মেটলাইফ স্টেডিয়ামে রোববার অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে - গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ফেররান তোরেসের গোলে জয় পায় লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল

ম্যাচের পুরোটা সময় প্রতিপক্ষের চাপে পিষ্ট ছিল আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে এন্সো ফের্নান্দেস দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায় ১০ জনের দলে পরিণত হয় তারা। অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেররান তোরেসের দুর্দান্ত গোলে জয়ের উল্লাসে মেতে ওঠে স্প্যানিশ শিবির

ম্যাচের অন্যান্য পরিসংখ্যানে কিছুটা হলেও ফুটে উঠছে স্পেনের দাপট আর আর্জেন্টিনার নাজেহাল অবস্থা। প্রায় ৬৫ শতাশ সময় পজেশন রেখে গোলের জন্য ২০টি শট নিয়ে ১২টি লক্ষ্যে রাখতে পারে ২০১০ সালের বিশ্বকাপ জয়ীরা। আর দুটি শট নিয়ে একটিও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি আর্জেন্টিনা

ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেন আক্রমণে ছিল। পাঁচ মিনিটের মধ্যে লামিন ইয়ামালের শট রুখে দেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেস। এরপর উনাই সিমোনের দারুণ সেভে মেসির সম্ভাব্য গোল বাধাপ্রাপ্ত হয়। লিওনেল মেসিকে পুরোপুরি আটকে রাখে স্প্যানিশ রক্ষণ, তাতে রেকর্ড আটবারের বর্ষসেরা ফুটবলার সুযোগই পাননি

নির্ধারিত সময়ে গোল না হলে ১১৫তম মিনিটে মেসির ক্রস ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে শেষ আশাও হারায় আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্তে লেয়ান্দ্রো পারেদেস লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন

আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি একাধিক বদল আনলেও কাজ হয়নি। স্পেনের কৌশলের সামনে পুরোপুরি পড়েছিল মারাদোনার দেশ। ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেল স্পেন। এই ম্যাচ দিয়ে সম্ভবত শেষ হয়ে গেল লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ যাত্রা, যিনি এই আসরে গোল করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার হয়েছেন