে ক্রমবর্ধমান দূষণের হাত থেকে রক্ষা এবং সমুদ্র-সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তৃতায় জলবায়ু সহিষ্ণুতা শক্তিশালীকরণে সমন্বিত অভিযোজন পরিকল্পনা, দুর্যোগ মোকাবিলায় জরুরি প্রস্তুতি এবং পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক উদ্যোগ ও পরিকল্পনার বিষয়টি তুলে ধরবেন। এর আগে ২০০১ সালে ইতালিতে ও ২০১৬ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত জি-৭ আউটরিচ সেশনে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা কানাডা যাচ্ছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রী জানান, দুটি অগ্রাধিকারকে সামনে রেখে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) চিঠির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। যে জনগোষ্ঠীকে আমরা আশ্রয় দিয়েছি আমরা চাই তারা সসম্মানে, স্বেচ্ছায় ও নিরাপত্তার সঙ্গে চলে যাবে এবং প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থও সংরক্ষণ করতে হবে। এ দুটিকে সামনে রেখেই বাংলাদেশ কাজ করছে।
উল্লেখ্য, রোহিঙ্গা নিপীড়ন ইস্যুতে মিয়ানমারের ওপর বিচারিক এখতিয়ার আছে কিনা এ বিষয়ে জানতে চেয়ে গত মাসে বাংলাদেশকে চিঠি পাঠিয়েছে আইসিসি। আগামী ১১ জুনের মধ্যে ওই চিঠির জবাব দেওয়ার কথা। তিস্তার পানিবন্টন চুক্তি ইস্যু: এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান এক্ষেত্রে কোনো অগ্রগতির তথ্য নেই। আমার কোনো মন্তব্য নেই।

কাশ্মিরে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ভারত ও পাকিস্তান
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
কাশ্মিরে আন্তর্জাতিক সীমান্ত ও নিয়ন্ত্রণ রেখায়(লাইন অফ কন্ট্রোল) দু’পক্ষের লাগাতার গুলিযুদ্ধ বন্ধ করতে একমত হয়েছে ভারত এবং পাকিস্তান। এ ব্যাপারে দু’দেশের মধ্যে ২০০৩ সালে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল তা পুরোপুরি বাস্তবায়িত করতে রাজি হয়েছেন দু’দেশের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস (ডিজিএমও)। এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা।
খবরে বলা হয়, দুই দেশের মধ্যে সম্প্রতি লাইন অফ কন্ট্রোল সংলগ্ন অঞ্চলে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে তুলতে ১৫ বছর আগের যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়নে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।
এছাড়া তারা এ বিষয়েও একমত হয়েছে যে, কেউ যুদ্ধবিরতির শর্ত ভাঙে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই হটলাইন যোগাযোগ ও বর্ডার ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের মাধ্যমে এবার তা মিটিয়ে ফেলা হবে। সমস্যাকে আর জিইয়ে রাখা হবে না। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ হটলাইনে ভারত ও পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর কমান্ডারদের মধ্যে আলাপচারিতায় ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, উভয় দেশের ডিজিএমওরা, লাইন অফ কন্ট্রোল ও ওয়ার্কিং বাউন্ডারিতে বিরাজমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে তুলতে সম্মত হয়েছেন। পাশাপাশি বিরাজমান পরিস্থিতির উন্নতি ঘটিয়ে শান্তি নিশ্চিত করতে ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী বেসামরিক নাগরিকদের দুর্ভোগ কমাতেও সম্মত হয়েছেন।

পরিবেশ বাঁচাতে ঘাসের কাগজ!
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
‘পেপারলেস’ বা কাগজহীন জীবনযাত্রার স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেছে। চারিদিকে কাগজের ব্যবহার যেন কমার বদলে বেড়েই চলেছে। পরিবেশের এই ক্ষতি এড়াতে জার্মানির এক উদ্ভাবক অভিনব পদ্ধতিতে ঘাস দিয়ে কাগজ সৃষ্টি করছেন।
উভে দাগনোন নামের ওই উদ্ভাবক কাগজ তৈরিতে কাঠের বিকল্প হিসেবে খড় ব্যবহার করছেন! এর সুবিধা হলো, জঙ্গলে কাঠের তুলনায় মাঠে অনেক দ্রুত ঘাস জন্মায়। তা থেকে ফাইবার বা তন্তু বার করতে হলে অনেক কম পরিমাণ পানি, জ্বালানি ও রাসায়নিকের প্রয়োজন হয়।
উভে বলেন, ‘‘কিছুকাল আগে আমি কাগজ নিয়ে অনেক ঘাঁটাঘাঁটি করে ভাবলাম, কীভাবে কম কার্বন-ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে আরও টেকসইপদ্ধতিতে কাগজ তৈরি করা যায়? লক্ষ্য করলাম, উপর দিকে বাড়ার কারণে গাছের মধ্যে অনেক আঠার প্রয়োজন হয়। লিগনিন নামের সেই আঠা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আলাদা করতে হয়।
অন্যদিকে যে সব গাছপালা সমতলেই বেড়ে উঠে, তাদের অনেক কম লিগনিন লাগে। তাদের তন্তু অনেক দ্রুত আলাদা করা যায়। তার ফলে কাগজের ক্ষেত্রে টনপ্রতি প্রায় ৬ হাজার লিটার পানির সাশ্রয় হয়। শুকনো ঘাস ভালোভাবে পেষা হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী তার মান স্থির করা হয়। তারপর সাধারণ কাগজ তৈরির প্রক্রিয়া প্রয়োগ করা হয়।’’
উভে দাগনোন বিশেষ ভাবে তৈরি এই কাগজ দিয়ে নানা ধরনের মোড়ক তৈরি করেছেন। ডাকে পাঠানোর জন্য সহজ ও হালকা মোড়ক থেকে শুরু করে শক্ত ও মজবুত পিচবোর্ডের বাক্সও তার মধ্যে রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘‘আমরা সাধারণত উপকরণের মধ্যে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ঘাসের তন্তু ব্যবহার করি। বাকিটা হয় পুরানো কাগজ অথবা কাঠের তাজা তন্তু। এই মুহূর্তে বড় আকারে আমরা উৎপাদন করতে পারছি। আমাদের ধারণা, ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ঘাসের তন্তু ব্যবহার করা সম্ভব। কিন্তু সেটি প্রস্তুত করতে আরো সময় লাগবে।’’
এরই মধ্যে বাজার করার ব্যাগ, ফল ও ডিম রাখার বাক্স তৈরি হয়ে গেছে। উভে বেশ কয়েকটি বড় সুপারমার্কেট কোম্পানিকে তাঁর আইডিয়া বেচতে পেরেছেন।
ঠিক কোন ধরনের ঘাস এমন তন্তুর জন্য উপযুক্ত?
কোলন শহরের কাছে একটি খামার সেই ঘাস সরবরাহ করছে। অরগ্যানিক খাদ্যের চাষী গেয়র্গ হ্যোলারের গরুগুলি যে খড় খায় না, সেগুলি পেপার মিলে পাঠানো হয়।
গেয়র্গ বলেন, ‘‘চাষের মৌসুমের শেষে যে খড় তৈরি হয়, অনেক সময়ে প্রাণীদের সেটি চিবোতে বেগ পেতে হয়। সেই খড় কাগজ তৈরির কাজে লাগাতে পেরে আমরা খুশি। ঘাসের কাগজ উৎপাদনের লক্ষ্যে এই সহযোগিতা আমাদের কাছে দারুণ ব্যাপার।’’
প্রাণীরা না খেলেও সেই খড় যত্ন করে বাছাই করে গুদামে রেখে শুকাতে হয়। উভে দাগনোন নিজে খড়ের মান পরখ করছেন। ১২ থেকে ১৩ শতাংশ আর্দ্রতা থেকে গেলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়। এই ফসল পরীক্ষা পাস করেছে। তন্তুর মানও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ঘাস যতদিন মাঠে থাকে, তত বেশি তন্তু সৃষ্টি হয় এবং সেটি তত সহজে প্রক্রিয়াজাত করা যায়। তাছাড়া কাঠ সাধারণত দূর থেকে আনাতে হয়। অথচ ঘাস কম খরচে কাছাকাছি পাওয়া যায়।
উভে বলেন, ‘‘বড়জোর ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে কাঁচামাল সংগ্রহ করাই আমাদের লক্ষ্য। সেই কাঁচামাল কাছাকাছি প্রক্রিয়াজাত করতে হবে। আঞ্চলিক স্তরে উৎপাদনের এই নীতির আওতায় আমরা বিকেন্দ্রীকরণ করছি। মাঠ থেকে কাগজ তৈরির চূড়ান্ত প্রক্রিয়ার মধ্যে যত কম সম্ভব দূরত্ব রাখতে চাই।’’
উভে-র সর্বশেষ উদ্ভাবন হলো ঘাসের কাগজ দিয়ে তৈরি কফির কাপ। সাধারণ কাগজের কাপের তুলনায় কফি পান করার পর এই পেয়ালা পুরোপুরি রিসাইকেল করা যায়। তার কাগজ যে মাঠে গজায়!

বাগমারায় সুইপারদের হাতে মেয়র কালাম লাঞ্ছিত!
                                  

জোরপূর্বক সুইপারদের উচ্ছেদ করতে গিয়ে বেকায়দায় পড়লেন তাহেরপুর পৌর সভার মেয়র আবুল কালাম আজাদ। সরকারি কোন আইনগত উকিল নোটিশ ছাড়াই সুইপার কলোনী উচ্ছেদ অভিযানে নামেন তাহেরপুর পৌরসভার মেয়র সহ তার ক্যাডার বাহিনী। এসময় তাহেরপুর পৌরসভার মেয়র সুইপারদের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

বুধবার সকাল ১০ টার দিকে এমন ঘটনা ঘটেছে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর। তাহেরপুর পিয়াঁজ হাটায় সরকারি খাস জমিতে স্বাধীনতার পর থেকে বসবাস করে আসছে প্রায় ২০টি সুইপার পরিবার। স্থানীয়ভাবে সেটার নাম দেয়া হয় সুইপার কলোনী। সেই সুইপার কলোনী উচ্ছেদ করে মেয়র সেখানে নির্মাণ করবে তাহেরপুর সুপার মার্কেট। দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসা সেই সুইপার কলোনী ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে উচ্ছেদ করতে মরিয়া হয়ে পড়েছে মেয়র আবুল কালাম আজাদ। সুপার মাকের্টের নামে সরকারী সেই খাস সম্পত্তি দখলের এটি একটি পায়তারা মাত্র।

আইনগত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে মেয়র পৌরসভা থেকে সুইপারদের বসবাসরত সেই জায়গা খালি করার নোটিশ পাঠায়। এরই জের ধরে সকালে মেয়র তার সাংগো পাংগোসহ বুল্ডরুজার নিয়ে সুইপার কলোনী উচ্ছেদে নামে। সেই সময় সুইপাররা বাধা দিলে ষষ্টী নামের এক সুইপারকে মারপিট শুরু করে মেয়র আবুল কালাম আজাদ। মেয়রের সেই মারপিটে আহত হয়ে পড়ে ষষ্টী নামের ওই সুইপার। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন সুইপার আহত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। পরে তার ছেলে শংকর মেয়র আবুল কালামকে শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করে।

এদিকে মেয়রের সেই উচ্ছেদ অভিযান ঠেকাতে তাহেরপুরের রাস্তায় মল ঢেলে রাস্তা অবরোধ করে। এর ফলে প্রায় ২ ঘন্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়াও মেয়রের সেই বুল্ডরুজারে মল ঢেলে দেয় তারা। সেই সুইপার কলোনী থেকে লাঞ্চিত হয়ে পালিয়ে যায় মেয়র। তবে মেয়র পালালেও তার অস্ত্রধারী ক্যাডাররা পিস্তল নিয়ে সেখানে অবস্থান নেয়। মেয়র বাহিনীর সেই ক্যাডারদের বিরুদ্ধে হাতে মলের বালতি নিয়ে সামনা সামনি অবস্থান নেয় নিরস্ত্র সুইপাররা। সুইপাররা জানায় গত কয়েকদিন আগে মেয়র একটি নোটিশ দেয়। সুইপারদের দাবি পুন:বাসনের আগে ব্যবস্থা করে দিতে হবে তার পর তারা সেখান থেকে যাবে।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিত রেট পেয়ে সুইপার কলোনী ত্যাগ করে মেয়রের ক্যাডার বাহিনী। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তাহেরপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই লুৎফর রহমান।

স্বাধীনতার মহানায়ক
                                  

 দেওয়ান জাহাঙ্গীর:বাংলাদেশের ইতিহাসে মার্চ মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ মাসের ৭, ১৭ ও ২৬ তারিখে এমন সব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে, যা আমাদের জাতিসত্তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ১৭ মার্চের কারণে ৭ মার্চ এবং ২৬ মার্চ সম্ভব হয়েছে। ১৭ মার্চ বাংলাদেশের নিভৃত এক পল্লী টুঙ্গিপাড়ায় যদি সেই রাখাল বালকের জন্ম না হতো, তাহলে ৭ ও ২৬ মার্চের ঘটনা কে ঘটাত? বটের ক্ষুদ্র বীজ থেকে চারাগাছ হিসেবে জন্ম নিয়ে বটগাছে মহীরুহে আকার ধারণ করে। সে দিনের সেই রাখাল বালক ক্রমাগত অগ্রগতির পথে চলতে চলতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালিতে রূপান্তরিত হন।

এখন স্পষ্ট করেই বলা যায়, বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছিল বলেই আজ আমরা স্বাধীন। বাংলাদেশ একটা স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র। আজকের বাংলাদেশই ছিল পাকিস্তান আমলের পূর্ব পাকিস্তান। বাঙালির ভোটেই পাকিস্তানের জন্ম। আর সেই পাকিস্তানেই বাঙালিরা ছিল নিপীড়িত, নির্যাতিত ও নিগৃহীত। ওরা আমাদের মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিল। পূর্ব বাংলার বাঙালিদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা না করেই পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল উর্দুকে একমাত্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেন। পূর্ব পাকিস্তানের মাটিতে দাঁড়িয়েই ১৯৪৮ সালে ওই ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রতিবাদমুখর হয় বাঙালির দামাল ছেলেরা। নো, নো বলে গর্জে ওঠে তারা। সেদিনের সেই নো, নো যার কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছিল, তিনি হচ্ছেন প্রলয়ঙ্করী যুবক মুজিব ভাই। তখনো তিনি বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠেননি। জাতির পিতা হওয়ার ব্যাপারটা ছিল স্বপ্নস্বরূপ। আর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালির কথা তো চিন্তাই করা যেত না।

রাখাল রাজার অসাধারণ ঘটনাবহুল জীবনের মূল কারণ ছিল তাঁর আমৃত্যু দেশপ্রেম, সাহসিকতা, সততা ও সাধারণ মানুষের জন্য অকৃত্রিম ভালোবাসা। ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ ও পাকিস্তানের আধা ঔপনিবেশিক বাংলাদেশকে প্রায় ২০০ বছর শাসন করে যে চরম বিপর্যয়ে নিপতিত করেছিল, তা উপলব্ধি করে শেখ মুজিবের হৃদয় কেঁদে ওঠে। মুক্তির বৈপ্লবিক চিন্তায় তিনি উদ্বুদ্ধ হয়ে ওঠেন। কী করে দেশের মানুষকে স্বাধীন, শোষণমুক্ত ও সমৃদ্ধিশালী করা যায়, এটাই ছিল তার জীবনের স্বপ্ন-সাধনা। শোষিত, বঞ্চিত ও নিপীড়িত মানুষের কল্যাণে তিনি তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। শোষিত, বঞ্চিত ও নিপীড়িত মানুষের জন্যই ছিল তাঁর রাজনীতি। বিশ্ব মানবতা তিনি দুভাগে ভাগ করেছেন একটি শোষক ও অন্যটি শোষিত। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তিনি শোষিতের পক্ষে। আর ওই শোষিত, বঞ্চিত ও নিপীড়িত মানুষের মুক্তির লক্ষ্যেই অবশেষে তাঁর জীবন দিতে হয়।

অনেকে বলেন, তিনি একদলীয় শাসন করে গণতন্ত্র হত্যা করেছেন। ৭২-এর সংবিধান প্রণয়ন ও ৭৩-এর সেই সংবিধানভিত্তিক নির্বাচন। সেই নির্বাচন ও সেই জাতীয় নির্বাচনে একচ্ছত্রভাবে বিজয়ী হয়ে তিনিই প্রথম সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। প্রায় তিন বছর সেই গণতন্ত্র কার্যকর ছিল এবং সেই গণতন্ত্রের সুবাদে স্বাধীনতার শত্রুরা এমন এক বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল, তাঁকে সাময়িকভাবে গণতন্ত্র সীমিত করে একটা জাতীয় দল গঠন করে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির সর্বাত্মক শক্তি জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত করে তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশকে দ্রুত অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন এবং সে কারণে তাঁকে রাষ্ট্রীয় অর্থে সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এমন কিছু বিষয় পরিবর্তন করতে হয়েছিল, যা গণতন্ত্রের সঙ্গে ছিল বেশ কিছুটা অসামঞ্জস্যপূর্ণ। ওটা ছিল একটা সাময়িক ব্যবস্থাপনা। তিনি বলেছিলেন, বাস্তব অবস্থা স্বাভাবিক হলেই তিনি পূর্ণ গণতান্ত্রিক অবস্থায় দেশকে ফিরিয়ে নেবেন। ওই কর্মসূচিকে তিনি দ্বিতীয় বিপ্লব বলে অভিহিত করেছিলেন এবং ওই কর্মসূচি বাস্তবায়নের আগেই স্বাধীনতার শত্রুরা আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদীর চক্রান্তের সহযোগিতায় তাঁকে স্বগৃহে প্রায় সব পারিবারিক সদস্যসহ নির্মমভাবে হত্যা করল। এরপর শুরু হলো উল্টোপথের যাত্রা।

জিয়া, এরশাদ, খালেদা, সায়েম ও সাত্তার সুদীর্ঘ ১৫ বছর একটানা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধীদের পরামর্শে রাজাকার, আলবদর ও আল-শামসদের সরকার ও রাজনীতিতে অংশীদারিত্ব দিয়ে প্রায় পাকিস্তানের কাছাকাছি রূপে একটা রাষ্ট্রে রূপান্তর করল। যাকে তারা মুসলিম বাংলা বলে অভিহিত করার চেষ্টা করেছেন। এই প্রতিবিপ্লবী চক্র ধর্ম নিরপেক্ষ, অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে স্বৈরাচারকবলিত করে ঠিক পাকিস্তানি কায়দার প্রক্রিয়া ধারায় এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালান। সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মান্ধতা ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক কুসংস্কারকে প্রশ্রয় দিয়ে তারা বাংলাদেশকে পাকিস্তানের অনুরূপ একটা সাম্প্রদায়িক প্রগতিবিরোধী রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করলেন। ঠিক এমনি সময় বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দেশের বাইরে থেকে বিশেষ কাউন্সিলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন এবং তার বাবার স্বাধীন করা বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন।

মাত্র তিন বছরে স্বাধীন বাংলাদেশ অর্থাৎ পূর্ব পাকিস্তান যা পাকিস্তানের একটা প্রদেশ ছিল ও সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠানই ছিল না। বাংলাদেশকে একটা স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে রূপান্তর করার লক্ষ্যে তিনি সব অবকাঠামো তৈরির প্রস্তাব দিলেন। বর্তমান শাসকরা নতুন করে সেখানেই হাত দিচ্ছেন, বিশেষ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার অভিমত হচ্ছে, রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে বঙ্গবন্ধু সূচনা করেননি। একটা প্রাদেশিক সরকারকে জাতীয় সরকারে রূপান্তর করা সহজসাধ্য ছিল না। ব্যাংকে টাকা ছিল না, গুদামে শস্য ছিল না, বাজারে নিত্যব্যবহারযোগ্য পণ্যও ছিল না। এ ছাড়া স্কুল, কলেজ, শিল্প-কারখানা, হাটবাজার, কৃষিকার্য এমনকি যানবাহন পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর ছিল। এক কোটি মানুষ অনাহারে শরণার্থী দেশে ফিরে আসছিল আর দেশের অভ্যন্তরে ছিল আরো দুই কোটি মানুষ। তাদের প্রায় এক বছর খাদ্য সরবরাহ করতে হয়েছিল। বসবাস করার মতো কোনো আশ্রয়ও ছিল না। লাখ লাখ পরিবারকে আশ্রয় স্থান নির্মাণ করে দিতে হয়েছিল। কৃষিব্যবস্থা চালু করার জন্য প্রত্যেকটি পরিবারকে বেশ কয়েক হাজার টাকা অনুদান ও ঋণ দেওয়া হয়েছিল। প্রত্যেকটা যুদ্ধে নিহত মানুষদের কমপক্ষে দুই হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরূপ ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাড়ে তিন বছর স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সক্ষম হলেন। দেশকে স্বাধীন করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে দীর্ঘ ২৩ বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে সংগ্রাম করতে হয়েছে।

৫২-৭১ এই ১৯ বছরই বঙ্গবন্ধুর জীবন ছিল সংগ্রামমুখর। একটা দিনের জন্যও তাঁকে হানাদার পাকিস্তানিরা স্বস্তি দেয়নি। ১৪ বছর কারাগারে কাটিয়েছেন। জীবন ও যৌবন উৎসর্গ করেছেন এ দেশের মানুষের জন্য। বারবার ফাঁসির কাষ্ঠে দাঁড়িয়েছেন কিন্তু জনগণের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার আপস করেননি। নিজের জীবনের চেয়েও তিনি সাধারণ মানুষের স্বার্থকে বড় করে দেখতেন ও তাদের জন্য চরম আত্মত্যাগে প্রস্তুত ছিলেন। এ দেশের মানুষের রক্তের ঋণ শোধ করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা অক্ষরে-অক্ষরে পালন করেছেন। এ কারণেই আজ বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কে জনগণের মূল্যায়ন হচ্ছে : তিনিই স্বাধীনতা, তাঁর নামের অর্থই হচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের বিকল্প হিসেবে একমাত্র তাঁকেই বোঝায়।

পৃথিবীর অনেক দেশ আছে, যারা বাংলাদেশকে না চিনলেও বঙ্গবন্ধুকে চিনে ও তাঁর স্বাধীন করা দেশ চিনে। তিনি শুধু বাঙালির নেতা নন, বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের নেতা। জয় বাংলা বলতে তিনি শুধু বাঙালির বিজয়কে বোঝাননি, পৃথিবীর যেকোনো দেশের সাধারণ মানুষের বিজয়ের প্রতীক হিসেবে তিনি জয় বাংলা বলেছেন। সব শোষিত-বঞ্চিত মানুষের কণ্ঠস্বর তিনি। সব কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের মুক্তিই ছিল তার একমাত্র লক্ষ্য। এমনকি বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনায় প্রথমে মুক্তি ও পরে স্বাধীনতার কথা বলেছেন। অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিকসহ সর্বাত্মক মুক্তির কথাই তাঁর কণ্ঠ থেকে উচ্চারিত হয়েছে। তাঁর বজ্রকণ্ঠে যে জয় বাংলা বাণী নিঃসৃত হয়েছিল, এর ওপর ভর করেই আমরা জাতীয় স্বাধীনতা অর্জন করেছি। জাতীয়তাবাদী চেতনাকে জাতিসত্তায় রূপান্তর করে জাতি রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত করার কৃতিত্ব একমাত্র তাঁরই। তাই তো তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। তাঁর বিকল্প কেউ বর্তমান নেই, আগামীতেও হবে না। তিনি একজন চিরঞ্জীব, বাংলার মানুষের মুক্তিদাতা ।  দেওয়ান জাহাঙ্গীর:

২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ পালনে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা
                                  

আগামী ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’। দিবসটি পালন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ওই দিন বিকাল ৪টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সংগঠনের সকল সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপস্থিত থাকার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।

মামলায় আমরাও জর্জরিত : রুহুল আমিন হাওলাদার
                                  

জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, মামলায় আমরাও জর্জরিত, আশা করি ন্যায় বিচার পাব।

বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির (বিআরইউ) সাগর-রুনির মিলায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আগামী ২৪ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশকে সফল করার লক্ষ্যে এ সমাবেশ করা হবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, আমরা জয়ের জন্য ৩’শ আসনে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এ কারণে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার প্রস্তুত নিয়েছি। দেশ, জনগণ ও জোটের স্বার্থে আমরা ক্ষমতায় যেতে চাই। দীর্ঘ ২৭ বছর জেল, জুলুম ও নির্যাতন ভোগ করে এপর্যন্ত এসেছি। আমাদের বেদনা কেউ অনুভব করেনি। আমরা ৯ বছর দেশ শাসন করেছি। এরশাদের মামলাটি আজও চলছে, আশা করি ন্যায় বিচার পাব। আমাদের সময় খুন, রাহাজানি, হত্যা, গুম, চাঁদাবাজি, নৈরাজ্য, অসহিঞ্চু পরিস্থিতি ছিল না। মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ছিল। এসব কথাই সমাবেশে বলা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, সাইদুর রহমান চেপা, সুনিল শুভ রায়, ইসলামি মহাজোটের মহাসচিব এমএ মতিন ও বিএমএ’র চেয়ারম্যান সিকান্দার আলী মণি প্রমুখ।

বাহুবলে বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ২
                                  
হবিগঞ্জের বাহুবলে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজি অটোরিকশার সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার ভোর ৫টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দৌলতপুর নামক স্থানে এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
 
নিহতরা হচ্ছেন- সিএনজি অটোরিকশা চালক উপজেলার শংকরপুর গ্রামের তুলা মিয়ার ছেলে ফরহাদ মিয়া (২৮) ও একই গ্রামের বেলা মিয়ার ছেলে নূর আলী (৪০)।
 
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শায়েস্তাগঞ্জে গ্যাস নেয়ার জন্য সিএনজি অটোরিকশাটি নিয়ে বাড়ি থেকে রওয়ানা দেন ফরহাদ ও নূর আলী। পথে দৌলতপুর দয়াল ব্রিকসের কাছে সিএনজি অটোরিকশাটি পৌঁছুলে সিলেটগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সাথে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তারা নিহত হন। এদিকে দুর্ঘটনার সাথে সাথে স্থানীয়রা কিছু সময়ের জন্য মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।
 
বাহুবল মডেল থানার এসআই রাজকুমার দুর্ঘটনার বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্বাধীনতার মাসে পাকিস্তানি সেনার আদলে ভাস্কর্য!
                                  

নওগাঁর মান্দায় নির্র্মিত ভাস্কর্য ঘিরে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ভাস্কর্যটি ‘পাকিস্তানি সেনা’র আদলে করা হয়েছে এমন মন্তব্য আসার পর থেকেই এলাকাবাসীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ ছাড়া স্বাধীনতার মাসেই এ ধরনের ভাস্কর্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও শুরু হয়েছে ব্যাপক সমালোচনা। দ্রুত ভাস্কর্যটি অপসারণ করে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি সংবলিত ভাস্কর্য স্থাপনেরও দাবি জানানো হয়েছে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ১৫ লাখ ব্যয় এ ভাস্কর্যটি উপজেলার প্রসাদপুর বাজারের চৌরাস্তা মোড়ে গোলচত্বরে তৈরি করা হয়েছে। গোলচত্বরে বেষ্টনীর মধ্যে পিলারের ওপর পূর্ব-পশ্চিম করে দুটি মূর্তি স্থাপন করা আছে। যার দুটি পাকিস্তানি সেনাদের আদলে তৈরি। কোমরে বাউন্ডলি, পরনে পাকিস্তানি পোশাক ও মাথায় হেলমেট। একজন দুই হাতে বন্দুক উঁচু করে মাথার ওপর ধরে আছে। অন্যজন বন্দুক আড়াআড়িভাবে ধরে আছে।

১৯৭১ সালে যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আজকের বাংলাদেশ। পাক সেনারা নিরীহ বাঙালিদের ওপর ভারী অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়েছে। অসংখ্য মা-বোন হারিয়েছেন তাদের সম্ভ্রম। যারা বাঙালিদের ওপর এত নির্যাতন করেছে তাদের প্রতিকৃতি কেন এ বাংলায়। তাই পাকিস্তানি সেনাদের ভাস্কর্য মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে লজ্জায় মাথা নিচু হয়ে আসছে মান্দাবাসীর। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিশ্বাসী মানুষের পক্ষে যা মেনে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ নিয়ে মান্দাবাসীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

সুলতান আহমেদ নামে একজন তার ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, ‘কিছুই না, এই প্রতিকৃতি অতি দ্রুত সরাতে হবে। স্বাধীনতার মাসে এ ধরনের প্রতিকৃতি মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকবে তা হয় না।’

মান্দা থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান বলেন, আমি এ ভাস্কর্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এটা মুক্তিযোদ্ধার আদলে তৈরি করা হয়নি। এটা পাকিস্তানি সেনাদের আদলে তৈরি হয়েছে; যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। তাদের মূর্তি কেন এখানে তৈরি করা হয়েছে। এটি সত্যিই দুঃখজনক। এটা দ্রুত অপসারণের দাবি জানাই।

নওগাঁ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. ইকরামুল বারী টিপু বলেন, এটা আসলে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য কি না, তা এখনো কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেননি। তবে এটা যে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের স্মারক মনে করার মতো না।’ নওগাঁ জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বিষয়টি দেখার পর মন্তব্য করবেন বলে জানান।

রাঙামাটিতে ইউপিডিএফের দুই নেত্রীকে অপহরণ, গুলিবিদ্ধ ১
                                  

রাঙামাটিতে ইউপিডিএফের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ১
রাঙামাটি প্রতিনিধি
রাঙামাটির কুতুকছড়িতে ইউনাইটেড পিপল্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) দু’গ্র“পের সংঘর্ষে ধর্ম সিং চাকমা নামে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রোববার সকালে ইউপিডিএফ’র দুই গ্র“পের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এসময় একই গ্রুপের হিল উইমেন্স ফেডারেশনের দুই নারী নেত্রীকে তুলে নিয়ে গেছে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।
হিল উইমেন্স ফেডারেশনের দুই নারী নেত্রী হলেন- হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মন্টি চাকমা ও কেন্দ্রীয় সদস্য দয়াসোনা চাকমা।
এঘটনায় ইউনাইটেড পিপল্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) রাঙামাটি জেলা ইউনিট এর সংগঠক সচল চাকমা ইউপিডিএফ’র বিদ্রোহী গ্র“পকে (বরমা গ্র“প) দায়ী করেছেন।
রাঙামাটি কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সত্যজিৎ বড়–য়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ইউপিডিএফ দুই গ্র“পের মধ্যে রবিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে রাঙামাটির কুতুকছড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দুই জন নারী হলেন- মন্টি চামকা ও দয়াসোনা চাকমা।
এঘটনায় গুলিবিদ্ধ ধর্মসিং চাকমাকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নেওয়া হয়েছে। এদিকে, এঘটনার প্রতিবাদে সংগঠনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সংযোগ সড়কে বিক্ষোভ করে।

কর দিলেই ট্যাক্স কার্ড : অর্থমন্ত্রী
                                  

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, যারা ট্যাক্স দেবে, তাদেরই ট্যাক্স কার্ড দেওয়া হবে। কেউ যদি এক টাকাও ট্যাক্স দেয়, তার জন্যও ট্যাক্স কার্ড করা হবে।

রোববার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনইসি সম্মেলন কক্ষে আগামী অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতির সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

আলোচনায় অর্থমন্ত্রীকে আগামী বাজেটে করের হার না বাড়িয়ে করের আওতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন সংসদ সদস্যরা। এছাড়া কর ব্যবস্থার সংস্কার করে ব্যক্তিগত আয়ের করসীমা বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা করা, ব্যক্তিগত আয়ের সর্বোচ্চ শ্রেণির জন্য করের পরিমাণ কমানো, সব নাগরিকের জন্য ট্যাক্স কার্ডের প্রচলন করা, ভ্যাট ও করের আওতা বাড়ানোসহ বেশকিছু সুপারিশও করেছেন তারা।

আলোচনায় শিক্ষা খাতের দূরবস্থা, শিক্ষার গুণগত মান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি, চিকিৎসক সংকট ইত্যাদি বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।

জালানি মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম ট্যাক্সের রেট কমিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে বলেন, এতে কর জালের আওতা বাড়বে এবং সবাই ট্যাক্স দিতে উৎসাহিত হবে। ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত কর মওকুফের আবেদন জানান তিনি।

তাছাড়া পরিবেশবান্ধব গ্রিন ফ্যাক্টরি উপকারিতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তাদের ট্যাক্স ছাড় দেওয়া প্রয়োজন যাতে অন্যরা পরিবেশ উপযোগী গ্রিন ফ্যাক্টরি করতে পারে। এ সময় তিনি বিদ্যুৎ ও পানির অপচয় রোধ করার জন্য সব জায়গায় সেন্সর প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার পরামর্শ দেন।

মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মীর শওকত আলী বাদশা উপকূলীয় মাছ চাষ উন্নয়নে আরো বেশি বরাদ্দের দাবি জানান।

এছাড়া বাণিজ্যিকভাবে হরিণ চাষের অনুমতি দিতে সরকারে প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বাণিজ্যিকভাবে হরিণ চাষ করলে মাংসের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি সুন্দরবনে চোরাই হরিণ শিকারের সংখ্যাও কমে আসবে।

সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি বলেন, কঠোর নির্দেশনা সত্ত্বেও চিকিৎসকরা গ্রামে থাকেন না। উচ্চশিক্ষার অজুহাত এবং স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) পরিচয়ে চিকিৎসকরা কর্মস্থলে থাকেন না। ঢাকায় চলে আসেন। এটা চরম বাস্তবতা। দেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা হাসপাতালগুলোর মধ্যে আমার উপজেলা কাপাসিয়ার অবস্থান আট নম্বরে। এতো ভালো অবস্থানের পরেও আমার উপজেলায় চিকিৎসক ধরে রাখতে পারি না। চিকিৎসক সংকট দূর করার জন্য সরকারকে গভীরভাবে বিষয়টি দেখতে হবে।

আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আ ফ ম রুহুল হক, মকবুল আহমেদ, মেজর জেনারেল সুবিদ আলী ভুইয়া, জাহিদ আহসান রাসেল, রেবেকা মোমেন প্রমুখ।

বরিশালে নদী থেকে আরো ১ মরদেহ উদ্ধার, সংখ্যা বেড়ে ৭
                                  

বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর চরমোনাই লঞ্চঘাট এলাকা থেকে আরো একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৭ জনে। এই মরদেহের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

শনিবার (১০ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওই মরদেহটি উদ্ধার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বরিশাল সদর নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ বেল্লাল হোসেন।

ওসি শেখ বেল্লাল হোসেন বলেন, মরদেহের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তার বয়স আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে হবে।

এর আগে শুক্রবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চরমোনাই লঞ্চঘাট সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে ৬ জনের লাশ ভেসে উঠার পর উদ্ধার করা হয়।

মৃতরা হলেন – মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ি উপজেলার পাচনখোলা এলাকার মৃত খায়ের উদ্দিন ঢালীর পুত্র বাদশা ঢালী (৬৫), গাজীপুর সদরের আব্দুল মালেকের পুত্র ইফতেখার ইসলাম (১০), আমানউল্লাহ দেওয়ানের পুত্র শাহ আলী (২৯), একই জেলার ভবানীপুর এলাকার জাকির হোসেন দিলদার (৩০), ময়মনসিংহের মকবুল হোসেনের পুত্র দেলোয়ার হোসেন (২৮) ও লক্ষীপুরের হেদায়েত হোসেনের পুত্র আবদুল কুদ্দুস (২৪)। 


   Page 1 of 18
     দেশজুড়ে
আড়াই লাখ ডলারে নাজিবের জামিন
.............................................................................................
পুনরায় ভোট গণনার পক্ষে রায় দিয়েছে ইরাকের সর্বোচ্চ আদালত
.............................................................................................
উত্তর প্রদেশে বাস দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত
.............................................................................................
পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে রাশিয়া ও চীনের সাথে ইরানের সম্মেলন
.............................................................................................
কাল কানাডা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
কাশ্মিরে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ভারত ও পাকিস্তান
.............................................................................................
পরিবেশ বাঁচাতে ঘাসের কাগজ!
.............................................................................................
বাগমারায় সুইপারদের হাতে মেয়র কালাম লাঞ্ছিত!
.............................................................................................
স্বাধীনতার মহানায়ক
.............................................................................................
২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ পালনে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা
.............................................................................................
মামলায় আমরাও জর্জরিত : রুহুল আমিন হাওলাদার
.............................................................................................
বাহুবলে বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ২
.............................................................................................
স্বাধীনতার মাসে পাকিস্তানি সেনার আদলে ভাস্কর্য!
.............................................................................................
রাঙামাটিতে ইউপিডিএফের দুই নেত্রীকে অপহরণ, গুলিবিদ্ধ ১
.............................................................................................
কর দিলেই ট্যাক্স কার্ড : অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
বরিশালে নদী থেকে আরো ১ মরদেহ উদ্ধার, সংখ্যা বেড়ে ৭
.............................................................................................
রাঙ্গাবালীতে পুকুরে বৃদ্ধের লাশ!
.............................................................................................
সাপাহারে মৎস্যচাষ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখার চক্রান্ত করছে সরকার: ফখরুল
.............................................................................................
সাপাহারে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচী পালিত
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে বিএনপি
.............................................................................................
প্যারাডাইস পেপারসের নতুন তালিকায় মুসা বিন শমসেরসহ ২০ বাংলাদেশির নাম
.............................................................................................
মানবাধিকারকর্মী আসমা জাহাঙ্গীরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
.............................................................................................
আদালতে ক্যামেরা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা কেন ?: মওদুদ
.............................................................................................
সড়ক দুর্ঘটনায় বাড়ছে মৃত্যু, পুড়ছে স্বপ্ন
.............................................................................................
ভালুকায় বিশ কোটি টাকা মূল্যের জমি জবর দখলের অভিযোগ
.............................................................................................
‘মাদরাসার ছাত্ররা জঙ্গি হতে পারে না’
.............................................................................................
আজ সরস্বতী পূজা
.............................................................................................
সালথা নগরকান্দায় অসহায়ের মধ্যে যুবলীগ নেতার শীতবস্ত্র বিতরন
.............................................................................................
মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের সংগ্রাম ছাড়া কোনো বিকল্প নেই: আরসা
.............................................................................................
বিএসএফের নির্যাতনে বাংলাদেশির মৃত্যু
.............................................................................................
জয়পুরহাট হানাদার মুক্ত দিবস কাল
.............................................................................................
স্বজনদের সামনেই রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণ করা হয়েছে
.............................................................................................
সখীপুরে খেজুর রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা
.............................................................................................
ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কে দীর্ঘ যানজট
.............................................................................................
৫ ঘণ্টা পর ফেরি চলাচল শুরু
.............................................................................................
আজ ২৬তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
.............................................................................................
সিলেটের সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক
.............................................................................................
দিনাজপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
ভৈরবের দু’পাড়ে দর্শনার্থীর ঢল
.............................................................................................
নওগাঁয় বাস খাদে, নিহত ২
.............................................................................................
চুয়াডাঙ্গায় দুই মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ, চালকসহ আহত ৪
.............................................................................................
ছাত্র-শ্রমিক সংঘর্ষ : দিনাজপুরে পরিবহন ধর্মঘট
.............................................................................................
৮ মাসের শিশুকে গলা কেটে হত্যা!
.............................................................................................
৫২ বছর পর সরাসরি খুলনা-কলকাতা রুটে ট্রেন চলাচল শুরু
.............................................................................................
‘নির্বাচনে রোহিঙ্গাদের ব্যবহার হতে পারে’
.............................................................................................
চার বছরের শিশুও মুক্তিযোদ্ধা তালিকায়!
.............................................................................................
সুন্দরবন থেকে ৩ ‘বনদস্যু’ আটক
.............................................................................................
কর্পোরেট ট্যাক্স কমাতে পদক্ষেপ নেবে আগামী সরকার : অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
বর্তমান সরকারকে ফের ক্ষমতায় আনতে হবে’
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক : জাকির এইচ. তালুকদার ,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : এস এইচ শিবলী ,
    [সম্পাদক মন্ডলী ]
সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ই-মেইল:dailybortomandin@gmail.com
   All Right Reserved By www.dtvbangla.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]