বিগত ১৪/০৬/২০২৬ ইং তারিখে “দৈনিক ঈশান” অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ১৫/০৬/২০২৬ ইং তারিখে “সপ্তাহিক পূর্বধারা” অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত ও প্রচারিত যথাক্রমে “কাজী সাঈদার দূর্নীতি/ কাঁপছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের হিসাব শাখা” এবং “রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল কমিশনের জালে বন্দি বিল: নিপা ভাইরাসের কবলে হিসাব শাখা” শীর্ষক মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মানহানিকর ও উদ্দেশ্যপ্রনোদিত সংবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনাপূর্বক উক্ত সংবাদটি অপসারণ ও প্রত্যাহারের নিমিত্তে নোটিশ । বিগত ১৪/০৬/২০২৬ ইং তারিখে “দৈনিক ঈশান” অনলাইন নিউজ পোর্টালে “কাজী সাঈদা দূর্নীতি/ কাঁপছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের হিসাব শাখা” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে “দৈনিক ঈশান । দৈনিক ঈশান”নামীয় ফেসবুক পেইজ হইতে উক্ত সংবাদ শেয়ার ও প্রচার করা হয় ৷ বিগত ১৫/০৬/২০২৬ ইং তারিখে “সাপ্তাহিক পূর্বধারা” অনলাইন নিউজ পোর্টালে “রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল কমিশনের জালে বন্দি বিল: নিপা ভাইরাসের কবলে হিসাব শাখা” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে “পূর্বধারা। পূর্বধারা” নামীয় ফেসবুক পেইজ হইতে উক্ত সংবাদ শেয়ার ও প্রচার করা হয়। উক্ত সংবাদে আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে যেসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তাহা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যেপ্রনোদিত। প্রকাশিত সংবাদে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে একতরফাভাবে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। যাহার ফলে আমার মক্কেলের সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা, সুনাম ও ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে। আমার মক্কেল জনাবা কাজী সাঈদা বেগম, হিসাব কর্মকর্তা/ সংগ্রহ, বাংলাদেশ রেলওয়ে, পূর্বাঞ্চল চট্টগ্রাম সফলতার সহিত গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করে ২০১২ সালে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে মেধার ভিত্তিতে বাংলাদেশ রেলওয়েতে “অডিটর” পদে যোগদান করেন। পরবর্তীতে নিজ যোগ্যতা, কর্মদক্ষতা ও বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইয়া ক্রমান্বয়ে “হিসাব রক্ষক” এবং সর্বশেষ “হিসাব কর্মকর্তা” পদে পদোন্নতি লাভ করিয়া রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ডিএফএ/স্টোরস এন্ড প্রকিউরমেন্ট শাখায় অত্যন্ত সুনামের সহিত কর্মরত আছেন। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছরের চাকুরি জীবনে তাহার বিরুদ্ধে কখনো কোন ধরণের বিভাগীয় তদন্ত কিংবা অনিয়ম/দূর্নীতির কোন অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি। প্রকাশিত সংবাদে অবকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিল ও অর্থছাড় প্রক্রিয়ায় আমার মক্কেলের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উত্থাপন করা হইয়াছে। অথচ বাস্তবে অবকাঠামো উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট বিল প্রক্রিয়াকরণ ব্যয় শাখার কার্যপরিধিভূক্ত বিষয়। আমার মক্কেল যে শাখায় কর্মরত, উক্ত শাখায় এই ধরণের উন্নয়ন প্রকল্পের বিল অনুমোদন বা নিষ্পত্তির কোন দাপ্তরিক এখতিয়ার বা দায়িত্ব নাই ৷ ফলে সংবাদে উত্থাপিত অভিযোগ প্রকৃতপক্ষে প্রশাসনিক কাঠামো ও বাস্তবতার সহিত সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ। প্রকাশিত সংবাদে কমিশন গ্রহণ, বিল আটকে রাখা, ভূয়া বিলের কাগজ তৈরী করে অর্থ আত্মসাৎ, বিল ছাড়ে কমিশনে, উর্ধ্বতনদের ভাগ-বাটোয়ারা এবং ঠিকাদারদের হয়রানির অভিযোগ উত্থাপন করা হইলেও কোন অভিযোগকারী ঠিকাদারের পূর্ণ নাম, পরিচয়, প্রতিষ্ঠানের নাম, লিখিত অভিযোগ,বিল নম্বর কিংবা কোনপ্রকার গ্রহণযোগ্য নথি উপস্থাপন করা হয় নাই। এমনকি সংবাদে কথিত কোন একজন ভূক্তভোগী ব্যক্তির পরিচয়ও প্রকাশ করা হয় নাই। অধিকন্তু, প্রকাশিত সংবাদের একাধিক স্থানে “ক্ষুব্ধ কর্মচারী/ ভুক্তভোগী ঠিকাদার/ প্রকিউরমেন্ট শাখার কর্মচারী/ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র” এর বরাত দিয়ে গুরুতর দূর্নীতি, কমিশনবাণিজ্য, অর্থ আত্মসাৎ এবং ঘুষের অর্থ বন্টনের অভিযোগ উত্থাপন করা হইয়াছে। কিন্তু উক্ত অভিযোগের সমর্থনে কোন ব্যক্তির পরিচয়, লিখিত অভিযোগ বা গ্রহণযোগ্য কোন প্রমাণ উপস্থাপন করা হয় নাই। কেবলমাত্র নাম পরিচয়বিহীন ও অযাচাইকৃত বক্তব্যের উপর ভিত্তি করিয়া একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দূর্নীতির এমন অভিযোগ প্রকাশ করা সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিমালার পরিপন্থি। ফলে উক্ত সংবাদ তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন না হইয়া কেবল অনুমান, গুজব ও উদ্দেশ্যপ্রনোদিত অভিযোগের সমষ্টি বলিয়া প্রতীয়মান হয়। প্রকাশিত সংবাদে আমার মক্কেলের সম্পদ সম্পর্কেও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করা হইয়াছে। প্রকৃতপক্ষে তিনি সরকারি বাসভবনে বসবাস করেন এবং তাহার নামে উল্লেখযোগ্য কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি নাই। অতএব অবৈধ সম্পদ অর্জনের ইঙ্গিত সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও কল্পনাপ্রসূত। উক্ত সংবাদে আমার মক্কেলের স্বামীকেও ‘দূর্নীতিগ্রস্থ্#৩৯; হিসেবে উপস্থাপন করা হইয়াছে। অথচ তিনি জনতা ব্যাংকের একজন “প্রিন্সিপাল অফিসার” হিসেবে দীর্ঘদিন যাবৎ সুনাম, সততা ও দক্ষতার সহিত চাকুরি করিয়া আসিতেছেন। এমনকি আমার মক্কেলের স্বামীর নামে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি নাই । তাহার বিরুদ্ধেও কোন বিভাগীয় তদন্ত কিংবা অনিয়ম/ দূর্নীতি অভিযোগের অস্তিত্ব নাই। কোন তথ্য প্রমাণ ব্যতিরেকে আমার মক্কেল ও তাহার স্বামীর সুনাম ক্ষুন্ন করা কঠোর শাস্তিযোগ্য মানহানিকর কর্মকান্ডের সামিল। “দৈনিক ঈশান” অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদে আমার মক্কেলের ফেসবুক আইডি সম্পর্কেও বিভ্রান্তিকর ইঙ্গিত প্রদান করা হইয়াছে। প্রকৃতপক্ষে তিনি বাংলাদেশ রেলওয়ে চাকরিতে যোগদানের বহুবছর পূর্বহতেই উক্ত ফেসবুক আইডি ব্যবহার করিয়া আসিতেছেন । চাকরিতে যোগাদানের সহিত ব্যবহৃত ফেসবুক আইডির কোন সম্পর্ক নাই। “সাপ্তাহিক পূর্বধারা” অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদে আমার মক্কেলের প্রকৃত নামের পরিবর্তে “নিপা ভাইরাস” বলে আখ্যায়িত করা হইয়াছে। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তির নাম বিকৃত বা ব্যাঙ্গাত্মক উপাধি ব্যবহার করা মূলধারা সাংবাদিকতার পরিপন্থী। উক্ত মন্তব্য আমার মক্কেলের ব্যক্তিগত মর্যাদার উপর গুরুতর আঘাত হানিয়াছে। ইহা সুস্পষ্টভাবে বিদ্বেষপ্রসূত, অশালীন, অবমাননাকর উপস্থাপনা যাহার কোন যৌক্তিকতা পরিলক্ষিত হয় না। সংবাদ প্রকাশের পূর্বে “ইব্রাহিম খলিল” এবং “মোহাম্মদ মহিউদ্দিন” নাম পরিচয়দানকারী দুইজন ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে আমার মক্কেলের নিকট হইতে মৌখিক বক্তব্য গ্রহণ করেন। আমার মক্কেল উত্থাপিত প্রশ্নসমূহের বিস্তারিত উত্তর প্রদান করিলেও প্রকাশিত সংবাদে তাহার বক্তব্য হুবহু প্রকাশ করা হয়নি, বরং গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ দিয়া প্রসঙ্গবিচ্ছিন্ন ও অসম্পূর্ণভাবে বিকৃত আকারে উত্থাপন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, উক্ত কথোপকথনের সম্পূর্ণ অডিও রেকর্ড বর্তমানে আমার মক্কেলের নিকট সংরক্ষিত রহিয়াছে। যাহা প্রয়োজনে যথাযথ কর্তৃপক্ষ বা বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করা হইবে। “ইব্রাহিম খলিল” নাম পরিচয়দানকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতীতেও ভূয়া সংবাদ প্রকাশ ও পেশাগত অসদাচরণ সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ রহিয়াছে বলিয়া আমার মক্কেল ইতোমধ্যে অবগত হইয়াছেন। আমার মক্কেলের দৃঢ় বিশ্বাস, তাহার অধীনস্থ কিছু অসাধু ও স্বার্থান্বেষী কর্মচারী নিজেদের অনৈতিক স্বার্থ হাসিল করিতে ব্যর্থ হইয়া আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাইতেছে এবং প্রকাশিত সংবাদটি উক্ত অপপ্রচারেরই অংশ। উক্ত সংবাদটি যথাযথ তথ্য যাচাই, অনুসন্ধান ও নিরপেক্ষ মূল্যায়ন ব্যতিরেকে প্রকাশ করা হইয়াছে। যাহা আমার মক্কেল ও তাহার পরিবারের সামাজিক মর্যাদা, পেশাগত সুনাম ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তির মারাত্মক ক্ষতিসাধন করিয়াছে। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে মত প্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা স্বীকৃত হইলেও তাহা কোন ব্যক্তির সুনাম ও মর্যাদা ক্ষুন্ন করার অবাধ অধিকার প্রদান করে না। কোন ব্যক্তির সুনামহানি ঘটানো এবং এমন মিথ্যা, ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশ মানহানির অপকর্ম হিসেবে গণ্য হয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি হিসেবে আমার মক্কেল ক্ষতিপূরণ দাবি করার আইনগত অধিকার রাখেন । তদুপরি দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ৫০০ ধারায় মানহানির শাস্তির বিধান রহিয়াছে। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত সাংবাদিকতার নৈতিক মানদন্ড অনুসরণ না করায় এবং সংবাদটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শেয়ার ও প্রচারিত হওয়ায় আমার মক্কেল সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ অনুযায়ীও প্রতিকার পাওয়ার অধিকারী হন। এক্ষণে, প্রকাশিত উক্ত সংবাদের বিরুদ্ধে আমার মক্কেলের পক্ষে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করিতেছি। ভবিষ্যতে এরূপ মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ ও প্রচার হইতে বিরত থাকার লিখিত নিশ্চয়তা প্রদানসহ উক্ত প্রতিবেদন অতিস্বত্বর অনলাইন প্লাটফর্ম হইতে চিরতরে অপসারণ করিতে হইবে এবং আমার মক্কেল ও তাহার পরিবারের নিকট নিঃশর্ত লিখিত ক্ষমা প্রার্থনা করিতে হইবে।একইসাথে প্রকৃত তথ্য সম্বলিত এই প্রতিবাদলিপিটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল “দৈনিক ঈশান” এবং “সাপ্তাহিক পূর্বধারা” পত্রিকায় যথাযথ গুরুত্ব সহকারে প্রকাশের জন্য জানানো হইলো। অন্যথায়, দেশের প্রচলিত আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে । কাজী সাঈদার পক্ষে - মোহাম্মদ সাইফুল আজিম, এলএল.বি.(অনার্স), এলএল.এম. এডভোকেট, সুপ্রীম কোর্ট অব বাংলাদেশ (হাইকোর্ট ডিভিশন) ও জজ কোর্ট, রুম নং- নাম্বার ৪২৬ (৪র্থ তলা), আইনজীবী এনেক্স ভবন ১, কোর্ট হিল, চট্টগ্রাম । মোবাইল - ০১৮৩১৮১৮২১৬।