বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
   * রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর   * বাঙালির সব অর্জনই এসেছে ত্যাগের মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী   * যুক্তরাজ্যে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য   * মৌলভীবাজারে ২৫ কোটি টাকার দরপত্র দাখিলে অনিয়মের অভিযোগ   * জিএম কাদের-চুন্নুকে বহিষ্কার করলেন রওশন এরশাদ   * সমসাময়িক বিষয় নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে আছি: ওবায়দুল কাদের   * বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্ব অব্যাহত থাকবে: ডা. রাজীব রঞ্জন   * বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ইইউ ইলেকশন এক্সপার্টদের বৈঠক   * ভবনের পাইলিং-ছাদ ঢালাইয়ে থাকতে হবে রাজউক কর্মকর্তাকে   * আওয়ামী লীগের যৌথসভা আজ  

   আন্তর্জাতিক -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
পৌষের শেষ দিন শীতে কাঁপছে কলকাতা

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

পৌষের শেষ দিন কনকনে শীতে কাঁপছে কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা। জারি হয়েছে শৈত্যপ্রবাহের সর্তকতা। ঘন কুয়াশার কারণেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে দক্ষিণবঙ্গসহ উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলায়।

রোববার (১৪ জানুয়ারি) ভোর থেকেই হু হু করে তাপমাত্রার পারদ নামতে শুরু করে কলকাতায়। এমনটি হওয়ার পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সেটি সত্যি করে দু’দিন ধরে প্রবল ঠান্ডায় জবুথবু অবস্থা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের।

পৌষ সংক্রান্তির ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে গঙ্গাসাগরে। গত কয়েকদিনের মতো রোববার ভোর থেকেই উত্তরের হওয়ার জেরে তাপমাত্রার পারদ নিম্নমুখী।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তুরে হাওয়া প্রবেশ করায় রোববারের পরও কিছু দিন কমতে পারে তাপমাত্রা। ঘন কুয়াশার দাপট থাকবে কলকাতাসহ কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর ,মালদা, পুরুলিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনায়।

কলকাতায় শনিবারের তুলনায় রোববারের তাপমাত্রা অনেকটাই কম। শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৬ ডিগ্ৰি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২০ ডিগ্ৰি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, চলতি শীতের মৌসুমে শীতলতম দিন আজ। কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গেও শীতের তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো জেলায় শৈত্যপ্রবাহও বয়ে যেতে পারে।

পৌষের শেষ দিন শীতে কাঁপছে কলকাতা
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

পৌষের শেষ দিন কনকনে শীতে কাঁপছে কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা। জারি হয়েছে শৈত্যপ্রবাহের সর্তকতা। ঘন কুয়াশার কারণেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে দক্ষিণবঙ্গসহ উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলায়।

রোববার (১৪ জানুয়ারি) ভোর থেকেই হু হু করে তাপমাত্রার পারদ নামতে শুরু করে কলকাতায়। এমনটি হওয়ার পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সেটি সত্যি করে দু’দিন ধরে প্রবল ঠান্ডায় জবুথবু অবস্থা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের।

পৌষ সংক্রান্তির ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে গঙ্গাসাগরে। গত কয়েকদিনের মতো রোববার ভোর থেকেই উত্তরের হওয়ার জেরে তাপমাত্রার পারদ নিম্নমুখী।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তুরে হাওয়া প্রবেশ করায় রোববারের পরও কিছু দিন কমতে পারে তাপমাত্রা। ঘন কুয়াশার দাপট থাকবে কলকাতাসহ কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর ,মালদা, পুরুলিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনায়।

কলকাতায় শনিবারের তুলনায় রোববারের তাপমাত্রা অনেকটাই কম। শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৬ ডিগ্ৰি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২০ ডিগ্ৰি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, চলতি শীতের মৌসুমে শীতলতম দিন আজ। কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গেও শীতের তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো জেলায় শৈত্যপ্রবাহও বয়ে যেতে পারে।

ড্রোন হামলার জবাবে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

ইরাকের কাতাইব হিজবুল্লাহ মিলিশিয়া গোষ্ঠীর বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এতে গোষ্ঠীটির বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পেন্টাগন জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নির্দের্শে এ হামলা চালানো হয়।

হোয়াইট হাউজের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে অবহিত করা হয়। বাইডেন হামলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পেন্টাগনকে নির্দেশ দেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, সোমবার রাতে ইরাকের এরবিলে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়। তাতে তিন সেনা আহত হন। এর পাল্টা জবাবেই ইরান সমর্থিত মিলিশিয়া বাহিনীগুলোর অবস্থান লক্ষ্য করেই এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

আহত তিন মার্কিন সেনাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তবে আহত সেনাদের পরিচয় বা তাদের জখম কতটা গুরুতর তা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি পেন্টাগন।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান জেনারেল মাইকেল এরিক কুরিলা এক বিবৃতিতে বলেন, ইরাক ও সিরিয়ায় আমাদের সেনাবাহিনীর ওপর হামলা চালানোর পাল্টা জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। তাছাড়া ইরানসমর্থিত এসব গোষ্ঠীকে জবাবদিহি করাতে ও তাদের হামলার ক্ষমতা কমানোও ছিল এ হামলার অন্যতম উদ্দেশ্য।

হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলকে সমর্থন দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জেরে অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে ইরান সমর্থিত মিলিশিয়া বাহিনীগুলো।

ভারতে ৭ মাসে সর্বোচ্চ সংক্রমণ, আরও একজনের মৃত্যু
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে নতুন করে করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। ফলে বিভিন্ন রাজ্যকে করোনা সংক্রমণ নিয়ে সতর্ক থাকতে বলেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি কর্নাটকে করোনায় আক্রান্ত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এর আগে কেরালায় চারজনের মৃত্যু হয়।

বুধবার এ বিষয়ে সতর্ক বার্তা জারি করা করেছে কেন্দ্র। শুধু তাই নয়, দেশের সাম্প্রতিক করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি নিয়ে একটি বৈঠকও করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডবীয়া। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দুই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এসপি সিংহ বঘেল এবং ভারতী পাওয়ার। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত গবেষণা দফতরের সচিব, নীতি আয়োগের (স্বাস্থ্য সংক্রান্ত) সদস্যও যোগ দেন বৈঠকে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই বৈঠকেই করোনার সাম্প্রতিক পরিস্থিতির বিষয়ে আগে থেকেই প্রস্তুত থাকার কথা বলেছেন মান্ডবীয়া। সেই সঙ্গে রাজ্যগুলোকেও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

মান্ডবীয়া বলেন, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে কেন্দ্রের সঙ্গে বিভিন্ন রাজ্যকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে প্রতি তিন মাস অন্তর বিভিন্ন রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার মহড়া দিতে হবে। এছাড়াও কোনো রোগীর শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেলেই ইন্ডিয়ান সার্স-কোভ-২ জেনোমিকস কনসর্টিয়ামে (ইনসাকোগ) তার নমুনা পাঠাতে হবে। যাতে করোনার নতুন কোনো রূপ তৈরি হয়েছে কি না তা জানা যায়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৭ মাসে দেশে সর্বোচ্চ করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে বুধবার। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬১৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

করোনা সংক্রমণের এই সাম্প্রতিক বৃদ্ধির নেপথ্যে করোনা ভাইরাসের নতুন উপ-ধরনকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। জেএন.১ নামের এই উপ-ধরন প্রথম ধরা পড়ে কেরালায়। গত কয়েকদিনে দক্ষিণের এই রাজ্য এবং কর্নাটকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, করোনাপ্রতিরোধী অনুমোদিত সব টিকাই জেএন.১-এর বিরুদ্ধেও সুরক্ষা দেবে। কেরালায় বর্তমানে ১ হাজার ৩২৪ জন কোভিড-১৯ রোগী রয়েছেন। গত শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) রাজ্যটিতে করোনাজনিত কারণে অন্তত চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে কেরালায় একটি নমুনার আরটি-পিসিআর পরীক্ষায় জেএন.১ উপ-ধরন শনাক্ত হয়। রোগী ছিলেন ৭৯ বছর বয়সী এক নারী। তার ইনফ্লুয়েঞ্জা জাতীয় অসুস্থতা ছিল এবং পরে তিনি সুস্থও হয়ে ওঠেন।

এর আগে তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লি থেকে সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন এক নারী। তার শরীরেও ধরা পড়েছিল করোনা ভাইরাসের জেএন.১ উপ-ধরন। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, আসন্ন উৎসবের মৌসুমের কথা মাথায় রেখে জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি নজরে রাখা উচিত। সংক্রমণ যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

চীনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃত্যু বেড়ে ১৩১
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

চীনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ১৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। বলা হচ্ছে, গত ১৩ বছরের মধ্যে এটাই ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। ২০১০ সালের পর দেশটিতে সবচেয়ে তীব্র ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার রাতে আঘাত হানা ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ২।

স্থানীয় সময় সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির গানসু প্রদেশে সোমবার মধ্যরাতে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এতে প্রায় এক হাজার মানুষ আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

সোমবার রাতে যে এলাকায় ভূমিকম্পটি আঘাত হেনেছে সেখানে মঙ্গলবারের তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৮.৭ ফারেনহাইট)। চীনের উত্তরাঞ্চলের একটি বড় অংশজুড়েই এখন হাড় কাঁপানো শীত বিরাজ করছে। এই তীব্র শীতের মধ্যেই উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ভূমিকম্পের সময় প্রতিবেশী কিনঘাই এলাকায়ও কম্পন অনুভূত হয়েছে।

এর আগে ২০১০ সালে দেশটির কিংহাই প্রদেশের ইউশুতে ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। ৭ দশমিক ১ মাত্রার ওই ভূমিকম্পে দুই হাজার ৭০০ জন নিহত হয়।

গত ৫ সেপ্টেম্বর দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সিচুয়ান প্রদেশেও ৬ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে নিহত হন ৬৬ জন।

চীনে ভূমিকম্প একটি স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্পপ্রবণ। প্রায়ই বিভিন্ন অঞ্চলে ছোট-বড় ভূমিকম্প আঘাত হানছে।

এদিকে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে প্রতিবেশী জিনজিয়াংয়ে অপর একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ওই ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৫। তবে ওই ভূমিকম্প থেকে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

গানসু প্রদেশে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার পর সেখানে পুরোদমে উদ্ধার-অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। চীনের একটি দরিদ্র অঞ্চল গানসু। ওই প্রদেশের জিশিশান কাউন্টি সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেখানে ৫ হাজারের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া কিনহাই প্রদেশে এখনও ১৬ জন নিখোঁজ রয়েছে। তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

বিরোধীদের দমনপীড়ন-নির্বাচনের নিয়ম পরিবর্তন করে ফের ক্ষমতায় সিসি
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

মিশরে তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় ফিরছেন আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। এরই মধ্যে দেশটির নির্বাচন কমিশন তাকে জয়ী ঘোষণা করেছে। তবে বিরোধীদের ব্যাপক দমনপীড়নের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এর আগে নিজে তৃতীয়বার নির্বাচন করতে পরিবর্তন করেছেন নির্বাচনী আইনও।

সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) মিশরের নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দেন, সিসি ৮৯ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন।

নির্বাচনী কর্তৃপক্ষের প্রধান হাজেম বাদাউয়ি বলেন, ভোটার উপস্থিতি ছিল নজিরবিহীনভাবে ৬৬ শতাংশের বেশি।

গত এক দশক ধরে আরব দেশটিতে ক্ষমতায় আছেন জেনারেল সিসি। যদিও তার নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে রয়েছে সন্দেহ।

এবার এমন এক সময় দেশটিতে নির্বাচন হলো যখন অর্থনীতি তীব্র সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধও দেশটির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

জেনারেল সিসি ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিরোধীদের ওপর দমনপীড়ন চালিয়ে আসছেন। ফলে দেশটিতে কার্যত তেমন কোনো শক্তিশালী বিরোধী দল বা নেতা নেই।

যে তিনজন সিসির বিপরীতে নির্বাচন করেছেন তারা কেউই হাই প্রোফাইল নন। তবে সম্ভাব্য শক্তিশালী প্রার্থী নানা গ্রেফতার-হয়রানির অভিযোগ এনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

নির্বাচনে দ্বিতীয়ত অবস্থানে রয়েছেন রিপাবলিকান পার্টির নেতা হাজেম ওমর। কিন্তু তিনি ভোট পেয়েছেন মাত্র ৪ দশমিক ৫ শতাংশ।

ভারতে ফের বাড়ছে করোনা, বিভিন্ন রাজ্যে সতর্কতা
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

কিছুটা ধীর গতিতে হলেও ভারতে ফের করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। দেশটিতে প্রথম করোনা ভাইরাসের উপ-ধরন (সাব-ভ্যারিয়েন্ট) জেএন.১ সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। এরপরেই সতর্ক হয়েছে কেন্দ্র। রাজ্যগুলোকে সাতটি নির্দেশাবলী পাঠানো হয়েছে।

এসব নির্দেশিকায় আসন্ন উৎসবের মৌসুমে সতর্ক হতে বলার পাশাপাশি ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো রোগের প্রকোপ বাড়ছে কি না সে বিষয়ে নজর রাখতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে রাজ্যগুলোকে রিপোর্টও দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালাতের বাড়তে শুরু করেছে করোনা সংক্রমণ। এজন্য জনগণকে সতর্ক থাকতে বলা হলেও আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রাজ্যটিতে দ্রুত বাড়ছে সংক্রমণ। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র, চীনসহ বেশ কয়েকটি দেশে শনাক্ত হয়েছিল জেএন.১।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, করোনাপ্রতিরোধী অনুমোদিত সব টিকাই জেএন.১-এর বিরুদ্ধেও সুরক্ষা দেবে। কেরালায় বর্তমানে ১ হাজার ৩২৪ জন কোভিড-১৯ রোগী রয়েছেন। গত শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) রাজ্যটিতে করোনাজনিত কারণে অন্তত চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

তবে এগুলোর মধ্যে ঠিক কতটি ঘটনা জেএন.১ সম্পর্কিত, তা নিশ্চিত নয়। ভাইরাসটির বিভিন্ন ধরন শনাক্তের জন্য একেবারেই সামান্য কিছু নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করা হয় সেখানে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি মাসের শুরুর দিকে কেরালায় একটি নমুনার আরটি-পিসিআর পরীক্ষায় জেএন.১ উপ-ধরন শনাক্ত হয়। রোগী ছিলেন ৭৯ বছর বয়সী এক নারী। তার ইনফ্লুয়েঞ্জা জাতীয় অসুস্থতা ছিল এবং পরে তিনি সুস্থও হয়ে ওঠেন।

এর আগে তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লি থেকে সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন এক নারী। তার শরীরেও ধরা পড়েছিল করোনা ভাইরাসের জেএন.১ উপ-ধরন। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, আসন্ন উৎসবের মৌসুমের কথা মাথায় রেখে জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি নজরে রাখা উচিত। সংক্রমণ যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

নির্দেশিকায় আরও জানানো হয়েছে, কোভিড-১৯ নিয়ে পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যে নির্দেশিকা পাঠিয়েছিল, তা মেনে চলতে হবে। ইনফ্লুয়েঞ্জা বা শ্বাসকষ্ট নিয়ে যে রোগীরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসছেন, তাদের উপর নজর রাখতে হবে। এ নিয়ে জেলাভিত্তিক রিপোর্ট দিতে হবে। এর ফলে রোগের প্রাথমিক প্রবণতা ধরা পড়বে।

কোভিডের নির্দেশিকা মেনে প্রতিটি জেলায় পরীক্ষার যথেষ্ট ব্যবস্থা রাখতে হবে। আরটিপিসিআর এবং অ্যান্টিজেন পরীক্ষার উপর জোর দিতে হবে। কারও রিপোর্ট পজিটিভ এলে নমুনার জিনোম পরীক্ষার জন্য ইন্ডিয়ান সার্স কোভ-২ জেনোমিক কনসর্টিয়ামে পাঠাতে হবে। যেন দ্রুত নতুন উপ-ধরন শনাক্ত করা যায়।

সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকারি এবং বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রগুলো কতটা প্রস্তুত তা বোঝার জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ মেনে মহড়ায় অংশ নিতে হবে। নাগরিকদের ক্রমাগত সতর্ক করার কথাও বলা হয়েছে রাজ্যগুলোকে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা মেনে চলার কথাও বলা হয়েছে।

ইন্ডিয়ান সার্স-কোভ-২ (আইএলএসএসিওজি) বলছে, কেরালায় জেএন.১ উপ-ধরনের অস্তিত্ব মিলেছে। সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়ার মতো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশেও মিলেছে এই প্রজাতি। এর উপসর্গ হলো জ্বর, সর্দি, কাশি, মুখে ব্যথা বা চাপ অনুভব, মাথা যন্ত্রণা, গলা ব্যথা। করোনা ভাইরাসের বিএ.২.৮৬ ওমিক্রন প্রজাতির একটি উপ-ধরন এটি। গত আগস্টে লুক্সেমবার্গে প্রথম এই উপ-ধরন শনাক্ত হয়। গত জুলাই মাসে ডেনমার্কে বিএ.২.৮৬ প্রজাতির অস্তিত্ব প্রথম ধরা পড়ে।

উচ্ছিষ্ট খাবার দিয়ে সাদা কাপড়ে লিখে সাহায্য চেয়েছিল জিম্মিরা
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

সম্প্রতি গাজায় ইসরায়েলি সৈন্যরা ভুল করে নিজেদের তিন জিম্মিকে গুলি করে হত্যা করেছে। মৃত্যুর আগে ওই জিম্মিরা সাদা কাপড়ের ওপর উচ্ছিষ্ট খাবার দিয়ে কিছু শব্দ ও চিহ্ন একে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিলেন। ওই সাদা কাপড়টি উদ্ধার করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) সদস্যরা।

কাপড়টিতে ‌‘সাহায্য করুন’, ‘তিন জিম্মি’ এবং ‘এসওএস’ চিহ্ন লেখা ছিল বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তারা। সাহায্যের জন্য কোনো এক সময় জিম্মিরা এটা লিখেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তারা বেশ কিছুদিন ধরেই ওই ভবনটিতে অবস্থান করছিলেন বলেও ধারণা করছে আইডিএফ। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এটাও স্বীকার করেছেন যে, সাদা পতাকাধারী ব্যক্তিদের হত্যা করে সৈন্যরা ‘নিয়ম লঙ্ঘন’ করেছেন।

গত শুক্রবার গাজার উত্তরে শুজাইয়া এলাকায় অভিযানের সময় নিজেদের তিন জিম্মিকে ভুল করে হত্যা করে ইসরায়েলি সৈন্যরা। ঘটনাটি যেখানে ঘটেছে, সেখানে হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর তীব্র লড়াই চলছিল। ওই এলাকায় হামাস সদস্যরা বেসামরিক নাগরিকের ছদ্মবেশ ধারণ এবং নানা ধরনের ‘প্রতারণামূলক কৌশল’ অবলম্বন করে থাকে বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।

ঘটনার বর্ণনায় ওই কর্মকর্তা বলেন, এক ইসরায়েলি সেনা তাদের কাছ থেকে কয়েক মিটার দূরে জিম্মিদের উঠে আসতে দেখেন। তারা সবাই খালি গায়ে এবং সাদা কাপড় বাঁধা একটি কাঠি হাতে ছিল।

তাদের দেখে ওই সেনা হুমকি বোধ করেন এবং গুলি চালান। তিনি তাদের (জিম্মি) সন্ত্রাসী ঘোষণা করেন এবং তখন বাকিরাও (বাহিনী) গুলি চালায়। সঙ্গে সঙ্গে দুজন নিহত হন।

তৃতীয় জিম্মি আহত হয়ে নিকটবর্তী একটি ভবনে ফিরে যান এবং সেখান থেকে হিব্রু ভাষায় সাহায্যের অনুরোধ জানান। ব্যাটালিয়ন কমান্ডার তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধবিরতির আদেশ দেন। কিন্তু তৃতীয় ওই ব্যক্তির দিকে আরেক দফা গুলি চালানো হলে তিনিও মারা যান। ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেন, এটি আমাদের নিয়মের বিরুদ্ধে।

ইয়োতাম হাইম (২৮), সামের তালালকা (২২) এবং অ্যালন শামরিজ (২৬) নামের ওই তিন ইসরায়েলি যুবককে গত ৭ অক্টোবর জিম্মি হিসেবে অপহরণ করেছিল হামাস। অভিযানের সময় যখন তাদের গুলি করা হয় তখন তাদের হাতে ওই সাদা কাপড়টি ছিল।

এ ঘটনার জন্য ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হলেও হত্যার নিন্দা জানিয়ে বিক্ষোভ করছেন ইসরায়েলের সাধারণ নাগরিকরা। এছাড়া এখনও যেসব ইসরায়েলি নাগরিক হামাসের কাছে জিম্মি রয়েছে, সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে তাদেরকে মুক্ত করার জন্য ইসরায়েলি সরকারের ওপরও চাপ বাড়ছে।

গাজা উপত্যকায় এখনও প্রায় ১২০ জন ইসরায়েলি হামাসের হাতে বন্দী রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। ওই হামলায় প্রায় ১২০০ ইসরায়েলি নাগরিক নিহত হয়।

হামলার ঘটনার পর প্রতিশোধ হিসেবে গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। হামাসকে নিশ্চিহ্ন করার লক্ষ্যেই অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইডিএফ। এই অভিযানে ১৯ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। এছাড়া উদ্বাস্তু হয়েছে আরও কয়েক লাখ মানুষ।

পিএমও কর্মকর্তা পরিচয়ে ৬ নারীকে বিয়ে, প্রতারক গ্রেফতার
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

কখনো তিনি নিউরোসার্জন, কখনো চিকিৎসক, কখনো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) কর্মকর্তা, কখনো আবার জাতীয় তদন্ত সংস্থার (এনআইএ) উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সহযোগী। আসলে তিনি কে? সেটি এখনো নিশ্চিত না হলেও ওই ব্যক্তি যে একজন প্রতারক, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

কারণ, এতগুলো পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে অন্তত ছয়জন নারীকে বিয়ে করেছিলেন ওই ব্যক্তি। এর বাইরে আরও কয়েকজন নারীর সঙ্গে গড়ে তুলেছিলেন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। এমনই এক দুর্ধর্ষ প্রতারককে সম্প্রতি গ্রেফতার করেছে ভারতের পুলিশ।

এনডিটিভির খবরে জানা যায়, ৩৭ বছর বয়সী সায়াদ ইশান বুখারি ওরফে ইশান বুখারি ওরফে ডা. ইশান বুখারিকে গত শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) উড়িষ্যার জয়পুর জেলার নেউলপুর গ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে ওড়িশা পুলিশ স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।

অভিযুক্ত ব্যক্তি একাধিক ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণা করে আসছিলেন। পাকিস্তানের বিভিন্ন ব্যক্তি এবং কেরালায় সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার সংযোগ রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

তবে এসটিএফ ইন্সপেক্টর জেনারেল জে এন পঙ্কজ বলেছেন, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সের (আইএসআই) সঙ্গে ওই ব্যক্তির যোগসূত্র খুঁজে পায়নি ভারতীয় পুলিশ।

জানা যায়, কথিত ইশান বুখারি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত কর্নেল ইউনিভার্সিটির একটি জাল মেডিকেল সার্টিফিকেট তৈরি করেছিলেন। ডাক্তার হিসেবে নিজের পরিচয় নির্ভুল প্রমাণ করতে কানাডিয়ান হেলথ সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট এবং তামিলনাড়ুর খ্রিস্টান মেডিকেল কলেজের জাল সনদও জোগাড় করেছিলেন এই প্রতারক।

পরিচয় বদলে লোক ঠকাতে আন্তর্জাতিক ডিগ্রির পাশাপাশি বিভিন্ন হলফনামা, বন্ড, এটিএম কার্ড, ব্ল্যাংক চেক, আধার কার্ড এবং ভিজিটিং কার্ডও ব্যবহার করতেন ওই ব্যক্তি। অভিযান চালিয়ে তার কাছ থেকে ১০০টির বেশি নথি এবং বেশ কয়েকটি ‘অপরাধমূলক বস্তু’ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এসটিএফ কর্মকর্তা পঙ্কজ জানান, বহুরূপী লোকটি পরিচয় বদলে উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, উড়িষ্যা, কাশ্মীরসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের অন্তত ছয়জন নারীকে বিয়ে করেছিলেন এবং আরও কয়েকজন নারীর সঙ্গে রোমান্টিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন।

তিনি জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে রাষ্ট্রবিরোধী বিষয়বস্তুর যোগসূত্র রয়েছে। তবে তার আসল উদ্দেশ্য জানতে বিশদ তদন্ত প্রয়োজন। ওই ব্যক্তি পাকিস্তানি গুপ্তচর হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না এ কর্মকর্তা।

পশ্চিমবঙ্গে ইটভাটার চিমনি ধসে ৩ শ্রমিক নিহত
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

ইটভাটায় কাজ চলাকালীন চিমনি ভেঙে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটলো পশ্চিমবঙ্গে। এতে মৃত্যু হয়েছে তিন শ্রমিকের, আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের ইটিন্ডাঘাটার ধলতিতা গ্ৰামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বসিরহাটের কৃষ্ণা ইটভাটা কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর বুধবার রাতে ফের ইট তৈরির কাজ শুরু হয়। ভাটার চিমনির ভেতরের ডাম্পারে আগুন জ্বালানো হয়। এই ডাম্পারের ভেতরেই কাঁচা মাটির ইট রেখে পোড়ানোর কাজ হয়।

ইটভাটার মালিক সঞ্জয় ঘোষ ডাম্পারে আগুন জ্বালানোর জন্য উত্তর প্রদেশ থেকে দক্ষ শ্রমিকদের এনেছিলেন। তারা আগুন জ্বালানোর কিছুক্ষণ পরেই হঠাৎ বিকট শব্দে হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ে ইটভাটার জ্বলন্ত চিমনি। এতে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন বেশ কয়েকজন শ্রমিক।

খবর দেওয়া হয় বসিরহাট থানার পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন স্থানীয়রাও।

আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত বসিরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের কলকাতার আরজিকর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আগুন জ্বালানোর পর ইটভাটার ডাম্পারের ভেতর হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এর ফলে চিমনিটি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহতরা হলেন হাফিজুর রহমান (৩২), হাফিজুল মণ্ডল (৩৫) ও রাকেশ কুমার(৪০)। প্রথম দুজন স্থানীয় বাসিন্দা, আর রাকেশ কুমারের বাড়ি উত্তর প্রদেশ।

গাজায় যুদ্ধবিরতির পক্ষে জাতিসংঘে প্রস্তাব পাস
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

গাজায় মানবিক যুদ্ধবিরতির পক্ষে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। ১৯৩ সদস্য বিশিষ্ট পরিষদে এই প্রস্তাব পাস হয়েছে।

প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে ১৫৩টি দেশ। ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছে ২৩ দেশ এবং ১০টি দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও সাধারণ পরিষদে পাস হওয়া এই রেজোলিউশনটি মানা বাধ্যতামূলক নয়, তারপরও এটি বৈশ্বিক মতামতের সূচক হিসেবে কাজ করে থাকে।

জাতিসংঘে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত আব্দুল আজিজ আলওয়াসিল ভোটের পরে জানিয়েছেন, যারা এই খসড়া প্রস্তাবটিকে সমর্থন করেছেন তাদের আমরা ধন্যবাদ জানাই। এতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মতামত প্রতিফলিত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ১৮ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৫০ হাজারের কাছাকাছি।

এর আগে গাজার স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যাওয়ার জন্য গাজা স্ট্রিপের কোথাও কোনো নিরাপদ স্থান নেই। কারণ সেখানে ইসরায়েলের প্রাণঘাতী হামলা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, গাজায় নির্বিচারে বোমা হামলা চালানোর কারণে বিশ্বজুড়ে সমর্থন হারাচ্ছে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের নেতৃত্বের সমালোচনা করে এটাই সবচেয়ে কড়া বিবৃতি।

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৪ সালে পুনরায় নির্বাচনের প্রচারণায় ডেমোক্র্যাট দলের ডোনারদের অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট বাইডেন এসব কথা বলেছেন। কিন্তু গত ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলের ভেতরে হামলা চালানোর পর থেকে ইসরায়েলের প্রতি প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে অকুণ্ঠ সমর্থন দিতে দেখা গেছে।

রাফায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২০
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

অবরুদ্ধ গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফা সীমান্তে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ফিলিস্তিনি মেডিকেল সূত্র জানিয়েছে, সেখানে কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে সাত শিশু এবং কমপক্ষে পাঁচ নারী রয়েছেন। খবর আল জাজিরার।

শহরের উত্তরাঞ্চলে বিমান হামলা চালিয়ে তিনটি বাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ ধ্বংস করছে ইসরায়েল। গাজায় ইসরায়েলের হামলার নিন্দা জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার শতাধিক ইতিহাসবিদ একটি খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। তারা বলছেন, গাজার অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসবিদদের দাবি ফিলিস্তিনিদের জীবন ধ্বংস করা এবং ফিলিস্তিনিদের জন্য গাজায় বসবাস করা অসম্ভব করে তোলাই ইসরায়েলি বাহিনীর মূল লক্ষ্য।

সেখানে স্বাক্ষর করা ব্যক্তিরা গাজার বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, গ্রন্থাগার, আর্কাইভ, মসজিদ এবং গীর্জা ধ্বংসের কথাও উল্লেখ করে বলেন, ইতিহাসবিদ হিসাবে আমরা এটিকে জনগণের অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের উপর আক্রমণ হিসাবেই দেখছি।

গাজার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় গত সপ্তাহে (পিডিএফ) জানিয়েছে যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত সেখানে ২৮ জন সাংস্কৃতিক কর্মী নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে সঙ্গীতশিল্পী, প্রকাশক এবং লোক নৃত্যশিল্পীও রয়েছেন।

গাজায় ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। গত কয়েকদিন গাজার বিভিন্ন অংশে অভিযান আরও জোরদার করেছে ইসরায়েলি সেনারা। প্রতিদিনই সেখানে হামলায় শত শত ফিলিস্তিনি প্রাণ হারাচ্ছে। আপাতত যুদ্ধবিরতিরও কোনো সম্ভাবনা নেই।

তীব্র লড়াইয়ের কারণে ওই অঞ্চলে খাবার, পানি এবং প্রয়োজনীয় জিনিসের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, গাজার প্রায় অর্ধেক মানুষই এখন অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা আল জাজিরাকে বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ২৯৭ জন প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ৫৫০ জনের বেশি মানুষ। গত ৭ অক্টোবরের পর থেকে এখন পর্যন্ত সেখানে ১৮ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই নারী এবং শিশু।

রোববার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস এবং এর আশেপাশে তীব্র লড়াই অব্যাহত ছিল। এদিকে দক্ষিণে অভিযান বাড়ানোয় লোকজনকে সেখান থেকে উত্তর দিকে সরে যেতে বলা হয়েছে। কিন্তু যারা দক্ষিণ থেকে পালিয়ে এখন উত্তরে অবস্থান করছেন তারা এই পরিস্থিতিকে ‘মৃত্যু যাত্রা’ বলে উল্লেখ করেছেন।

খান ইউনিসে যারা আছেন তাদের আল-মাওয়াসিতে পালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেটা খুবই বিপজ্জনক একটি এলাকা বলে মনে করা হয়। সেখানে থাকার মতো কোনো জায়গায়ই নেই। বেশিরভাগ বাড়ি-ঘর, ভবনই ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে। সেখানে পানি, খাবার, বিদ্যুৎ সরবরাহ নেই। সেখানে টয়লেটে যাওয়ারও সুযোগ নেই। পরিস্থিতি এখন খুব দ্রুত অবনতি হচ্ছে।

গাজার ২৩ লাখ মানুষের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশই এখন বাস্তুহারা। সেখানে যুদ্ধবিরতির সাত দিনে যে পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছেছে তা খুবই সামান্য। অবিলম্বের সেখানে খাবার, পানি এবং অন্যান্য মৌলিক জিনিসপত্র সরবাহ করা প্রয়োজন। কিন্তু পুনরায় যুদ্ধবিরতি না হলে সেটাও সম্ভব নয়। এদিকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আটকে দিয়েছে জাতিসংঘ।

যুক্তরাষ্ট্রে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত, ৬ জনের মৃত্যু
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের বেশ কিছু অংশে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে কমপক্ষে ৬ জন নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার (৯ ডিসেম্বর) ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানে। টেনেসির রাজধানী নাশভিলের উত্তরাঞ্চলীয় শহরতলীতে তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া বাকি তিন জনের মধ্যে দুজন প্রাপ্ত বয়স্ক এবং এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে ক্লার্ক্সভিলে শহরে।

শহরের মেয়র জো পিটস জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। একই সঙ্গে সেখানে রোববার পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে। জো পিটস বলেন, এটি একটি বিধ্বংসী পরিস্থিতি। যারা প্রিয়জনদের হারিয়েছেন তাদের পরিবারের জন্য আমাদের হৃদয় ব্যথিত। যে কোনো পরিস্থিতিতে লোকজনের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।

এদিকে মন্টগোমেরি কাউন্টি সরকার বলছে, ঘূর্ণিঝড়ের পর আশেপাশের এলাকা থেকে আরও ২৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন।

কাউন্টির মেয়ার ওয়েম গোল্ডিং বলেন, এটা আমাদের কমিউনিটির জন্য একটি দুঃখজনক দিন। যারা অসুস্থ এবং যারা প্রিয়জন বা স্বজন হারিয়েছে এবং বাড়ি-ঘর হারিয়েছে তাদের জন্য আমাদের প্রার্থনা রইল।

ঘুর্ণিঝড়ের কারণে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস শনিবার টেনেসিতে ঘূর্ণিঝড়ের একাধিক সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কবলে ১৩ দেশের ৩৭ জন
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৩ দেশের ৩৭ জনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) কানাডা ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সমন্বিতভাবে মার্কিন রাজস্ব ও পররাষ্ট্র দপ্তর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত বছর থেকে মানবাধিকার লঙ্ঘন ইস্যুতে এক ডজন দেশের দেড় শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন রাজস্ব দপ্তর। বাজেয়াপ্ত করেছে তাদের সম্পদ। এসব ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন করলে মার্কিন নাগরিকরাও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

আগামী রোববার বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হবে মানবাধিকার দিবস। তার আগে নতুন করে এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিলো যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন রাজস্ব দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা দুই ইরানি গোয়েন্দা কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ২০২০ সালে কুদস বাহিনীর কমান্ডার কাসেম সোলেইমানি হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযানের জন্য লোক নিয়োগ করেছিলেন এই কর্মকর্তারা।

মজিদ দাস্তজানি ফারাহানি এবং মোহাম্মদ মাহদি খানপুর আরদেস্তানি নামে ওই দুই ইরানি কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন ধর্মীয় স্থান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারির জন্যেও লোক নিয়োগ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছেন তালেবান সদস্যরাও। নারী ও মেয়েদের দমনপীড়নের অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এছাড়া, আফগানিস্তানের তথাকথিত নৈতিকতা প্রচার এবং অনৈতিকতা প্রতিরোধ মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন চীনের মধ্যম শ্রেণির দুই কর্মকর্তাও। দেশটির জিনজিয়াং অঞ্চলে উইঘুর মুসলিমদের নিপীড়নে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি, উইঘুর ও চীনের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের দিয়ে জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগে তিনটি চীনা কোম্পানি থেকে পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছে মার্কিন সরকার।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার শিকারদের তালিকায় আরও রয়েছেন কঙ্গোর নেতা, হাইতির চারটি অপরাধী দলের প্রধান এবং উগান্ডা প্রিজন সার্ভিসের কমিশনার জেনারেল।

সমকামিতায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে সম্প্রতি কঠোর আইন পাস করেছে উগান্ডা সরকার। এর বিরুদ্ধেই সোচ্চার হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়া, লাইবেরিয়া, দক্ষিণ সুদান এবং মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের লোকদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ওয়াশিংটন।

গাজার দক্ষিণে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

তিন দিনের ভারী বোমাবর্ষণ শেষে এবার গাজার দক্ষিণাঞ্চলে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি সৈন্যরা। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর রেডিওতে প্রচারিত প্রাথমিক খবরে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, বর্তমানে তারা খান ইউনিসের উত্তরে অভিযান চালাচ্ছে।

এছাড়া খান ইউনিস শহরের কাছাকাছি জায়গায় ইসরায়েলি একটি ট্যাঙ্কের ছবিও প্রকাশ হয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) প্রধান দেশটির সৈন্যদের জানিয়েছেন যে, তারা দক্ষিণ গাজায় জোরালোভাবে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গাজা ডিভিশনের অতিরিক্ত সৈন্যদের সাথে নিজেদের সামরিক লক্ষ্যের বিষয়ে কথা বলেন আইডিএফ প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারজি হালেভি। এ সময় হামাস কমান্ডারদের হত্যার বিষয়েও কথা বলছিলেন তিনি।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর এই প্রধান বলেন, গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে জোরালোভাবে যুদ্ধ করেছি। এখন আমরা গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলেও একইভাবে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছি।

আইডিএফের এক মুখপাত্রও পরে নিশ্চিত করেছেন যে, সম্মুখ যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়াসহ পুরো গাজা উপত্যকা জুড়ে স্থল অভিযান অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।

এদিকে, কাতারের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধে যে এক সপ্তাহের বিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল তা গত শুক্রবার শেষ হয়।
এরপর গাজায় আবারও ব্যাপকভাবে বোমা হামলা শুরু করে ইসরায়েল, যেটিকে এখন পর্যন্ত হওয়া সবচেয়ে বড় হামলা হিসাবে বর্ণনা করেছেন খান ইউনিসের বাসিন্দারা।

৭ দিনের যুদ্ধবিরতিতে ইসরায়েলি কারাগার থেকে ২৪০ জন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এর বিনিময়ে হামাস ১১০ জন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে। রোববার সকালে খান ইউনিসের বেশ কয়েকটি এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

গাজার উত্তরাঞ্চলে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হাজার হাজার উদ্বাস্তু দক্ষিণাঞ্চলে এসে আশ্রয় নেয়। এসব উদ্বাস্তুদের মধ্যেই হামাসের সদস্যরা লুকিয়ে রয়েছে বলে দাবি ইসরায়েলের। এখন গাজার দক্ষিণাঞ্চলকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাদের আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে।

এবার যুক্তরাষ্ট্রে শিখ নেতাকে হত্যার ষড়যন্ত্র, ভারতীয় গ্রেফতার
                                  

ডিটিভি অনলাইন ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রে এক শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে একজন ভারতীয়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর এ নিয়ে একটি অভিযোগপত্র প্রকাশ করেছে। তাতে লেখা হয়েছে যে, হত্যা পরিকল্পনা করার জন্য গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি এক ভারতীয় নাগরিক এবং তিনি একজন ভাড়াটে খুনিকে এ কাজে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র প্রাথমিক অভিযোগপত্র প্রকাশ করার পরেই চেক প্রজাতন্ত্র থেকে ভারতীয় নাগরিক নিখিল গুপ্তা ধরা পড়েন। যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে ৫২ বছর বয়সী নিখিল গুপ্তা এখনও ওই দেশেই আটক রয়েছেন। তিনি নগদ এক লাখ মার্কিন ডলার দিয়ে ভাড়াটে এক খুনিকে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য নিয়োগ করতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সেই ভাড়াটে খুনি আসলে ছিলেন একজন ছদ্মবেশী ফেডারেল এজেন্ট।

যদিও যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর এটা উল্লেখ করেনি যে কাকে হত্যার পরিকল্পনার জন্য চেক প্রজাতন্ত্র থেকে ওই ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। তবে কয়েকদিন আগে ব্রিটিশ সংবাদপত্র ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের খবরে বলা হয় যে, ভারতে ঘোষিত সন্ত্রাসী গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নুকে হত্যার ষড়যন্ত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ করে দিয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, ওই ঘটনাতেই ধরা পড়েছেন ভারতীয় নাগরিক নিখিল গুপ্তা। পান্নু ভারতে ২০২০ সাল থেকেই ঘোষিত সন্ত্রাসী আর তিনি যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার দ্বৈত নাগরিক। এ বিষয়ে ভারত সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে জানানো হয়েছিল বলে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলছেন, এই ঘটনা প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে এতটাই বিচলিত করেছিল যে সিআইএর পরিচালক উইলিয়াম বার্নস আর ডিরেক্টর অব ন্যাশানাল ইন্টেলিজেন্স অ্যাভ্রিল হেইনসকে তিনি ভারতে পাঠিয়েছিলেন।

তারা বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী জানিয়েছেন যে, পুরো ঘটনায় একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বিবিসির এশিয়ান নেটওয়ার্কের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নু প্রশ্ন তুলেছেন, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার ফলাফলের মুখোমুখি হতে ভারত প্রস্তুত আছে তো?

তিনি আরও বলেন, যারাই তাকে হত্যা করার চেষ্টা করছে, তারা ভারতীয় কূটনীতিক হোন অথবা ভারতের গুপ্তচর হোক সবাইকেই আইনের মুখোমুখি হতে হবে।

কয়েক মাস আগে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো অভিযোগ তুলেছিলেন যে তার দেশের এক শিখ নাগরিককে হত্যা করেছে ভারত সরকারের এজেন্টরা। এ বিষয়ে কানাডার কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য আছে বলেও দাবী করেছিলেন ট্রুডো। ওই অভিযোগ তোলার পর ভারতের সঙ্গে কানাডার এক অভূতপূর্ব কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, নিখিল গুপ্তা আন্তর্জাতিক মাদক ও অস্ত্র পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং মে মাসে ভারত সরকারের একজন কর্মকর্তা তাকে হত্যা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য নিয়োগ করেছিলেন।

অভিযোগ করা হয়েছে যে, নিখিল গুপ্তাকে এই পরিকল্পনা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রে একজন সহযোগীর সঙ্গে যোগাযোগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এরপর নিউ ইয়র্ক শহরে ওই হত্যাকাণ্ড চালাতে পারে এমন একজন ভাড়াটে খুনির সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেন নিখিল গুপ্তা।

কিন্তু সেই ভাড়াটে খুনির বদলে একজন ছদ্মবেশী আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তার সঙ্গে তাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যিনি বলেছিলেন যে তিনি এক লাখ ডলারের বিনিময়ে ওই হত্যাকাণ্ড চালাতে পারবেন।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, গত ৯ জুন এক সহযোগীর মাধ্যমে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার অগ্রিম নিখিল গুপ্তা। সেই লেনদেনের ছবিও অভিযোগপত্রে যুক্ত করা হয়েছে। মার্কিন বিচার বিভাগ প্রাথমিক অভিযোগ প্রকাশের পরই ৩০ জুন চেক প্রজাতন্ত্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নিখিল গুপ্তাকে গ্রেফতার করে।

আদালতের নথি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে তারা এখনও তাকে আটক করে রেখেছে। এর আগে চলতি বছরের জুনে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জারকে গুলি করে হত্যা করা হয়। গত সেপ্টেম্বরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, নিজ্জার হত্যাকাণ্ডে ভারতের হাত থাকার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ রয়েছে তার দেশের কাছে।

ট্রুডো ওই অভিযোগ তোলার পর ভারত এবং কানাডার মধ্যে এক অভূতপূর্ব কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়। কানাডার অভিযোগকে ভারত ভিত্তিহীন ও অযৌক্তিক বলে অভিহিত করে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো যখন নিজ্জার হত্যাকাণ্ডে ভারতের জড়িত থাকার অভিযোগ এনে তদন্তে সহযোগিতা চেয়েছিলেন, তখন ভারত তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।

ভারত কেবল এই অভিযোগই প্রত্যাখ্যান করেনি, এমন কিছু পদক্ষেপও নিয়েছে যা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে এখন চরম অবনতি হয়েছে। দিল্লিতে কানাডিয়ান হাই কমিশনে কূটনীতিকদের সংখ্যা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল ভারত। কানাডায় ভারতীয় হাই কমিশনে উপস্থিত ভারতীয় কূটনীতিকদের সংখ্যার চেয়ে তাদের সংখ্যা কম বলে জানানো হয়।

কানাডা ভারতের অবস্থানকে আন্তর্জাতিক চুক্তির লঙ্ঘন বলে অভিহিত করে এবং এরপর নিজেদের ৪১জন কূটনীতিককে ফিরিয়ে নিয়েছে। ভারত কানাডার নাগরিকদের জন্য ই-ভিসা পরিষেবাও বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে সম্প্রতি তা আবারও চালু হয়েছে।


   Page 1 of 26
     আন্তর্জাতিক
পৌষের শেষ দিন শীতে কাঁপছে কলকাতা
.............................................................................................
ড্রোন হামলার জবাবে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
.............................................................................................
ভারতে ৭ মাসে সর্বোচ্চ সংক্রমণ, আরও একজনের মৃত্যু
.............................................................................................
চীনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃত্যু বেড়ে ১৩১
.............................................................................................
বিরোধীদের দমনপীড়ন-নির্বাচনের নিয়ম পরিবর্তন করে ফের ক্ষমতায় সিসি
.............................................................................................
ভারতে ফের বাড়ছে করোনা, বিভিন্ন রাজ্যে সতর্কতা
.............................................................................................
উচ্ছিষ্ট খাবার দিয়ে সাদা কাপড়ে লিখে সাহায্য চেয়েছিল জিম্মিরা
.............................................................................................
পিএমও কর্মকর্তা পরিচয়ে ৬ নারীকে বিয়ে, প্রতারক গ্রেফতার
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গে ইটভাটার চিমনি ধসে ৩ শ্রমিক নিহত
.............................................................................................
গাজায় যুদ্ধবিরতির পক্ষে জাতিসংঘে প্রস্তাব পাস
.............................................................................................
রাফায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২০
.............................................................................................
গাজায় ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত, ৬ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কবলে ১৩ দেশের ৩৭ জন
.............................................................................................
গাজার দক্ষিণে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল
.............................................................................................
এবার যুক্তরাষ্ট্রে শিখ নেতাকে হত্যার ষড়যন্ত্র, ভারতীয় গ্রেফতার
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় নির্মাণাধীন ভবন ধসে তিন বাংলাদেশির মৃত্যু
.............................................................................................
৪ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতাল খালি করার নির্দেশ ইসরায়েলের
.............................................................................................
গাজার সংঘাতে জাতিসংঘের শতাধিক কর্মী নিহত
.............................................................................................
‘বিদ্যুৎবিহীন’ বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যাম্পাসে উচ্ছ্বাস
.............................................................................................
জার্মান বিমানবন্দরে গাড়ি নিয়ে ঢুকে পড়লো অস্ত্রধারী, শিশুকে জিম্মি
.............................................................................................
ফের গাজায় সব ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন
.............................................................................................
পরিবারের অমতে প্রেম, মায়ের হাতে কিশোরী খুন
.............................................................................................
গাজায় ‘অভিযান’ সহজে থামবে না: নেতানিয়াহু
.............................................................................................
গাজায় হাসপাতালের কাছে বিস্ফোরণ, হতাহত ৫০
.............................................................................................
জাতিসংঘ মহাসচিবের পদত্যাগ দাবি ইসরায়েলের
.............................................................................................
এবার দুই ইসরায়েলি নারীকে মুক্তি দিলো হামাস
.............................................................................................
বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রায় দেড় কোটি টাকার সোনা পাচারকালে আটক ২
.............................................................................................
চীপ রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা, চীনের চরম অসন্তোষ
.............................................................................................
গাজায় ত্রাণ সহায়তার জন্য রাফাহ ক্রসিং খুলে দিচ্ছে মিশর
.............................................................................................
তেলের দাম ফের ১০০ ডলার ছোঁয়ার শঙ্কা
.............................................................................................
মেক্সিকোতে বাস খাদে পড়ে নিহত ১৬
.............................................................................................
শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো জাপান, সুনামি সতর্কতা জারি
.............................................................................................
স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর, বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহবান
.............................................................................................
নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ হলেন মোদি
.............................................................................................
মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা
.............................................................................................
মোদীর ভাষণ বয়কটের ঘোষণা দিলেন আরও এক ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসওম্যান
.............................................................................................
ইসরায়েলে ঢুকে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে হিজবুল্লাহ
.............................................................................................
লক্ষ্মীপুরে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মাদ্রাসাছাত্রকে হত্যার অভিযোগ
.............................................................................................
বিএনপি’র বিরুদ্ধে মার্কিন ভিসানীতি কী ব্যবস্থা নেয় তা দেখার বিষয়: ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
শেখ হাসিনার মমতা দেখে অভিভূত বিমানের যাত্রীরা
.............................................................................................
বৃষ্টি বাড়তে পারে, কমবে তাপপ্রবাহের আওতা
.............................................................................................
‘ইউক্রেনের জন্য শর্ত শিথিল করবে না ন্যাটো’
.............................................................................................
ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়: ভারতে দুই জনের মৃত্যু, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ১০০০ গ্রাম
.............................................................................................
উত্তেজনা বাড়িয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু সাবমেরিন
.............................................................................................
কানাডার মধ্যাঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত
.............................................................................................
কানাডার মধ্যাঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত
.............................................................................................
দক্ষিণ কোরিয়ার বন্দরে প্রবেশ করেছে মার্কিন পরমাণু চালিত সাবমেরিন
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডব্লিউটিও’র মহাপরিচালকের সাক্ষাত
.............................................................................................
বিকেলে আঘাত হানবে ‘ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়’, ভারত-পাকিস্তানে সতর্কতা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
চেয়ারম্যান: এস.এইচ. শিবলী ।
সম্পাদক, প্রকাশক: জাকির এইচ. তালুকদার ।
হেড অফিস: ২ আরকে মিশন রোড, ঢাকা ১২০৩ ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বাড়ি নং ২, রোড নং ৩, সাদেক হোসেন খোকা রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা ১০০০ ।
ফোন: 01558011275, 02-৪৭১২২৮২৯, ই-মেইল: dtvbanglahr@gmail.com
   All Right Reserved By www.dtvbangla.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop    
Dynamic SOlution IT Dynamic POS | Super Shop | Dealer Ship | Show Room Software | Trading Software | Inventory Management Software Computer | Mobile | Electronics Item Software Accounts,HR & Payroll Software Hospital | Clinic Management Software Dynamic Scale BD Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale Digital Load Cell Digital Indicator Digital Score Board Junction Box | Chequer Plate | Girder Digital Scale | Digital Floor Scale