| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
   * পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে নয়াপল্টন রণক্ষেত্র   * রোকেয়া পদক পাচ্ছেন ৫ বিশিষ্ট নারী   * ২৮ দেশ নিয়ে বঙ্গোপসাগরে হচ্ছে ‘ইন্টারন্যাশনাল ফ্লিট রিভিউ   * পল্টনে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি: ডিসি মতিঝিল   * যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনায় সমস্যা সমাধান: করুন শেখ হাসিনা   * নগরকান্দায় যৌন হয়রানির শিকার ৫ বছরের শিশু   * নগরকান্দায় নবাগত ইউএনওকে ফুল দিয়ে বরন   * ২৪ ডিসেম্বরের আগেই ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা   * বোয়ালখালীতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার   * নতুন নেতৃত্ব আসবে, তাদেরকে অভিনন্দন: জয়  

   আন্তর্জাতিক -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
৭ লাখ ভূমি-গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে

সাত লাখ ১০ হাজার ৪৬৮ ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। ১৯৯৭ সাল থেকে ২০২২ এর মে পর্যন্ত এই পুনর্বাসন হয়। এর মধ্যে ব্যারাক হাউজ নির্মাণের মাধ্যমে এক লাখ ৬৮ হাজার ৪৮টি পরিবার, নিজ জমিতে বাড়ি নির্মাণ করে এক লাখ ৫৩ হাজার ৮৫৩ পরিবার, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য সাত হাজার ৯২টি ঘর, আম্ফান ও নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত এক হাজার একশ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব কথা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নওগাঁ-২ আসনর সংসদ সদস্য মো. শহীদুজ্জামান সরকারের লিখিত প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি। এর আগে বিকেলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপিত হয়।

৭ লাখ ভূমি-গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে
                                  

সাত লাখ ১০ হাজার ৪৬৮ ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। ১৯৯৭ সাল থেকে ২০২২ এর মে পর্যন্ত এই পুনর্বাসন হয়। এর মধ্যে ব্যারাক হাউজ নির্মাণের মাধ্যমে এক লাখ ৬৮ হাজার ৪৮টি পরিবার, নিজ জমিতে বাড়ি নির্মাণ করে এক লাখ ৫৩ হাজার ৮৫৩ পরিবার, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য সাত হাজার ৯২টি ঘর, আম্ফান ও নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত এক হাজার একশ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব কথা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নওগাঁ-২ আসনর সংসদ সদস্য মো. শহীদুজ্জামান সরকারের লিখিত প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি। এর আগে বিকেলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপিত হয়।

শেখ হাসিনার দৃঢ়তা ও সাহসিকতার প্রমাণ পদ্মা সেতু
                                  

ঢাকা: জাতীয়-আন্তর্জাতিক অনেক বাধা, ঘাত-প্রতিঘাত, প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে দীর্ঘ-প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু। আগামী ২৫ জুন সেতুটি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুরুতেই অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখে পরে এই মেগা প্রকল্পটি। তবে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসিকতা ও দৃঢ়তার ফলে দেশে দীর্ঘতম এই সেতু আজ বাস্তবে পরিণত হয়েছে। এই সেতু নির্মাণের কার্যক্রম শুরুতেই যেমন দুর্নীতির অভিযোগ উঠে তেমনি পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন ঠেকাতে দেশি-বিদেশি সংস্থা ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠে। সব ষড়যন্ত্র ও বাধা মোকাবিলা করে আর এক মাস পরে উদ্বোধন হতে যাওয়া এই সেতু বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর অর্ধশতাব্দিরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ স্থাপনা। যা শেখ হাসিনার দৃঢ়তা ও সাহসিকতার ফলেই সম্ভব হয়েছে। এই পদ্মা সেতু নির্মাণে বিশ্ব ব্যাংক ১২০ কোটি ডলার ঋণ দিতে চেয়েছিল। কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগ এনে ২০১২ সালে বিশ্বব্যাংক অর্থ দেবে না বলে জানিয়ে দেয়। এ ঘটনার পর অনিশ্চিত হয়ে পড়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের ঘোষণা দেন। যদিও পরবর্তীতে কানাডার আদালত বিশ্বব্যাংকের এই দুর্নীতির অভিযোগের কোনো প্রমাণ না পেয়ে অভিযোগটি খারিজ করে দেয়। এরপর বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন ছাড়াই নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজ শুরু করে। এই সেতু নির্মাণে খরচ হচ্ছে ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা। দেশের প্রধান নদী পদ্মার ওপর নির্মিত এই সেতুটির মোট দৈর্ঘ প্রায় ৯ কিলোমিটার। এই পদ্মা সেতুর মাধ্যমে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ১৯টির জেলার সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত হবে। দুইতলা বিশিষ্ট এই সেতুর ওপরের অংশে সড়ক পরিবহন এবং নিচের অংশে রেল চলাচল করবে। এই পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ঘোষণার পর আওয়ামী লীগের নেতা ও সরকারের মন্ত্রীরা জানান, শেখ হাসিনার দৃঢ়তা ও অদম্য সাহসিকতার ফলে যেমন পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়েছে। তেমনি নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু করার মাধ্যমে বিদেশি নির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে এসে কোনো কাজ করা সম্ভব সেটাও বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে। যারা মনে করেন বিদেশিদের ছাড়া চলে না নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু করে শেখ হাসিনা তাদেরকে দেখিয়ে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের ওই নেতা ও মন্ত্রীরা আরও জানান, শেখ হাসিনা শুধু সাহসিকতার সঙ্গে এত বড় সাফল্য অর্জনই করেননি তার নামে এই সেতুর নামকরণের প্রস্তাব বাতিল করে দিয়ে অনেক বড় উদারতাও দেখিয়েছেন। বিভিন্ন দিক থেকে দাবি উঠেছিল এই সেতুর নাম শেখ হাসিনা সেতু করার। আর যিনি এত বড় ঝুঁকি নিয়ে সে সেতু নির্মাণ করলেন সেটি তার নামে নামকরণ অস্বাভাবিক ছিল না। কিন্তু তিনি সেটা করেননি। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে তার নাম প্রস্তাব করে যে সামারি নিয়ে গিয়েছিলেন এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সে সামারিতে প্রধানমন্ত্রী সই করেননি।ওবায়দুল কাদের পরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়ে বলেন, তিনি (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) বলেছেন পদ্মা সেতু পদ্মা নদীর নামেই হবে। বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতুর উদ্বোধন বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, অদম্য সাহসিকতা, জনগণের কাছে করা প্রতিজ্ঞা, নিষ্কলুষতা আর নিজস্ব অর্থায়নে শেখ হাসিনার হাত দিয়ে এই পদ্মা সেতু নির্মিত হলো। আর এর জন্য দেশের জনগণকে বাড়তি কোনো ভোগান্তি পোহাতে হয়নি। যারা দেশের স্বার্থের চেয়ে বিদেশিদের স্বার্থ বড় করে দেখে এবং বিদেশিদের ছাড়া চলে না বলে মনে করে তাদেরকে শেখ হাসিনা দেখিয়ে দিলেন, প্রমাণ করলেন জনগণের সমর্থন থাকলে কোনো বাধাই বাধা নয়। তিনি চেয়েছেন, পদ্মা সেতু করেছেন এই হচ্ছেন শেখ হাসিনা। সব বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে তিনি সেতুটি নির্মাণ করলেন সেটি স্বাভাবিকভাবেই তার নামে নামকরণ হতে পারতো। কিন্তু তিনি কাজ করেন দেশের জন্য মানুষের জন্য, এ কারণে শেখ হাসিনা এই লোভটাকে প্রশ্রয় দেননি। এ বিষয়ে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে ৫০ বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ স্থাপনা পদ্মা সেতু। পদ্মা সেতু দেশের প্রত্যেকটি মানুষের অনুভূতির নাম আর তা বাস্তবায়নের নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যিনি দেশের মানুষের অনুভূতি বুঝতে পারেন তিনিই রাষ্ট্রনায়ক। আগামী ২৫ জন পদ্মা সেতু উদ্বোধন হবে, এটা শুধু উদ্বোধন না এর মধ্য দিয়ে বিশ্বকে দেখানো হবে শেখ হাসিনা যা বলেন সেটা করেন। সেতুর কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগেই কিছু দুষ্কৃতিকারী, ড. ইউনুস, খালেদা জিয়া এই সেতু যাতে না হয় তার ষড়যন্ত্রের করেছিলেন। সারা দুনিয়া জেনেছে পদ্মা সেতুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, বাধাকে শেখ হাসিনা জয় করতে পেরেছেন। যেহেতু সারা দুনিয়া পদ্মা সেতু নামে এই ষড়যন্ত্রের কথা জেনেছে তাই হয় তো তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই সেতুর নাম পদ্মা সেতুই থাকবে।

ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় কেন হলিউডের নায়কের মতো হাজির কিম
                                  

অনলাইন ডেস্ক :
ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার জন্য নতুন কিছু নয়। তবে সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাটি ছিল অনেকটাই ভিন্ন। গত বৃহস্পতিবার সবচেয়ে বড় আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) সফল পরীক্ষা চালিয়েছে দেশটি। বিষয়টি গোটা বিশ্বের নজর কেড়েছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সংবাদ পরিবেশনের ধরনও ব্যাপক ধাঁধার সৃষ্টি করেছে।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এবার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সংবাদ প্রচারের সময় বিজয়ী সুরের পরিবর্তে হলিউডের চলচ্চিত্রের অনুকরণ করা হয়, যেমনটা আগে কোরীয়রা দেখেননি। লেদার জ্যাকেট পরিহিত কিম জং-উন, চোখে কালো চশমা; ভিডিও ইফেক্ট আর ব্যাকগ্রাউন্ডে নাটকীয় সংগীত—সবকিছুই ছিল এতে।
উত্তর কোরিয়ার সেন্ট্রাল টেলিভিশন সাধারণত কিম পরিবারের রিপিটিভ ডায়েট (প্রতিদিন একই খাবার গ্রহণ) প্রপাগান্ডা, সামরিক বাহিনীর ব্যান্ড কনসার্ট, দেশপ্রেম নিয়ে চলচ্চিত্র আর শ্রমের গুণগান প্রচার করে থাকে। তাই এর বাইরে কিছু প্রচার করলেই তা চোখে পড়ে। এ জন্য হোয়াসং-১৭ উৎক্ষেপণ নিয়ে প্রচারিত সংবাদ ছিল অন্য রকম।
সংবাদ বুলেটিনের মাধ্যমেই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিষয়টি জাতিকে জানানো হয়। তবে উপস্থাপনের ধরনটি ছিল অন্য রকম। দর্শকেরা ১৫ মিনিট ধরে ভিডিও ইফেক্ট, পরিকল্পিত মঞ্চায়ন এবং কিম জং-উনের চশমা সরোনার দৃশ্য দেখেছেন। চশমা সরিয়ে যেন কিম বলছিলেন, ‘চালিয়ে যাও’।
আলোড়িত সুরমূর্ছনা ও বিজয়ী সংগীতের মাঝে জুড়ে দেওয়া হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের একাধিক দৃশ্য। সংবাদ উপস্থাপনায় ছিলেন অভিজ্ঞ সংবাদ পাঠিকা রি চুন-হি। পশ্চিমা বিশ্বে উত্তর কোরিয়ার ‘পিং লেডি’ হিসেবে পরিচিত।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা তাৎক্ষণিক এমন উপস্থাপনাকে অ্যাকশন ড্রামা ‘টপ গান’, কল্পবিজ্ঞান সিরিজ ‘থান্ডারবার্ডস’এবং বলিউডের চলচ্চিত্রের সঙ্গে তুলনা করেন। পিয়ংইয়ং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে মিসাইল লাঞ্চারের সামনে থেকে কিম ও তাঁর জেনারেলরা যেভাবে হেঁটে আসছিলেন, ওই দৃশ্যকে কেউ কেউ ১৯৮৩ সালের ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ‘দ্য রাইট স্টাফ’-এর সঙ্গে তুলনা করেন।
উত্তর কোরিয়ার টিভি দর্শকদের জন্য এটা একেবারেই নতুকীভাবে দেখছেন উত্তর কোন। বাইরে থেকে যদি লুকিয়ে এমন কিছু দেখানো না হয়, তবে এতে কঠিন শাস্তির মুখে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। কার্যত উত্তর কোরিয়ার টেলিভিশনের পর্দায় এমনটি আগে কখনো দেখা যায়নি।
মনে করা হচ্ছে, এখানে ভারসাম্যমূলক কাজ হয়েছে বলে দেশটির শক্তিশালী প্রপাগান্ডা অ্যান্ড অ্যাজিটেশন ডিপার্টমেন্ট জানত। তারা এমন একটি ভিডিও তৈরি করেছে, যা নতুন এবং দেশীয় দর্শকদের মধ্যে উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে। এভাবে জাতীয় গৌরব এবং কিমের ভাবমূর্তিতে শাণ দেওয়া যাবে। সম্প্রতি ওজন কমানোয় এতে কিমের আরও শক্তিশালী নতুন সার্বিক ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠেছে।
সর্বশেষ যখন এ ধরনের কিছু করার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল, সেটা থেকে এবারের দৃশ্য ধারণ অনেক আলাদা। ২০১৯ সালে পবিত্র মাউন্ট পায়েকতুতে সর্বোচ্চ নেতাকে উঠতে দেখা যায়। ওই সময় ঘোড়ার পিঠে চড়া স্থূলকায় কিমকে দৃষ্টিকটু দেখাচ্ছিল।
নতুন ভিডিও দেখার পর উত্তর কোরীয়দের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে, তা বলা মুশকিল।
ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের নির্দেশ দেওয়ার আগে ঘড়ি দেখছেন কিম জং-উন
তবে সুর ও রঙের এমন আকস্মিক পরিবর্তন বুঝতে না পেরে অনেকেই দ্রুত চোখের পলক ফেলবেন। তাঁরা এমন ভিডিও ইফেক্ট দেখে অভ্যস্থ নন। আগে একটি হলিউড চলচ্চিত্র দেখেছেন, এমন ক্ষুদ্র অংশ হয়তো দ্বিধায় পড়ে যেতে পারেন। নিজেদের প্রশ্ন করতে পারেন—এটা কি ভুল ছিল, নাকি মাত্র একবারের জন্য অথবা বাস্তবে সম্ভব নয়, এমন পরিবর্তনের ইঙ্গিত? বরাবরের মতো হয়তো শিগগিরই এর উত্তর মিলবে না।
উত্তর কোরিয়ার প্রপাগান্ডার নেপথ্যে থাকা লোকজন এটাও জানতেন, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ভিডিও দেশের বাইরেও দেখা হবে এবং এ নিয়ে আলোচনা হবে। তাই ভিডিওতে এ ধরনের ইফেক্ট ব্যবহার ও হলিউড চলচ্চিত্রের অনুকরণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই করা হয়েছে। তবে যাদের উদ্দেশে এটা করা হয়েছে, তাদের কাছে এটা নতুন কিছু নয়, হাস্যরসের বিষয়ও।
বৃহস্পতিবার পরীক্ষা চালানো ক্ষেপণাস্ত্রটি ছয় হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছায়। উত্তর কোরিয়ার চালানো আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে এটা ছিল সর্বোচ্চ
বৃহস্পতিবার পরীক্ষা চালানো ক্ষেপণাস্ত্রটি ছয় হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছায়। উত্তর কোরিয়ার চালানো আন্তমহাদেশীয়
কী বার্তা রয়েছে?
সর্বোপরি এটা ছিল পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসেরই একটি প্রকাশ। রাজধানী থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরের পিয়ংইয়ং সুনান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। উৎক্ষেপণে যেকোনো ধরনের ব্যর্থতা হতো বিমানবন্দর এবং আশপাশের বাসিন্দাদের জন্য বিপর্যয়কর।

জাতীয় পতাকায় রঙের তারতম্য ঘোচাতে দরকার জনসচেতনতা
                                  

রাজধানী ঢাকার রাজপথসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ভবন আজ ২৬ মার্চ শোভিত হয়েছে লাল-সবুজ পতাকায়। শুধু রাজধানীই নয়, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সারা দেশই আজ সুসজ্জিত হয়েছে অগণিত পতাকায়। বরাবর তা–ই হয়।
কেবল সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়, ব্যক্তিগত ভবন, যানবাহন এমনকি উৎসবমুখর মানুষের হাতেও শোভা পায় নানা আকারের জাতীয় পতাকা। এই পতাকা অর্জিত হয়েছে জাতির অগণিত বীর সন্তানের রক্তের বিনিময়ে এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে বিজয়ের মধ্য দিয়ে। সেই রক্তের প্রতীক হয়ে আছে পতাকার সবুজ জমিনের লাল সূর্য। আর সবুজ হলো এই বাংলার নিসর্গ ও তারুণ্যের প্রতীক। কিন্তু একটু লক্ষ করলেই দেখা যাবে, যে পতাকাগুলো উড়ছে, তার একটির সঙ্গে অরেকটির রঙের বেশ পার্থক্য রয়েছে। তবে সম্প্রতি এই তারতম্য ঘোচাতে জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ শুরু হয়েছে। বিজ্ঞাপনআমাদের পতাকার রং লাল-সবুজ। কিন্তু প্রতিটি রঙেরই মাত্রাগত বেশ পার্থক্য রয়েছে। একই রং দেখতে কখনো গাঢ়, কখনো হালকা, আবার অনেক ক্ষেত্রে ফিকে। ফলে পাশাপাশি রাখলে প্রতিটি আলাদা দেখায়। যেমন সবুজ রঙের ক্ষেত্রেই বলা যায়, গাঢ় বা কালচে সবুজ, আবার কলাপাতা সবুজ, টিয়ে সবুজ, ফিকে সবুজ—এমন। লাল রঙের ক্ষেত্রেও এমন ভিন্নতা আছে। এ প্রসঙ্গে বাংলা একাডেমির সভাপতি বিশিষ্ট কথাশিল্পী সেলিনা হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘জাতীয় পতাকা আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। সংবিধিবদ্ধ নির্দেশিকা অনুসারেই জাতীয় পতাকা তৈরি করা উচিত। এর ব্যত্যয় করা হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আমরা এখন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন করছি। এখন সঠিক মাপ ও রঙে জাতীয় পতাকা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। কীভাবে এই উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে? রাজধানীর গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের জাতীয় পতাকা বিক্রেতা আইয়ুব চৌধুরীর সঙ্গে কথা হলো। তাঁর বাড়ি চট্টগ্রামে। ১৫ বছর ধরে তিনি জাতীয় পতাকা, নানা ধরনের ব্যাজ, পদক—এসবের ব্যবসা করেন। তিনি জানালেন, জাতীয় পতাকা তৈরির জন্য তাঁরা প্রধানত সুতি ও পলিয়েস্টার—এই দুই ধরনের কাপড় ব্যবহার করেন। রং তো সবাই জানে—লাল ও সবুজ। ইসলামপুরের পাইকারি বাজার থেকে থান কাপড় কিনে দরজির কাছ থেকে পতাকা তৈরি করান। একেক থানে রঙের কিছু পার্থক্য থাকে। আবার সুতি কাপড়ের সবুজ একটু গাঢ়, অর্থাৎ কালচে সবুজ হয়। তবে মোটের ওপর পতাকার রং লাল-সবুজই থাকে। সবাই এভাবেই তৈরি করে। রাজধানী তো বটেই, সারা দেশে গ্রামগঞ্জে দরজির দোকানে যেভাবে জাতীয় পতাকা তৈরি হয়, তাতে রঙে হেরফের হচ্ছে—এটা বাস্তবতা বলে মন্তব্য করলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ। তিনি প্রথম আলোকে বললেন, জাতীয় পতাকার সঠিক মাপ ও রং নির্দিষ্ট করা আছে। সেভাবেই তৈরি হওয়া বাঞ্ছনীয়। কিন্তু এ বিষয়ে প্রকৃতপক্ষে কোনো জনসচেতনতাই সৃষ্টি হয়নি। স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে উপজেলা বা ইউনিয়ন পর্যায়ে জাতীয় পতাকা তৈরির জন্য দরজিদের নিয়ে একটি কর্মশালা করা যেতে পারে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান বা সদস্যরা এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে পারেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২ অনুযায়ী জাতীয় পতাকার মাপ ও রঙের সুনির্দিষ্ট বিবরণ রয়েছে। সেটিই অনুসরণ করা প্রয়োজন। এতে বলা হয়েছে, ‘জাতীয় পতাকা গাঢ় সবুজ রঙের হবে এবং ১০: ৬ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তক্ষেত্রাকার সবুজ রঙের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত থাকবে। লাল বৃত্তটি পতাকার দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ ব্যাসার্ধবিশিষ্ট হবে।’ এই পরিমাপের পাশাপাশি রঙের মাত্রা কেমন হবে, তা–ও নির্দিষ্ট করে বলা হয়েছে। ‘পতাকার সবুজ পটভূমি হবে প্রতি হাজারে প্রোসিয়ন ব্রিলিয়ান্ট গ্রিন এইচ-২ আর এস ৫০ পার্টস এবং লাল বৃত্তাকার অংশ হবে প্রতি হাজারে প্রোসিয়ন ব্রিলিয়ান্ট অরেঞ্জ এইচ-২ আর এস ৬০ পার্টস।’ জাতীয় পতাকার মাপটি এখন প্রায় সবাই জানেন। লম্বা ১০ ফুট হলে প্রস্থ হবে ৬ ফুট বা লম্বা ১০ ইঞ্চি হলে প্রস্থ ৬ ইঞ্চি। লাল বৃত্ত পাঁচ ভাগের এক ভাগ। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ও বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক মফিদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, জাতীয় পতাকার মাপ নিয়ে এখন তেমন তারতম্য নেই। জাতীয় পতাকা কেমন হবে, প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যবইতে তা সচিত্র অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি ভালো উদ্যোগ। তবে রঙের ক্ষেত্রে অনেক সময় হেরফের হয়। এটা এড়াতে কেমন কাপড়, কোন মাত্রার রং ব্যবহার করতে হবে, তা সহজ করে প্রচার করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। তবে সরকারিভাবে উদ্যোগ নিতে হবে তা নয়, বরং এ ক্ষেত্রে নাগরিকদের নিজেদেরই সচেতন হতে হবে। নাগরিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। জাতীয় পতাকার সঠিক রঙের প্রয়োগ নিয়ে কাজ করতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ।
অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন প্রথম আলোকে বললেন, জাতীয় পতাকায় রঙের সমন্বয় করা জরুরি। ব্যবহারিক ক্ষেত্রে রঙের মাত্রার পরিবর্তন হয়। যেমন কাগজে ছাপা লাল রং দেখতে ম্যাজেন্টা মনে হয়। এতে হলুদের পরিমাণ কম থাকে।
রক্তিম লালের জন্য এতে হলুদের প্রাধান্য দিতে হয়। আবার কাপড়ের ভিন্নতায় রঙের ভিন্নতা আসে। সে কারণে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে রঙের ব্যবহার পরীক্ষা করতে হবে। বিধিবদ্ধভাবে যে নির্দেশনা দেওয়া আছে, সেই রংটি কোন কাপড়ে সঠিক হচ্ছে, তা বাছাই করে পতাকার জন্য সেই কাপড় নির্ধারণ করতে হবে।
নিসার হোসেন বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাগুলোতে এই সঠিক রঙের পতাকার প্রচলন করা যেতে পারে। পরে ধাপে ধাপে সব ক্ষেত্রে সঠিক রং প্রয়োগের বিষয়ে কাজ করতে হবে। এ নিয়ে চারুকলা অনুষদ রং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বার্জার পেইন্টসের সঙ্গে কাজ করছে। তিনি জানালেন, এ বিষয়ে একটি গণসচেতনতামূলক প্রচারাভিযান চালানো হবে। প্রথম আলো এতে সহযোগী ভূমিকা রাখবে।

ইজিয়াম শহর দখলের দাবি রাশিয়ার
                                  

অনলাইন ডেস্ক: ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ ইজিয়াম শহর দখলে নেওয়ার দাবি করেছে রাশিয়া। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) এ কথা জানায় দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আরআইএ নোভোস্তি। তবে এই দাবি অস্বীকার করে ইউক্রেনের কমান্ডার-ইন-চিফ ভ্যালেরি জালুঝনির উপদেষ্টা লিদমিলা দোলহোনভস্কা সিএনএনকে বলেন, ইজিয়ামের এখনো যুদ্ধ চলছে। খারকিভ এবং পূর্ব ইউক্রেনের রুশ সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল লুহানস্ক ও দোনেৎস্কে প্রবেশের প্রধান দ্বার এই ইজিয়াম শহর। গত সপ্তাহে এই শহরে রুশ সেনাদের সঙ্গে ইউক্রেন সেনাদের ব্যাপক যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর থেকে ইজিয়ামের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, শহরটিতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে রুশ বাহিনী। ভবনগুলোতে বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। অনেক মরদেহ সড়কে পড়ে রয়েছে। প্রসঙ্গত, ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন শুরু হয় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি। এক মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে বহু হতাহত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে কোটি মানুষ।

ইউক্রেইন যুদ্ধ: বাংলাদেশকে পাশে চায় যুক্তরাষ্ট্র
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

ইউক্রেইনে রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে নিয়ে ‘একযোগে’ কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড। রোববার দুই দেশের অংশীদারিত্ব সংলাপের সূচনা বক্তব্যে তিনি বলেন, “বৈশ্বিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে, বিশেষ করে ইউক্রেইনে রাশিয়ার আক্রমণের ফলে যখন গণতন্ত্র ও আন্তর্জাতিক আইন হুমকির মুখে, তখন বাংলাদেশকে নিয়ে আমরা একসাথে কাজ করতে চাই।”

দুদেশের মধ্যে অষ্টম পার্টনারশিপ ডায়ালগে যোগ দিতে শনিবার ঢাকা আসেন ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড। রোববার বেলা সোয়া ১১টায় ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এই সংলাপ শুরু হয়। এই আলোচনায় পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আর ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড নেতৃত্ব দিচ্ছেন মার্কিন প্রতিনিধিদলের।
এমন এক সময়ে এই সংলাপ হচ্ছে, যখন ইউক্রেইনে রাশিয়ার আগ্রাসন ঘিরে নতুন এক সঙ্কট তৈরি হয়েছে বিশ্বে। আর এই সঙ্কটে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সঙ্গে রাশিয়ার পাল্টাপাল্টি অবস্থান নতুন করে কূটনৈতিক মেরুকরণের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বেশিরভাগ দেশকে। ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণে ভারত, বাংলাদেশসহ এশিয়ার অনেক দেশই এই বিরোধের মধ্যে স্পষ্ট কোনোঅবস্থান ঘোষণা করেনি। ফলে ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড তার এবারের সফরে দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি ইউক্রেইন প্রসঙ্গও যে তুলবেন, তা অনুমিতই ছিল।
দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ও বাণিজ্য-বিনিয়োগের পাশাপাশি র‌্যাবের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আলোচনায় তোলা হবে বলে শনিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে নুল্যান্ড বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আরও অনেক কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। তবে বিনিয়োগের পরিবেশ ভালো করতে বাংলাদেশের ‘আরও অনেক কিছু’ করা দরকার। সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন সচিব মাসুদ বিন মোমেন এবং মার্কিন আন্ডার সেক্রেটারি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড। দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে নুল্যান্ডের সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে। বাংলাদেশের পর ভারত ও শ্রীলঙ্কায় সফরে যাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলটি।

জীবপ্রযুক্তিবিদ সম্মেলনে ১ম পুরস্কারে ভূষিত হলেন চৌদ্দগ্রামের ড. মো. আমিরুল ইসলাম
                                  

স্টাফ রিপোর্টার: তরুণ জীবপ্রযুক্তিবিদ হিসেবে প্রথম পুরস্কার পেল কুমিল­ার চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান ড. মো. আমিরুল ইসলাম। তিনি উপজেলার গুনবতী ইউনিয়নের দশবাহা গ্রামের বিশিষ্টজন মো. আব্দুল কুদ্দসের পুত্র এবং গুনবতী উচ্চ বিদ্যালয় ও গুনবতী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি, বিশিষ্ট সমাজসেবক আলী হোসেন পণ্ডিত ও রেভা এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত¡াধিকারী আবুল কালাম আজাদের ভাগিনা। এছাড়া ড. মো. আমিরুল ইসলাম বিশিষ্ঠ সমাজ সেবক, দেশ-খ্যাত বিআরবি কেবলস লি. এর পরিচালক এবং ইস্টার্ণ কেবলস এর পরিচালক জনাব মো. মফিজুর রহমানের ভাতিজা। চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান ড. মো. আমিরুল ইসলাম সদ্য সমাপ্ত “তরুন জৈব প্রযুক্তি সম্মেলন-২০২০” এ সারা বিশ্বে গবেষণারত তরুন বাংলাদেশি জৈব প্রযুক্তি বিজ্ঞানিদের মধ্য থেকে মনোনীত বাংলাদেশের সেরা দশ জন তরুন জৈব প্রযুক্তি বিজ্ঞানির মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে পুরস্কার লাভ করেছেন। শিক্ষা জীবনে ড. মো. আমিরুল ইসলাম উপজেলার গুনবতী ইউনিয়নের গুনবতী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও গুনবতী ডিগ্রী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করার পর সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জৈব প্রযুক্তি ও জিন প্রকৌশল বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রী সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি বৃত্তি পেয়ে মালয়েশিয়ার একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃতিত্বের সাথে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি কানাডার কুইবেকের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক হিসাবে কর্মরত আছেন। কানাডা, মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখা ৩০ টিরও বেশী গবেষণা আর্টিকেল আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হয়। এছাডাও তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশগ্রহন করে ১০ টিরও বেশী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী জুলাই মাসে আমেরিকার মিয়ামিতে একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশগ্রহন করার কথা রয়েছে তাঁর।

মিশরে মসজিদ, গির্জা বন্ধ
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নভেল করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে এবার মসজিদ ও গির্জা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে মিশর। বহু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহাৃরকারী সরকারের প্রতি প্রতিবেশী দেশগুলোর নেওয়া পদক্ষেপ অনুসরণ করার আহ্বান জানানোর পর এ নির্দেশ জারি হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। মিশরে এ পর্যন্ত ২৮৫ জন নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে আট জনের মৃত্যু হয়েছে। মসজিদে জুমার নামাজ ও গির্জায় রোববারের প্রার্থনা বাতিল না করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের সমালোচনা ক্রমেই বাড়ছিল। দেশটির ইসলামিক অনুদান মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা ‘আত্মার সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার জন্য’ সব মসজিদ বন্ধ করে দিচ্ছে, কিন্তু মসজিদের মাইকে আজান দেওয়া অনুমোদন করবে। মিশরের শীর্ষ সুন্নি মুসলিম কর্তৃপক্ষ আল আজহার জানিয়েছে, তারা শনিবার থেকে পুরনো কায়রোতে অবস্থিত তাদের ঐতিহাসিক মসজিদটি ‘মুসুল্লিদের নিরাপত্তার জন্য করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব শেষ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখবে’। ১৫ মার্চ আল আজহারের জ্যেষ্ঠ বিদ্বানদের কাউন্সিল ‘লোকজনকে করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা করতে’ সরকারের মসজিদ বন্ধ করে দেয়ার অধিকার আছে বলে জানিয়েছিল। মিশরে এক লাখেরও বেশি মসজিদ আছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। মিশরের কপটিক অর্থোডক্স গির্জা করোনাভাইরাস শঙ্কার জন্য তাদের সব গির্জার দরজা ও সম্মিলিত প্রার্থনা দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। গির্জাটি মঠ পরিদর্শন ও গির্জা সংলগ্ন সমবেদনা হলগুলোও বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গেছে।

ভারতে জনতা কারফিউ শুরু
                                  

অনলাইন ডেস্ক: জনতা কারফিউ চলাকালে ভারতজুড়ে জরুরি সেবা ছাড়া অন্যান্য সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দ্রুত ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের বিস্তার ঠেকাতে ভারতজুড়ে ১৪ ঘণ্টার ‘জনতা কারফিউ’ শুরু হয়েছে। রোববার দেশটির স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া এ কারফিউ রাত ৯টা পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। এ দিন সকাল পর্যন্ত দেশটিতে মোট ৩৩২ জন ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ও এ পর্যন্ত চার জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া পরিসংখ্যানে দেখা গেছে। গত বৃহস্পতিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে ১৪ ঘণ্টার জনতা কারফিউ পালনের ডাক দিয়ে এ সময় নাগরিকদের ঘরে অবস্থান করার আর্জি জানিয়েছিলেন। এই কারফিউ পালনের মধ্য দিয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের সক্ষমতা যাচাই হয়ে যাবে বলে মনে করছেন তিনি। তিনি বলেছেন, “বহু মানুষকে আইসোলেশনে রেখে পরিস্থিতির মোকাবেলা করা হচ্ছে। আমাদের সবার উচিত সতর্ক থাকা, আপনারা এ দিক সে দিক ঘুরে বেড়াবেন, আর করোনা থেকে বাঁচবেন, এটি সম্ভব নয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, কারফিউ শুরু হওয়ার কয়েক মিনিট আগে এক টুইটে মোদী বলেন, “আসুন আমরা সবাই এই কারফিউয়ে অংশ নেই, এটি কভিড-১৯ এর ভয়াবহ বিপদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অপরিমেয় শক্তি যোগ করবে। যে পদক্ষেপ এখন আমরা নিয়েছি তা আসছে সময়ে কাজে লাগবে। এ দিন বিকাল ৫ টায় কারফিউ পালনরত নাগরিকদের নিজেদের দরজায়, জানালায় অথবা বারান্দায় দাঁড়িয়ে অন্যের সেবা যারা করছেন তাদের জন্য ৫ মিনিট হাততালি, থালা, ঘণ্টা বাজিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করারও আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। কারফিউ চলাকালীন রুটিন চেকআপের জন্য হাসপাতালে যেতেও মানা করেছেন তিনি। যে সমস্ত সার্জারি একান্ত জরুরি নয়, সেগুলোর তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এনডিটিভি জানিয়েছে, এ ১৪ ঘণ্টা জরুরি পণ্য ও সেবার সঙ্গে জড়িত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সংস্থাগুলো বাদে দেশজুড়ে অন্য সব কিছুই বন্ধ থাকবে। এ সময় ভারতজুড়ে সব ধরনের ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও আগে থেকেই চলতে থাকা ট্রেনগুলো বন্ধ করা হবে না এবং সেগুলোর চলা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে দেশটির রেলওয়ে বিভাগ। এর পাশাপাশি দেশজুড়ে জরুরি সেবা ছাড়া অন্যান্য সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।কয়েকটি এয়ারলাইন্স সীমিত ফ্লাইট চালাবে বা বাতিল করবে বলে জানিয়েছে। শনিবার পশ্চিমবঙ্গ ও পুনেতে একজন পুরুষ ও একজন নারীর করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। তাদের দুজনের কারোই বিদেশ ভ্রমণের কোনো ইতিহাস না থাকায় ভারতে কভিড-১৯ রোগটি সামাজিকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে আরেকটি প্রস্তাব পাস
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রোহিঙ্গা মুসলমান এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য মিয়ানমারে বিরুদ্ধে আরেকটি প্রস্তাব পাস হয়েছে জাতিসংঘে। ২০১৭ সালের অগাস্টে রোহিঙ্গা সঙ্কট শুরুর পর মিয়ানমারের বিরুদ্ধে এ যাবৎ তিনটি প্রস্তাব পাস হল সাধারণ পরিষদে। সাধারণ পরিষদে পাস হওয়া প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় ১৩৪টি দেশ; বিপক্ষে ছিল ৯টি। ভোটদানে বিরত ছিল ২৮টি দেশ। মিয়ানমারে বর্বরতা বন্ধে এবং বাস্তুভিটা ত্যাগে বাধ্য হওয়া রোহিঙ্গাদের সসম্মানে নিরাপদে নিজ বসতভিটায় ফিরে যাওয়ার নিশ্চয়তার জন্যে বিশ্ব সম্প্রদায়ে বাংলাদেশের লাগাতার তদ্বিরের প্রেক্ষাপটে এই প্রস্তাব যৌথভাবে উত্থাপন করেছিল ওআইসি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। গত ১৪ নভেম্বর জাতিসংঘের থার্ড কমিটিতে অধিকাংশ সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থনে এই প্রস্তাবটি অনুমোদন পেয়েছিল। এই প্রস্তাব পাসের মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক মহলের সার্বিক সমর্থনের ব্যাপারটি পুনরায় দৃশ্যমান হলো বলে কূটনীতিকরা মনে করছেন। একই অধিবেশনে মিয়ানমার পরিস্থিতির বিষয়ে স্বাধীন তদন্ত প্রক্রিয়া পরিচালনা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে অর্থ মঞ্জুরির সর্বসম্মত একটি সিদ্ধান্তও হয়েছে। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল স্বাধীন ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন তৈরি করেছে। রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে বিচারও চলছে। এর শুনানি শেষ হয়েছে, এখন রায়ের অপেক্ষা। দ্য হেগের ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) এই বিচারের মধ্যে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নতুন প্রস্তাব পাস গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

‘জয় শ্রী রাম’ বলেও জীবন বাঁচাতে পারল না মুসলিম ছেলেটা
                                  

এক মুসলিম যুবককে অসংখ্য মানুষের সামনে বেধড়ক পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মারধরের সময় তাকে ‘জয় শ্রী রাম’ ও ‘জয় হনুমান’ বলতে বলা হলে তা বলেও নিজের জীবন বাঁচাতে পারেনি ওই যুবক।

ভারতের ঝাড়খন্ড প্রদেশে নৃশংস এ ঘটনা ঘটেছে। মারধরের পর ঐ যুবককে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। সেখানে চার দিন থাকার পর ভীষণ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয় তার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া ট্যুডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নির্মমভাবে পিটুনি খেয়ে হত্যার শিকার ২৪ বছর বয়সী তাবরিজ আনসারীকে চোর বলে অভিহত করে টানা আঠারো ঘণ্টা মারধরের পর পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়।

 

খারশাওয়ান জেলায় গত ১৮ জুন ঘটেছে এই মর্মান্তিক ঘটনা। নিহত যুবক প্রদেশের খারশাওয়ান জেলার বাসিন্দা। নির্মম নির্যাতনের শিকার ওই যুবককে আহত অবস্থায় টানা চারদিন জেল হাজতে রাখা হয়। হাজতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে গত ২২ জুন স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

নির্মম ওই ঘটনা এবং মারধরের বেশ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের শাস্তির দাবি করছেন। বিশেষ করে ভারতের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।

 

একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তি কাঠের লাঠি দিয়ে তাবরিজ আনসারী নামের ওই যুবকে বেধড়ক পেটাচ্ছেন। যুবকটি ওই ব্যক্তির কাছে আকুতি করছেন তাকে ছেড়ে দেয়ার। কিন্তু ছেড়ে না দিয়ে যুবককে ‘জয় শ্রী রাম’ আর ‘জয় হনুমান’ বলতে বাধ্য করেন ওই ব্যক্তি। তবে এসব বলেও পিটুনির হাত থেকে নিস্তার পাননি ওই যুবক। ওই সময় পাশে দাঁড়িয়ে অসংখ্য ব্যক্তি সেই ঘটনা দেখলেও কেউ কিছু বলেননি।

ইন্ডিয়া ট্যুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গণপিটুনির পর ওই যুবককে গত ১৮ জুন পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। সেদিন থেকে তিনি জেল হাজতে ছিলেন। পরে গত ২২ জুন হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম পাপ্পু মন্ডল। তাবরিজের মৃত্যুর জন্য দায়ী হিসেবে চিহ্নিত করে তাকে আটক করেছে পুলিশ।

তাবরিজ আনসারী পুনেতে শ্রমিকের কাজ করেন। পারিবারের সঙ্গে ঈদ পালনের জন্য গত রমজানে তিনি বাড়ি আসেন। ঈদ শেষ হলেও তিনি পুনেতে তার কর্মস্থলে ফিরে যাননি কারণ বাড়িতে তার বিয়ের আয়োজন চলছিল। ঘটনার দিন রাতে আরও দুজন তার সঙ্গে ছিল।

https://web.facebook.com/themessenger24/videos/897669597241269/?t=3

ডুবোচরে আটকে আছে ১৫টি মালবাহী জাহাজ
                                  

অনলাইন সংবাদদাতা: শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই পাবনার বেড়া উপজেলার বাঘাবাড়ি নৌবন্দরের পেঁচাকোলা ও মালদহ পাড়ার মাঝামাঝি যমুনা নদীতে জেগে উঠছে একাধিক ডুবোচর। এসব ডুবোচরে বাঘাবাড়ীগামী ও বাঘাবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা ১৫টি জাহাজ ডুবোচরে আটকে আছে। বাঘাবাড়ি বন্দর সূত্রে জানা যায়, দৌলতদিয়া-বাঘাবাড়ী নৌপথ উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় জ্বালানী তেল, রাসায়নিক সার ও অন্যান্য পণ্য পরিবহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে ব্যবহূত হয়।

গত মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, পেঁচাকোলা ও মালদহপাড়ার বিভিন্ন স্থানে ১৫টি জাহাজ আটকা পড়ে আছে। প্রতিদিন আটকে পড়া জাহাজের সংখ্যা বাড়ছে। এসব জাহাজের মধ্যে এম ভি ফয়সাল-৮, ৮৫০ টন গম, এম ভি ইব্রাহিম খলিল ৬১০ টন সার, এম ভি ফয়সালে আরো দুইটি জাহাজ, এম ভি সুমাইয়া, এম ভি সুলতানা সানজার সহ কয়েকটি জাহাজ আটকা পরে আছে।
এম ভি ফয়সাল-৮ এর মাষ্টার জাহাঙ্গীর জানান, তারা চট্রগাম থেকে গম নিয়ে বাঘাবাড়ি বন্দরে যাচ্ছিলেন। দই দিন আগে তারা এই স্থানে ডুবোচরে আটকে যান। এখন লাইটার জাহাজে এসব পণ্য ধীরে ধীরে খালাস করে তারপর জাহাজ সরাতে হবে। এ নৌপথে জ্বালানী তেলবাহী ট্যাংকার, রাসায়নিক সার ও বিভিন্ন পণ্যবাহী কার্গো জাহাজ চলাচল করে। বাঘাবাড়ি বন্দর থেকে উত্তরাঞ্চলে চাহিদার ৯০ ভাগ জ্বালানী তেল ও রাসায়নিক সার সরবরাহ করা হয়। আবার বাঘাবাড়ি থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে চাল, গম সহ অন্যান্য পণ্যসামগ্রী পাঠানো হয়।
বিসিআইসি’র বাঘাবাড়ী ট্রানজিট বাফার গুদাম সূত্রে জানা গেছে, যমুনা নদীর নাব্যতা সংকটে বাফার গুদামগুলোতে আপদকালীন সারের মজুদ গড়ে তোলার কাজ চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। বিআইডব্লিউটিএ আরিচা অফিসের একটি সূত্রে জানা যায়, রাসায়নিক সার ও পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের জন্য ১০ থেকে ১১ ফুট পানির গভীরতা প্রয়োজন হয়। কিন্তু বর্তমানে এ নৌপথে কোথাও কোথাও ৮ থেকে ৯ ফুট গভীরতা রয়েছে। আগামী ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে পানির স্তর কমে ৭-৮ ফুট পর্যন্ত নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা।
বাঘাবাড়ি বন্দর থেকে দৌলতদিয়া পর্যন্ত মোহনগঞ্জ, নাকালিয়া, হরিরামপুর, পেঁচাকোলা, নগরবাড়ীসহ প্রায় ডজনখানেক স্থানে জেগে উঠছে ডুবোচর। ফলে নাব্যতা সংকট ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যেই মোহনগঞ্জ, হরিরামপুর ও নাকালিয়া পয়েন্টে ডুবোচরে জাহাজ প্রায়’ই আটকা পড়ছে। বাঘাবাড়ী নৌবন্দর কর্তৃপক্ষ বিআইডব্লিউটিএ এর ড্রেজিং বিভাগকে চিঠি দিয়েছে বলে জানা গেছে।
এম.ভি বিজয় চিলিং মাস্টার হেলাল উদ্দিন জানান, দৌলতদিয়া থেকে বাঘাবাড়ী নৌবন্দর পর্যন্ত ৪৫ কি.মি নৌপথের ১০টি পয়েন্টে পানির গভীরতা কমে দাঁড়িয়েছে ৭ থেকে ৯ ফুট। মোহনগঞ্জ পয়েন্টে কার্গো জাহাজ চলাচলের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিম্নকক্ষে নিয়ন্ত্রণ হারালেন ট্রাম্প
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার দুই বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে নিয়ন্ত্রণ হারায় ডেমোক্রেটরা। মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর গণনা শুরু হলে দেখা যায়, ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানদের আইনসবার উচ্চক্ষ সিনেটে ইতোমধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে। তবে নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে যাচ্ছে বিরোধী ডেমোক্রেটরা। এর আগে দুই কক্ষেই রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল।
এবার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের ৪৩৫টি আসনের সবক’টিতেই ভোট হয়েছে। এছাড়া সিনেটের ৩৫টি এবং ৩৬টি অঙ্গরাজ্যের ৩৯টি গভর্নর পদেও ভোট হয়েছে। সিনেটে ৫১-৪৯ ব্যবধানে এর আগে সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল রিপাবলিকানরা। এই নির্বাচনে ৩৫ সিনেট আসনের ২৬টিই ছিল ডেমোক্রেটদের দখলে। তাই তাদের জন্য বিষয়টি চ্যালেঞ্জিংই ছিল।
সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে ডেমোক্রেটরা সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি। কারণ ইতোমধ্যে সিনেটে ৫১টি আসন রিপাবলিকানদের নিশ্চিত হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়েছে। সেখানে ডেমোক্রেটদের আসন দাঁড়িয়েছে এ পর্যন্ত ৪৫টি। বাকি ৪টি আসনের ফলাফল এখনও পাওয়া যায়নি।
তবে আইনসভার নিম্নকক্ষে যে ট্রাম্পের দল নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টের খবর অনুযায়ী ৫৩৫ আসনের নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ ২১৯ আসন ইতোমধ্যেই নিশ্চিত করেছে। যেখানে রিপাবলিকানদের অর্জন ১৯৩টি। বাকি ২৩ আসনের ফলাফল এখনো ঘোষণা হয়নি।
এটি হলে গত আট বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো প্রতিনিধি পরিষদে আধিপত্য পাবে ডেমোক্রেটরা। এতে ডেমোক্রেটরা হাউস কমিটির মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে নতুন তদন্ত শুরু করতে পারবে। এছাড়া রিপাবলিকান বিল আটকে দিতে এবং সম্ভবত প্রেসিডেন্টকে ইমপিচের প্রস্তাবও কংগ্রেসে উত্থাপন করতে পারবে।

‘পুতিন-ট্রাম্প যাই বলুক যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রাশিয়ার হাত ছিল’
                                  

যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই পরিচালক ক্রিস্টোফার রে বুধবার বলেছেন, নির্বাচনে মস্কোর হস্তক্ষেপের বিষয়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার অভিমত হচ্ছে, রাশিয়া ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে অনধিকার চর্চা করেছে। এ সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বিষয়টি ভ্লাদিমির পুতিন অস্বীকার করা সত্ত্বেও তিনি আবারো এমন মন্তব্য করলেন।

সোমবার হেলসিঙ্কিতে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের ব্যাপারে ট্রাম্পের কাছে পুতিনের অস্বীকার করার ব্যাপারে জানতে চাইলে রে বলেন, ‘তিনি তার অবস্থান থেকে তার অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

তবে তিনি যাই বলুক না কেন, এ ব্যাপারে ‘গোয়েন্দা সংস্থা তাদের মূল্যায়নে আগের অবস্থানেই রয়েছে। এক্ষেত্রে আমার অভিমতের কোন পরিবর্তন নেই। এ ব্যাপারে আমাদের মূল্যায়ন হচ্ছে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের গত নির্বাচনে নানাভাবে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে এবং এখনো তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর প্রভাব খাটানোর বিভিন্ন নেতিবাচক কাজ অব্যাহত রেখেছে।

তিনি আরো বলেন, তাদের এসব কাজের লক্ষ্য হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে বিভক্তি সৃষ্টি করে দেশটির ক্ষতি করা। সোমবার হেলসিঙ্কিতে বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়া কোন হস্তক্ষেপ করেনি বলে পুতিন যে মন্তব্য করেন ট্রাম্প তা মেনে নেয়ায় ওয়াশিংটনে সমালোচনার ঝড় উঠে এবং মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান এ ব্যাপারে ভিন্ন মতপোষণ করে বিবৃতি দেন।

তবে মঙ্গলবার ট্রাম্প তার আগের অবস্থান থেকে সরে এসে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের ব্যাপারে মার্কিন গোয়েন্দাদের দেয়া প্রতিবেদনকে সমর্থন জানান।

ভারতে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
ভারতের গুজরাটে বিমানবাহিনীর জাগুয়ার যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলট নিহত হয়েছেন। এনডিটিভি অনলাইনের খবরে জানানো হয়, আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গুজরাটের জামনগর বিমান ঘাঁটি থেকে ছেড়ে যাওয়ার পর কাছেই একটি গ্রামে যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
যুদ্ধবিমানটি চালাচ্ছিলেন এয়ার কমান্ডার সঞ্জয় চৌহান। প্রতিরক্ষা বিভাগের একজন মুখপাত্র জানান, নিয়মিত প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে যুদ্ধবিমানটি চালানো হচ্ছিল। আহমেদাবাদ থেকে ৩৪০ কিলোমিটার পশ্চিমে কুচ শহরের মুন্দ্রা গ্রামে যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হয়। জাগুয়ার যুদ্ধবিমানটি দুই ইঞ্জিনের।
ঘটনা তদন্তে বিমানবাহিনীর সদর দপ্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কয়েক মাস আগে ভারতীয় বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার আসামের মাজুলি দ্বীপে বিধ্বস্ত হয়। তখনো দুই পাইলটের মৃত্যু হয়।

চার ঘন্টায় ১৫ হাজার বজ্রপাত!
                                  

ডিটিভি বাংলা নিউজঃ
বিশ্বের জলবায়ুতে কি চরম বদল আসছে? বিশ্বব্যাপী একের পর অস্বাভাবিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা ঘটে চলেছে। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের ওমানে ভয়াবহ সাইক্লোনে একদিনেই তিন বছরের সমান বৃষ্টিপাত হয়েছে। এবার ব্রিটেনের কয়েকটি অংশজুড়ে মাত্র চার ঘন্টায় ১৫ হাজার বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে।
বজ্রঝড়ের পাশাপাশি ব্যাপক বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ঘন ঘন বজ্রপাতে রাতের আকাশ বার বার আলোকিত হয়ে উঠছে। গভীর রাতে ওই অঞ্চলে চার ঘন্টায় প্রায় ১৫ হাজার বজ্রপাতের ঘটনা হয়েছে। উত্তর দিকে বয়ে চলা এই বজ্রঝড় রবিবার সারাদিন ধরে দক্ষিণ ইংল্যান্ড, মিডল্যান্ডস্ এবং ওয়েলস পর্যন্ত বয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ব্যাপক বৃষ্টিপাত ও বন্যার পূর্বাভাস জানিয়ে ব্রিটেনের আবহাওয়া দফতর একটি ‘হলুদ’ সতর্কতা জারি করেছে।
সোমবার ভোর ৬টা পর্যন্ত বৃষ্টির এই সতর্কতা ওয়েলস, দক্ষিণ ইংল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের কেন্দ্রীয় অংশের জন্য বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দ্রুত ধেয়ে আসা বন্যায় অল্প সময়ের মধ্যেই বাড়িঘর ও ব্যবসা সংস্থা ডুবে যেতে পারে। বন্যার জলের গভীরতা বেশি হতে পারে জানিয়ে কিছু ভবন বজ্রপাতে, শিলায় অথবা তীব্র বাতাসে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
শনিবার অপেক্ষাকৃত উষ্ণ একটি দিন যাওয়ার পর রাতে বজ্রঝড়ের পাশাপাশি ব্যাপক বৃষ্টিপাত শুরু হয়।


   Page 1 of 22
     আন্তর্জাতিক
৭ লাখ ভূমি-গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে
.............................................................................................
শেখ হাসিনার দৃঢ়তা ও সাহসিকতার প্রমাণ পদ্মা সেতু
.............................................................................................
ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় কেন হলিউডের নায়কের মতো হাজির কিম
.............................................................................................
জাতীয় পতাকায় রঙের তারতম্য ঘোচাতে দরকার জনসচেতনতা
.............................................................................................
ইজিয়াম শহর দখলের দাবি রাশিয়ার
.............................................................................................
ইউক্রেইন যুদ্ধ: বাংলাদেশকে পাশে চায় যুক্তরাষ্ট্র
.............................................................................................
জীবপ্রযুক্তিবিদ সম্মেলনে ১ম পুরস্কারে ভূষিত হলেন চৌদ্দগ্রামের ড. মো. আমিরুল ইসলাম
.............................................................................................
মিশরে মসজিদ, গির্জা বন্ধ
.............................................................................................
ভারতে জনতা কারফিউ শুরু
.............................................................................................
মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে আরেকটি প্রস্তাব পাস
.............................................................................................
‘জয় শ্রী রাম’ বলেও জীবন বাঁচাতে পারল না মুসলিম ছেলেটা
.............................................................................................
ডুবোচরে আটকে আছে ১৫টি মালবাহী জাহাজ
.............................................................................................
নিম্নকক্ষে নিয়ন্ত্রণ হারালেন ট্রাম্প
.............................................................................................
‘পুতিন-ট্রাম্প যাই বলুক যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রাশিয়ার হাত ছিল’
.............................................................................................
ভারতে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত
.............................................................................................
চার ঘন্টায় ১৫ হাজার বজ্রপাত!
.............................................................................................
ঝুঁকিতে রয়েছে বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি শিশু!
.............................................................................................
ভেনেজুয়েলার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে ইইউ
.............................................................................................
ফিফা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে সামনে এলেন প্রিন্স সালমান
.............................................................................................
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উনের সঙ্গে বৈঠক বাতিল করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণ-পক্ষপাত বিষয়ক সচেতনতা বাড়াতে ৮হাজার ক্যাফে বন্ধ!
.............................................................................................
ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনায় ‘ক্ষুব্ধ’ হন নিউজিল্যান্ড প্রধানমন্ত্রী!
.............................................................................................
ভুয়া ডিগ্রির কারণে ২৫০ বিচারককে বহিষ্কার করল কঙ্গো
.............................................................................................
অল্পের জন্য রক্ষা!
.............................................................................................
বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে ফিরল প্রথম রোহিঙ্গা পরিবার
.............................................................................................
২৪ দেশের অংশগ্রহণে সৌদিতে যৌথ সামরিক মহড়া শেষ হচ্ছে সোমবার
.............................................................................................
যমজ ভাই, বাবা হলেন একই দিনে
.............................................................................................
ফের গাজা সীমান্তে ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে ফিলিস্তিনি নিহত
.............................................................................................
ভেনিজুয়েলায় কারাগারে দাঙ্গা-অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৬৮
.............................................................................................
দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালাল তুরস্ক
.............................................................................................
অবৈধ বসবাসের অভিযোগে ভারতে ৮ বাংলাদেশি আটক
.............................................................................................
থাইল্যান্ডে পর্যটকবাহী বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৭
.............................................................................................
টেক্সাসে একের পর এক বিস্ফোরণে নিহত ২
.............................................................................................
পদত্যাগ করলেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট থিন কিয়াও
.............................................................................................
মালিতে জাতিগত সহিংসতায় নিহত ৮
.............................................................................................
আবারো রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ায় দাবানলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
.............................................................................................
গুজরাটে ব্রিজ থেকে ট্রাক পড়ে নিহত ২০
.............................................................................................
পাকিস্তান সিনেটে প্রথম হিন্দু নারী
.............................................................................................
জাফর ইকবালের উপর হামলাকারীরা ধর্মান্ধ : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
হোয়াইট হাউসের বাইরে গুলি
.............................................................................................
পাকিস্তানে দুই হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর ৬ সদস্য নিহত
.............................................................................................
ক্ষমতা হারাচ্ছেন ট্রাম্প জামাতা
.............................................................................................
সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্রের উপকরণ উত্তর কোরিয়ার
.............................................................................................
সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ মমতার
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর তালিকায় বাংলাদেশc
.............................................................................................
সেনাপ্রধানসহ সৌদির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা বরখাস্ত
.............................................................................................
কোরআন সংরক্ষণে ২ মাইল দীর্ঘ সুড়ঙ্গ!
.............................................................................................
ঢাকায় আসছেন এডিবির প্রেসিডেন্ট
.............................................................................................
ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে সিনাবাং আগ্নেয়গিরি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
চেয়ারম্যান: এস.এইচ. শিবলী ।
সম্পাদক, প্রকাশক: জাকির এইচ. তালুকদার ।
হেড অফিস: ২ আরকে মিশন রোড, ঢাকা ১২০৩ ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বাড়ি নং ২, রোড নং ৩, সাদেক হোসেন খোকা রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা ১০০০ ।
ফোন: 01558011275, 02-৪৭১২২৮২৯, ই-মেইল: dtvbanglahr@gmail.com
   All Right Reserved By www.dtvbangla.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop    
Dynamic SOlution IT Dynamic POS | Super Shop | Dealer Ship | Show Room Software | Trading Software | Inventory Management Software Computer | Mobile | Electronics Item Software Accounts,HR & Payroll Software Hospital | Clinic Management Software Dynamic Scale BD Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale Digital Load Cell Digital Indicator Digital Score Board Junction Box | Chequer Plate | Girder Digital Scale | Digital Floor Scale