| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
   * নৌকা ডুবে ২৪ জনের মৃত্যু, ২০ হাজার করে টাকা পাবে প্রত্যেকের পরিবার   * তুষারধারায় অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।   * সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পরীক্ষার ফি নির্ধারণ   * সিলেটে হিজড়ার ছদ্মবেশে থাকা যুবক খুন   * জি কে শামীম ও তার ৭ দেহরক্ষীর যাবজ্জীবন   * কিছুই বলছেন না রহিমা বেগম!   * মায়ের সন্ধান পেয়ে ফেসবুকে যা লিখলেন মরিয়ম মান্নান   * এসএসসি পরীক্ষার কক্ষ থেকে ফেসবুক লাইভ, দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার   * স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ-হত্যা: প্রতিবাদে উত্তাল নোয়াখালী   * পুরো দেশকে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় আনা হচ্ছে: মন্ত্রী  

   শিক্ষা-সাহিত্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
এসএসসি পরীক্ষার কক্ষ থেকে ফেসবুক লাইভ, দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার কক্ষে ফেসবুক লাইভ করার অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) উপজেলার হাজী ছোট কলিম উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। বহিষ্কৃত ওই দুই শিক্ষার্থী উপজেলার ধনুয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ, তদন্ত কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানান যায়, গত বৃহস্পতিবার এসএসসির গণিত পরীক্ষা চলাকালে হাজী ছোট কলিম উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রের ৯ নম্বর কক্ষে ৪৪ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এসময় ধনুয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগের পরীক্ষার্থী রাকিব হাসানের মোবাইল থেকে আব্দুল্লাহ আল মামুনের ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে পরীক্ষা কক্ষের দৃশ্য লাইভে দেখানে হয়। বিষয়টি শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলামসহ ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরে ইউএনও এ বিষয়ে ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। শনিবার বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওই কেন্দ্রে যান। এরপর ওই ভিডিওর বিষয়ে আট পরীক্ষার্থী এবং দুই কক্ষ পরিদর্শককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে পরীক্ষার্থী রাকিব হাসানের সঙ্গে থাকা মোবাইল দিয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুনের ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে লাইভ করার বিষয়টির সত্যতা পাওয়া যায়। পরে এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন ইউএনও। শ্রীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নুরুল আমিন বলেন, তদন্তে দুই পরীক্ষার্থী রাকিব ও আব্দুল্লাহ আল মামুনের পরীক্ষা কক্ষে ফেসবুক লাইভ করার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এছাড়া কক্ষ পরিদর্শক আফসার উদ্দিন ও আমিনুল ইসলাম কারণ দর্শানোর লিখিত জবাব দিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানোর পর তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন। পরীক্ষার কক্ষে মোবাইল কিভাবে নেওয়া হলো, এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাজী ছোট কলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব আবদুল হান্নান সজল বলেন, কেন্দ্রে প্রবেশ মুখেই পরীক্ষার্থীদের দেহ তল্লাশি করে ভেতরে ঢোকানো হয়। ওই দুই পরীক্ষার্থী বাইরে থেকে হয়তো মোবাইল এনে থাকতে পারে। এদিকে, শনিবার বিকেলে ওই দুই ছাত্রকে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, তদন্তের পর ওই দুই শিক্ষার্থীর সম্পৃক্ততা থাকায় তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।

এসএসসি পরীক্ষার কক্ষ থেকে ফেসবুক লাইভ, দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার
                                  

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার কক্ষে ফেসবুক লাইভ করার অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) উপজেলার হাজী ছোট কলিম উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। বহিষ্কৃত ওই দুই শিক্ষার্থী উপজেলার ধনুয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ, তদন্ত কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানান যায়, গত বৃহস্পতিবার এসএসসির গণিত পরীক্ষা চলাকালে হাজী ছোট কলিম উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রের ৯ নম্বর কক্ষে ৪৪ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এসময় ধনুয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগের পরীক্ষার্থী রাকিব হাসানের মোবাইল থেকে আব্দুল্লাহ আল মামুনের ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে পরীক্ষা কক্ষের দৃশ্য লাইভে দেখানে হয়। বিষয়টি শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলামসহ ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরে ইউএনও এ বিষয়ে ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। শনিবার বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওই কেন্দ্রে যান। এরপর ওই ভিডিওর বিষয়ে আট পরীক্ষার্থী এবং দুই কক্ষ পরিদর্শককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে পরীক্ষার্থী রাকিব হাসানের সঙ্গে থাকা মোবাইল দিয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুনের ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে লাইভ করার বিষয়টির সত্যতা পাওয়া যায়। পরে এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন ইউএনও। শ্রীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নুরুল আমিন বলেন, তদন্তে দুই পরীক্ষার্থী রাকিব ও আব্দুল্লাহ আল মামুনের পরীক্ষা কক্ষে ফেসবুক লাইভ করার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এছাড়া কক্ষ পরিদর্শক আফসার উদ্দিন ও আমিনুল ইসলাম কারণ দর্শানোর লিখিত জবাব দিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানোর পর তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন। পরীক্ষার কক্ষে মোবাইল কিভাবে নেওয়া হলো, এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাজী ছোট কলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব আবদুল হান্নান সজল বলেন, কেন্দ্রে প্রবেশ মুখেই পরীক্ষার্থীদের দেহ তল্লাশি করে ভেতরে ঢোকানো হয়। ওই দুই পরীক্ষার্থী বাইরে থেকে হয়তো মোবাইল এনে থাকতে পারে। এদিকে, শনিবার বিকেলে ওই দুই ছাত্রকে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, তদন্তের পর ওই দুই শিক্ষার্থীর সম্পৃক্ততা থাকায় তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড স্থগিত চার বিষয়ের পরীক্ষা ১০-১৩ অক্টোবর
                                  

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত হওয়া গণিত (আবশ্যিক), রসায়ন, কৃষি ও পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা আগামী ১০, ১১, ১২ ও ১৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দুপুরের মধ্যেই পরীক্ষার তারিখ ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে। সম্ভাব্য সময় ১০, ১১, ১২ ও ১৩ অক্টোবর। বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ছয় বিষয়ে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এরপরই দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে চার বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার কথা জানানো হয়। ওই চার বিষয় হলো- গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, কৃষিবিজ্ঞান ও রসায়ন। এর মধ্যে গণিত বিষয়ের পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল ২২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার। এছাড়া ২৪ সেপ্টেম্বর পদার্থবিজ্ঞান, ২৫ সেপ্টেম্বর কৃষিবিজ্ঞান ও ২৬ সেপ্টেম্বর রসায়ন বিষয়ের পরীক্ষার হওয়ার কথা ছিল। এদিকে এ ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন- ভূরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃষিবিজ্ঞানের শিক্ষক হামিদুল ইসলাম, বাংলা বিষয়ের শিক্ষক সোহেল চৌধুরী ও পিয়ন সুজন মিয়া। এ নিয়ে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হলো। এর আগে একই ঘটনায় ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, ইংরেজি শিক্ষক আমিনুর রহমান রাসেল ও ইসলাম শিক্ষার শিক্ষক জোবায়ের ইসলামকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

চার বিষয়ের এসএসসি পরীক্ষা স্থগিতের খবরে শিক্ষার্থীদের কান্না
                                  

কুড়িগ্রামে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে চার বিষয়ে এসএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করেছে উত্তরের আট জেলার শিক্ষার্থীরা। এ খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ে অনেক শিক্ষার্থী। নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (নেসকো) দিনাজপুর অফিসের কর্মচারী সাজ্জাদুল ইসলাম  বলেন, ‘আমার মেয়ে সাজিদা ইসলাম এবার মহারাজা গিরিজানাথ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। সকালে অনলাইন মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টিভির পর্দায় দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চলমান এসএসসি পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার খবর দেখে কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছে। তাকে কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। দিনাজপুর সেন্ট ফিলিপস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে এলিন ও মৌমিতা। তারা সম্পর্কে চাচাতো বোন। সকালে তাদের দুজনকেও কান্না করতে করতে পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়ার বিষয়ে কথা বলতে দেখা গেছে। লালমনিরহাট কালিগঞ্জ উপজেলার সুন্দ্রাহবি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দিচ্ছে ফারজানা আক্তার। স্থানীয় সাংবাদিক তিতাস আলম বলেন, সকালে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার খবরে তাকে কান্নাকাটি করতে শুনেছি। কুড়িগ্রাম বর্ডার গার্ড স্কুলের শিক্ষার্থী আলিফ ইসলাম বকসী। সে কুড়িগ্রামের আবুল কালাম আজাদ ঠান্ডার ছেলে। সে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। সকালে টিভির স্ক্রলে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার খবর দেখে চোখের পানি মুছতে মুছতে হতাশার সুরে তার বাবাকে বলে, ‘করোনা খাইছে দুই বছর, বন্যা খাইছে এক মাস। দেখা যাক এবার প্রশ্নফাঁস কতদিন খায়। ওই জেলার আরেক পরীক্ষার্থী শুদ্ধ শারাফ কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দিচ্ছে। সে কান্না করতে করতে বলে, ‘প্রশ্নফাঁসের মতো জঘন্য ঘটনায় আমাদেরকে সাফার করতে হবে, এটা মানি কেমন করে? নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কয়া নিজপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশ নেওয়া এসএসসি পরীক্ষার্থী খালিদ হাসান বলে, ‘করোনা এবং বন্যার কারণে প্রস্তুতি নেওয়ার পরও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। এতে আমাদের প্রস্তুতি নষ্ট হয়ে যায়। আবারও আমরা মনোবল জুগিয়ে পরীক্ষার জোর প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষা শুরু করি। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে পরীক্ষা স্থগিত হয়ে গেলো। আমরা পরীক্ষার্থীরা আবারও হোঁচট খেলাম। কুড়িগ্রামে এসএসসি প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ায় চলতি পরীক্ষার সাধারণ গণিত, পদার্থ, রসায়ন এবং কৃষি বিষয়ে পরীক্ষা স্থগিত করেছে মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড দিনাজপুর। এ বিষয়ে জানতে শিক্ষাবোর্ডের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

দিনাজপুর বোর্ডের এসএসসির চার পরীক্ষা স্থগিত
                                  

ঢাকা: দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চলমান এসএসসির চার বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পরীক্ষাগুলো হলো- গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, কৃষিবিজ্ঞান ও রসায়ন। বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে এসব বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিতের কথা জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে এসব বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. কামরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থগিতকৃত বিষয়ের পরীক্ষার তারিখ যথা সময়ে জানানো হবে। স্থগিতকৃত বিষয় ছাড়া অন্য বিষয়ের পরীক্ষা রুটিন অনু্যায়ী অনুষ্ঠিত হবে বলেও তাতে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়।

যশোর শিক্ষা বোর্ড স্থগিত এমসিকিউ পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ
                                  

যশোর শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত হওয়া এসএসসি বাংলা দ্বিতীয় পত্রের এমসিকিউ পরীক্ষা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন বেলা ১১টা থেকে ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত এ পরীক্ষা হবে। মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সারা দেশের ন্যায় গত ১৫ সেপ্টেম্বর যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথম দিন নড়াইলের কালিয়া উপজেলার প্যারিশংকর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও বাওসোনা কামশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নের পরিবর্তে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের এমসিকিউ প্রশ্ন বিতরণ করা হলে পরীক্ষার্থীদের কাছে ভুলটি ধরা পড়ে। এছাড়া লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও একই ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ১৬ সেপ্টেম্বর বোর্ড কর্তৃপক্ষ ১৭ সেপ্টেম্বরের বাংলা দ্বিতীয় পত্রের এমসিকিউ পরীক্ষা স্থগিতের নির্দেশনা জারি করে। যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আহসান হাবীব জানান, পরীক্ষা গ্রহণের জন্য নতুন প্রশ্নপত্র ছাপানো হয়ে গেছে। যে কারণে আন্ত:বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টা থেকে ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত বাংলা দ্বিতীয় পত্রের এমসিকিউ পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে।

যশোর শিক্ষাবোর্ডে কমেছে এসএসসি পরীক্ষার্থী
                                  

যশোর: যশোর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে এক লাখ ৭০ হাজার ৩৭৭ পরীক্ষার্থী। ২০২১ সালে পরীক্ষার্থী ছিল এক লাখ ৮১ হাজার ৬৮৭ জন। গত বছরের তুলনায় এবার ১১ হাজার ৩১০ জন কম। করোনা মহামারি ও বাল্যবিয়েসহ নানা কারণে এবার পরীক্ষার্থী কিছুটা কমেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। ১৫ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা শুরু হবে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরীক্ষা গ্রহণের সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, ২০২২ সালে যেসব শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষা দেবে, তারা ২০২০ সালে নবম শ্রেণিতে লেখাপড়া করতো। ওই সময় দেশে করোনা মহামারির কারণে তারা নিয়মিত স্কুলে যেতে পারেনি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেক অস্বচ্ছল পরিবারের মেয়েদের বাল্যবিয়ে হয়েছে। এসব কারণে এ বছর এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কিছুটা কমে গেছে। তিনি আরও জানান, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এবারের পরীক্ষা সম্পন্নের লক্ষ্যে শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে। জানা যায়, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে এক লাখ ৭০ হাজার ৩৭৭ জন পরীক্ষার্থী। এরমধ্যে, ছাত্র ৮৫ হাজার ৫৯৯ জন ও ছাত্রী ৮৪ হাজার ৭৭৮ জন। মোট ২৯৩টি কেন্দ্রের মধ্যে সর্বোচ্চ যশোরে ৫২টি কেন্দ্রে অংশ নেবে ২৮ হাজার ৫২ পরীক্ষার্থী। খুলনায় ৫৮টি কেন্দ্রে অংশ নেবে ২৬ হাজার ৮জন পরীক্ষার্থী। বাগেরহাটের ২৭ কেন্দ্রে ১৪ হাজার ২৮৭ জন, সাতক্ষীরার ২৭ কেন্দ্রে ১৯ হাজার ৭০ জন, কুষ্টিয়ার ৩১ কেন্দ্রে ২৪ হাজার ১৫৩ জন, চুয়াডাঙ্গার ১৮ কেন্দ্রে ১১ হাজার ১২২ জন, মেহেরপুরের ১৩ কেন্দ্রে ৭ হাজার ৭২৪ জন, নড়াইলের ১৪ কেন্দ্রে ৮ হাজার ১৯৩ জন, ঝিনাইদহের ৩৬ কেন্দ্রে ১৯ হাজার ৯০৩ জন, মাগুরার ১৭ কেন্দ্রে ১১ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে। এরআগে, এসএসসি পরীক্ষার নির্ধারিত তারিখ ছিল চলতি বছরের ১৯ জুন। স্থগিত হওয়ার তিন মাস পর ১৫ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা অনলাইনে অধিকাংশ সময় নষ্ট করছে: পরিকল্পনামন্ত্রী
                                  

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা মাদকাসক্তি, জঙ্গিবাদ ও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ছে। পাশাপাশি তারা ভার্চুয়াল জগতে অধিকাংশ সময় নষ্ট করছে। যা তাদের বিপথে নিয়ে যাচ্ছে। বেশি বেশি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করে তরুণ প্রজন্মকে গঠনমূলক ও সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত রাখতে হবে। শুক্রবার বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। হাতিরঝিলের এম্ফিথিয়েটারে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। এসময় পরিকল্পনামন্ত্রী এমন আয়োজনের জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে সাধুবাদ জানান। তিনি বলেন, এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। দেশের তরুণ সমাজকে এমন আয়োজন খেলাধুলায় আকৃষ্ট করবে। মুজিববর্ষ ও বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীকে উৎসর্গ করে ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার দেশ, তারুণ্যের বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে স্পেলবাউন্ডের পরিচালনায় সারাদেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত অংশগ্রহণে আয়োজিত হয়েছে এ আসর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপের সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপের সহ-সভাপতি নাহিম রাজ্জাক ও যুব ও ক্রীড়া সচিব মেজবাহ উদ্দিন। আজ থেকে শুরু হয়ে ১ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলবে এই খেলা। আসরের প্রত্যেক ইভেন্টে অংশ নেওয়া প্রথম তিনজন বিজয়ীকে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জপদক দেওয়া হবে। সবচেয়ে বেশি পদকজয়ী বিশ্ববিদ্যালয় পাবে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি। ১২৫ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে ফুটবল, ক্রিকেট, সুইমিং, অ্যাথলেটিক্স, টেবিল টেনিস, বাস্কেটবল, ভলিবল, হ্যান্ডবল, সাইক্লিং, দাবা, কাবাডি ও ব্যাডমিন্টনসহ ১২টি ইভেন্টের সমন্বয়ে নারী, পুরুষ উভয় বিভাগে ৭ হাজারেরও অধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে এবারের আসর।

রাজনৈতিক দলগুলো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ঝুঁকছে কেন?
                                  

দেশের বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি কমিটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করতে দেখা গেছে তাদের। সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী এ সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন এবং তাদের কাছে এর উপযুক্ত কারণও রয়েছে বলে জানান তারা। গত শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে প্রথমবারের মতো ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। সেখানে সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ হোসেন পারভেজ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুল হাকিম সম্রাট স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়। এ তালিকায় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির নাম রয়েছে।
তবে এরই মধ্যে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ছাত্র রাজনীতির অনুমতি দেবে না বলে উপাচার্য অধ্যাপক এমএম শাহিদুল হাসান এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও নোটিশের মাধ্যমে তাদের অভিমত ব্যক্ত করেছে। গত কয়েক বছরে দেশের ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন হিসেবে ছাত্রলীগকে নিয়ে বেশ সমালোচনাও হয়েছে। ভিন্ন মতাবলম্বীদের হুমকি-ধমকি, হয়রানিসহ সহিংসতায় জড়ায় সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। ২০১৯ সালে বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডই প্রমাণ করে কতটা নির্মম হয়ে ওঠেছে ঐতিহ্যবাহী এ সংগঠনের কতিপয় নেতাকর্মী। এছাড়া ছাত্রছাত্রীদের ছাত্রাবাস ছাড়তে বাধ্য করা থেকে শুরু করে প্রকাশ্যে বা গোপনে লাঞ্ছিত- সবই করেছে তারা। স্থানীয় গণমাধ্যম এবং সাধারণ মানুষ সংঘটিত নানা নৃশংসতার সাক্ষ্য বহন করে। তাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ সংগঠনের রাজনীতির অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীরা। তবে বাংলাদেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনেক সমস্যা থাকলেও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয় তার অন্যতম কারণ তারা রাজনীতি থেকে মুক্ত। কিন্তু এখন ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণার পর তা আদৌ রাজনীতি মুক্ত থাকবে কি না তা নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন। যদি সঠিকভাবে এর তদারকি করা না হয়, তবে পরিস্থিতি একপর্যায়ে খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করছেন অনেকে। কী বলছেন শিক্ষার্থীরা, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির মার্কেটিং ক্লাবের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা ও যুগ্ম সম্পাদক রায়ীদ মোরশেদ বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা সুষ্ঠু পরিবেশ আছে। এখানে কেউ কাউকে জোরজবরদস্তি করে না। যেমন ধরুন আমাদের ক্লাবগুলো। যে যেই ক্লাব পছন্দ করে সে সেই ক্লাবে কাজ করতে পারে। কারও প্রতি কারও হস্তক্ষেপ নেই। কিন্তু যদি ছাত্রলীগসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসতে শুরু করে তখন এ পরিবেশে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। তখন প্রত্যেকে চাইবে শিক্ষার্থীরা যেন তাদের দল করে। ঠিক তখনই নানারকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে। যে বিশৃঙ্খলার ভয়ে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে না পড়ে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হন সেখানেও যদি সমস্যা হয়, তাহলে কীভাবে হবে? তবে যদি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো নিয়মনীতির মধ্যে রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে নিয়ে আসতে পারে, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট না হয়; তাহলে তিনি এসব কমিটিতে কোনো সমস্যা দেখেন না। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির আরেক শিক্ষার্থী সৌমিক বলেন, ‘সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটিতে পক্ষে-বিপক্ষে যাওয়ার সুযোগ নেই। যেহেতু বর্তমান সরকারের এটি একটি অঙ্গসংগঠন। তারা তো চাইবেই বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের কমিটি থাকুক। তবে আমার চাওয়া এইটুকুই যে, তারা যেন ক্যাম্পাসের ভেতরে কোনো কার্যক্রম না চালায়। ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের যেন তাদের দ্বারা হয়রানির শিকার না হতে হয়। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নজর দিলেই হবে। কী বলছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, এদিকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তরে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ জানায়, এ বিশ্ববিদ্যালয় রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ এবং কোনো রাজনৈতিক ক্লাব বা সমিতিকে সমর্থন করে না। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সদস্যরা অবশ্যই, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের ক্লাব বা সংস্থার সাথে তাদের ব্যক্তিগত পছন্দের অধিভুক্তি বা সমিতিগুলো অনুসরণ করার ক্ষেত্রে স্বাধীন। কিন্তু অনুমোদন ছাড়া ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির লোগো কোনো সাংগঠনিক অধিভুক্তির ক্ষেত্রে বা অন্য কোনো কার্যক্রমের প্রচারের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতিমুক্ত। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে কোনো রাজনৈতিক দলের স্থান নেই। শুরু থেকেই তারা ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ রেখে তাদের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন ‘ কী কারণে রাজনৈতিক দল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ঝুঁকছে? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে ছাত্রলীগের গ্রহণযোগ্যতা সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে একদম নেই বললেই চলে। তবে সংগঠনটির সদস্য ও শীর্ষ নেতারা বলছেন, জঙ্গিবাদের উত্থান ঠেকাতে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের উপস্থিতি অত্যাবশ্যক। তাদের উপস্থিতি না থাকলে এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এমন ছাত্র তৈরি করবে, যারা একদিন সন্ত্রাসী হয়ে উঠবে। যেমনটা আমরা দেখেছিলাম হলি আর্টিজানে। তাছাড়া এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্র কমিটি রয়েছে। সুতরাং অন্য কমিটি থাকলে তাদের কমিটি গঠন করাও যৌক্তিক মনে করছেন তারা। ছাত্রলীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, সম্প্রতি সংগঠনকে গতিশীল করা এবং সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে প্রথমে দেশের প্রায় সব বেসরকারি মেডিকেল ও নতুন করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কমিটি ঘোষণা করেছে তারা। তারা আশা করছেন এর মাধ্যমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগে যোগ দিতে আরও আগ্রহী হবেন এবং ছাত্রলীগের কার্যক্রম আরও বাড়বে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের আরেক নেতা বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী আছে তাদের দলভুক্ত করে নিজেদের দলকে ভারি করা এবং বিভিন্ন কার্যক্রমে দলের সমর্থন বাড়ানোয় হলো মূল উদ্দেশ্য। যাতে করে স্বাধীনতাবিরোধী অঙ্গসংগঠন নির্বাচনের আগে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে না পারে। এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র রাজনীতি নিয়ে সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, ‘রাজনীতি করা একজন মানুষের মৌলিক অধিকার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র রাজনীতির বিষয়ে মানুষের ভিন্ন মত থাকতে পারে; কিন্তু আমরা যদি গণতান্ত্রিক সমাজ আশা করি, তাহলে রাজনৈতিক চেতনার বিকল্প নেই। তবে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি করতে দেয়া হবে কি হবে না, সে সিদ্ধান্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নেবে। মন্ত্রীর কথার সঙ্গে সুর মিলিয়ে সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সাদিদ সবুর বলেন, ‘যেহেতু প্রগতিশীল রাজনীতির সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত তাই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঐতিহ্যগত দিক থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরেও বিপুল সংখ্যক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি দরকার। কেননা, অনেক সময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থীদের অর্থনৈতিকভাবে চাপ প্রয়োগ করে থাকে। অন্যায়-অবিচার ও নানা অনিয়মের মধ্যে তাদের যেতে হয়। সেসব ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার মতো কাউকে দেখা যায় না। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তখন সেখানে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারবে। একটা নেতৃত্বের মাধ্যমে ছাত্রদের ন্যায়সংগত অধিকার আদায়ে ভূমিকা রাখতে পারবে। ‘তাছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কখনোই বলতে পারবে না, তারা তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি অন্তর্ভুক্ত করবে না। এটা তাদের বলার এখতিয়ার নেই। রাজনীতি নিষিদ্ধ করা-এটা কেউ বলতে পারে না। তারা বড়জোর কিছু নিয়মনীতি রাখতে পারেন, যেহেতু তারা প্রাইভেট। কিন্তু রাজনীতি থেকে তারা কোনো শিক্ষার্থীকে বিরত রাখতে পারবে না। এ ব্যাপারে তাদের অধিকার নেই। এটা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। কী বলছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুল হাকিম সম্রাট বলেন, ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ গঠিত হয়েছিল ২০১২ সালের ২৬ নভেম্বর; যে কমিটি কাজ করেছিল ২০১৬ সাল পর্যন্ত। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে ১৪/১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের কমিটি ছিল। তবে গত ২ সেপ্টেম্বর নতুন করে নর্থ সাউথ, ব্র্যাক, ইনডিপেনডেন্ট, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল, আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের কমিটি গঠন করা হয়। আমরা বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ হয়ে কাজ করেছি। নর্থ সাউথ, স্টেট, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা টিউশন ফি মওকুফ করতে ভূমিকা রেখেছি। সড়ক আন্দোলন ও ভ্যাটবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলনেও আমাদের অংশগ্রহণ ছিল। তাই আমরা চাই শিক্ষার্থীদের দাবি ও অধিকার নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে তা আদায় করতে ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে তাদের রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন করতে। তাহলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করার পরও কেন বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এ কমিটি গঠনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে- এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী কিন্তু বিপরীতেও আপনি দেখতে পাবেন, যারা এ বিষয়ে খুশি হয়েছেন। তা হয়তো আপনি খেয়াল করেননি। আমাদের সম্মেলনটি খেয়াল করলেই দেখবেন সেখানে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। শিক্ষার্থীরা যেন কোনো জঙ্গি সংগঠনে না যেতে পারে, তারা যেন তাদের যৌক্তিক দাবি নিয়ে কথা বলতে পারে, সে জন্যই আমাদের কার্যক্রমকে শক্ত অবস্থানে নিতে আমরা কাজ করছি। তবে আমার মনে হয়, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যারা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়, তারাই এটাকে বিরূপভাবে দেখছে। তাহলে কি নির্বাচনকে টার্গেট করেই এ দল ঘোষণা করা হয়েছে- জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘আসলে একদিক দিয়ে দেখলে বিষয়টা তেমনই দাঁড়াচ্ছে। আমরা চাই যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে, প্রগতিশীলতায় বিশ্বাস করে, তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তাদের এসব জায়গায় উদ্বুদ্ধ করে একত্র করতেই আমরা কাজ করছি, যাতে তারা বিভ্রান্ত না হয়। কমিটি গঠনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অবস্থান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভিভাবক সংস্থা হচ্ছে বাংলাদেশ মঞ্জুরি কমিশন। সে সংস্থার সদস্য ড. মোহাম্মদ আলমগীর স্পষ্ট করে বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এ ধরনের নোটিশ কেন দিচ্ছেন তা আমার জানা নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। তাছাড়া সংবিধানের ৩৮ নং অনুচ্ছেদে স্পষ্ট করে বলে দেয়া আছে, রাজনীতি সবার মৌলিক অধিকার। সেখানে সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আপনি যদি বাধা হয়ে দাঁড়ান তাহলে সেটা ভালো ফলাফল বয়ে আনবে না। এমনকি সারা বাংলাদেশে ১০৭টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে সেসব শিক্ষার্থীকে মৌলিক ধারা থেকেও আপনি বাইরে রাখতে পারেন না। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যে নিয়ম সেটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও একই থাকবে। তারা তো মঙ্গলগ্রহের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না। সব বিশ্ববিদ্যালয় যে নিয়মে পরিচালিত হবে, সে নিয়মেই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও পরিচালিত হবে। ছাত্র রাজনীতির যে ঐতিহ্য তা একটা সময়ে বিরত্বের বা গৌরবের থাকলেও বর্তমানে এসে তা আতঙ্ক কিংবা ঘৃণায় রূপ নিয়েছে- এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘দেখেন চলার পথে আমাদের ভুল থাকতেই পারে। যারা কাজ করে তাদেরই ভুল হয়। আমাদেরও ভুল আছে। চলার পথে অনেকেরই ভুল হয়। আমাদের ক্ষেত্রে ভুলগুলোকেই বার বার তুলে আনা হয়। আমার মতে, গঠনমূলক সমালোচনা থাকতেই পারে। কিন্তু আমাদের ভালো কাজগুলোকেও প্রকাশ করা উচিত।

ডিপ্লোমা কোর্স ৪ বছরে টেনে নেওয়ার কোনো মানে হয় না: দীপু মনি
                                  

ডিপ্লোমা কোর্স তিন বছর হওয়াই যৌক্তিক। যে কোর্সটিকে ৩ বছরে শেষ করা সম্ভব তাকে ৪ বছরে টেনে নিয়ে যাওয়ার কোনো মানে হয় না। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শনিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীতে শিশু কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেছে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মন্ত্রী বলেন, ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের চার বছর কোর্স করানোর কারণে অভিভাবকরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। তিন বছর হলে শিক্ষার্থীরা যেমন চাকরির বাজারে প্রবেশে বেশি সময় পাবে তেমনি আর্থিকভাবেও কম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি বলেন, যে কোর্সটিকে ৩ বছরে শেষ করা সম্ভব তাকে ৪ বছরে টেনে নিয়ে যাওয়ার কোনো মানে হয় না। ডিপ্লোমা কোর্স তিন বছর হলে আমাদের শুধু সময় কমছে তা নয়, মানেরও উন্নতি হবে। পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশে অনার্স কোর্স আছে ৩ বছরের। সেখানে আমাদের দেশে ডিপ্লোমা কোর্স ৪ বছরের। এর কোনো মানে নেই। এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়নি বলেও এসময় দাবি করেন শিক্ষামন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন। উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. সুলতানা শফি।

ঘষে-মেজে পাস নয় দক্ষ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
                                  

ঢাকা : দায়সারা পড়ালেখা না করে শিক্ষার্থীদের দক্ষ হয়ে উঠতে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, অনেকে শুধু কোনো রকম ঘষে-মেজে বিএ, এমএ পাস করেই চাকরির পেছনে ছুটে বেড়ায়। শুধু সার্টিফিকেট অর্জনের জন্য পড়াশোনা না করে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। রোববার (৩১ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গভর্নিং বোর্ডের প্রথম সভার সূচনা বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন শুধু বিএ, এমএ পাশ করে লাভ নেই। আমি চাই কৃষি কলেজ, কৃষি স্কুল, ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল ও কলেজ, যাতে সত্যিকারের মানুষ পয়দা হয়। বুনিয়াদি শিক্ষা নিলে কাজ করে খেয়ে বাঁচতে পারবে। সরকার প্রধান বলেন, আমরা দেখেছি অনেকেই কোনো মতে ঘষে মেজে বিএ, এমএ পাস করেই চাকরির পেছনে ছুটে বেড়ায়। এ সময় সিআরআই ও ইয়াং বাংলার কথা উল্লেখ করে তাদের উৎসাহিত করার পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা চাই আমাদের দেশের প্রতিটি যুব সমাজ সুদক্ষ কারিগর হিসেবে গড়ে উঠুক। শুধুমাত্র নিয়মমাফিক একটা পড়াশোনা করা নয় প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল ও প্রযুক্তির যুগে শিক্ষার্থীরা যেন দক্ষতা নিয়ে সমাজে নিজেদের অবস্থান ঠিক করতে পারে, সিটই আমাদের লক্ষ্য। আমরা চাই শুধু আমাদের নিজের দেশে না আন্তর্জাতিক পর্যায়েও কর্মক্ষম যুবকরা যেন যথাযথ প্রশিক্ষণ নিয়ে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতে পারে। যার যে মেধা আছে, দক্ষতা আছে সেটাও যেন বিকশিত হতে পারে। শেখ হাসিনা আরও বলেন, ইয়াং জেনারেশনকে ‘আমার কাজ আমি করে খাবো; দরকার হলে চাকরির পেছনে না ছুটে নতুন চাকরি দেব এভাবেই উৎসাহিত করে যাচ্ছি। আমাদের যুব সমাজকে সেটাই অনুধাবন করাতে হবে। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের এ পদক্ষেপ। সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যবস্থা নিলে আরও কার্যকর হবে। যত বেশি দক্ষ জনশক্তি গড়া যাবে, দেশে যেমন কাজে লাগবে; বিদেশেও কাজে লাগানো যাবে। আমরা চাই আমাদের দেশটা এগিয়ে যাক। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে অনুকূল জনমিতিক সুবিধা ভোগ করছে, যা আগামী ২০৩৩ সাল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। প্রতি বছর ২২ লাখ কর্মক্ষম যুবগোষ্ঠী শ্রমবাজারে যুক্ত হচ্ছে। তাদের দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব না হলে এ জনমিতিক সুবিধাকে জনমিতিক লভ্যাংশে রূপান্তর করা সম্ভব হবে না। তাই এ সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে রূপকল্প ২০৪১ এ পৌঁছানোর পথ সুগম করতে হবে। সেই পথেই বাংলাদেশ যেন এগিয়ে যায়। বিভিন্ন দেশের শ্রম বাজারে দক্ষ জনশক্তির চাহিদার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক দেশ এখন বয়োবৃদ্ধের দেশে পরিণত হয়ে গেছে। সেখানে আমাদের বড় বিষয় হলো আমাদের বিশাল আকারে যুব শ্রেণি আছে। কাজেই আমরা চাই শ্রম বাজারে যে সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে সেই সাথে উপযুক্তভাবে নিজেদের গড়ে তুলবে। শুধু শ্রম বাজার না, শ্রম শিল্প সব দিক থেকেই। আমি মনে করি বিশ্ব একটা গ্লোবাল ভিলেজ, কাজেই সব দিকেই উন্মুক্ত হচ্ছে। সেখানে আমাদের অনেক কর্মী বিদেশে কাজও করে। তাদেরকে আমরা চাই দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে। দক্ষতা সনদ এবং দেশে-বিদেশে দক্ষতা মেলা আয়োজন করার কথা তুলে ধরে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, দক্ষ জনবল তৈরি হয়েছে বা সম্ভাবনা রয়েছে তা নিয়ে দেশে ও বিদেশে দক্ষতা মেলার আয়োজন করা যেতে পারে। দক্ষতা সনদায়নের ক্ষেত্রে একক সনদায়নের ব্যবস্থা প্রবর্তন ও কার্যকর করতে হবে, যা বিদেশে বাংলাদেশের দক্ষতার ব্র্যান্ডিং হিসেবে কাজ করবে এবং বিদেশের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে। পণ্য বহুমুখীকরণ, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং দেশে-বিদেশে বিনিয়োগ প্রসঙ্গে সরকার প্রধান বলেন, আমাদের দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ক্ষেত্র তৈরি করতে চাই। জনগণকে আমরা উৎসাহিত করতে চাই। আমরা যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করি শুধুমাত্র রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভর করলে হবে না। আমাদের উৎপাদন বাড়াতে হবে। উৎপাদন বহুমুখী করতে হবে। রফতানির বাস্কেটও আমাদের বাড়াতে হবে। সেখানে আরও কি কি পণ্য আমরা রফতানি করতে পারি তার জন্য নতুন বাজার আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। সে পণ্য আমরা কীভাবে উৎপাদন করতে পারি অথবা আমরাও কীভাবে বিদেশে বিনিয়োগ করতে পারি সেই চিন্তাও থাকতে হবে। শুধুমাত্র আমরা বিনিয়োগ আনবো তা নয়, আমরা বিনিয়োগ করতেও পারবো। সব কিছুর মাঝে আমার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন দক্ষ জনশক্তি।

শিক্ষামন্ত্রী বললেন, আমি লজ্জিত ও বিব্রত
                                  

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রেখে রাজনৈতিক সমাবেশে অংশগ্রহণ করায় লজ্জিত ও বিব্রত শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এ জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
শিক্ষামন্ত্রী বললেন, আমি লজ্জিত ও বিব্রত, 
বুধবার (২৭ জুলাই) রাতে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য জানান। গত সোমবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর দক্ষিণখানে চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় এস এম মোজাম্মেল হক শিক্ষা কমপ্লেক্সের মাঠে থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি। ওই অনুষ্ঠানের প্যান্ডেল সাজানো এবং ব্যানার-পোস্টার টানানোর কারণে ওইদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে গণমাধ্যমের খবরে উঠে আসে। এ খবর জানার পর বুধবার তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। দীপু মনি বলেন, মানুষের চাপে সারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় আমাদের খেলার মাঠের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এখন খেলার মাঠ বলতে আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যে খোলা মাঠ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা-ই বুঝি। এর বাইরে খুব বেশি মাঠ নেই। আমরা সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় যেকোনো অনুষ্ঠান করি না কেন সেগুলোতে দেখা যায়, বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন, মাঠ বা প্রাঙ্গণ ব্যবহার করি। আমাদের একটা মোটামুটি নির্দেশনা আছে যে শিক্ষা সংক্রান্ত অনুষ্ঠান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে হবে। কিন্তু অন্য যেকোনো অনুষ্ঠান, হাট বাজার বা মেলা বসাতে আমরা নিরুৎসাহিত করি। কোনোভাবেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাকার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয় সেদিকে আমাদের সজাগ দৃষ্টি রয়েছে।
তিনি বলেন, আমি আসলে খুবই বিব্রত। এটা আমার অজান্তেই ঘটেছে। আমি গত পরশুদিন ঢাকার দক্ষিণখানে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গিয়েছিলাম। আমি চলে আসার পর জেনেছি যে সেখানে আশপাশের বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেই মাঠ ব্যবহার করে। সেখানে সেই রাজনৈতিক সমাবেশটি হয়েছে। পরে আমি খোঁজ নিয়ে জানলাম, আমাকে বলা হলো সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শিক্ষাকার্যক্রম চলেছে। যদিও বলা হয়েছে শিক্ষা কার্যক্রম চলেছে, আসলে কতটা চলেছে সেটা আমি জানি না। ওখানে যখন প্যান্ডেল করা হয়েছে তখন শিক্ষাকার্যক্রম একেবারে নির্বিঘ্নে হয়েছে এটা মনে করার কোনো কারণ নেই। সে কারণে আমি সত্যিই ভীষণভাবে লজ্জিত ও দুঃখিত।দীপু মনি বলেন, আমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছি। সেখানে বেশ কয়েকটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে সেই জনসভাটি হয়েছে। আমি জানি না ওখানে বিকল্প কোনো মাঠ ছিল কি না। যদি না থাকে যারা এ ধরনের অনুষ্ঠান করেন সেটি কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠান হোক, সামাজিক অনুষ্ঠান হোক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো অনুষ্ঠান হোক, যদি কোনো বিকল্প থাকে বিকল্প জায়গায় করা, আর যদি বিকল্প না থাকে তাহলে যেন শিক্ষাকার্যক্রম কোনোভাবে ব্যাহত না হয় অথবা ছুটির দিনে করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সবার কাছে আহ্বান করব যদি এ ধরনের অনুষ্ঠান করা হয় তাহলে যেন ছুটির দিনে করা হয় এবং ওই প্রাঙ্গণ নষ্ট হবে না, ক্ষতিগ্রস্ত হবে না সেগুলোর নিশ্চয়তা বিধান করেই যেন সেটি করা হয়। মন্ত্রী আরও বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) আর আজ (বুধবার) কোথাও পাবলিকলি কথা বলার সুযোগ হয়নি; তাই আমি এই সুযোগটি গ্রহণ করলাম। আশা করি, আপনারা ক্ষমা করবেন।

রুটিন চূড়ান্ত হলে ১৩ দিনে শেষ হবে এসএসসি পরীক্ষা
                                  

ঢাকা: চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার সময়সূচি প্রস্তুত করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। এই সময়সূচি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, সময়সূচিতে ১৩ দিনের মধ্যে পরীক্ষা সম্পূর্ণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ১ অক্টোবর লিখিত পরীক্ষা শেষ করার প্রস্তাব করা হয়। পরীক্ষাগুলো সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে গ্যাপ কমিয়ে স্বল্প সময়ে পরীক্ষা শেষ করতে সূচি তৈরি করা হয়েছে। এখন মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলেই চূড়ান্ত হবে। সাধারণত ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে এসএসসি এবং এপ্রিলের শুরুতে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হতো। তবে এ বছর করোনার কারণে প্রথম দফা এবং বন্যার কারণে দ্বিতীয় দফা এই দুই পাবলিক পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। গত ১৯ জুন থেকে এসএসসি শুরু হওয়ার কথা ছিল। এসএসসি পরীক্ষা মধ্য সেপ্টেম্বরে এবং এইএসসি পরীক্ষা নভেম্বরের শুরুতে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ১৭ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগস্টের মাঝামাঝি একটা বড় বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলে বন্যার একটা শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সে কারণে আমরা আগস্ট বাদ দিয়ে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি এসএসসি পরীক্ষা শুরু করতে যাচ্ছি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দুই মাস পিছিয়ে যাওয়ায় পরীক্ষার সময়সূচিতে গ্যাপ কমানোর ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসবে। যতটুকু কম সময়ের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া যায় আমরা সেই চেষ্টা করবো। তবে শিক্ষার্থীদের যেন কষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবো। পরীক্ষার সিলেবাসের কোনো পরিবর্তন আসছে কিনা- প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ১৯ জুন যেভাবে হওয়ার কথা ছিল সেই সিলেবাসেই পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এসএসসি পরীক্ষা কবে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
                                  

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। রোববার (১৭ জুলাই) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এই তারিখ ঘোষণা করেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সিলেটে বন্যার কারণে দক্ষিণাঞ্চলেও বন্যা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেকারণে আগস্ট মাসকে বাদ দিয়ে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে আমরা পরীক্ষা শুরু করতে যাচ্ছি। কারণ আগস্টে বন্যা হলেও সেপ্টেম্বরের ৮-১০ তারিখ পর্যন্ত... আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা বলে যে, সেই পর্যন্ত চলে। সে কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা আশা করছি, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে। শিক্ষা বোর্ডগুলো পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করবে। তিনি বলেন, আমরা আশা করছি এ মাসের শেষ নাগাদ আশ্রয় কেন্দ্রগুলোকে পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার উপযোগী করা হবে। কিছু এলাকায় বন্যার পানিতে শিক্ষার্থীদের বই-পুস্তক নষ্ট হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে তাদের সংখ্যা নিরূপণ করা হয়ে গেছে। আশা করছি, আগামী ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন বই বিতরণ করতে পারব।
যে শঙ্কা থেকে সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা
মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার পুনর্বিন্যাস করা সিলেবাস সবই এক থাকবে, সেখানে কোনো পরিবর্তন আসছে না। তবে কোন পরীক্ষার আগে-পরে কতটা গ্যাপ থাকবে, সেগুলোর ক্ষেত্রে হয়ত পরিবর্তন আসবে। লম্বা সময়ে না নিয়ে যতটুকু কম সময়ের মধ্য পরীক্ষা নেওয়া যায়, সে চেষ্টা আমাদের থাকবে। তবে এতে পরীক্ষার্থীদের কোনো অসুবিধা যাতে না হয়, সেটাও আমরা বিবেচনা করব। তিনি বলেন, এবার এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মাঝে বড় ধরনের বিরতি দেওয়া হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব পরীক্ষা শেষ করা হবে। পরীক্ষা শুরুর দুই সপ্তাহ আগে সংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষা চলাকালে দেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখা হবে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ১৯ জুন থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে সিলেট, সুনামগঞ্জসহ কয়েকটি অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা শুরু হওয়ায় ১৭ জুন পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা আসে।
এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর সম্ভাব্য সময় জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
এর আগে গত শনিবার (১৬ জুলাই) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের পরপর যেকোনো দিন এই পরীক্ষা শুরু হতে পারে। ১৫ আগস্টের আগে এই পরীক্ষা শুরুর কোনো সম্ভাবনা নেই। জানা গেছে, চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে। সাধারণ ৯টি বোর্ডের অধীনে ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭১১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এর বাইরে দাখিলে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯৫ জন আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬২ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।

করোনার ঊর্ধ্বগতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
                                  

দেশে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। তবে এ পরিস্থিতিতেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়ার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। করোনার ঊর্ধ্বগতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী, বুধবার (৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। টিকা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কিন্তু করোনা সংক্রমণ বাড়লেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই।বন্যাকবলিত অঞ্চলে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক এলাকায় এখনো পানি নামেনি। আবার অনেক এলাকা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থীর বইপত্র নষ্ট হয়েছে। তাদের বইপত্র পৌঁছাতে হবে। অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। এসব কিছু বিবেচনায় নিয়ে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি এখনও চূড়ান্ত করা সম্ভব নয়। বই হাতে পৌঁছানোর দুই সপ্তাহ পর সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী। এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় জানাল শিক্ষা বোর্ড, এদিকে, মঙ্গলবার (৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৭ জনের মৃত্যু হয় এবং নতুন করে শনাক্ত হয় আরও ১ হাজার ৯৯৮ জন।স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৯৯৮ জন। যা সোমবার (৪ জুলাই) ছিল ২ হাজার ২৮৫ জন। অপরদিকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় ১২ জনের। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, নতুন ৭ জনসহ দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ১৮৮ জনে দাঁড়িয়েছে। অপরদিকে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৮২ হাজার ৯৭২ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ হাজার ৮৮২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১১ হাজার ৯৩২টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৮৯৪ জন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৯ হাজার ৭৪ জন।

এমপিওভুক্ত হলো ২৭১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
                                  

নতুন করে দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ২ হাজার ৭১৬ বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। বুধবার (৬ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে অনুমোদন শেষে ২ হাজার ৭১৬টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী দুপুর ১টায় সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, ২ হাজার ৫১টি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল এবং উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিগ্রি কলেজ এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। আর কারিগরি ও মাদরাসা পর্যায়ে এমপিওভুক্ত হয়েছে ৬৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতায় নতুন ২ হাজার ৫১টি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৬৬৬টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১ হাজার ১২২টি, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৩৬টি, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ ১০৯টি এবং ডিগ্রি কলেজ ১৮টি। কারিগরি এবং মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাভুক্ত ৬৬৫টি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে এসএসসি ভোকেশনাল অথবা দাখিল ভোকেশনাল ৯৭টি, এইচএসসি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি ২০০টি, ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার দুটি, দাখিল মাদরাসা ২৬৪টি, আলিম মাদরাসা ৮৫টি, ফাজিল মাদরাসা ৬টি এবং কামিল মাদরাসা ১১টি। এর আগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির জন্য প্রাথমিক তালিকা করে এমপিও যাচাই-বাছাই কমিটি। এ তালিকা শিক্ষামন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। শিক্ষামন্ত্রীর অনুমোদনের পর এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন শেষে এই এমপিওভুক্তি চূড়ান্ত হয়। গত ৩০ সেপ্টেম্বর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এমপিওভুক্ত করতে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে ১০ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করতে বলা হয়।

এসএসসিতে পরীক্ষার্থী কমেছে ২ লাখ
                                  

ঢাকা: চলতি বছর এসএসসি ও সমমানে পরীক্ষায় গতবারের তুলনায় দুই লাখ ২১ হাজার ৩৮৬ পরীক্ষার্থী কমেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। রোববার (১২ জুন) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে জাতীয় মনিটরিং ও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির সভা শেষে তিনি এ তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রী পরীক্ষার্থী কমে যাওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করেন। আগামী ১৯ জুন থেকে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এই পরীক্ষায় মোট অংশ নিচ্ছে ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন। ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে মোট পরীক্ষার্থী কমেছে দুই লাখ ২১ হাজার ৩৮৬। পরীক্ষায় ছাত্র ১০ লাখ নয় হাজার ৫১১ এবং ছাত্রী ১০ লাখ ১২ হাজার ৩৫৭ জন অংশ নেবে। এবার ছাত্রের তুলনায় ছাত্রী সংখ্যা বেশি দুই হাজার ৮৪৬ জন।করোনা মহামারিতে বাল্যবিয়ের কারণে পরীক্ষার্থী কমেছে কিনা- জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের পরিসংখ্যান তা বলছে না। আমাদের পরিসংখ্যানে ছেলেদের তুলনায় মেয়ে শিক্ষার্থী বেশি। প্রতি বছর মানোন্নয়নের জন্য অনেকে পরীক্ষা দেয়। কিন্তু গতবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে আবশ্যিক বিষয়ে, সে কারণে পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী নেই বললেই চলে। গতবার যদি পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা হতো তাহলে যারা অকৃতকার্য হতো তারা এবার পরীক্ষায় অংশ নিতো। সে কারণে এবার পরীক্ষার্থী কম মনে হচ্ছে। ডা. দীপু মনি আরও বলেন, আসলে নিয়মিত পরীক্ষার্থী কমেনি। এছাড়া এমনও হয় কেউ কেউ রেজিস্ট্রেশন করেও পরীক্ষা দেয় না, কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা হয়নি। সবাই পাস করেছে। সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর সিদ্দীক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার এবং অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


   Page 1 of 12
     শিক্ষা-সাহিত্য
এসএসসি পরীক্ষার কক্ষ থেকে ফেসবুক লাইভ, দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার
.............................................................................................
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড স্থগিত চার বিষয়ের পরীক্ষা ১০-১৩ অক্টোবর
.............................................................................................
চার বিষয়ের এসএসসি পরীক্ষা স্থগিতের খবরে শিক্ষার্থীদের কান্না
.............................................................................................
দিনাজপুর বোর্ডের এসএসসির চার পরীক্ষা স্থগিত
.............................................................................................
যশোর শিক্ষা বোর্ড স্থগিত এমসিকিউ পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ
.............................................................................................
যশোর শিক্ষাবোর্ডে কমেছে এসএসসি পরীক্ষার্থী
.............................................................................................
শিক্ষার্থীরা অনলাইনে অধিকাংশ সময় নষ্ট করছে: পরিকল্পনামন্ত্রী
.............................................................................................
রাজনৈতিক দলগুলো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ঝুঁকছে কেন?
.............................................................................................
ডিপ্লোমা কোর্স ৪ বছরে টেনে নেওয়ার কোনো মানে হয় না: দীপু মনি
.............................................................................................
ঘষে-মেজে পাস নয় দক্ষ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
শিক্ষামন্ত্রী বললেন, আমি লজ্জিত ও বিব্রত
.............................................................................................
রুটিন চূড়ান্ত হলে ১৩ দিনে শেষ হবে এসএসসি পরীক্ষা
.............................................................................................
এসএসসি পরীক্ষা কবে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
করোনার ঊর্ধ্বগতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
এমপিওভুক্ত হলো ২৭১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
.............................................................................................
এসএসসিতে পরীক্ষার্থী কমেছে ২ লাখ
.............................................................................................
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন: এসএসসির ইংরেজি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন
.............................................................................................
১৫ জুন থেকে তিন সপ্তাহ কোচিং সেন্টার বন্ধ
.............................................................................................
এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি
.............................................................................................
সুযোগ আছে বিএসসি অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে
.............................................................................................
এ্যরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় আসতে চাইলে
.............................................................................................
৩৭তম বিসিএসে ক্যাডার হলেন ১৩১৪ জন
.............................................................................................
সিকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, গোলযোগের আশংকা
.............................................................................................
এসএসসি’র পর এভিয়েশনে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে
.............................................................................................
ভিকারুন নিসায় নিয়ম ভেঙে ২ শতাধিক শিক্ষার্থী ভর্তি
.............................................................................................
শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জবি ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল
.............................................................................................
‘শিল্পকলা পদক-২০১৭’ তুলে দেয়া হল পদক প্রাপ্তদের হাতে
.............................................................................................
নজরুলের সাম্যবাদ
.............................................................................................
তিন দিনের জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত উৎসব শুরু
.............................................................................................
এসএসসির পর অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
.............................................................................................
কোটা নিয়ে ঢাবি শিক্ষকের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব
.............................................................................................
সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস বর্জনের ঘোষণা
.............................................................................................
ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ
.............................................................................................
আল্লাহর রহমতে প্রাণে বেঁচে গেছি: ঢাবি ভিসি
.............................................................................................
‘মেয়েরা পড়তে এসে খোলামেলা পোশাকে তরমুজের মতো বুক দেখায়’!
.............................................................................................
দেশে প্রথমবারের মতো বিনামূল্যে অনলাইন মানসিক সেবা
.............................................................................................
কোটা সংস্কারের দাবি জবিতে বিক্ষোভ
.............................................................................................
পড়ালেখার পাশাপাশি কাজ
.............................................................................................
তালমা নাজিমুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের নব নির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা
.............................................................................................
চবিতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলি, আহত ৬
.............................................................................................
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: ৪র্থ বর্ষ অনার্সের ফল প্রকাশ
.............................................................................................
প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে অনলাইনে নজরদারি
.............................................................................................
শিক্ষকরা সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং করাচ্ছেন
.............................................................................................
মুন্সীগঞ্জে ৫ ছিনতাইকারী আটক
.............................................................................................
ইংরেজি পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা আগেই উত্তর
.............................................................................................
বাড়িতে মায়ের লাশ রেখে পরীক্ষা দিল সুমাইয়া ও ইভানা
.............................................................................................
অর্থ আত্মসাৎ চেষ্টার অভিযোগ কুবির দুই শিক্ষকের রিট পিটিশন খারিজ
.............................................................................................
এবার আমরণ অনশনে মাদরাসা শিক্ষকরা
.............................................................................................
ঢাবি সিনেটে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন শুরু
.............................................................................................
বিনামূল্যে বই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
চেয়ারম্যান: এস.এইচ. শিবলী ।
সম্পাদক, প্রকাশক: জাকির এইচ. তালুকদার ।
হেড অফিস: ২ আরকে মিশন রোড, ঢাকা ১২০৩ ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বাড়ি নং ২, রোড নং ৩, সাদেক হোসেন খোকা রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা ১০০০ ।
ফোন: 01558011275, 02-৪৭১২২৮২৯, ই-মেইল: dtvbanglahr@gmail.com
   All Right Reserved By www.dtvbangla.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop    
Dynamic SOlution IT Dynamic POS | Super Shop | Dealer Ship | Show Room Software | Trading Software | Inventory Management Software Computer | Mobile | Electronics Item Software Accounts,HR & Payroll Software Hospital | Clinic Management Software Dynamic Scale BD Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale Digital Load Cell Digital Indicator Digital Score Board Junction Box | Chequer Plate | Girder Digital Scale | Digital Floor Scale